আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জীবনী > ঋত্বিক ঘটক বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপরিচালক ও শ্রমিকের প্রতিনিধি

ঋত্বিক ঘটক বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপরিচালক ও শ্রমিকের প্রতিনিধি

ঋত্বিক ঘটক বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপরিচালক। একক ও অদ্বিতীয় এই মানুষটি অন্য কারো সাথেই তুলনীয় নন। গোটা দুনিয়াজোড়া খ্যাতিমান সত্যজিৎ রায়কেও ঋত্বিক ঘটকের সামনে নেহাত মাঝারি মনে হয়। ঋত্বিক ঘটক যেন গোটা দুনিয়ার মানুষের সংগ্রামকে বাংলা ভাষার চিত্রে ছোট ছোট জীবনের ক্যানভাসে তুলে ধরছেন। ঋত্বিক ঘটকের চরিত্রসমূহের লড়াই যেন গোটা দুনিয়ার নিপীড়িত মানুষের মহত্তম সংগ্রাম। তিনি বলেছিলেন,

‘আমৃত্যু আমার জীবনে কম্প্রোমাইজ করা সম্ভব নয়। সম্ভব হলে তা অনেক আগেই করতাম এবং ভালো ছেলের মতো বেশ গুছিয়ে বসতাম কেতা নিয়ে। কিন্তু তা হয়ে উঠলো না, সম্ভবত হবেও না। তাতে বাঁচতে হয় বাঁচব, না হলে বাঁচব না। তবে এই ভাবে শিল্পকে কোলবালিশ করে বাঁচতে চাই না।’[১]

৪ নভেম্বর এই অসাধারণ মানুষটির জন্মদিন; ১৯২৫ সালের এই দিনে ঢাকার জিন্দাবাজারে জন্মগ্রহণ করেন। ঋত্বিক ঘটক তৈরি করেছিলেন মোট আটটি সিনেমা। এর মধ্যে বিখ্যাত তিনটি ছবি ‘মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০), কোমল গান্ধার (১৯৬১) এবং সুবর্ণরেখা (১৯৬২); এই তিনটির মাধ্যমে তিনি প্রকাশ করেছেন বাংলা ভাগের চিত্র, রাজনীতি, উদ্বাস্তু।

ঋত্বিক ঘটক তাঁর প্রথম ছবি ‘অযান্ত্রিক’ তৈরি করেছিলেন সুবোধ ঘোষের ছোটগল্প ‘অযান্ত্রিক’ থেকে। এই ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন বিমল সেন। তাঁর একটি গাড়ি আছে যেটা দেখতে প্রায় অকেজো মনে হবে কিন্তু গাড়িটিকে বিমল প্রতিদিন ধোয়া মোছা করে, তেল ভরে। বিমল আদর করে গাড়ির নাম রাখে ‘জগদ্দল’। যুগের ক্ষয়ে যাওয়া সংস্কার বা বিশ্বাস যেমন মানুষ নিজের ভেতর জগদ্দল পাথরের মতো যত্ন করে রাখে তেমনি গাড়িটিকে বিমলের নিজের একাকীত্ব জীবনে সঙ্গী হিসাবে যত্নে রেখেছে। অনেকের ভরৎসনা ও উত্থান পতনের পরও ‘জগদ্দল’কে বেচতে চায়নি বিমল। কারণ ১৫ বছরের সাথী ছিলো ‘জগদ্দল’; গাড়িটি শুধু সঙ্গী হয়ে ছিলো না অন্নদাতা হিসেবেও ছিলো বিমলের জীবনে। সিনেমার শেষে দেখা যায় বিমল গাড়িটি বিক্রি করে দেয় এবং বিমলের সামনে গাড়িটিকে ভাঙ্গা হয়। সিনেমাটির মাধ্যমে পরিচালক ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন পুরনো নিয়ম, বিশ্বাস, সংস্কারকে ভেঙে ফেলে নতুন আলোর পথে পা বাড়াতে হবে।

