ভূমিকা
প্রকৃতির বিশাল ভাণ্ডারে এমন কিছু উদ্ভিদ রয়েছে যা একই সাথে ঔষধি গুণসম্পন্ন এবং গঠনগত দিক থেকে বৈচিত্র্যময়। আজ আমরা আলোচনা করব আরোহী কাষ্ঠল গুল্ম বনরিটা নিয়ে,যা তার কাঁটাযুক্ত শাখা-প্রশাখা এবং চমৎকার পুষ্পমঞ্জরীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চল থেকে শুরু করে বাংলাদেশের পাহাড়ি বনভূমিতে এই উদ্ভিদটির দেখা পাওয়া যায়। শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, বরং ভেষজ চিকিৎসা এবং দৈনন্দিন ব্যবহারেও এই উদ্ভিদটির রয়েছে অনন্য গুরুত্ব। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই উদ্ভিদের গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং এর বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত।
বিবরণ
বনরিটা মূলত লতানো বা আরোহী গুল্ম জাতীয়। সময়ের সাথে সাথে এটি শক্ত বা কাষ্ঠল লতায় পরিণত হয়। এর শাখা-প্রশাখাগুলোতে ছোট ছোট কাঁটা থাকে, যা গাছটিকে অন্য কিছু আঁকড়ে ধরতে সাহায্য করে। কচি অবস্থায় এর ডালগুলো মখমলের মতো নরম ও লোমশ মনে হলেও, বয়স বাড়ার সাথে সাথে তা মসৃণ হয়ে যায়। উদ্ভিদটির পাতার গোড়ায় হৃৎপিণ্ড আকৃতির ছোট উপপত্র দেখা যায়। এগুলো আকারে সাধারণত ৩ থেকে ৮ মিলিমিটার লম্বা এবং ১.৫ থেকে ৬ মিলিমিটার চওড়া হয়। এই উপপত্রগুলো কিছুটা পশমী বা লোমশ প্রকৃতির হয়ে থাকে, তবে এগুলো খুব দ্রুতই ঝরে পড়ে। এর প্রধান পত্রাক্ষটি সাধারণত ৬ থেকে ১৬ সেন্টিমিটার লম্বা হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। পত্রাক্ষের গায়ে রোম থাকতে পারে অথবা এটি মসৃণও হতে পারে। এছাড়া এর নিচের দিকে কমবেশি কাঁটার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। গাছটির পত্রবৃন্ত ১.৫ থেকে ৫.২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। বৃন্তের গোড়ার কিছুটা উপরে একটি বিশেষ ধরনের উপবৃদ্ধি বা গ্রন্থি থাকে, যা দেখতে অনেকটা উপবৃত্তাকার বা বৃত্তাকার। এই অংশটি প্রায়ই কিছুটা নিচু বা অবতল প্রকৃতির হয়ে থাকে। এই উদ্ভিদটির প্রতিটি পাতায় ৫ থেকে ১১ জোড়া পর্যন্ত ক্ষুদ্র শাখা বা ‘পক্ষ’ থাকে। এই পক্ষগুলো সাধারণত ১.৫ থেকে ২.৮ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, ১ থেকে ৩ জোড়া পক্ষের সংযোগস্থলে ছোট আকৃতির একটি উপবৃদ্ধি বা গ্রন্থি দেখতে পাওয়া যায়, যা উদ্ভিদটিকে চিনতে সাহায্য করে। প্রতিটি পক্ষে ১০ থেকে ৩৫ জোড়া অত্যন্ত ছোট ছোট পত্রক সাজানো থাকে। এই পত্রকগুলো লম্বায় ৩.৫ থেকে ১১.৫ মিলিমিটার এবং চওড়ায় মাত্র ০.৮ থেকে ৩.৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়। এদের আকৃতি অনেকটা সরু এবং লম্বাটে ধরনের হয়ে থাকে। পত্রকগুলোর গোড়ার দিকটা কিছুটা অসমান। এর শীর্ষভাগ বা মাথা কখনো গোলাকার, আবার কখনো সূঁচালো ও তীক্ষ্ণ হতে পারে। এছাড়া পত্রকের চারপাশের কিনারাগুলো খুব সূক্ষ্ম লোম বা সিলিয়া দ্বারা আবৃত থাকে, যা খালি চোখে দেখলে বেশ মসৃণ মনে হয়। উদ্ভিদটির ফুলের বিন্যাস বা পুষ্পমঞ্জরী বেশ চমৎকার। এটি সাধারণত খর্বাকার এবং পাতার কাক্ষিক অংশ থেকে উৎপন্ন হয়। গোলকাকার এই শিরমঞ্জরীগুলো কখনো কখনো ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। মঞ্জরীদণ্ডগুলো একা থাকে না, বরং ১ থেকে ৪টি দণ্ড একসাথে একটি গুচ্ছ তৈরি করে। প্রতিটি গোলাকার পুষ্পক শিরের ব্যাস প্রায় ৭ থেকে ১২ মিলিমিটার হয়ে থাকে।
এর ফুলগুলো আকারে বেশ ক্ষুদ্র এবং বোঁটাহীন বা অবৃন্তক। ফুলগুলো উভলিঙ্গ এবং পাঁচটি অংশে বিভক্ত (৫-গুণিতক)। ফুটন্ত ফুলের রঙ অনেকটা ননীর মতো সাদা হলেও,মুকুল অবস্থায় এগুলো গাঢ় লাল রঙের দেখায়,যা উদ্ভিদটিতে এক ধরণের বৈচিত্র্য আনে। ফুলের বৃতি নলাকার এবং এটি ২.০ থেকে ৩.২ মিলিমিটার লম্বা হয়। এর পাঁচটি ত্রিকোণাকার বা ডিম্বাকার দাঁত সদৃশ অংশ রয়েছে,যা বেশ তীক্ষ্ণ। বৃতিগুলো মসৃণ হতে পারে অথবা সূক্ষ্ম রোমযুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে,ফুলের পাপড়ি বা দলমণ্ডল ৩ থেকে ৪ মিলিমিটার লম্বা হয়, যা বৃতির তুলনায় কিছুটা বড়। ফুলের ভেতর থেকে পুংকেশরগুলো বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকে, যেগুলোর দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.