কালো এবোনি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৃক্ষ

বৈজ্ঞানিক নাম: Diospyros ferrea.

সমনাম: Pisonia buxifolia Rottb. (1783), Ehretia ferrea Willd. (1794), Maba buxifolia (Rottb.) Juss. (1804), Diospyros buxifolia (Blume) Hiern (1873).

ইংরেজি নাম: Black ebony, Philippine Ebony Persimmon.

স্থানীয় নাম: কালো এবোনি।

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস

জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants

 শ্রেণী: Eudicots

উপশ্রেণি: Asterids

বর্গ:  Ericales

পরিবার:

গণ: Diospyros

প্রজাতি: Diospyros ferrea (Willd.) Bakh., Gard. Bull. Str. Settl. 7: 162 (1933).

বর্ণনা:  কালো এবোনি এবিনাসি পরিবারের ডিয়োসপিরোস গণের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির বৃক্ষ। এরা প্রায় ২৫ মিটার উঁচু, পল্লব মসৃণ। পত্র দীর্ঘায়ত বা উপবৃত্তাকার, ৪-১১ x ২-৪ সেমি, মূলীয় অংশ সূক্ষ্মাগ্র, শীর্ষ গোলাকার, স্থূলাগ্র বা ভোঁতা, উভয় পৃষ্ঠ রোমশ বিহীন, বৃন্ত ৩-৪ মিমি লম্বা, প্রথমে রোমশ পরবর্তীতে রোমশ বিহীন।

পুষ্প একলিঙ্গ, এ্যাংশক। বৃতি ঘন্টাকার, মূলীয় অংশ বিভাজিত, উভয় পৃষ্ঠ ক্ষুদ্র ঘন কোমল রোমাবৃত। দলমন্ডল কলসাকার, এক ষষ্ঠাংশ বিভাজিত, ৪-৭ মিমি লম্বা। পুংপুষ্প ১-৪ টি, নিয়ত মঞ্জরীতে বিন্যস্ত, বৃন্তক বা অবৃন্ত, পুংকেশর ৩-১২ টি, রোমশ বিহীন। স্ত্রীপুষ্প একল বা নিয়ত মঞ্জরীতে বিন্যস্ত, বৃন্ত ১-২ মিমি লম্বা, রোমশ, গর্ভাশয় ডিম্বাকার, রোমশ বিহীন, ৬-৮ প্রকোষ্ঠী, গর্ভদন্ড একটি, রোমশ বিহীন, বন্ধ্যা পুংকেশর ৩-৬টি। ফল বেরি, উপবৃত্তাকার থেকে গোলাকার রোমশ বিহীন, ১.০-১.৫ সেমি লম্বা, ১ বীজী। সস্য মসৃণ। ফুল ও ফল ধারণ ঘটে মার্চ-জুন।

ক্রোমোসোম সংখ্যা: জানা নেই।

আবাসস্থল: বেলাভূমি এবং শুষ্ক চিরহরিৎ অরণ্য।

বিস্তৃতি: শ্রীলংকা, মায়ানমার, লাওস, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন। বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য স্যাংঙুয়ারী থেকে রিপোর্টকৃত (Uddin et al., 2003)।

অর্থনৈতিক ব্যবহার ও গুরুত্ব: কাষ্ঠ থেকে বিভিন্ন আসবাব তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

জাতিতাত্বিক ব্যবহার: জানা নেই।

বংশ বিস্তার: বীজে বংশ বিস্তার ।

প্রজাতিটির সংকটের কারণ: সীমাবদ্ধ বিস্তৃতি।

সংরক্ষণ: বর্তমান অবস্থা ও আশংকা মুক্ত (lc)।

আরো পড়ুন:  তেন্দু বা টেন্ডুপাতা বাংলাদেশ ভারত শ্রীলংকার অর্থকরী দারুবৃক্ষ

গৃহীত পদক্ষেপ: সংরক্ষণের পদক্ষেপ নেই।

প্রস্তাবিত পদক্ষেপ: আশু সংরক্ষণ নিষ্প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র:

১. এম আহসান হাবীব, (আগস্ট ২০১০)। “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস”  আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ। ৭ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ৩৬৩-৩৬৪। আইএসবিএন 984-30000-0286-0

Leave a Comment

error: Content is protected !!