আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জীবনী > এরিস্টটল ধ্রুপদী গ্রিসের দার্শনিক

এরিস্টটল ধ্রুপদী গ্রিসের দার্শনিক

এরিস্টটল বা এ্যারিস্টটল বা আরিস্তোতল (ইংরেজি: Aristotle) (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮৪ – ৭ই মার্চ, খ্রিষ্টপূর্ব ৩২২) ধ্রুপদী গ্রিসের দার্শনিক ছিলেন। তিনি প্লেটোর ছাত্র ছিলেন। পরে কিছুকাল আলেকজান্ডারের শিক্ষকতা করেন। দর্শনের অন্যতম অঙ্গ রাষ্ট্রবিদ্যা সম্পর্কে তাঁর বহুবিধ মৌলিক ভাবনা বিভিন্ন গ্রন্থে পাওয়া যায়।[১] জগৎ এবং জীবন সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের ক্ষেত্রে এ্যারিস্টটলের অবদান অতুলনীয়। প্রাচীন গ্রিক দর্শন এ্যারিস্টটলের হাতে চরম উৎকর্ষ লাভ করে।[২]

এরিস্টটল জন্মগ্রহণ করেন মেসিডোনিয়ায় একটি নগরে। মেসিডোনিয়া এবং মেসিডোনিয়ার সম্রাট ফিলিপ ও আলেকজাণ্ডারের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে এথেন্স নগরীতে তাঁকে পরবর্তী জীবনে বিরুদ্ধতার সন্মুখীন হতে হয়। কিন্তু মেসোডোনিয়ার সাম্রাজ্য বিস্তারকেও এ্যারিস্টটল সমর্থন করেন নি।

এরিস্টটল তাঁর গুরু প্লেটোর সঙ্গে অনেক বিষয়ে দ্বিমত পােষণ করতেন, যেমন তিনি গণতন্ত্র ও যৌথ শিক্ষা ব্যবস্থা মানতেন না। পরিবারকে তিনি রাজনৈতিক তথা সমাজদেহের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে দেখতেন, এবং পরিবারের সঙ্গে গৃহপরিবেশের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক থাকায় ব্যক্তিগত মালিকানায় বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর মতে কিছু মানুষ অপরের ইচ্ছাধীন থাকায় স্বভাবতই ক্রীতদাসে পরিণত হয়; শ্রম বিভাজনও তাই স্বাভাবিক ও সংগত, তাঁর দৃষ্টিতে নাগরিক হলেন তিনি যাঁর শাসনব্যবস্থায় পদাধিকার থাকে। কালক্রমে নাগরিকদের রাজনৈতিক দায়িত্ব সঞ্চারিত হয়েছে। এরিস্টটলের আদর্শ শাসনব্যবস্থার বর্ণনার ভিত্তিতে আধুনিক নানান নিয়মতন্ত্র গড়ে উঠেছে।

এরিস্টটল মনে করেন আদর্শ শাসনব্যবস্থায় ব্যক্তিমানুষের ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ও চালিত; আইন সবার উপরে; অর্থাৎ মূলে আইনের শাসন বিরাজ করে। তাতে সরকারেরও এমন এক চরিত্র আরােপিত হয়েছে যেটা আবহমান কাল যাবৎ প্রবহমান; তাতে শাসক ও শাসিতের মধ্যে একটা সৌহার্দের বন্ধন থাকে। নাগরিকদের রাজনৈতিক দায়দায়িত্বের সঙ্গে থাকে সুবিচার ব্যবস্থা এবং সেই নীতির ভিত্তিতে নাগরিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও রাষ্ট্রের সঙ্গে সবাইকার সম্পর্ক সুসংবদ্ধ হয়ে ওঠে। সুবিচারের রীতিনীতি থেকে সমতাবােধ বিকশিত হয়। বিচারব্যবস্থাসূত্রে ব্যক্তি মানুষের অধিকার ও কর্তব্য নিরূপিত হয়।

প্রচলিত ধারা থেকে উদ্ভূত অধিকার ও কর্তব্যকে তিনি বেশি গুরুত্ব দিতেন, কারণ শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত কর্তাদের খেয়ালখুশি মতাে লিখিত আইনকানুনের রদবদল হয়। জৈব প্রত্যয়ে তিনি রাষ্ট্রকে বিচার করতেন। সমগ্র বস্তু তার অংশের অগ্রবর্তী বটে, কিন্তু তার উপর নির্ভরশীল। রাজনীতির বেলায় সমাজ সংগঠনে যােগ দেওয়ার আগে ব্যক্তি থাকে অসম্পূর্ণ। সেই সংগঠনও মূলত রাজনৈতিক, তবে সেইসঙ্গে ন্যায়সংগত বলে সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে মানুষ হয়ে ওঠে সম্পূর্ণ ও সার্থক।

