টাকাপানা বা টোকাপানা ভেষজ গুণসম্পন্ন জলজ প্রজাতি

ভারতের সর্বত্র বিশেষতঃ জলাসন্ন প্রদেশে টোকাপানা (Pistia stratiotes) পাওয়া যায়। পুকুর, জলাশয়, নালা, ঝিল প্রভৃতিতে জন্মে । জলে ভেসে থাকে। লোনা জলে হতে দেখা যায় না। অল্প লবণ-বিশিষ্ট জলে কদাচিৎ হতে দেখা যায়। শীতের সময় এর বাড়বাড়ন্ত হ্রাস হয়, বেশির ভাগ পাতা পচে যায়। শীতের পর নতুন পাতা গজায় ও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং বর্ষাকালে এর বৃদ্ধি দুরন্ত গতিতে হতে থাকে। এই পানা একটি উৎকৃষ্ট সার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানা গায়ে লাগলে চুলকায়।

টোকাপানা বা টাকাপানা-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগ

টোকাপানা বা টাকাপানা ভেষজটি যদিও সকলের কাছে সুপরিচিত এবং একান্তই সহজলভ্য, তথাপি ভারতের চিকিৎসক সমাজ এটিকে নিয়ে খুব একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেননি। ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় এটিকে নিয়ে কিছু কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তার ফলে যেগুলিতে উপকার পাওয়া গেছে সেগুলি এবং দেশ-গাঁয়ে ব্যবহৃত সদ্যফলপ্রদ কয়েকটি যোগ এখানে দেওয়া হচ্ছে।আরো পড়ুন

ময়ূরশিখা বিরুতের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

ময়ূরশিখা উদ্ভিদ পুরোটিই ঔষধ হিসাবে কাজে লাগানো হয়। কাশি, রিকেট, অতিশার, দাদ ইত্যাদি রোগ সারাতে ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করলে কার্যকর ফল পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

ঘেট কচু খাওয়ার উপকারিতা

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা।আরো পড়ুন

মাশরুম-এর প্রকারভেদ ও বিবিধ উপকারিতা

বাংলায় আমরা ছাতা, ব্যাঙের ছাতা, ভূঁইছাতা, কোড়ক ছাতা, ছত্রাক, পলছত্রাক, ভূঁইছাতি, ছাতকুড় প্রভৃতি নামে চিনি; হিন্দীতে এটিকে ছাতা, ভূঁইছত্তা, ভূঁইফোড়ছত্তা, ছতোনা, সাপের ছাতা, খুমী, ধরতীফুল প্রভৃতি বলে।আরো পড়ুন

ভুঁইছাতা-এর চারটি উপকারিতা

ভুঁইছাতা তাজা বা শুকনো উভয়ভাবে খাওয়া যায়। ছোট টুকরো টুকরো করে ধুয়ে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। পূর্বলিখিত প্রক্রিয়ায় তাকে প্রস্তুত করে সেটিকে সামান্য বাদাম বা সরষের তেলে অল্প ভেজে নিতে হবে, অথচ যেন সুসিদ্ধ হয়। এই ভাজা ছাতুই ঔষধার্থে ব্যবহার্য। আরো পড়ুন

দুধিয়া-র নানা প্রজাতি ও উপকারিতার বিবরণ

ক্ষীরিণীর কয়েকটি প্রজাতি পাওয়া যায়। ভাবপ্রকাশে উল্লিখিত ক্ষীরিণী বড় দুগ্ধিকা, বড় কেরুই, বড় খেরুই, দুধিয়া, দূধী প্রভৃতি নামে প্রচলিত। দুধিয়া- সবগুলির ফ্যামিলী Euphorbiaceae. প্রত্যেকটির পরিচিতি আলাদা আলাদাভাবে দেওয়া হলো। এই গাছগুলির যেকোন অংশ ভাঙ্গলেই ক্ষীর বা দুধ বেরোয়।আরো পড়ুন

বড় দুধিয়া-এর সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

ক্ষীরিণীর কয়েকটি প্রজাতি পাওয়া যায়। ভাবপ্রকাশে উল্লিখিত ক্ষীরিণী বড় দুগ্ধিকা, বড় কেরুই, বড় খেরুই, দুধিয়া, দূধী প্রভৃতি নামে প্রচলিত। এটির বোটানিক্যাল নাম Euphorbia hirta Linn., এছাড়া আরও ২/৩ টি ক্ষীরিণী আমরা দেখতে পাই, সেগুলি তাই লঘু দুগ্ধিকার মধ্যেই পড়ে। আরো পড়ুন

রেউচিনি গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

বহ ও রক্তবহ স্রোতে। এর মূল লঘু, তিক্ত, কটু, রুক্ষ, তীক্ষ্ণ, উষ্ণবীর্য, দীপন, মূত্রজনক, আর্তবজনক, গ্রাহী, যকৃত আজক, কফনিঃসারক, বিরেচক, কফপিত্তহর, বলকারক, লালাপ্রসেকজনক। অজীর্ণ, অতিসার, অগ্নিমান্দ্য, অরুচি, মলবদ্ধতা ও শীতপিত্ত রোগে ব্যবহার্য। আরো পড়ুন

ছোট পঙ্খীরাজ বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো পরাশ্রয়ী প্রজাতি

ছোট পঙ্খীরাজ (বৈজ্ঞানিক নাম: Drynaria quercifolia) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মে।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!