৫ মিলিমিটার। উদ্ভিদটির গর্ভাশয় বেশ মসৃণ এবং এটি আকারে ০.৮ থেকে ১.৫ মিলিমিটার লম্বা হয়। এই গর্ভাশয়টি একটি ছোট বৃন্তের ওপর থাকে এবং এর উপরিভাগ রেশমের মতো কোমল হয়। এই উদ্ভিদটির ফল মূলত লম্বাটে পড বা শুঁটি জাতীয়। এগুলো লম্বায় ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার এবং চওড়ায় প্রায় ১.৭ থেকে ২.৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। ফলের কিনারাগুলো প্রায়ই ঢেউখেলানো এবং কিছুটা কুঁচকানো থাকে। ফলের আবরণ বা ভালভগুলো বেশ পুরু এবং রসালো হয়। তবে ফল যখন শুকিয়ে যায়, তখন এটি অনেক বেশি কুঁচকে যায় এবং ভঙ্গুর বা সহজে ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থায় পরিণত হয়। ফলের ভেতরে বীজের মাঝখানে পাতলা পর্দার মতো অংশ থাকে। শুঁটির ভেতরে থাকা বীজের আকার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। এগুলো সাধারণত ৬.৫ থেকে ১১ মিলিমিটার লম্বা এবং ৪.৫ থেকে ৮ মিলিমিটার চওড়া হয়। বীজের আকৃতি অনেকটা উপবৃত্তাকার থেকে গোলকাকার হয়ে থাকে। বীজের গায়ে একটি বিশেষ রেখা বা ‘প্লিউরোগ্রাম’ দেখা যায়, যা ৫ থেকে ১০ মিলিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। বীজগুলো বেশ বৈচিত্র্যময় এবং দেখতে চিত্রবিচিত্রিত হতে পারে। এর একটি প্রান্ত বা মাইক্রোপাইল অংশটি উন্মুক্ত থাকে। ফলটি পেকে গেলে নিচের দিকের সংযোগ রেখা বরাবর ফেটে যায় এবং বীজগুলো বাইরে বেরিয়ে আসে। ক্রোমোসোম সংখ্যা: 2n = ২৬।
চাষবাস
- আবাসস্থল ও পরিবেশ: এই উদ্ভিদটি মূলত বৈচিত্র্যময় পরিবেশে বেড়ে উঠতে সক্ষম। এটি সাধারণত চিরহরিৎ বর্ষা অরণ্য বা রেইনফরেস্ট এবং কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত বা উপদ্রত বনাঞ্চলে বেশি দেখা যায়। এছাড়া খালের পাড়, মাঠের কিনারা কিংবা উন্মুক্ত তৃণভূমিতেও এর দেখা পাওয়া যায়। এমনকি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫০ মিটার থেকে শুরু করে ১৫০০ মিটার পর্যন্ত উঁচুতে এবং চুনাপাথর সমৃদ্ধ পাহাড়ি এলাকাতেও এই গাছটি জন্মাতে পারে।
- ফুল ও ফল ধারণের সময়: প্রকৃতির ঋতুচক্র অনুযায়ী এই উদ্ভিদে ফুল ও ফল আসার একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে এই গাছটি ফুলে-ফলে ভরে ওঠে। যারা এই উদ্ভিদের সংগ্রহ বা চাষ করতে চান, তাদের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- বংশ বিস্তার পদ্ধতি: উদ্ভিদটি প্রাকৃতিকভাবে বীজের মাধ্যমেই বংশ বৃদ্ধি করে। ফলের ভেতরে থাকা পরিপক্ক বীজগুলো অনুকূল পরিবেশে নতুন চারা জন্ম দিতে সাহায্য করে।
বিস্তৃতি
- ভৌগোলিক বিস্তৃতি: এই উদ্ভিদটি মূলত এশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের একটি সহজাত প্রজাতি। ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন এবং ফিলিপাইন পর্যন্ত এর বিস্তৃতি রয়েছে। এই বিশাল অঞ্চলের জলবায়ু ও মাটির সাথে গাছটি চমৎকারভাবে মানিয়ে নিয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রাপ্তিস্থান: বাংলাদেশেও এই উদ্ভিদটি প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি জেলাগুলোতে এটি বেশি দেখা যায়। সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার গভীর ও মিশ্র চিরহরিৎ বনভূমিগুলো এই গাছের জন্য উপযুক্ত আবাসস্থল।
গুণাগুণ
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও ঔষধি ব্যবহার: এই উদ্ভিদটি বিভিন্ন দেশে ভেষজ চিকিৎসা ও দৈনন্দিন কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে চীন এবং জাপানে এর ফলকে বমনকারক, মূত্রবর্ধক এবং প্রাকৃতিক রেচক (Laxative) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিডনির সমস্যা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এই ফলের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত।