এরিস্টটলের রাজনীতিচিন্তা

এরিস্টটল পলিটিকস গ্রন্থে রাজনীতির নানা তত্ত্বের আলােচনা করেছেন। তিনি মনে করতেন সহজাত যুক্তি প্রবণতা থাকায় মানুষ একটি রাজনৈতিক জীব। তাই স্বভাবতই মানুষ রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে সেখানে বসবাসের মধ্য দিয়ে নিজের সত্তার পরিপূর্তি খোঁজে। সর্বাঙ্গসুন্দর রাষ্ট্রে পুণ্যচরিত্র মানুষের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রকৃতি অনুযায়ী সেখানে পাপ-পুণ্য বিরাজ করে।

এরিস্টটল মানসিকভাবে তিনি গ্রিসের দাস প্রধান নগর-গনতন্ত্রের সমর্থক ছিলেন। দাস এবং প্রভুর শ্রেণীভেদ জন্মগত বলেই তিনি মনে করতেন। কিন্তু তিনি স্বৈরতন্ত্রকে সমর্থন করেন নি। যুগের পরিপ্রেক্ষিতে এ্যারিস্টটলের চিন্তার ক্ষমতা এবং ব্যাপকতা যেরূপ বিষ্ময়কর ছিল, তেমনি তাঁর চিন্তাধারায় দাস-প্রধান গ্রিক সমাজের সীমাবদ্ধতার পরিচয়ও দুর্লভ নয়। জীবন ও জগতের এমন কোনো দিক ছিল না, যেদিকে এ্যারিস্টটল তাঁর গবেষণার দৃষ্টিকে প্রসারিত করেন নি। এ কারণে এ্যারিস্টটলকে জ্ঞানসমুদ্র বলে ষ্মরণ করা হয়।

এরিস্টটল রাষ্ট্রকে দুটি শ্রেণীতে ভাগ করেন: ক্ষমতার অধিকারী কে? এবং কার স্বার্থে সেটা ব্যবহৃত হয়? উত্তর হলো: কিছু লােক কিংবা সকলেই এবং ক্ষমতার অধিকারী ও অন্যদের স্বার্থে। আদর্শ সমাজব্যবস্থা হলো অভিজাততন্ত্র, যেখানে সর্বোত্তম কিছু ব্যক্তি, যারা স্বভাবতই সংখ্যায় কম তারা সবাইকার স্বার্থে ক্ষমতা প্রয়ােগ করে। যেহেতু সে আদর্শের রূপায়ণ কঠিন ও বজায় রাখা আরও কঠিন, তাই আরিস্তোতল এক ধরনের মিশ্র সমাজ ও রাষ্ট্রের সুপারিশ করেন যেখানে পালা করে সব নাগরিক শাসিত হয় ও শাসন করে; নির্দিষ্ট কোনও শ্রেণী ক্ষমতার মৌরসিস্বত্ব ভােগ করে না।

এরিস্টটলের প্রাকৃতিক দর্শনচিন্তা

এরিস্টটলের দর্শন এবং চিন্তাধারার বৈশিষ্ট্য এই যে, প্রকৃতিক রহস্য ভেদে তাঁর অভিমত প্রধানত বস্তুজগৎ এবং বস্তুজগৎ সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত। নিছক কল্পনার উপর নয়। কিন্তু প্লেটোর ভাববাদী প্রভাব তিনি সম্পূর্ণরূপে অতিক্রম করতে সক্ষম হন নি। এ কারণে এ্যারিস্টটলের দর্শনে বস্তুবাদ এবং ভাববাদের মিশ্রণ দেখা যায়।

