স্বর্ণ ঝিন্টি গুল্ম-এর ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

স্বর্ণ ঝিন্টি (Barleria prionitis) গুল্ম-এর ফুল দেখতে সুন্দর তাই অনেকে বাড়ির বাগানের সৌন্দর্যের জন্য লাগিয়ে থাকে। এছাড়াও সীমানা নির্ধারনের জন্যও লাগাতে দেখা যায়। এছাড়া এই গুল্মে নানা ভেষজ গুণাগুণ আছে।

ভূ তুলসী গুল্মের পাঁচটি ভেষজ গুণ

বীজ ভিজিয়ে রাখলে তা ফুলে গিয়ে এক প্রকার থলথলে, অনেকটা জেলীর মত আকার নেয়। বোম্বে অঞ্চলে এর বীজ সম্ভোগ ইচ্ছা বাড়াবার জন্য ব্যবহৃত হয়। মাথার চুলকে চকচকে রাখার জন্য মেয়েরা এই বীজের ব্যবহার করে থাকেন। ইউনানী মতে এটি মধু ও শর্করার (চিনি) সঙ্গে সেবন নিষিদ্ধ। বিশেষতঃ বীর্য পুষ্টিকর দ্রব্য হিসেবে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

টক চেরি শোভাবর্ধক ও ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম

এই গাছটিকে পশ্চিম এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের গ্রামাঞ্চলে পাওয়া যায়। আমেরিকা ও ইউরোপে এর ফুলের সৌন্দর্যের জন্য বাগানে ও রাস্তার ধারে লাগানো হয়। ভারতবর্ষের হিমালয় অঞ্চলের পাঞ্জাব, কাশ্মীর ও উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের ৮ হাজার ফুট উঁচু পর্যন্ত স্থানে এটিকে লাগানো হয়ে থাকে।আরো পড়ুন

ডিকামালী গাছ-এর ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ডিকামালী গাছ-এর প্রধানভাবে কাজ করে মনোবহ স্রোতে এবং কোষ্ঠে। নাড়ীহিঙ্গুর ব্যবহার বাংলার আয়ুর্বেদ চিকিৎসকবৃন্দ করেনই না বলা যেতে পারে। তবে মধ্য ও পশ্চিম ভারতের অনেক চিকিৎসক এটির ব্যবহার করে থাকেন।আরো পড়ুন

ডিকামালী শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম

মাঝারি ধরনের ঝোপঝাড়যুক্ত গাছ। এটি বিশেষতঃ মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে পাওয়া যায়। এছাড়া দক্ষিণ মহারাষ্ট্র, উত্তর কন্নড়তেও জন্মে। এই প্রজাতিটি ছাড়া অন্য একটি প্রজাতি (G. lucida) পাওয়া যায়। এই দুটি গাছের আঠা বা নির্যাসই ডিকামালী নামে খ্যাত এবং ঔষধার্থে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

পুষ্কর মূল গুল্মের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

এর মূল গবাদি পশুর পক্ষে উৎকৃষ্ট বলকর ও পেটের রোগনাশক। মূল সামান্য তেল ও বলকর, ঘর্মস্রাবকারক, প্রস্রাবকারক, কফনিঃসারক, গভাশয় সংকোচক, ঋতুস্রাবকারক, বেদনাহর ও ব্রণনিবারক। এটি শ্বাস, কাস, শোথ, ফুসফুসাবরণ শোথ, জ্বর, আমবাত, মস্তিষ্কদৌর্বল্য, অগ্নিমান্দ্য প্রভৃতিতে ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

জলধুনিয়া গুল্মের নানাবিধ গুণাগুণের বর্ণনা

এটি একটি বিষাক্ত উদ্ভিদ। টাটকা গাছ ও গাছের রস অতিশয় বিষাক্ত। রস খেলে বিষময় ফল ঘটে, শরীরের কোন স্থানে লাগলে সেই স্থান লাল বর্ণ হয় এবং ফোস্কা পড়ে। গাছটি শুকিয়ে নিলে বা সিদ্ধ করলে বিষাক্ততা নষ্ট হয়।

আতঁমড়া গুল্ম-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগের নিয়ম

আতঁমড়া -এর বোটানিক্যাল নাম Helicteres isora, পূর্বে এটির নাম ছিল Helicteres chrysocalyx. Mig. এবং Helicteres Roxbhurghii, G. Don., পরিবার Sterculiaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ :— গাছের ও মূলের ছাল, ফল ও পাতা। পেটে ব্যাথা, অরুচি, সর্দি-কফ, খোস-পাঁচড়া ইত্যাদি সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

আতঁমড়া এশিয়া জন্মানো ভেষজ ঝোপালো প্রজাতি

মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতে ওই গাছটি কোথাও কোথাও বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জন্মে। এছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে সারা ভারতবর্ষে, বিশেষতঃ শুষ্ক বনাঞ্চল সমূহে, শাল জঙ্গলে, হিমালয়ের পাদদেশে এটি পাওয়া যায়। সারা পৃথিবীতে এই গণের ৪৫টি প্রজাতি পাওয়া যায়, তন্মধ্যে ১০টি ভারতে পাওয়া গেলেও আলোচ্য প্রজাতিটি (Helicteres isora) বেশি পরিচিত এবং ঔষধার্থে ব্যবহার্য । আরো পড়ুন

কাংঘূ মান দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি

কাংঘূ মান (মনিপুরী), বন সিলাম (নেপালী) (বৈজ্ঞানিক নাম: Elsholtzia blanda) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। পাতা এ্যাসেনসিয়াল তৈলের উৎস যা ক্ষত এবং কলেরার ন্যায় উদরাময়ের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় (Nayar et al., 1989)।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!