আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > আন্তর্জাতিক > ভারতের আসাম দেশের সর্বমোট ৩৩টি জেলার তালিকা

ভারতের আসাম দেশের সর্বমোট ৩৩টি জেলার তালিকা

আসাম হচ্ছে ভারত দখলকৃত একটি অঞ্চল। প্রশাসনিক বিভাজনের ফলে আসামে ৩৩টি জেলা (ইংরেজি: Districts of Assam) গঠন করা হয়েছে। এই লেখায় এসব জেলার নামের তালিকা প্রদান করা হলো। এই তালিকা প্রদান করা হয়েছে যাতে বাংলাভাষী মানুষেরা আসাম সম্পর্কে আগ্রহি হতে পারেন।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম। এই স্বাধীনতা তার নিজস্ব শক্তিমত্তা ও অন্যের স্বাধীনতার মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত। দু’একজন ব্যক্তি মনে করেন বাংলাদেশ দুর্বল।  তাদের এই উপপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্তি পাওয়া দরকার যে ক্ষুদ্র দেশ মানে ক্ষুদ্র সার্বভৌমত্ব। সার্বভৌমত্ব কোনও দেশের ভৌগলিক আকার এবং অর্থনৈতিক অবস্থা দ্বারা পরিমাপ করা হয় না।

বাংলাদেশ বিশ্ব মর্যাদায় পিছিয়ে রয়েছে যেসব কারণে, তার এসব অমর্যাদার জন্য মূলত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কারণই প্রধান। এরপরই কারণ হিসেবে আসে সাম্রাজ্যবাদ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও তার রাজধানী দিল্লির পুঁজিপতি এবং তাদের বিস্তারবাদও একটি বড় কারণ বাংলাদেশের সমস্যা ও ব্যর্থতার জন্য। এই দিল্লি, তার আধিপত্যবাদী লুটেরা মনোভাব, পার্শ্ববর্তী দেশ ও জাতিসমূহকে শোষণ ইত্যাদি দিল্লিকে শক্তিশালী করেছে। দিল্লি এবং তার লুটপাটকারী বৈশিষ্ট্য বুঝতে হলে আমাদের আরো মনোযোগ দিতে হবে খুব কাছের অঞ্চলগুলোতে। আমাদের পার্শ্ববর্তী সাতবোনী দেশসমূহ বা সেভেন সিস্টার্সকে বোঝা দরকার সবার আগে। আসাম হচ্ছে এই সাতবোনী দেশের একটি দেশ।

আসাম ছাড়াও ভারত এই অঞ্চলে দখল করে রেখেছে আরো ছয়টি রাজ্য; যথা অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা, এবং মেঘালয়। এবং আসাম অন্যান্য ছয়টি দেশ দ্বারা বেষ্টিত। শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন নেক দ্বারা ভারত আসামসহ প্রতিটি দেশের উপর তার আধিপত্য বা বিস্তারবাদ বজায় রাখছে। এছাড়াও আসামের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভূটান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে।

আসামকে জানার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে পূর্বদেশসমূহের জাতিসমূহ ও জনগণের ভেতর নিবিড় ঐক্য গড়ে তোলা। সেই উদ্দেশ্যেই আসামের বর্তমানের ৩৩টি জেলার সংক্ষিপ্ত নাম এবং সেগুলোর একটি মানচিত্র এখানে প্রদান করা হয়েছে। এই জেলাগুলোর মধ্যে ওদালগুরি, কোকড়াঝাড়, চিরাং ও বাক্সা জেলা বড়োলেণ্ড স্বায়ত্বশাসিত এলাকার অন্তর্ভুক্ত। এখানে জানার জন্য অসমের জেলাগুলোর একটি তালিকা পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হলো।

আরো পড়ুন:  অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

১. ওদালগুরি জেলা

২. করিমগঞ্জ জেলা

৩. কাছাড় জেলা

৪. কামরূপ জেলা

৫. কামরূপ মহানগর জেলা

৬. কার্বি আংলং জেলা

৭. কোকড়াঝাড় জেলা

৮. গোয়ালপাড়া জেলা

৯. গোলাঘাট জেলা

১০. চড়াইদেও জেলা

১১. চিরাং জেলা

১২. ডিব্রুগড় জেলা

১৩. ডিমা হাছাও জেলা

১৪. তিনসুকিয়া জেলা

১৫. দক্ষিণ শালমারা মানকাচর জেলা

১৬. দরং জেলা

১৭. ধুবড়ী জেলা

১৮. ধেমাজি জেলা

১৯. নগাঁও জেলা

২০. নলবাড়ি জেলা

২১. পশ্চিম কার্বি আংলং জেলা

২২. বঙাইগাঁও জেলা

২৩. বরপেটা জেলা

২৪. বাক্সা জেলা

২৫. বিশ্বনাথ জেলা

২৬. মাজুলি জেলা

২৭. মরিগাঁও জেলা

২৮. যোরহাট জেলা

২৯. লখিমপুর জেলা

৩০. শিবসাগর জেলা

৩১. শোণিতপুর জেলা

৩২. হাইলাকান্দি জেলা

৩৩. হোজাই জেলা

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১১টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page