এরিস্টটলের মতে বস্তুমাত্রেরই তিনটি রূপ আছে। বস্তুত্ব, আকার, গতি বা লক্ষ্য। বস্তুর বস্তুত্ব একদিকে অনড়, গতিহীন; কিন্তু অপর দিকে বস্তুর বস্তুত্বের মধ্যে বস্তুত্ব আকার, গতি এবং লক্ষ্যও নিহিত বা সুপ্ত। যা বস্তুর আকার তা বস্তুর অন্তনির্হিত বা সুপ্ত শক্তিরই প্রকাশ। কিন্তু সে জন্য বস্তুর আকার এবং বস্তুর বস্তুত্ব এক নয়। আকার বস্তু থেকে পৃথক। আকার ব্যতীত বস্তু কল্পনা করা যায় না। আকারই বস্তুকে উপলব্ধির যোগ্য করে। এ কারণে আকার অবশ্যই অধিকতর সত্য এবং চিরন্তন। বস্তুর পরিবর্তন কিংবা ক্ষয় আছে। কিন্তু আকারের পরিবর্তন বা ক্ষয় নাই। আকার অনুযায়ী বস্তুকে আমরা উপলব্ধি করি, বস্তু অনুযায়ী আকারকে নয়। আকারের এইরূপ ব্যাখ্যায় এ্যারিস্টটলীয় দর্শনের ভাববাদী বৈশিষ্ট্যটি প্রকট হয়ে দেখা দেয়। আকার থেকে এ্যারিস্টটল সমগ্র সৃষ্টির মূল শক্তি হিসাবে অতিপ্রাকৃতিক ঈশ্বরের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছিলেন। ঈশ্বর হচ্ছে সমস্ত অস্তিত্বের গতির উৎস। কিন্তু ঈশ্বরের নিজের কোনো গতি নেই। এ্যারিস্টটলের দার্শনিক ব্যাখ্যায় সব সময় ঐক্য এবং পারস্পর্যের সাক্ষাৎ মেলে না। বস্তু থেকে আকারকে পৃথক ভাবলেও এ্যারিস্টটল অন্যত্র প্লেটোকে এই কারণে তীব্র সমালোচনা করেছেন যে, প্লেটো সাধারণ ভাবকে (মনুষ্যত্ব, পশুত্ব ইত্যাদি) বিশেষ বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছেন। প্লেটোর সমালোচনা হিসাবে এক্ষেত্রে এ্যারিস্টটল এরূপ অভিমত পোষণ করেন যে, বিশেষ থেকে সাধারণ ভাবকে আদৌ পৃথক করা যায় না। বিশেষের মাধ্যমেই কেবল সাধারণ বা ‘নির্বিশেষ’ ভাবকে অনুধাবন করা চলে। প্লেটোর দর্শনের ক্ষেত্রে এ্যারিস্টটলের এই সমালোচনা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বস্তুত এ্যারিস্টটলের উপরোক্ত সমালোচনা ভাববাদের একটি মৌলিক সমালোচনা। এই সমালোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী বস্তুবাদী দর্শন বিকাশ লাভ করে।

দেহের গবেষণা অর্থ্যাৎ চিকিৎশাস্ত্রেও এ্যারিস্টটলের অবদান ষ্মরণীয়। তিনি দেহের প্রথম রোগ নিরাময়ের জন্য অস্ত্রোপচার এবং দেহ ব্যবচ্ছেদের পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। এ্যারিস্টটলের পিতা নিজে চিকিৎসাবিদ ছিলেন। এ্যারিস্টটলের শিশুকালে তিনি মারা গেলেও চিকিৎসা-বিজ্ঞানে গবেষণার পারিবারিক ঐতিহ্য হয়তো এ্যারিস্টটলকে প্রভাবান্বিত করেছিল।

অনুমান দর্শন প্রসঙ্গে

যুক্তিশাস্ত্র: এ্যারিস্টটল যুক্তিশাস্ত্রের পিতা বলে স্বীকৃত। মানুষের চিন্তা ও তার প্রকাশকে বিশ্লেষণ করে সুশৃঙ্খলভাবে তার প্রকার নির্ধারণ ইউরোপীয় দর্শনের ক্ষেত্রে এ্যারিস্টটলই সর্বপ্রথম করেন। যুক্তির মৌলিক বিধানগুলি তিনি লিপিবদ্ধ করেন। এই বিধানগুলি প্রায় অপরিবর্তিতভাবে আজও যুক্তিশাস্ত্রে গৃহীত এবং আলোচিত হচ্ছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পর্যবেক্ষণ এবং তুলনামূলক আলোচনার শুরুও এ্যারিস্টটলে।

