মূলা এশিয়ায় জন্মানো পুষ্টি উপাদান ও ভেষজগুণ সমৃদ্ধ সবজি

সবজি

মুলা

বৈজ্ঞানিক নাম: Raphanus sativus. সাধারণ নাম: Daikon, Raphanus sativus var. longipinnatus, White Radish. বাংলা নাম: মূলা
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Brassicales পরিবার: Brassicaceae গণ: Raphanus প্রজাতি: Raphanus sativus

পরিচিতি: অঞ্চল ভেদে মূলার আকার ভিন্ন হয়। এটি মাটির নিচের সবজি। এই গাছ চিকন ডাল বিশিষ্ট। এর পাতা সবুজ ও ফুল সাদা, কালো, লাল হয়ে থাকে। ফুল ছোট ছোট গুচ্ছ হয়। ফল দেখতে সরিষার ফলের মতো। ফলের ভেতরে বীজ হয়। এই কন্দ শাকটির আমাদের অনেকের কাছেই পরিচিতি। কারণ এটি ভারত ও বাংলাদেশে প্রায় সর্বত্রই শাক ও তরকারি হিসেবে খাওয়ার জন্য চাষ করা হয়। বাংলায় একে মূলা আর হিন্দি ভাষী অঞ্চলের মানুষ এটিকে মূলী বলেI শীতপ্রধান অঞ্চলে ১২ মাস চাষ হয়। এই গাছ ৮ থেকে ১০ হাজার ফুট উচ্চতায়ও চাষ হয়ে থাকে; তবে উষ্ণপ্রধান অঞ্চলে কেবল মাত্র শীতকালেই চাষ হয়। ভারতের জৌনপুর অঞ্চলের এক একটি মূলা মানুষের উরুর মতো মোটা হতে দেখা যায়; হয়তো আবহাওয়া ও মাটির জন্যই এর এতটা বাড় বৃদ্ধি। পাশ্চাত্য উদ্ভিদবিজ্ঞানীগণ বলেন লাল রংয়ের মূলা নাকি বৃটেন থেকে এসেছে। মুলার ভেষজ উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন

মুলার ঔষধি গুনাগুণ

বিস্তৃতি: মূলার আদি নিবাস ভারত ও চীনে। এছাড়াও মুলা বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানে ভালো ফলন দেয়।

চাষ পদ্ধতি: শীতের শেষে মূলা গাছে ফুল, তারপর সরষের মতো শুঁটি ও বীজ হয়। এই বীজ পুনরায় চাষ হয়ে থাকে। জমির মাটি কোদাল বা অন্য কিছু দিয়ে চাষ করে মাটি নরম করতে হবে। এরপরে বীজ ছিটিয়ে দিতে হবে। সময় মতো সার ও পানি দিলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। কচি মূলার শাক খাওয়া যায়। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে যত্ন নিতে হবে বেশি।

আরো পড়ুন:  চালকুমড়া বা জালিকুমড়ার ১৫টি ঔষধি গুণ ও ব্যবহার

ব্যবহারোপযোগী অংশ: মূলা ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়; বিশেষ করে এর পাতা, মূল, ফুল ও বীজ ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্রঃ  

১. আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য, চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ২, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৩, পৃষ্ঠা, ১১৬।

বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি উইকিপিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: Le grand Cricri

Leave a Comment

error: Content is protected !!