সংকীর্ণতাবাদী তসলিমা নাসরিন এবং বাংলাদেশের মুক্তমনাদের প্রতিক্রিয়াশীলতা

তসলিমা নাসরিন ও অন্যান্য সংকীর্ণতাবাদী বাংলাদেশের মুক্তমনারা হচ্ছেন রাজনৈতিকভাবে চরম প্রতিক্রিয়াশীল এবং তারা জনগণ গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার শত্রু। তারা জনগণের বিপক্ষে থেকে স্নায়ুযুদ্ধ এবং ততপরবর্তী সময়ে সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও পুঁজিবাদের সেবাদাস হিসেবে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশের মুক্তমনারা জনগণের পশ্চাৎপদ চিন্তার অবস্থান না বুঝে এবং তাদেরকে শ্রেণিসংগ্রাম ও বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত না করেই তারা বুলিবাগীশ হিসেবে নিজেদের হাজির করেছেন। ফলে তারা বুর্জোয়া সংকীর্ণতাবাদের এবং হঠকারী সত্য প্রকাশের খপ্পরে পড়েছেন। একজন লেখক যদি অষ্টাদশ ও উনিশ শতকীয় বুর্জোয়া সংকীর্ণতাবাদী নাস্তিকতা প্রচারকারি হয়ে পড়েন তাহলে তার কর্মসমূহ জনগণের বিরুদ্ধে চালিত হতে বাধ্য। কেননা, ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া, আধার ও আধেয় বুঝে কাজ করার নাম বিজ্ঞান। সাথে আরো একটু যুক্ত করা যেতে পারে যে, বিশ্লেষণ-প্রতিবিশ্লেষণ-সংশ্লেষণ এবং তার বিকশিত রূপ হিসেবে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ বুঝে কাজ করার নাম মার্কসবাদ

সত্য জ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা বাস্তবের সংগে মেলে। বাস্তবতাবর্জিত কর্মকাণ্ড জনগণের কোনো কাজে নাও লাগতে পারে। বাস্তবের সাথে সম্পর্কহীন বাংলাদেশের হঠকারী মুক্তমনারা কী ভেবেছেন কেন নিকোলাস কোপারনিকাস (১৯শে ফেব্রুয়ারি, ১৪৭৩ – ২৪শে মে, ১৫৪৩) তাঁর নভোবস্তুর আবর্তন বিষয়ক প্রসিদ্ধ মহাগ্রন্থ On the Revolutions of Heavenly Spheres মৃত্যুর পূর্বে প্রকাশ করেছিলেন। সত্য প্রকাশের জন্য প্রথমত দরকার বস্তু ও বাস্তবতার বিশ্লেষণ। সেই দুরূহ কাজটি না করে জনগণের পশ্চাৎপদ অংশটির ধর্মীয় আবেগের অবমাননাকারী বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াশীল মুক্তমনা, মুক্তচিন্তক ও নাস্তিকরা বাংলাদেশে গত প্রায় চার দশক লেগে আছেন নাস্তিকতা প্রচারে। স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে পশ্চাৎপদ জনগণকে খুঁচিয়ে ধর্মের রক্ষণশীলতা বাড়াতে সাম্রাজ্যবাদ বিশাল ভূমিকা পালন করে। সেই সাম্রাজ্যবাদী কুটচালের উৎপাদন হচ্ছে সালমান রুশদি এবং সেই ধারাবাহিকতার বাংলাদেশি উৎপাদন দাউদ হায়দার ও তসলিমা নাসরিন[১]।  

বাংলাদেশসহ গোটা দুনিয়ার নাস্তিকেরা পুঁজিপতি, কারখানামালিক, ব্যবসায়ী, কর্পোরেট পুঁজি, লগ্নি পুঁজি, সাম্রাজ্যবাদী ব্যাংক ও বহুজাতিক ব্যাংকসমূহের অর্থনৈতিক শোষণটিকে দেখে না। তাদের চোখ শোষিত জনগণের অজ্ঞতার দিকে। শোষিতদের কারা অজ্ঞ করে রেখেছে হাজার বছর ধরে তাও এই নাস্তিকতান্ধরা দেখে না। তারা দেখে না, ‘শ্রমিক জনগণের অন্তহীন শোষণ ও কার্কশ্য যে-সমাজের ভিত্তি, সেখানে বিশুদ্ধ প্রচার মাধ্যমে ধর্মীয় কুসংস্কার দূরীকরণের প্রত্যাশা বুদ্ধিহীনতার নামান্তর। মানুষের উপর চেপে থাকা ধর্মের জোয়াল যে সমাজমধ্যস্থ অর্থনৈতিক জোয়ালেরই প্রতিফলন ও ফল’,[২] এই কথা বিস্মৃত হয়ে তারা অতি সহজেই গণবিরোধি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায়।