সত্তা, গুণ, পরিমাণ বা সংখ্যা, সম্পর্ক, স্থান কাল, অবস্থান, করণ, অধিকরণ ইত্যাদি জ্ঞানসুত্রগুলির গভীর দার্শনিক ব্যাখ্যা এ্যারিস্টটল করেছিলেন। তাঁর সমস্ত সূত্রের অনেকগুলি জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আজও প্রযুক্ত হচ্ছে। এ্যারিস্টটলের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হচ্ছে, তাঁর সময় পর্যন্ত বিকশিত জ্ঞান-বিজ্ঞানের সমস্ত ক্ষেত্রকে তিনি সুসংবদ্ধ আকারে লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করেন। এ্যারিস্টটল থেকেই যে-কোনো সমস্যার সুসংবদ্ধ বৈজ্ঞানিক গবেষণার সূত্রপাত হয়েছে, একথা অবিসংবাদীরূপে সত্য।

এরিস্টটলের প্রভাব

গ্রিক শব্দ ‘পেরিপ্যাটেটিকস’ থেকে পেরিপ্যাটেটিক শব্দের উৎপত্তি। শব্দটির অর্থ ছিল চলমান অবস্থাতে কিছু করা। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল তাঁর লাইস্যুম দর্শনাগারে পদচারণা করতে করতে দর্শনের সমস্যাদি নিয়ে আলোচনা করতেন কিংবা বক্তৃতা দিতেন। এ কারণে তাঁর অনুসারীগণকে চলমান বা পেরিপ্যাটেটিক বলে অভিহিত করা হতো। এ্যারিস্টটলের প্রতিষ্ঠিত দর্শনাগার প্রায় এক হাজার বছর পর্যন্ত প্রাচীন জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রচার কেন্দ্ররূপে কার্যকর ছিল। এর কার্যকালকে সাধারণত ৩৩৫ খ্রিষ্টপূর্ব থেকে ৫২৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত বলে মনে করা হয়। এ্যরিস্টটলের মৃত্যুর পরে এই দর্শনাগারের সঙ্গে তাঁর যে সমস্ত অনুসারী যুক্ত ছিলেন তাঁদের মধ্যে থিওফ্রাস্টাস, স্ট্রাটো, এ্যড্রোনিকাস এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।[৩]

এরিস্টটলের দর্শনের বস্তুবাদী এবং বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য মধ্যযুগের অন্ধকার ভেদ করে নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণার সূচনায় এক বিরাট শক্তিশালী অস্ত্র হিসাবে কাজ করেছে। মুসলিম সভ্যতার আমলেও এ্যারিস্টটলের দর্শনই মুসলিম চিন্তাবিদদের ব্যাখ্যায় কেন্দ্র হিসাবে কাজ করেছে। এ্যারিস্টটলের তত্ত্বসমূহের বিরুদ্ধবাদী বা সমর্থনকারী সমালোচনাই মুসলিম চিন্তাবিদদের আলোচনাকে ধর্মবিশ্বাসাতিরিক্ত দার্শনিক আলোচনার গুণে গুনান্বিত করেছিল। মুসলিম দার্শনিকদের নিকট থেকে ইউরোপ এ্যারিস্টটলের পরিচয় লাভ করে। মধ্যযুগে ইউরোপের গোঁড়া ধর্মবিশ্বাস এ্যারিস্টটলের দর্শনের ভাববাদী তত্ত্বকে ধর্মতত্ত্বের পরিপোষক হিসাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। এর ভিত্তিতেই মধ্যযুগীয় স্কলাসটিসিজম বা যুক্তিবাদী ধর্মতত্ত্বের প্রতিষ্ঠা হয়। মার্কসবাদী দর্শনের অন্যতম প্রবক্তা ফ্রেডারিক এঙ্গেলস এ্যারিস্টটলকে প্রাচীন জ্ঞান দর্শনের শীর্ষমণি বলে আখ্যাত করেছেন।

তথ্যসূত্র

১. গঙ্গোপাধ্যায়, সৌরেন্দ্রমোহন. রাজনীতির অভিধান, আনন্দ পাবলিশার্স প্রা. লি. কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ, জুলাই ২০১৩, পৃষ্ঠা ৩৯।
২. সরদার ফজলুল করিম; দর্শনকোষ; প্যাপিরাস, ঢাকা; ৫ম মুদ্রণ জানুয়ারি, ২০১২; পৃষ্ঠা ৬৮।
৩. সরদার ফজলুল করিম; পূর্বোক্ত পৃষ্ঠা ৩০৭-৩০৮।

আরো পড়ুন:  সিসেরো ছিলেন প্রাচীন রোমের বাগ্মী, দার্শনিক এবং রাজনীতিক
Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১১টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page