আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > আন্তর্জাতিক > বঙ্গ দেশের পশ্চিমদিকের ভূখণ্ডটি পশ্চিমবঙ্গ যা বর্তমানে দিল্লির অধীন একটি অঙ্গরাজ্য

বঙ্গ দেশের পশ্চিমদিকের ভূখণ্ডটি পশ্চিমবঙ্গ যা বর্তমানে দিল্লির অধীন একটি অঙ্গরাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ

বাংলাদেশের পশ্চিমদিকের ভূখণ্ডের নাম পশ্চিমবঙ্গ (ইংরেজি: West Bengal)। এটি বর্তমানে দিল্লির অধীন পুঁজিবাদ অনুসারী নিপীড়িত ও শোষিত একটি অঙ্গরাজ্য। রাজ্য হিসাবে পশ্চিমবঙ্গ প্রাকৃতিক সম্পদ, জনসংখ্যা, কৃষিজ ও খনিজ দ্রব্য উৎপাদন, শিল্প ও বানিজ্য, শিক্ষা সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক সচেতনতায় পশ্চিমবঙ্গ ভারতে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। 

প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য এই রাজ্যটিকে তেইশটি জেলায় বিভক্ত করা হয়েছে। জেলাগুলো হচ্ছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়্গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, নদীয়া, হুগলী, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর চবিবশ পরগণা এবং দক্ষিণ চবিবশ পরগণা। প্রতিটি জেলাকে আবার কয়েকটি মহকুমায় বিভক্ত করা হয়েছে। মহকুমাগুলি আবার কয়েকটি ব্লকে বিভক্ত। প্রতিটি ব্লককে আবার কয়েকটি গ্রামপঞ্চায়েতে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রামপঞ্চায়েত আবার কতকগুলি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস

পশ্চিমবঙ্গকে ১৯৪৭ সালের নয়া উপনিবেশিক ব্রিটিশদের হস্তান্তরের সময় দিল্লির মুৎসুদ্দি ও কুচক্রীদের হাতে তুলে দেয়া হয়। ১৯৪৭ সালে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলা থেকে বিভক্ত করে তিন শত্রু মিলে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। বর্তমান কাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ একটি পরাধীন নয়া উপনিবেশিক নিপীড়িত রাজ্য।  ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত বঙ্গভূমির পূর্বভাগ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা যা বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এবং পশ্চিমভাগ নিয়ে গঠিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। 

পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি পূর্বভারতে অবস্থিত। এই রাজ্য দক্ষিণে ২১° ৩৮” উত্তর থেকে উত্তরে ২৭ ১০” উত্তর এবং পশ্চিমে ৮৫° ৫০” পূর্ব থেকে ৮৯° ৫০” পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। 

পশ্চিমবঙ্গের চতুঃসীমা

পশ্চিমবঙ্গের পূর্বদিকে বাংলাদেশ, উত্তর-পশ্চিমে নেপাল, উত্তরে ভুটান ও সিকিম, উত্তর পূর্বে অসম, পশ্চিমে বিহার ও ঝাড়খণ্ড এবং দক্ষিণে ওড়িশা অবস্থিত। 

পশ্চিমবঙ্গের আয়তন 

ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে আয়তনে পশ্চিমবঙ্গের স্থান ১৩তম। পশ্চিমবঙ্গের আয়তন ৮৮,৭৫২ বর্গ কিমি। 

পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা 

২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের মোট লোকসংখ্যা ৯.১৩ কোটি জন। পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা কৃষিকাজ। কৃষিজীবীরা কেউ জমির মালিক, কেউ ভাগচাষী, কেউ বা ক্ষেতমজুর। কৃষিকাজ ছাড়া কেউ কেউ মাছ ধরে, কেউ কেউ আবার কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, কেউ আবার হাঁড়ি-কলসি তৈরি, দেব-দেবীর মূর্তি নির্মাণ, কামারের কাজ, কেউ বা বন থেকে মধু, মােম, কাঠ প্রভৃতি সংগ্রহ করে জীবন ধারণ করে। কেউ বা আবার চাকুরীজীবী।

আরো পড়ুন:  ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস হচ্ছে ভারতের বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাস

পশ্চিমবঙ্গের ভূমিরূপ 

পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি প্রধান ভূমিরূপ অঞ্চলে ভাগ করা যায়। (ক) উত্তরে পার্বত্য অঞ্চল (খ) পশ্চিমের তরঙ্গায়িত উচ্চভূমি ও নীচু মালভূমি এবং (গ) উত্তর ও দক্ষিণের সমভূমি অঞ্চল। উত্তরের সমভূমির মধ্যে আছে তরাই সমভূমি ও উত্তরবঙ্গের সমভূমি এবং দক্ষিণের সমভূমির মধ্যে আছে রাঢ় সমভূমি, গঙ্গা বদ্বীপ সমভূমি, সুন্দরবন সমভূমি ও উপকূলের বালিয়াড়ি অঞ্চল। 