ফলে নাস্তিকদের গণবিরোধিতাকে দ্বান্দ্বিকভাবে দেখলে এই সত্য পরিষ্কার হবে যে, রুশদি, তসলিমারা পুরোটাই টাউট, বিজ্ঞানবিরোধি, যুক্তিবিরোধি, সত্যবিরোধি। এরা সকলেই পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, ভোগবাদ, শোষণ, লুটতরাজের সমর্থক এবং গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদশ্রেণিসংগ্রামবিরোধিতায় তারা ফ্যাসিবাদের সাথে একনিষ্ঠ সহযোগী ও দোসর।

আরো পড়ুন:  কথা ছিলো

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই বাগাড়ম্বরধারী নাস্তিক, মুক্তমনা ও মুক্তচিন্তকরা নিজেদেরকে গণতান্ত্রিক বলে পরিচয় দেয়, মতপ্রকাশের কথা বলে। কিন্তু এই বাগাড়ম্বরধারিরা কী চিন্তা করে বাংলাদেশে হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন ফি বছর বাড়ে কেন, প্রতি বছর দুর্নীতির সূচক উপরের দিকে ওঠে কেন। আমরা দেখছি গত প্রায় সাড়ে চার দশকে নীতি নৈতিকতার বালাই শূন্যের কাছে চলে গেছে। তাদের শুভচিন্তা বিলীন হয়েছে লুটতরাজের পায়ের নিচে। বাংলাদেশের মুক্তচিন্তকগণ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চাকারীগণ যেনবা শুভচিন্তা ও শুভবুদ্ধির বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেছেন। মুক্তবুদ্ধি অবশ্যই আমাদেরকে বদ্ধচিন্তা ও রক্ষণশীলতাকে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে কিন্তু মুক্তবুদ্ধির ব্যবহারে সতর্ক না হলে তা আত্মঘাতী হতে পারে।[৩] বাংলাদেশের মুক্তচিন্তকদের কাজকর্মের ফলে এখানে সমস্ত পশ্চাৎপদ বিষয়গুলোতে অসহিষ্ণুতা জন্ম নিয়েছে। কিন্তু মুক্তবুদ্ধির ও মুক্তচিন্তার বাংলাদেশী চর্চাকারিগণ অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যর্থতার বিষয়গুলোকে চিহ্নিত না করে উপরিকাঠামোর দিকে অস্ত্র তাক করেছেন। আমাদের তথাকথিত নাস্তিক, মুক্তমনারা কী নিজেদের প্রশ্ন করেছেন,

বাংলাদেশে গণতন্ত্র ব্যর্থ হচ্ছে কেন? সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হচ্ছে কেন? স্বাধীনতা ব্যর্থ হচ্ছে কেন? এর জন্য কী ধর্মপন্থিরা দায়ী?[৪]

বাংলাদেশে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, স্বাধীনতা ব্যর্থ হবার জন্য এদেশের সুবিধাবাদী আমলা নির্ভর সাম্রাজ্যবাদের তলপিবাহক রাজনীতিক আর বুদ্ধিজীবীরাই দায়ি। তাদের নিকৃষ্ট মানবচরিত্র জনগণকে তাদের দিকে নিয়ে যেতে পারেনি। এই বিষয়ে আবুল কাসেম ফজলুল হক লিখেছেন,

মানববাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ইত্যাদি মানবীয় আদর্শের ধারক-বাহকেরা যদি নিকৃষ্ট চরিত্রের হয় এবং এ ধারায় নেতৃত্ব যদি নিকৃষ্টতর চরিত্রের হয় তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। সে অবস্থায় ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার আন্দোলনের চেয়ে মানবীয় আদর্শভিত্তিক রাজনীতির মান উন্নত করার চেষ্টা করাই কল্যাণকর।[৫]

বাংলাদেশের মুক্তমনা, মুক্তচিন্তক আর নাস্তিকরা নীতিবিবর্জিত ভোগবাদী। এই ভোগবাদী তসলিমাকে কয়েক বছর ধরে সমর্থন করে যাচ্ছেন বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাপন্থিরা। ১৯৯২ সালে লজ্জ্বা বের হলে, ধর্মান্ধরা তার বিরুদ্ধে মিছিল শুরু করলে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ তাদের মাসিক পত্রিকা ভ্যানগার্ডের প্রায় ২৪ পৃষ্ঠার পুরোটাই তসলিমার পক্ষে লেখে। সেই থেকে শুরু এবং এখন পর্যন্ত কতিপয় লেনিনবাদবিরোধী সংশোধনবাদীরা তসলিমার পক্ষে লিখে চলেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তসলিমার কী আচরণ দেখা গেল? ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ২০০০ মুসলমান নিধনের জন্য দায়ি, হত্যাকাণ্ডের অপরাধ উপেক্ষা করাসহ দাঙ্গায় সক্রিয় উস্কানি জোগাবার অভিযোগে অভিযুক্ত নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাথে তিনি সাক্ষাত করেছেন এবং ভারতের আবাসিক ভিসা লাভ করেছেন।[৬] এই হচ্ছে তসলিমা!! ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কৌতুক এটাই যে বাংলাদেশে যেসব ধর্মপন্থিরা ১৯৯২ সালে হিন্দুদের উপর হত্যাসহ নানা নির্যাতন চালিয়েছিলো, যে ঘটনার বিরোধিতা করে তিনি ‘লজ্জা’ লিখেছিলেন, সেই একই ধরনের কাজে অভিযুক্ত আরেক সাম্প্রদায়িক দল বিজেপির কাছে নাস্তিক তসলিমাকে ধর্না দিতে হয়। 

