শসা-র নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

শসা-এর বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis sativus. Fuifacit cucurbitaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— ফল, বীজ ও পত্র। এটি রসবহ ও মেদোবহ স্রোতে কাজ করে।আরো পড়ুন

দুধকলমি লতার দশটি ভেষজ উপকারিতা ও প্রয়োগ

ভূমি-প্রসারণী লতা, লতার কাণ্ডটি তিনটি শিরাবিশিষ্ট, তবে তার কোন কোন জায়গা গোলও দেখা যায়। এটি পশ্চিম বাংলার সর্বত্র জঙ্গলের ধারে অথবা পোড়া জায়গায় অথবা নদীর ধারে জন্মে। এছাড়া ভারতের সর্বত্র, এমন-কি তিন হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানেও এটি অযত্নসম্ভূত হয়েই জন্ম নেয়। লতা কাটলে বা ভাঙ্গলে দুধের মত বর্ণ-বিশিষ্ট চটচটে আঠা বেরোয়।আরো পড়ুন

ঝিঙ্গা বা ঝিংগা-র লতা, মূল, ফলের নানা ভেষজ গুণ

ফলের রস স্বাদে মধুর, শীতগুণ সম্পন্ন, পিত্ত প্রশমক, ক্রিমিনাশক, ক্ষধাবর্ধক ও বেদনানাশক। ঔষধ হিসাবে পাতা ব্যবহৃত হয় যা ক্ষুধাবর্ধক, পিত্ত প্রশমক, মূত্রকারক, প্লীহারোগে, রক্তস্রাবে ও কুষ্ঠ রোগে হিতকর। পাতার রস শিশুদের চোখে দিলে চোখের যন্ত্রণার উপশম হয়। ফল ক্রিমির উপদ্রবে হিতকর। পিত্তপ্রশমক, হাঁপানি ও কাসিতে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

তরমুজ ও বীজের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

ফলের রস মধুর, শীতগুণসম্পন্ন, শক্তিদায়ক, মেদোকারক, কামোদ্দীপক, পিত্ত বৃদ্ধিকারক ও গুরুপাক। ঔষধার্থ প্রয়োগ হয় আয়ুর্বেদমতে পাতা তিক্তরস ও রক্তবর্ধক। কাঁচা ফল পাড়ুরোগে হিতকর। পাকা অবস্থায় এর রস স্বাদ, কফ-বাত প্রশমক, শেষ্মানিঃসারক, মূত্রকারক, ক্ষুধাবর্ধক, তৃষ্ণানিবারক ও রক্তের পক্ষে হিতকর।আরো পড়ুন

চিচিঙ্গা লতার ছয়টি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

এটি রসবহস্রোতে কাজ করে। ইহা শীতল, ক্রিমিনাশক, বিরেচক ও বলকারক। এর ফল বিরেচনে ও ক্রিমির উপদ্রব নিবারণে হিতকর। ফিলিপাইনে এটিকে বমনকারক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া এটি বলকারক, তৃষ্ণা ও পিত্তের প্রশমক। কেউ কেউ এর বীজ ও মূল উদরাময়েও প্রয়োগ করে থাকেন। আরো পড়ুন

বরবটি বীজ-এর নানাবিধ উপকারিতা ও প্রযোগ

বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ, কাণ্ড মসৃণ, এতে কোন আকর্ষ (আকড়ি বা শুঁড়) থাকলেও কোন গাছে বেড়ায় অথবা মাচায় প্রসারিত হয়। পাতার গড়ন দেখতে অনেকটা আলকুশী লতাগাছের (Mucuna prurita) পাতার মত ত্রিপত্র বিশিষ্ট। পাতার ডাঁটা ও মুলকাণ্ডের সংযোগ থেকে নতুন কাণ্ডশাখা বাহির হয়, উক্ত কাণ্ডশাখা ও মূলকাণ্ড থেকে ফল ও শুটী হয়। আরো পড়ুন

মিষ্টি আলু ও লতা-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

লতানে উদ্ভিদ, মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে এগিয়ে চলে, এর গাঁট থেকে মাটিতে শিকড় প্রবেশ করে এবং সেই শিকড় থেকেই মাটির নিচে আলু জন্মে। পাতার গঠন অনেকটা কলমী শাকের (Ipomoea reptans) পাতার মত, তবে আকারে কিছুটা বড়। গাছের ডগা ও পাতা ভাঙ্গলে দুধের মত আঠা বেরোয়। আরো পড়ুন

কালকেয়া বা কেলেওকড়া উদ্ভিদের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

বহু শাখাপ্রশাখাযুক্ত ঝোপ-ঝাড় শক্ত লতা। এর গায়ে শক্ত এবং বাঁকা কাঁটা আছে, তাই এর পর্যায় নাম গৃধ্রনখী। পাতা দেড় থেকে তিন ইঞ্চি লম্বা ও ১-১২ ইঞ্চি চওড়া। এর গঠন ও আকার অনেকটা লেবু, পাতার (Citrus medica) মতো। বর্ণ গাঢ় সবুজ। কাণ্ড এবং পাতার সংযোগস্থল থেকেই ফল বের হয়, অবশ্য লতার আগার দিকটায়ই যে ফল হয় … Read more

ইশ্বরমূল বা রুদ্রজটা লতার ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

ইশ্বরমূল বা রুদ্রজটা লতানে গুল্ম। এরা মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে বাড়ে। বেড়া বা গাছে যে ওঠে না তা নয়। কাণ্ডের গোড়া খুব শক্ত। পাতার অগ্রভাগ সরু, কিন্তু মাঝখানটায় একটু চাপা। বোঁটা এক তৃতীয়াংশ বা দ্বিতীয়াংশ ইঞ্চি লম্বা ও বাঁকা। পুষ্পনলের গঠন অনেকটা শাবলের মতো, অগ্রভাগ বক্র ও ঈষৎ ধূসর বর্ণ।আরো পড়ুন

পাতালপুর দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ লতা

ভারত (আসাম) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম (দক্ষিনাংশ) এবং ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশে ইহা বৃহত্তর চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলায় পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!