আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > সংকলন > কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েত

দ্বিতীয় অংশ

প্রথম অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ,

নিজেদের প্রস্তুত মালের জন্য অবিরত বর্ধমান এক বাজারের তাগিদ বুর্জোয়া শ্রেণিকে সারা পৃথিবীময় দৌড় করিয়ে বেড়ায়। সর্বত্র তাদের ঢুকতে হয়, সর্বত্র গেড়ে বসতে হয়, যোগসূত্র স্থাপন করতে হয় সর্বত্র।

বুর্জোয়া শ্রেণি বিশ্ববাজারকে কাজে লাগাতে গিয়ে প্রতিটি দেশেরই উৎপাদন ও উপভোগে একটা বিশ্বজনীন চরিত্র দান করেছে। প্রতিক্রিয়াশীলদের ক্ষুব্ধ করে তারা শিল্পের পায়ের তলা থেকে কেড়ে নিয়েছে সেই জাতীয় ভূমিটা যার ওপর শিল্প আগে দাঁড়িয়েছিলো সমস্ত সাবেকি জাতীয় শিল্প হয় ধ্বংস পেয়েছে নয় প্রত্যহ ধ্বংস পাচ্ছে। তাদের স্থানচ্যুত করছে এমন নূতন নূতন শিল্প যার প্রচলন সকল সভ্য জাতির পক্ষেই মরা বাঁচা প্রশ্নের সামিল; এমন শিল্প যা শুধু দেশজ কাঁচামাল নিয়ে নয় দূরতম অঞ্চল থেকে আনা কাঁচামালে কাজ করছে; এমন শিল্প যার উৎপাদন শুধু স্বদেশেই নয় ভূলোকের সর্বাঞ্চলেই ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশজ উৎপন্নে যা মিটত তেমন সব পুরনো চাহিদার বদলে দেখছি নূতন চাহিদা, যা মেটাতে দরকার সুদূর দেশ বিদেশের ও নানা আবহাওয়ার উৎপন্ন। আগেকার স্থানীয় ও জাতীয় বিচ্ছিন্নতা ও স্বপর্যাপ্তির বদলে পাচ্ছি সর্বক্ষেত্রেই আদান প্রদান, জাতিসমূহের বিশ্বজোড়া নির্ভরতা। বৈষয়িক উৎপাদনে যেমন, তেমনই মনীষার ক্ষেত্রেও। এক একটা জাতির মানসিক সৃষ্টি হয়ে পড়ে সকলের সম্পত্তি। জাতিগত একপেশেমি ও সংকীর্ণচিত্ততা ক্রমেই অসম্ভব হয়ে পড়ে; অসংখ্য জাতীয় বা স্থানীয় সাহিত্য থেকে জেগে ওঠে একটা বিশ্বসাহিত্য।

সকল উৎপাদন-যন্ত্রের দ্রুত উন্নতি ঘটিয়ে যোগাযোগের অতি সুবিধাজনক উপায় মারফত বুর্জোয়ারা সভ্যতায় টেনে আনছে সমস্ত, এমন কি অসভ্যতম জাতিকেও। যে জগদ্দল কামান দেগে সে সমস্ত চীনা প্রাচীর চূর্ণ করে, অসভ্য জাতিদের অতি একরোখা বিজাতি-বিদ্বেষকে বাধ্য করে আত্মসমর্পণে তা হলো তার পণ্যের সস্তা দর। সকল জাতিকে সে বাধ্য করে বুর্জোয়া উৎপাদন-পদ্ধতি গ্রহণে, অন্যথায় বিলুপ্ত হয়ে যাবার ভয় থাকে; বাধ্য করে সেই বস্তু গ্ৰহণে যাকে সে বলে সভ্যতা—অর্থাৎ বাধ্য করে তাদের বুর্জোয়া বনতে। এক কথায়, বুর্জোয়া শ্রেণি নিজের ছাঁচে জগৎ গড়ে তোলে।

গ্রামাঞ্চলকে বুর্জোয়া শ্রেণি শহরের পদানত করেছে। সৃষ্টি করেছে বিরাট বিরাট শহর, গ্রামের তুলনায় শহরের জনসংখ্যা বাড়িয়েছে প্রচুর, এবং এইভাবে জনগণের এক বিশাল অংশকে বাঁচিয়েছে গ্রামজীবনের মূঢ়তা থেকে। গ্রামাঞ্চলকে এরা যেমন শহরের মুখাপেক্ষী করে তুলেছে, ঠিক তেমনই বর্বর বা অর্ধবর্বর দেশগুলিকে করেছে সভ্য দেশের উপর, চাষীবহুল জাতিকে করেছে বুর্জোয়া-প্রধান জাতির, পূর্বাঞ্চলকে পশ্চিমের উপর নির্ভরশীল।

