গন্ধবেণা বা গন্ধ তৃণ-এর ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

জ্বরঘ্ন, ঘর্মকারক, উদ্দীপক, মুখগহ্বর ও মাথার শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর প্রদাহের প্রতিষেধক, ম্যালেরিয়া রোগগ্রস্থ শোথরোগীর ক্ষেত্রে ফলপ্রদ ঔষধ। কৃমিনাশক, ক্ষুধাবর্ধক, বিরেচক, শিশুদের কাসিতে লাভদায়ক, আন্ত্রিক রোগে ব্যবহার্য, কামেচ্ছা নষ্ট করে। এই ঘাসসিদ্ধ জলে দুধ ও চিনি মিশিয়ে চায়ের মতো খাওয়া যায়। জাভাতে ঘাসের রস দিয়ে মসলাদার সুস্বাদু সরবত তৈরী হয়।আরো পড়ুন

কাউন-এর নানাবিধি ভেষজ প্রয়োগের বিবরণ

সমগ্র বিশ্বে এই গণের ৩০টি প্রজাতি পাওয়া যায়। এটিকে হিন্দীতে কংগুনী, টংগুনী, কাংগনী, বাংলায় কংগু, কংগুনি, কাকনি দানা, কাংনী, কাউন প্রভৃতি বলে। মেদিনীপুরের কোন কোন জায়গায় এটিকে সুজির গাছও বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Setaria italica Beauv.পূর্বে এটির নাম ছিল Panicum italicum Linn, ফ্যামিলী -Gramineae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: ধান্য (চাল)।আরো পড়ুন

মালাঙ্গাকুরি বা চাপরা ঘাস বাংলাদেশের ভেষজ তৃণ

মালাঙ্গাকুরি বা চাপরা ঘাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Eleusine indica) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। সাধারণত উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত, উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলেও জন্মে। বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মিতে দেখা যায়। আরো পড়ুন

ঢোলপাতা বা কানশিরে তৃণের সাতটি ভেষজ উপকারিতা

ক্ষুপ জাতীয় এই প্রজাতির পাতার গোড়ার দিকটায় একটু, চওড়া বেষ্টনী আছে যেটা লতাটাকে জড়িয়ে ধরে রাখে এবং এর গায়ে কোমল রোম আছে। পুষ্পধি দেখতে অনেকটা ছেড়া কানের মত, তার মধ্য থেকেই ছোট ছোট নীল ফুল হয়। তাই এর প্রচলিত নাম কানছিড়ে। বীজকোষ ঝিল্লীযুক্ত। আরো পড়ুন

মুথা ঘাস বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

মুথা

উন্মুক্ত বা ছায়াযুক্ত ভূখন্ড, লন, পথপার্শ্ব, পতিত জমি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত স্থানে জন্মিতে পারে। ফুল ও ফল ধারণ মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস। বীজ থেকে বংশ বিস্তার হয়। বিস্তৃতি: বিশ্বের উষ্ণ মন্ডলে বিস্তৃত। বাংলাদেশের সর্বত্র সহজলভ্য।আরো পড়ুন

গন্ধবেণা, গন্ধ তৃণ বা লেমন ঘাস বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ তৃণ

পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায় হাঁপানি রোগ, ফুসকুড়ি, শ্বাসনালীর প্রদাহ, সর্দি-জ্বর, কাশি, যকৃতের সমস্যা, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা ও পাকস্থলীর পীড়ায় এই গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করে থাকে (Uddin, 2006)।আরো পড়ুন

চোরকাঁটা বা প্রেমকাঁটা গ্রীষ্ম প্রধান দেশে জন্মানো বিরুৎ

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩০০ মিটার উঁচু পর্যন্ত। পথিপার্শ্ব, পদদলিত তৃণভূমি ও চারণভূমি। ফুল ও ফল ধারণ ও সারা বর্ষব্যাপী। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও মূলায়িত পাশ্ববিটপ দ্বারা।আরো পড়ুন

ঘোড়া দুবো হর উষ্ণাঞ্চল দেশে জন্মানো ভেষজ ঘাস

গ্রন্থিকযুক্ত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। এই প্রজাতির কাণ্ড সাধারণত ৩০-৬০ সেমি লম্বা, লতানো বা বক্রধাবক সদৃশ, পুষ্পেদগম কালে ঋজু, অনেকটা রোজেটের ন্যায় এবং মাদুরের মতো প্রসারিত, শিরা সুস্পষ্ট, রোমশবিহীন, মসৃণ, পর্বে মূল জন্মে, পর্ব রোমশ বা শ্মশ্রুধারী।আরো পড়ুন

মরিশাস ঘাস সমভূমি ও অরণ্যে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

কণ্টকরোহিনী, বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী তৃণ, কান্ড ৫০-২০০ সেমি, শায়িত বা খাড়া, নিচের পর্বমধ্য থেকে মূল জন্মে, পর্বমধ্য রোমশবিহীন। পত্র ফলক উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার বা রৈখিক-ভল্লাকার, চ্যাপ্টা, ৫-২৫ x ০.২-১.০ সেমি, সরু হয়ে মূলীয় অংশ বৃন্তরূপে পরিণত, রোমশ বিহীন বা অতিরোমশ, অনুফলক ঝিল্লিযুক্ত, ১-৩ মিমি লম্বা।আরো পড়ুন

কাসারি বা কেসুর বুনন শিল্পে ব্যবহৃত একধরনের ঘাস

ভারত থেকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া এবং চীনের দক্ষিণাঞ্চল ও তাইওয়ান থেকে মাইক্রোনেশিয়া এবং বনিন দ্বীপপুঞ্জ ( জাপান)। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বৃহত্তর বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সমূহে প্রচুর জন্মে।

error: Content is protected !!