বিরোধ

নিরাপদ এই নীড়ে বাঁধলাম নিজেকে

জানলায় নীল আকাশ দিলাম টানিয়ে,

মনের ঘােড়াকে ঘরের দেয়াল ডিঙিয়ে

চিনিয়ে দিলাম সীমানাহীনের ঠিকানা।

 

সুবাসিত তেল কেশারণ্যের গভীরে

স্নান চলে বেশ নিরীহ টবের জলেতে,

শুকনো ডাঙায় নির্ভয়ে দিই মনকে

অতলান্তিক সাগরে সাঁতার কাটতে।

 

শাদা ডিশটায় স্বাদু হরিণের মাংস

মনের হরিণ সােনা হলাে কার নয়নে,

নরম চটির গুহায় গোপন পা দুটি

নিয়েছে কখন যাযাবরদের সঙ্গ!

 

পুরু বিছানায় ডেকেছি ফ্যানের হাওয়াকে

নীল আলােটায় নীলিমার নীল স্বপ্ন,

হৃদয়ে উধাও বােশেখী ঝড়ের ঝাপটা

কালাে কুয়াশায় দিকবধু কূল হারালাে।

 

কখনাে আবার মেরুযাত্রার কাহিনী

টেনে নেয় মন পৃথিবীর শেষ প্রান্তে,

এখুনি বিরল বলয়ের ক্ষীণ শব্দে

দুঃসাহসিক স্বপ্নে পড়বে ছেদ কি?

 

ঈশ্বর, এই শরীর মনের দ্বন্দ্বে

এ কী নিষ্ঠুর নীরব গ্রহণ করেছো?

যেখানে ভাবনা তােমাকে সৃষ্টি করেছে

দৃষ্টি সেখানে দাড়ালো প্রতিদ্বন্দ্বী?

আরো পড়ুন:  চীন: ১৯৩৮

Leave a Comment

error: Content is protected !!