অধিবাসীদের, উৎপাদন-উপায়ের এবং সম্পত্তির বিক্ষিপ্ত অবস্থাটা বুর্জেয়া শ্রেণি ক্রমশই ঘুচিয়ে দিতে থাকে। জনসংখ্যাকে এরা পুঞ্জীভূত করেছে, উৎপাদনের উপায়গুলি করেছে কেন্দ্রীভূত, সম্পত্তিকে জড়ো করেছে অল্প লোকের হাতে। এরই অবশ্যম্ভাবী ফল হল রাজনৈতিক কেন্দ্রীভবন। বিভিন্ন ধরনের স্বার্থ, আইনকানুন, শাসন-ব্যবস্থা অথবা করপ্ৰথা সম্বলিত স্বাধীন কিংবা শিথিলভাবে সংযুক্ত প্রদেশগুলিকে ঠেসে মেলানো হয় এক একটা জাতিতে যাদের একই শাসন-যন্ত্র, একই আইন সংহিতা, একই জাতীয় শ্রেণি-স্বাৰ্থ, একই সীমান্ত, এবং একই শুল্কব্যবস্থা। আধিপত্যের এক শতাব্দী পূর্ণ হতে না হতে, বুর্জেয়া শ্রেণি যে উৎপাদন-শক্তির সৃষ্টি করেছে তা অতীতের সকল যুগের সমষ্টিগত উৎপাদনশক্তির চেয়েও বিশাল ও অতিকায়। প্রকৃতির শক্তিকে মানুষের কর্তৃত্বাধীন করা, যন্ত্রের ব্যবহার, শিল্প ও কৃষিতে রসায়নের প্রয়োগ, বাষ্প শক্তির সাহায্যে জলযাত্ৰা, রেলপথ, ইলেকট্রিক টেলিগ্রাফ, চাষবাসের জন্য গোটা মহাদেশ জনসমষ্টির আবির্ভাব-সামাজিক শ্রমের কোলে যে এতখানি উৎপাদন-শক্তি সুপ্ত ছিললো, আগেকার কোন শতক তার কল্পনাটুকুও করতে পেরেছিল?

তাই দেখা যাচ্ছে যে উৎপাদন ও বিনিময়ের যে সব উপায়কে ভিত্তি করে বুর্জোয়া শ্রেণি নিজেদের গড়ে তুলেছে, তাদের উৎপত্তি সামন্ত সমাজের মধ্যে। উৎপাদন ও বিনিময়ের এই সব উপায় বিকাশের একটা বিশেষ পর্যায়ে এলো যখন সামন্ত সমাজের উৎপাদন ও বিনিময়ের শর্ত, সামন্ত কৃষি ও হস্তশিল্প কারখানার সংগঠন, এক কথায় মালিকানার সামন্ত সম্পর্কগুলি আর কিছুতেই বিকশিত উৎপাদন-শক্তির সঙ্গে খাপ খেল না। এগুলি তখন শৃঙ্খল হয়ে দাঁড়িয়েছে, সে শৃঙ্খল ভাঙতে হতো এবং তা ভেঙে ফেলা হলো।

তাদের জায়গায় এগিয়ে এলো অবাধ প্ৰতিযোগিতা, সেইসঙ্গে তারই উপযোগী সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং বুর্জেয়া শ্রেণির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব।