বিশাল সংখ্যক গ্রামীণ এবং নাগরিক জলাভূমি এ রাজ্যের জলজ ভূমি চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছে। পশ্চিমবঙ্গে নদীগুলির মধ্যে মহানন্দা, সুবর্ণরেখা এবং হুগলি ও মাতলা প্রধান এবং সুন্দরবন ১০২টি দ্বীপসহ বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ।

পশ্চিমবঙ্গের নদনদী 

পশ্চিমবঙ্গ নদীমাতৃক কৃষিকেন্দ্রিক রাজ্য। নদ-নদী বিধৌত পলিমাটি কৃষিকাজের পক্ষে ভীষণ উপযোগী। তাই প্রকৃতিগত কারণেই পশ্চিমবঙ্গবাসী মানুষের প্রধান জীবিকা কৃষিকাজ।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের নদ-নদীগুলি হলো তিস্তা, তোরসা, জলঢাকা, রায়ডাক, সংকোশ, মহানন্দা, পুনর্ভবা, টাংগন। মধ্যভাগের নদনদীগুলি হলো গঙ্গা, ভাগীরথী-হুগলী, রূপনারায়ণ, হলদি, ভৈরবী, জলঙ্গী, মাথাভাঙা, চূর্ণী, ইছামতী, কালিন্দী প্রভৃতি। পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি অঞ্চলের নদ-নদীগুলি হল দামোদর, অজয়, দ্বারকা, ব্রাহ্মণী, ময়ূরাক্ষী, কংসাবতী, সুবর্ণরেখা। সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদীগুলি হল পিয়ালী, ঠাকুরান, মাতলা, গোসবা, হাড়িয়াভাঙ্গা, সপ্তমুখী, রায়মঙ্গল প্রভৃতি।

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু ক্রান্তীয় উষ্ণ আর্দ্র প্রকৃতির। এখানে গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল, শরৎকাল এবং শীতকাল দেখা যায়। 

পশ্চিমবঙ্গের জীব বৈচিত্র্য 

পশ্চিমবঙ্গে চার ধরণের মাটি দেখা যায় পলিমাটি, ল্যাটারাইট মাটি, লবণাক্ত ও ক্ষারীয় মাটি এবং পার্বত্য অঞ্চলের অনুর্বর মাটি। পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চলে পাইন, ফার, ওক, দেবদারু, ম্যাপল, চম্পা, শিশু, গর্জন খয়ের প্রভৃতি গাছ জন্মায়। তরাই-ডুয়ার্স অঞ্চলে শাল, শিমুল, সেগুন, গর্জন, শিমুল প্রভৃতি গাছ জন্মায়। সমভূমি অঞ্চলে আম, জাম, কাঁঠাল, তেঁতুল, নিম, বট, অশ্বথ প্রভৃতি গাছ এবং সুন্দরবন অঞ্চলে সুন্দরি, গরান, গর্জন, গেওয়া, কেওড়া, গোলপাতা, হোগলা, বেত প্রভৃতি গাছ দেখা যায়। 

এই রাজ্য বাস্তুতন্ত্রের বৈচিত্র্যে অনন্য, দার্জিলিং হিমালয় থেকে তরাই অরণ্য এবং কৃষিকাজের আওতায় বিস্তীর্ণ গাঙ্গেয় সমতলভূমি এর অন্তর্গত। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল আধা উষর কম জীববৈচিত্র্য সম্পন্ন। ভারতের বিস্তীর্ণতম প্যারাবন বা লবণাম্বু অরণ্য বাংলাদেশের সঙ্গে একত্রে বিশ্বের বৃহত্তম প্যারাবন বা লবণাম্বু অরণ্য এই পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত।

আরো পড়ুন:  ভারতে শাসন সংস্কার ও আঠারো শতকের ষাটের দশকগুলো

রাজ্যের তিনটি জেলা জুড়ে ২২৫ কিমি বিস্তীর্ণ তটরেখা, সামুদ্রিক এবং উপকুলীয় জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ। এই রাজ্য তার বহুবিধ বাস্তুতন্ত্রের জন্য সমৃদ্ধ, জীববৈচিত্র্যের জন্য খ্যাত, যার মধ্যে বিপন্ন রয়াল বেঙ্গল টাইগার, লালপাণ্ডা,  এশিয়ার হাতি, ন্যূনতম তিন প্রজাতির হরিণ, বণ্য বরাহ, প্যাঙ্গোলিন প্রভৃতি অন্যতম। এ রাজ্য বিপন্ন সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং অশ্বক্ষুরাকৃতি কাকড়ার প্রজনন স্থল। ক্রম বর্ধমান জনবসতির চাপে জীবের আবাসস্থলের পরিবর্তন জীববৈচিত্র্যকে করেছে ভীষণভাবে সংকটাপন্ন। অতীব গুরুত্বপূর্ণ ‘কি-স্টোন’ প্রজাতি, যথা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এবং হাতির সংখ্যা ক্রমহ্রাসমান এবং সাম্প্রতিককালে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে মানুষ ও বন্যপ্রাণী সংঘর্ষের একাধিক ঘটনা ঘটছে। ৩টি জাতীয় উদ্যান, একটি সংরক্ষিত জীবমণ্ডল, ১৭টি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য, ২টি ব্যাঘ্র প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও এ রাজ্যে জীববৈচিত্র্যের সঙ্কট অব্যাহত যার মধ্যে ৫০ শতাংশ স্তন্যপায়ী, ৪৪ শতাংশ পাখি, ২৫ শতাংশ সরীসৃপ প্রজাতি নথিবদ্ধ হয়েছে। অপ্রতুল অরণ্য ছাউনি, জলাভূমির হ্রাস, নদী জলের দূষণ, নদী উপত্যকায় গড়ে ওঠা প্রকল্প, কৃষিক্ষেত্রের ব্যবহারে পরিবর্তন এই সঙ্কটের কারণ সমুহের অন্যতম।

পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি

পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি সাধারণভাবে বাংলা সংস্কৃতির অঙ্গীভূত এবং পৃথিবীর গুরুত্ববাহী সকল জাতির সংস্কৃতির সঙ্গে তার সংযােগও অনস্বীকার্য। দক্ষিণ এশিয়ার বহু সাংস্কৃতিক উপকরণ ও গড়নের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির যে রূপসাদৃশ্য দেখা যায়, তা সুদৃঢ় ঐতিহাসিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত এবং সে-ভিত্তির মূল প্রাচীন ইতিহাসের কুয়াশাচ্ছন্ন দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। সেইজন্য পশ্চিম বাংলার সংস্কৃতিকে বঙ্গ, দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্ব সংস্কৃতির প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির পরিপূর্ণ রূপ বিচার করা সম্ভব নয়। বিশ্ব সংস্কৃতির সাগর অভিমুখে যাত্রাপথে বহু জনপদ-সংস্কৃতির বিচিত্র স্রোতস্বিনী-ধারা পরস্পরের সঙ্গে মিলিত ও বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বহু জাতি ও জনগােষ্ঠীর দান আছে তাতে। বাংলা সংস্কৃতি, বাঙালী জাতি এবং তার অন্তর্ভুক্ত বহু বর্ণ-গােষ্ঠী তাদের মধ্যে অন্যতম।

বাংলা ছিল মধ্যযুগীয় ভারতের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অংশ, পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয় সাহিত্য, সংগীত এবং নাটকের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। মূলত বাঙালি ও অন্যান্য জাতির লোককাহিনী এবং মহাকাব্য এবং পৌরাণিক কাহিনীর উপর ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি বিকশিত হয়েছে।

আরো পড়ুন:  ভাষা আন্দোলন হচ্ছে পূর্বদেশসমূহে সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র জনগণের ভাষা রক্ষার আন্দোলন

বিশ্ব সংস্কৃতির সঙ্গে বিভিন্ন জানপদ-সংস্কৃতির যে সম্পর্ক, এক-একটি জানপদ-সংস্কৃতির সঙ্গে সেই জনপদ অন্তর্গত বিভিন্ন অঞ্চলের সম্পর্কও কতকটা অনুরূপ বলা চলে। আধুনিক জাতি-বিজ্ঞানের অর্থে ‘বাঙালী’ একজাতি বলে গণ্য হলেও, বহু জাতি সম্প্রদায় ও বর্ণের সংমিশ্রণে তার উদ্ভব হয়েছে। তারও আগে, মৌলিক ও সঙ্কর মানবজাতির শাখা-প্রশাখার মিলন-মিশ্রণ ঘটেছে বাংলাদেশে। নৃতত্ত্ববিদ ও জাতিতত্ত্ববিদ তার বিচার-বিশ্লেষণ করেছেন। জাতিশুদ্ধতা বিজ্ঞানীদের কাছে ‘মিথ’ বা কল্পনা ছাড়া কিছু নয়। বরং আঞ্চলিকতা, বৃত্তি, আচার ও সংস্কারের পার্থক্যের জন্যই কালক্রমে বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতির এই ব্যবধান ঘটেছে। সামাজিক গড়ন ও কর্মব্যবস্থাই তার জন্য দায়ী।

পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত লোকসমাজের সাংস্কৃতিক উপাদান

পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত লোকসংস্কৃতির উপাদানগুলো (ইংরেজি: Elements of the Folk Culture of West Bengal) হচ্ছে লোকশিল্প, লোকসঙ্গীত, লোকচিকিৎসা, লোক খেলাধূলা, লোকনাট্য, লোকনিমন্ত্রণ ইত্যাদি। এসব উপাদানগুলো পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত লোকসমাজের সাংস্কৃতিক ভিত্তিকে নির্ধারণ করেছে। লোকসংস্কৃতির বহুবিধ উপাদানে পরিপূর্ণ ভারতের এই অঙ্গরাজ্যটি।

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১১টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page