নগর মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইকে ফুটিয়ে তোলা হয়ে ‘নাগরিক’ ছবিতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে কলকাতার বাস্তবচিত্র উঠে এসেছে এই ছবিতে। অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে নাগরিক জীবনে বেঁচে লড়ায় চলতে থাকে। এই ছবিতে নায়ক রামু বেঁচে থাকার তাগিতে প্রতিদিন শহরের পথে পথে হেঁটে বেড়ায়; আর সমাজের অসমতা তাঁর চোখ দিয়ে পরিচালক দর্শকের সামনে উপস্থাপন করেন। প্রতিদিন আশার নতুন স্বপ্ন দেখে কিন্তু দিন শেষে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরে রামু। ভেঙে পরে আবার উঠে দ্বারা। উমা প্রতি রামু ভালোবাসা থাকা শর্তেও সংসার জীবনে যেতে সাহস হয় না। প্রতিদিনের হতাশা তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। পালিয়ে বেড়ায় রামু নিজের প্রেম, দ্বায়িত্ব থেকে কিন্তু শেষে পরাজয় মেনে না নিয়ে উমাকেও জীবন সংগ্রামে পথে নামানোর জন্য দুজন রাতের আঁধারে বেরিয়ে পরে ছোট নতুন বাসার খোঁজে নতুনভাবে বাঁচবে বলে। রামুর লড়ায় শুধু তাঁর একার নয় এমন হাজার হাজার মানুষের। এই সিনেমায় সেসময়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ব্যবস্থা ঋত্বিক ঘটক তুলে ধরেছেন।

আরো পড়ুন:  শিল্প ও সততা

শিবরাম চক্রবর্তীর গল্প অবলম্বনে ঋত্বিক ঘটক পরিচালনায় করেন ‘বাড়ি থেকে পালিয়ে’ অসাধারণ এক ছবি। তবে ঋত্বিক ঘটক শিবরামের গল্প হুবহু অনুসরণ করেননি,  সংযোজন বিয়োজন করেছেন। কাঞ্চন নামে একটি আট বছরের ছেলে সারাক্ষণ তার গ্রামের বাড়িতে বদমায়েশি করে বেড়ায়। বাবা কাঞ্চনের মার উপর অত্যাচার চালান ও তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখেন বলে সে তার বাবাকে এক নিষ্ঠুর দৈত্য মনে করে। তার স্বপ্ন ছিলো মহানগর কলকাতা দেখার। পাঠ্য বই পড়ার সাথে সে গল্পের বই পড়ত। একদিন সে বাড়িতে পালয়ে কলকাতায় চলে যায় কিন্তু সেখানে পৌঁছে সে দেখতে পায় বাস্তব কত কঠিন এবং সেই নিষ্ঠুর বাস্তবতার যাঁরা শিকার হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। তার পরিচয় হয় বহুরুপী হরিদাস নামে এক ভাজাওয়ালার সাথে,  ফুটপাতের জাদুকর,  ছোট্ট মেয়ে মিনি ও তার পরিবারের সাথে। কাঞ্চন দেখে একদিকে উঠে চলছে আকাশচুম্বী দালানকোটা,  ব্রিজ আরেকদিকে উদ্বাস্তুদের মিছিল, একদিকে কিছু মানুষের খাবার অপচয় অন্যদিকে খাবার নিয়ে কুকুর মানুষের লড়াই। এসব দেখে কাঞ্চন বুঝতে পারে তার কাল্পনিক চিন্তার সাথে বাস্তবতার অনেক অমিন, তখন সে মাকে খোঁজে।

বাড়ি ফেরার সময় হরিদাস কাঞ্চনকে নিজের মুখোশ দেয়। কাঞ্চন বুঝতে পারে তার বাবা আদৌ দৈত্য নন; বরং তিনি দারিদ্রের শিকার।[২] তবুও তার বাবা নগরের নিষ্ঠুরতার চেয়ে স্নেহময় পিতা। এই সিনেমার মুখোশধারী ভাজাওয়ালা হরিদাস চরিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ পায় নগরের মানুষদের; নগরবাসিরা কোন না কোন স্বার্থ হাসিলের জন্য মুখোশ পরেছে আর আড়ালে আছে তাদের আসল রূপ।