আমাদের চোখের সামনে আজ অনুরূপ আর এক ধারা চলেছে। নিজের উৎপাদন-সম্পর্ক, বিনিময়-সম্পর্ক ও সম্পত্তি-সম্পর্কসহ আধুনিক বুর্জোয়া সমাজ— ভেলকিবাজির মতো উৎপাদনের এবং বিনিময়ের এমন বিশাল উপায় গড়ে তুলেছে যে সমাজ, তার অবস্থা আজ সেই যাদুকরের মতো যে মন্ত্রবলে পাতালপুরীর শক্তিসমূহকে জাগিয়ে তুলে আর সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। গত বহু দশক ধরে শিল্প বাণিজ্যের ইতিহাস হলো শুধু বর্তমান উৎপাদন-সম্পর্কের বিরুদ্ধে, বুর্জোয়া শ্রেণির অস্তিত্ব ও আধিপত্যের যা মূলশৰ্ত সেই মালিকানা সম্পর্কের বিরুদ্ধে আধুনিক উৎপাদন-শক্তির বিদ্রোহের ইতিহাস। যে বাণিজ্য-সংকট পালা করে ফিরে ফিরে এসে প্রতিবার আরো বেশি করে গোটা বুর্জোয়া সমাজের অস্তিত্বটাকেই বিপন্ন করে ফেলে, তার উল্লেখই যথেষ্ট । এইসব সংকটে শুধু যে উপস্থিত উৎপন্নের অনেকখানি নষ্ট হয়ে যায় তাই নয়, আগেকার সৃষ্ট উৎপাদন-শক্তির অনেকটাও এতে পর্যায়ক্রমে ধ্বংস পায়। এইসব সংকটের ফলে এমনই এক মহামারী হাজির হয়। অতীতের সকল যুগে যা অসম্ভব গণ্য করা হত— অতি উৎপাদনের মহামারী। হঠাৎ সমাজ যেন এক সাময়িক বর্বরতার পর্যায়ে ফিরে যায়; মনে হয় যেন বা এক দুর্ভিক্ষে, এক সর্বব্যাপী ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে বন্ধ হয়ে গেল জীবনধারণের সমস্ত উপায়-সরবরাহের পথ, শিল্প বাণিজ্য যেন নষ্ট হয়ে গেল; কী কারণে? কারণ, সভ্যতার পরাকাষ্ঠা হয়েছে, জীবনধারণ সামগ্ৰীতে দেখা দিয়েছে অতিপ্ৰাচুৰ্য, অনেক বেশি হয়ে গেছে শিল্প, অনেক বেশি বাণিজ্য। সমাজের হাতে যত উৎপাদন-শক্তি আছে, বুর্জেয়া মালিকানার শর্ত বিকাশে তা আর সাহায্য করছে না; বরং এই যে শর্তে সে শক্তি শৃঙ্খলিত ছিলো তার তুলনায় এ শক্তি হয়ে উঠেছে অনেক বেশি প্রবল; শৃঙ্খলের বাধা তা কাটিয়ে ওঠা মাত্র সমস্ত বুর্জোয়া সমাজে এনে ফেলে বিশৃঙ্খলতা, বিপন্ন করে বুর্জোয়া মালিকানা অস্তিত্ব। বুর্জোয়া সমাজ যে সম্পদ উৎপন্ন করে তাকে ধারণ করার পক্ষে বুর্জেয়া সমাজের অবস্থা বড়ই সংকীর্ণ। এই সংকট থেকে বুর্জেয়া শ্রেণি আবার কোন উপায়ে নিস্তার পায়? একদিকে, উৎপাদন-শক্তির বিপুল অংশ বাধ্য হয়ে নষ্ট করে ফেলে, অপরদিকে নূতন বাজার দখল করে পুরানো বাজারের ওপর আরো ব্যাপক শোষণ চালিয়ে। অর্থাৎ বলা যায় যে আরও ব্যাপক আরও ধ্বংসাত্মক সংকটের পথে, সংকট এড়াবার যা উপায় তাকেই কমিয়ে আনে।

যে অস্ত্ৰে বুর্জেয়া শ্রেণী সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধূলিসাৎ করেছিল সেই অস্ত্র আজ তাদেরই বিরুদ্ধে উদ্যত।

যে অস্ত্রে তাদের মৃত্যু বুর্জোয়া শ্রেণি শুধু সে অস্ত্রটুকুই গড়ে নি; এমন লোকও তারা সৃষ্টি করেছে যারা সে অস্ত্র ধারণ করবে, সৃষ্টি করেছে আধুনিক শ্রমিক শ্রেণিকে, প্রলেতারিয়েতকে।

যে পরিমাণে বুর্জোয়া শ্রেণি অর্থাৎ পুঁজি বেড়ে চলে ঠিক সেই অনুপাতে বিকাশ পায় প্রলেতারিয়েত অৰ্থাৎ আধুনিক শ্ৰমিক শ্রেণি, মেহনতীদের এ শ্রেণিটি বাঁচতে পারে যতক্ষণ কাজ জোটে, আর কাজ জোটে শুধু ততক্ষণ যতক্ষণ তাদের পরিশ্রমে পুঁজি বাড়তে থাকে। এই মেহনতিদের নিজেদের টুকরো টুকরো করে বেচতে হয়। বাণিজ্যের অন্য পণ্য সামগ্রীর মতোই তারা পণ্যদ্রব্যের সামিল। আর সেই হেতু নিয়তই প্রতিযোগিতার সবকিছু ঝড় ঝাপটা, বাজারের সবরকম ওঠানামার অধীন তারা।

