গণহত্যা বা নরসংহার (ইংরেজি: Genocide) প্রত্যয়টির সুত্রপাত করেন র্যাফেল ল্যামাকিন, যার অর্থ হলো নির্দিষ্ট কোনও জাতি, বর্ণ, ধর্ম, কুল অথবা রাজনৈতিক গােষ্ঠী অথবা দলের অন্তর্গত সর্বজনকে নিধন করার প্রয়াস। তার লক্ষ্য উচ্চ জাতি কর্তৃক নিম্নজাতিকে নিশ্চিহ্ন করা। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে রাষ্ট্রসংঘে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক আইনে একটি অপরাধ বলে ঘােষণা করা হয়।
গণপ্রজ্বালন কথাটি গ্রিক holocaust-এর বাংলা প্রতিশব্দ। শব্দটি ইহুদি ঐতিহাসিকেরা নাৎসিদের ইহুদি-নিধন ও প্রজ্বালন পদ্ধতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন।
চিত্রের ইতিহাস: নিকোলো বাম্বিনির (১৬৫১–১৭৩৬) আঁকা নিরপরাধদের গণহত্যা।
তথ্যসূত্র:
১. গঙ্গোপাধ্যায়, সৌরেন্দ্রমোহন. রাজনীতির অভিধান, আনন্দ পাবলিশার্স প্রা. লি. কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ, জুলাই ২০১৩, পৃষ্ঠা ৯৭।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক, কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও চিন্তাবিদ। তাঁর প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১৭টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি ১৬ জুন, ১৯৭৭ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।