মেঘে ঢাকা তারা’  এই সিনেমার কাহিনী একটি বাঙালী পরিবারকে নিয়ে। পঞ্চাশ দশকে অর্থাৎ ১৯৪৭ এর দেশভাগের পরে কলকাতার এক বাঙালি পরিবার আসে তাদের ঘিরে এই কাহিনীর আবর্তন।  ভারত ভাগের পর এই শরণার্থী পরিবার আশ্রয় নেয় কলকাতা শহরের প্রান্তে। ছবির মূল চরিত্র নীতা, পরিবারের বড় মেয়ে। পড়াশোনার পাঠ চুকানোর আগেই পরিবারের হাল ধরতে হয় তাকে। নীতার বৃদ্ধ বাবা স্কুলে পড়ায়; মা ঘরবাড়ি দেখাশোনা করে। নীতার দুই স্কুল পড়ুয়া ভাই-বোন, গীতা আর মন্টু। নীতার বড় ভাই শংকর; সংসারে মন নেই। শংকরের ধ্যান সুর নিয়ে, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত চর্চা করে; বড় মাপের সঙ্গীত শিল্পী হতে চায় সে। আশা ছাড়ে না নীতা; স্বপ্ন দেখে ভাই শংকর আর  প্রেমিক সনৎকে নিয়ে।[৩]

আরো পড়ুন:  মেঘে ঢাকা তারা চলচ্চিত্র: কলকাতার অর্থনীতি ও উদ্বাস্তুর জীবন সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি

পরিবারের ঘানি টানতে টানতে নিজের শরীরের দিকে কখনো খেয়াল রাখেনি নীতা। ধীরে ধীরে নীতার দেহ ক্ষয় করে চলেছে যক্ষ্মা। অবশেষে দেখা যায় নীতার জীবন থেকে হারিয়ে যায় সোনালি দিন, প্রেমিক, সংসার। একদিন শংকর বোম্বে থেকে বড় শিল্পী হয়ে বাড়ি ফেরে। শংকরের চোখে ধরা পরে নীতর অসুখ। পাহাড়ের ওপর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় নীতাকে। জীবন-মৃত্যুর দোলাচলে এসে সে শংকরকে জানায়, বাঁচার আকুতি। আকাশে, পাহাড়ের গায়ে প্রতিধ্বনি হয় নীতার আকূতি “দাদা আমি বাঁচতে চাই”।

কোমল গান্ধার’ ছবিটির কাহিনীকার ও পরিচালক ছিলেন ঋত্বিক ঘটক। এই  ছবি মূলত ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পর শরণার্থী সমস্যা নিয়ে। কাহিনিটি তৈরি করা হয়েছে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের মধ্যে দিয়ে। সে সংঘে কাজ করত কিছু নিবেদিতপ্রাণ।যাদের মাঝে কাজ করত অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক আপোশবিহীন মানসিকতার।  ঋত্বিক ঘটক তাঁর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে দেশভাগ, আদর্শ, দুর্নীতি, শ্রেণিসংগ্রামের বিষয়টি তুলে ধরেন এই সিনেমায়। দলের সদস্যের ভিতর ভাঙা গড়া চলে সর্বক্ষণ কিন্তু দলের প্রধান সকলের সমস্যাকে অতি সুক্ষভারে দেখেন ও সমাধানের পথে যান। কখনো বাইরের শক্তি মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদ পাতে কিন্তু তাকেও পরাস্ত করতে সকলে প্রস্তুত থাকে। দেশভাগের এক করুণ সুর এই সিনেমায় উঠে আসে; তারপরও গণনাট্য সংঘের মাধ্যমে একটি আশাবাদী স্বপ্ন এঁকেছেন ঋত্বিক ঘটক।  কোমল গান্ধার সম্পর্কে ঋত্বিক ঘটক বলেছেন–

‘এই ছবির দর্শকদের কাছ থেকে একটি এপিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রার্থনীয়- যে দৃষ্টিভঙ্গি এদেশে এখনও প্রাণবন্ত ঐতিহ্যরূপে বিরাজমান।’[৪]

সুবর্ণরেখা’ ১৯৪৭-এ ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হলো। লক্ষ লক্ষ মানুশ নিজের দেশ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ছেড়ে পাড়ি দিয়েছে অনিশ্চিতে। সেসব উদ্বাস্তুর একটাই চিন্তাই ছিল নিজস্ব আশ্রয় খুঁজে পাওয়া। সিনেমার শুরুতে দেখা যায় কলোনিতে আশ্রয় নিচ্ছে উদ্বাস্তু মানুষরা আর সেটা দখলে রাখার জন্য রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে অনেকেই। অনেকেই আবার কলোনি থেকেও ভালো আশ্রয়ের খোঁজে। ঈশ্বর নামে এক চরিত্র যিনি চাকরি নিয়ে একটি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। অবশেষে পেয়ে যান। বন্ধু হরপ্রসাদের ভর্ৎসনা করে তাঁকে কিন্তু সে পিছু ফেরে না। ঘরহীন জীবনের যন্ত্রণা যেন তাঁর ছোট বোনের সীতার জীবনকে অনিশ্চয়তার করে না দেয় তাই সে কলনি ছেড়ে চলে গিয়েছে। এই ছবিতে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা খুঁজেছে সবাই; কিন্তু একে একে সবাই ব্যর্থ হয়েছে। সুবর্ণরেখা উদ্বাস্তু মানুষের জীবনযন্ত্রণার গল্প হলেও এর ভেতরের যে রাজনীতি আছে তা গোপন থাকেনি।[৫]