যন্ত্রের বহুল ব্যবহার এবং শ্রমবিভাগের ফলে প্রলেতারিয়েতের কাজ আজ সকল ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য হারিয়েছে, এবং সেই হেতু মজুরের কাছে কাজের আকর্ষণ লোপ পেয়েছে। মজুর হয়েছে যন্ত্রের লেজুড়, তার কাছে চাওয়া হয় অতি সরল, একান্ত একঘেয়ে, অতি সহজে অর্জনীয় যোগ্যতাটুকু। সুতরাং মজুরের উৎপাদন খরচটাও সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে প্রায় একান্তই তাকে বাঁচিয়ে রাখার ও তার বংশরক্ষার পক্ষে অপরিহার্য অন্নবস্ত্রের সংস্থানটুকুর মধ্যে। কিন্তু পণ্যের দাম, অতএব শ্রমেরও দাম (৫) তার উৎপাদন খরচার সমান। সুতরাং কাজের জঘন্যতা যত বাড়ে, মজুরি তত কমে। শুধু তাই নয়, যে পরিমাণে যন্ত্রের ব্যবহার ও শ্রমবিভাগ বাড়ে, সেই অনুপাতে বাড়ে কাজের চাপ, হয় খাটুনির ঘন্টা বাড়িয়ে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বেশি কাজ আদায় করে, অথবা যন্ত্রের গতিবেগ বাড়িয়ে দিয়ে, ইত্যাদি।

আধুনিক যন্ত্রশিল্প পিতৃতান্ত্রিক মালিকের ছোটো কর্মশালাকে শিল্প-পুঁজিপতির বিরাট ফ্যাক্টরিতে পরিণত করেছে। বিপুল সংখ্যায় মজুরকে ফ্যাক্টরির মধ্যে ঢোকান হয় ভিড় করে, সংগঠিত করা হয় সৈনিকের ধরনে। শিল্পবাহিনীর সাধারণ সৈন্য হিসাবে তারা থাকে অফিসার সার্জেন্টদের এক খাঁটি বহুধাপী ব্যবস্থার অধীনে। মজুরেরা কেবলমাত্র বুর্জোয়া শ্রেণির ও বুর্জোয়া রাষ্ট্রের দাস নয়; দিনে দিনে ক্ষণে ক্ষণে তাদের করা হচ্ছে যন্ত্রের দাস, পরিদর্শকের দাস, সর্বোপরি খাস বুর্জোয়া মালিকটির দাস। এই যথেচ্ছাচার যত খোলাখুলিভাবে মুনাফালাভকেই নিজের লক্ষ্য ও আদর্শ হিসাবে ঘোষণা করে ততই তা হয়ে ওঠে আরও হীন, আরও ঘূণ্য, আরও তিক্ত।

শারীরিক মেহনতে দক্ষতা ও শক্তি যতই কম লাগতে থাকে, অর্থাৎ আধুনিক যন্ত্রশিল্প যতই বিকশিত হয়ে ওঠে, ততই পুরুষের পরিশ্রমের স্থান জুড়ে বসতে থাকে নারী শ্ৰম। শ্রমিক শ্রেণির কাছে বয়স কিংবা নারী-পুরুষের তফাতটার এখন আর বিশেষ সামাজিক তাৎপর্য নেই। সকলেই তারা খাটবার যন্ত্রমাত্র; বয়স অথবা স্ত্রী-পুরুষের তফাত অনুসারে সে যন্ত্র ব্যবহারের খরচটুকু কিছু বাড়ে-কমে মাত্র।

শিল্পের মালিক কর্তৃক মজুরের শোষণ খানিকটা সম্পূর্ণ হওয়া মাত্র অর্থাৎ তার মজুরির টাকাটা পাওয়া মাত্র, তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বুর্জেয়া শ্রেণীর অন্যান্য অংশ — বাড়িওয়ালা, দোকানাদার, বন্ধকী কারবারি প্রভৃতি।

তৃতীয় অংশ পড়ুন এই লিংক থেকে

আরো পড়ুন:  কার্ল মার্কসের বিচ্ছিন্নতার তত্ত্ব
Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১১টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page