কিছু রক্ত এখনো বিদ্রোহী

আমরা শ্রমিককে মজুরি দিয়ে বোঝাতে চাই
ঘুম এলেও কবিতা লেখা যায়,
এবং কবিতা জীবনের অধিক গুরুত্ব বহন করে,
হারানো দিন ফুটিয়ে তোলে
নিপীড়িতের অসংগতি, ক্ষমতাহীনের উপর অবিচার
নাটকে প্রদর্শিত রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা,
তের হাত লাঠি দিয়ে অভাবীকে নাচানো,
গানের মাধ্যমে মানুষের মাঝখানে ফিরে যাওয়া শ্রমিক,
জীবনকে পাল্টাতে গিয়ে যারা নিজেদের বদলে যাওয়া,
কিছু রক্ত এখনো বিদ্রোহী
ইত্যাকার সবকিছু কবিতায় চলে;

প্রগতির বারুদ কার জ্বালানোর কথা, আর কে এখন জ্বালায়?
হলদে পাড়ার একটি বাড়িকে সাজানো হলো লাল রঙে
খাপ না খাওয়া রঙ, পছন্দের পরিবর্তন কতো দ্রুত; —
যেন উল্কার গতি,
একজন বিজ্ঞানীর পছন্দ সত্য,
সেই সত্য রঙ প্রথমে একজনই চিনতে পারে,
ক্রমাগত সেই রঙ সবার বুকে রঙ ছড়ায়
নিয়ে যায় প্রিয় মাটির কাছে;
ওখানে অপেক্ষা করছে আমাদের শিল্পনগরী,
আধুনিকতার কোলাহল, শালিকের ডানা,
সাময়িক ব্যস্ততা, সময়ের শেষ সংকট,
আরও পথ বাকি কমরেড, ওই দুরে আমার স্বদেশ,
দুপারেই আমার দেশ আমার বাঙলা।

তোমাদের চোখে যে স্বপ্ন খেলা করে তা
ভালবাসা ও ঘৃনার মাঝে একটি সেতু বাঁধে,
সেই সেতুর নিচে আমরা লাফাবো, সাঁতরাবো,
অথবা আত্মহত্যা করবো অথবা দাঁড়াবো নিজ শক্তিতে;
টেকনাফ হতে তেতুলিয়ায়, এশিয়া হতে আফ্রিকায়
একটি কথাই শোনা যায়
আমরা আসছি, সমস্ত রাষ্ট্রীয় গোলামি খেদিয়ে
আমরা রক্ষা করবো আমার শ্রমিক আমার কৃষক,
বাঁচাবো আমার সোঁদা মাটি গন্ধ,
তুমিই আমাদের প্রথম ঝলকিত প্রেমের গন্তব্য,
আমরা পৌঁছাবোই তোমার মুক্তির বন্দরে।

Leave a Comment

error: Content is protected !!