আরো পড়ুন:  চার্লি চ্যাপলিন ফ্যাসিবাদ ও পুঁজিবাদবিরোধি এক মহান চলচ্চিত্রকার

তিতাস একটি নদীর নাম’ অদ্বৈত মল্লবর্মণের উপন্যাস থেকে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত চলচ্চিত্র। তিতাস নদীকে ঘিরে বেঁচে থাকার আশায় শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম ফুটে উঠে এখানে। নতুন চর মানে স্বপ্ন, তার জন্য মানুষের মাঝে লড়ায়। ছবির শেষে দেখায় বাসন্তী বালুর ভেতর থেকে এক ঘটি জল বের করেও কিন্তু খেতে পারে না, লুটিয়ে পড়ে বালুর উপর। তাঁর চোখের সামনে শস্যক্ষেতে বাতাসে উপচে যাচ্ছে, আর এক বালকের হাসিমাখা মুখে তাঁর দিকে ছুটে আছে। এর মাধ্যমে ঋত্বিক ঘটক নতুন স্বপ্ন দেখাছেন প্রজন্মকে।

যুক্তি তক্কো আর গপ্পো’ ঋত্বিক ঘটকের সবচেয়ে আলোচিত ও একই সঙ্গে রাজনৈতিক সচেতন ছবি। যার মাঝে নিজের মতবাদ ও আদর্শকে বিশ্লেষণ করেছেন। এ ছবির বেশিভাগ অংশ দেখা যায় অভিনেতারা পথে পথে ঘুরছে। ঋত্বিক ঘটক তুলে ধরেছেন বঙ্গবালাকে যে ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ বাংলাদেশে পাকিস্তানি মিলিটারির বর্বরতার শিকার, ভূমি দখলদারদের লড়াই, রাজনৈতিক নেতার মিথ্যা আশ্বাস, বিদ্রোহী নকশালদের। ঋত্বিক নিজে এই ছবিতে অভিনয় করে নীলকণ্ঠ ভূমিকায়। তাঁর মৃতুর মধ্যে দিয়ে এই ছবির সমাপ্তি ঘটে।

ঋত্বিক ঘটক পাগলের মতো মানুষকে ভালোবাসতেন, যার শিল্পচর্চা ছিলো মানুষের জন্য; এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন-

‘মানুষকে ভালোবাসি আমি পাগলের মতো। মানুষের জন্যেই সবকিছু। মানুষই শেষ কথা। সব শিল্পেরই শেষ পর্যায়ে মানুষে পৌঁছাতে হয়।’[৬]

তথ্যসূত্রঃ

১. শিবাদিত্য দাশগুপ্ত ও সন্দীপন ভট্টাচার্য সম্পাদিতঃ সাক্ষাৎ ঋত্বিক, দীপায়ন, কলকাতা, প্রথম  প্রকাশ ২০০০, পৃষ্ঠা, ৩০।

২. উইকিপিডিয়া, লিংক এখানে https://bn.wikipedia.org/s/95lb

৩. উইকিপিডিয়া, লিংক এখানে https://bn.wikipedia.org/s/2aqi

৪. ঋত্বিককুমার ঘটক: চলচ্চিত্র মানুষ এবং আরো কিছু, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৫, পৃষ্ঠা, ১৪২-৪৩।

৫.  ঋত্বিককুমার ঘটক: প্রাগুক্ত, পৃ. ১৫২-৫৪।

৬. শিবাদিত্য দাশগুপ্ত ও সন্দীপন ভট্টাচার্য সম্পাদিত: প্রাগুক্ত, পৃ. ৩০।

Dolon Prova
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page