সাদা কলমির (Merremia umbellata) বিস্তৃতি আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশের কক্সবাজার, ঢাকা, জামালপুর, রাঙ্গামাটি এবং সিলেট জেলায় জন্মে। এর ব্যবহার্য অংশ হলো গাছের পাতা, বীজ, মূল।
সাদা কলমির ভেষজ গুণাগুণ
১. এই উদ্ভিদটি অস্থির, প্রদাহ নিবারক, মূত্রবর্ধক, বাত, স্নায়ুতন্ত্র, মাথাব্যথা ইত্যাদির চিকিৎসায় এর ক্বাথ কার্যকরী কাজ করে। কানের ঘা, ফোড়া ইত্যাদির ক্ষেত্রে ক্বাথ কানের ড্রপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
২. সাদা কলমির পাতাগুলি উপশমকারী। শুকনো ও গুঁড়ো পাতাগুলি মৃগীরোগের চিকিৎসা হিসেবে নাকে শুঁকলে উপকার পাওয়া যায়। পাতা পিষে পোড়া, ফোড়া, আলসার, ঘা এবং চুলকানি দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। পাতা একটি ক্বাথ, হলুদের গুঁড়া সাথে মিশিয়ে হাতের ফাটল এবং পায়ের তলায় লাগানো হয়।
৩. বীজ জলে ভিজিয়ে রাখলে, একটি মিউকিলেজ তৈরি হয় যা ত্বকের রোগের চিকিৎসায় একটি উপকারী এবং বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. কন্দগুলি হালকা রেচক এবং আমাশয়ের প্রতিকার হিসেবে ব্যাপকভাবে গ্রহণ করা হয়।
৫. রক্তমেহ প্রতিকার হিসেবে এর মূলের ক্বাথ পান করা হয়। মূল থেকে তৈরি একটি পেস্ট বা গুঁড়ো, যা প্রায়শই জোয়ার ময়দা এবং জলের সাথে মিশ্রিত করা হয়, ফোলা জায়গায় পোল্টিস হিসাবে প্রয়োগ করা হয়। মূলের আঠা একটি শোধনকারী হিসাবে নেওয়া হয়।
তথ্যসূত্র:
১. “Merremia umbellata”, Useful Tropical Plants, ইউআরএলঃ https://tropical.theferns.info/viewtropical.php?id=Merremia+umbellata
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।