সাম্যবাদী আন্তর্জাতিক বা তৃতীয় আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা

১৯১৮ সালে পেত্রোগ্রাদে আন্তর্জাতিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা হয়। অংশ নেয় বলশেভিক পার্টি, বাম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী, বিভিন্ন দেশের সমাজ গণতন্ত্রী দল প্রভৃতি। এতে সভাপতিত্ব করেন ম্যাক্সিম গোর্কি। সম্মেলনে ৮২ জন প্রতিনিধি যোগ দেন। মূল বক্তা ছিলেন জিনভিয়েভ। আরও পড়ুন

দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বা সমাজতন্ত্রী আন্তর্জাতিক-এর কার্যক্রম ও ভূমিকা

শ্রমিক আন্দোলনে মার্কসবাদের বিজয়ের পক্ষে একান্ত ফলপ্রসূ ছিল প্রথম আন্তর্জাতিকের ক্রিয়াকলাপ, বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রলেতারিয় পার্টি গড়ার জন্য যা জমিন তৈরি করেছিল।আরো পড়ুন

সমাজতন্ত্র অভিমুখী দেশসমুহ ও সাম্রাজ্যবাদ একসাথে অসীমকাল টিকবে না

বিশ শতকে সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ ও শ্রেণি সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু ইউরোপে থাকলো না। সমাজতন্ত্রের ময়দান দখল করলো এশিয়া, লাতিন আমেরিকা আর আফ্রিকার মানুষ। সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদ নিয়ে কিন্তু আলোচনার টেবিল, গবেষণা, বাকোয়াজি কম করেনি ইউরোপ।আরো পড়ুন

নারী পুরুষ ও শ্রমবিভাগ

ইতিহাসের শিক্ষা থেকেই আমরা জানতে পারি যে সমাজে যে শ্রেণি বা গোষ্ঠী উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে, এবং উৎপাদনের প্রধান কাজগুলো করে থাকে, কালে কালে তাদেরই যে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর আধিপত্য স্থাপিত হবে সে কথা অবশ্যম্ভাবী। মাতৃপ্রধান সমাজে এমন একটা সময় ছিলো যখন উৎপাদন ব্যবস্থার উপর নারীদেরই প্রাধান্য মেনে নেয়া হতো। তার কারণ কি? আরো পড়ুন

সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়তে সমাজতান্ত্রিক শিক্ষার গুরুত্ব

বিশ শতকের প্রথমার্ধে জনগণকে সুশিক্ষিত করার কথা বলা হতো; পাকিস্তানকালিন সময়েও জনগণকে সুশিক্ষা দেয়ার কথা বলা হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশ হবার পরে সুশিক্ষা বা শিক্ষার পরিবর্তে স্বাক্ষরতা শব্দটি চালু করা হয়। একবিংশ শতাব্দীর শূন্য দশকের বাংলাদেশে শিক্ষা সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা, লেখালেখি, চিন্তার প্রকাশ নেই বললেই চলে। আরো পড়ুন

বৈরি সমাজ বিকাশের চালিকাশক্তি শ্রেণিসংগ্রামের স্বরূপ

শ্রেণিসংগ্রাম (Class struggle) হচ্ছে শ্রেণি বিভক্ত সমাজে পরস্পরবিরোধী স্বার্থসংশ্লিষ্ট মুখ্য দুটি শ্রেণির মধ্যে প্রকট আকারের দ্বন্দ্ব-সংঘাত বা সংঘর্ষ যা বৈরি উৎপাদন সম্পর্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। শ্রেণি বিভক্ত সমাজব্যবস্থা শুরুর পরে দাসপ্রথা থেকে শুরু করে যত সমাজ দেখা দিয়েছে তাদের ইতিহাস হলো শ্রেণিগুলোর মধ্যে সংগ্রাম, শোষিত ও শোষক, নিপীড়িত ও নিপীড়ক শ্রেণিগুলোর মধ্যে সংগ্রামের ইতিহাস।আরো পড়ুন

সমাজতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্যসমূহ

পুঁজিবাদের উদ্ভব হয় স্বতঃস্ফূর্তভাবে, এটাকে সচেতনভাবে পরিকল্পনা অনুসারে গড়ে তোলা হয় না। পুঁজিবাদের আগের দুটি শোষণমূলক ব্যবস্থা দাস সমাজ এবং সামন্তবাদও দেখা দিয়েছিলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে।আরো পড়ুন

প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব প্রসঙ্গে

প্রলেতারিয়েত শ্রেণির রাজনৈতিক ক্ষমতা হচ্ছে প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব (ইংরেজি: Proletarian Dictatorship) যা তারা সমাজতন্ত্র বিনির্মাণ ও দৃঢ়করণের জন্য ব্যবহার করে। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ফলে প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষমতা থেকে অপসারিত শোষকদের বিরুদ্ধে শ্রেণিসংগ্রামের স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি ক্রিয়া করে। আরো পড়ুন

এক দেশে সমাজতন্ত্র হচ্ছে লেনিন উদ্ভাবিত তত্ত্ব যা স্তালিন ও ত্রতস্কির বিতর্কে রূপ পায়

এক দেশে সমাজতন্ত্রের (ইংরেজি: Socialism in one country) তত্ত্বটি মূলত ভ্লাদিমির লেনিনের উদ্ভাবিত। ১৯২৪ সালে জোসেফ স্তালিন এটিকে সামনে নিয়ে আসেন, ১৯২৫ সালে নিকোলাই বুখারিন এটিকে বিস্তৃত করেন এবং অবশেষে সোভিয়েত ইউনিয়ন এটিকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করে। আরো পড়ুন

প্যারিস কমিউন পৃথিবীর প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্ব

প্যারিস কমিউন (ইংরেজি: Paris Commune) হচ্ছে ১৮৭১ সালে ফ্রান্সের প্যারিতে প্রলেতারিয় বিপ্লবীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয়েত শ্রেণির বিপ্লবী সরকার। সেটি ছিলো ইতিহাসে প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্বের সরকার, তবে প্যারিসের বীর শ্রমিক শ্রেণি সেটিকে টিকিয়ে রাখতে সমর্থ হয় ৭২ দিন; ১৮৭১ সালের ১৮ মার্চ থেকে ২৮ মে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!