- আঞ্চলিক ও ভেষজ চিকিৎসা: ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে এই গাছের পাতা ও ফল পিত্ত সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ম্যালেরিয়া জ্বরের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এটি বেশ কার্যকর। বাহ্যিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে চর্মরোগ যেমন—দাদ, অ্যাকজিমা, কুষ্ঠ সদৃশ দাগ এবং ফোঁড়া নিরাময়ে এই উদ্ভিদের প্রলেপ বা পট্টি দেওয়া হয়।
- চুল ও ত্বকের যত্ন: চুলের যত্নে এই উদ্ভিদটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। ভারতে এটি চুলের দ্রুত বৃদ্ধি এবং খুশকি দূর করার জন্য একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া প্রতিষেধক। এর ফল থেকে তৈরি ক্বাথ চুলের পরিচ্ছন্নতায় ‘হেয়ার ওয়াশ’ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এছাড়া স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী, সন্তান প্রসবের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এর বীজ ব্যবহৃত হয়।
- রান্না ও অন্যান্য বিবিধ ব্যবহার: ফিলিপাইনে এই উদ্ভিদের টক বা অম্লীয় ফল রান্নার স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, এর কাণ্ড চূর্ণের একটি বিশেষ গুণ রয়েছে যা মাছের বিষ হিসেবে কাজ করে। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের আদিবাসীরা মাছ শিকারের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করেন; পানিতে কাণ্ড চূর্ণ ছিটিয়ে দিলে মাছ অচেতন হয়ে ভেসে ওঠে, যা সহজে মাছ শিকারে সাহায্য করে।
আরো পড়ুন:
- পানি কেশুরী বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- বড়কুচ পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- ময়নাকাঁটা বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- নাগেশ্বর পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- কুমারি বুড়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারি বৃক্ষ
- সিন্দুরি গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মে
- শাল গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- ছোট জাগরা বাংলাদেশের পাহাড়ীঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- দেশি জাগরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বৃক্ষ
- ভল্লা পাতা জাগরা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- বড় কুকুরচিতা চিরহরিৎ ভেষজ বৃক্ষ
- বড়হরিনা ভেষজ গুণসম্পন্ন ম্যানগ্রোভ বৃক্ষ
- পুবদেশি বনচালতা বাংলাদেশের ভেষজ উদ্ভিদ
- পলক জুঁই সুগন্ধি আলংকারিক বৃক্ষ
- গন্ধাল রঙ্গন দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ছোট বৃক্ষ
- গোমরিয়া গামার পার্বত্যঞ্চলের ভেষজ বৃক্ষ
- চালমুগড়া বা ডালমুগরি পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- ঝাউয়া বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ
- স্থল পদ্ম গ্রীষ্মমন্ডলে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ
- হরপুল্লি বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো বৃক্ষ
- দাকুম দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো পত্রঝরা বৃক্ষ
- পানিসরা বা পিচান্দি উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের উপকারী বৃক্ষ
- ফলসা দক্ষিণ এশিয়ার জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ
- দেশি কার্পাস এশিয়ায় জন্মানো বর্ষজীবী বৃক্ষ
- দেশি কচুয়া পূর্ব এশিয়ায় জন্মানো চিরহরিৎ বৃক্ষ
- অরনি বা বাতঘ্নী এশিয়ায় জনানো ভেষজ উদ্ভিদ
- চিল্লা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গাছ
- স্বর্ণমূলা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ
- সপ্তরঙ্গী-এর ভেষজ গুণ সম্পন্ন বৃক্ষ
- মায়াফল গাছ-এর তেরটি ভেষজ গুণাগুণ
তথ্যসূত্র:
১. বি এম রিজিয়া খাতুন (আগস্ট ২০১০) “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস” আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। খন্ড ৬ষ্ঠ, পৃষ্ঠা ১৪৭-১৪৮। আইএসবিএন 984-30000-0286-0
বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: Dinesh Valke
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।