২২ মার্চ ২০১৮ তারিখে হিন্দুত্ববাদের পক্ষে টুইটারে উক্তি করেন তসলিমা নাসরিন

বাংলাদেশে মুক্তচিন্তক, মুক্তমনা আর নাস্তিকদের কাজের ফলাফল হচ্ছে লিগেনপি এবং সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থরক্ষা। এদেরই এক তল্পিবাহক নরেন্দ্র মোদির কাছে অনুগত, যেমন বাংলাদেশের নাস্তিকেরা অনুগত ইউরোপের চাকচিক্যের কাছে। এরা সমাজের আমূল পরিবর্তনের বিপক্ষে, সমাজ বিপ্লবের বিরুদ্ধে, জনগণকে অজ্ঞতার সাগরে ডুবাতে বদ্ধপরিকর এবং জনগণের লড়াইকে ভুল পথে চালিত করতে পারঙ্গম। প্রচলিত দুর্নীতিনির্ভর নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রের সেবক বাংলাদেশের মুক্তমনারা তাই নিরেট প্রতিক্রিয়াশীল। বুর্জোয়া চিন্তাধারা হচ্ছে তাই যা প্রচলিত সমাজকে টিকিয়ে রাখার অনবরত চেষ্টা করে। মার্কসবাদে এই বিষয়গুলো প্রতিক্রিয়াশীল হিসেবেই গণ্য। মুক্তচিন্তা মূলত ‘অধর্ম’ ও নাস্তিকতার আলোচ্য বিষয়।

আরো পড়ুন:  প্রশ্ন

নরেন্দ্র মোদী ও তার বিজেপি, সোনিয়ার কংগ্রেস এবং লেদাসিনার লিগেনপিকে যারা আলাদা করে দেখে তারা সমাজের পরিচালনাকারী শোষকদের ঐক্যকে বাগাড়ম্বর দিয়ে আড়াল করে। বর্তমান লিগ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী গত ১৪ জুলাই, ২০১৪ তে বলেছিল, ‘দুর্নীতি বন্ধ করতে ইসলাম কায়েম করতে হবে’। সে আরো বলেছিল ‘ইসলাম কায়েম করতে পারলে সহিংস রাজনীতি থাকবে না’।[৭] ফলে লিগ-বিএনপি এবং বিজেপি-কংগ্রেস হচ্ছে জনশোষণের সেই কারখানা যার মূলোৎপাটন না করতে পারলে স্বদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র ব্যর্থ হতে বাধ্য।

গত চার দশকে বাংলাদেশে মুক্তমনা, মুক্তচিন্তক আর নাস্তিকেরা আওয়ামি লিগকে প্রগতিশীল হিসেবে প্রচার করছে। এরাই মূলত আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক প্রচারকারী। হাসিনা একবার পট্টি পরে তসবি জপে দেশে ইসলামি রাষ্ট্র গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। যেই দলটির জন্ম মুসলিম লিগ থেকে মুসলিম লিগ নাম নিয়ে, যে পার্টিটির একটি কাজ হচ্ছে ধর্মব্যবসা করা, সেই পার্টিটির পক্ষে প্রতিক্রিয়াশীল মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত ফ্যাশনবাজ মুক্তচিন্তক, মুক্তমনা আর নাস্তিকরা লেখালেখি উদগীরণ করে ইতিহাসের চাকাকে উল্টোদিকে ঘোরানোর অপচেষ্টা করছেন। অথচ তাঁদের পরিকল্পনামন্ত্রী বলে যে ‘ইসলাম কায়েম করতে পারলে সহিংস রাজনীতি থাকবে না’। গোটা দুনিয়ায় যেসব ইসলামি রাষ্ট্র আছে সেখানে সাদা শান্তির নহর বইছে মনে হয়। পরিকল্পনামন্ত্রীর এই বাণীর পরে তো প্রতিছাগু[৮] মহান মুক্তমনাদের আত্মহত্যা করা লাগবে। আর সেটি তারা করতে না পারলে তাদেরকে শরিয়ার দরিয়ায় সাঁতার দিতে হবে।

বাংলাদেশের এইসব মহান মুক্তমনারা ভুলে যায় মাঝে মাঝে দুএকটি কথায় সামন্তবাদের বিরোধিতা করলেই প্রগতিশীল হওয়া যায় না। তসলিমার গত কয়েক বছরের কাজকারবার দেখলে বোঝা যায় তিনি এখন সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় মৌলবাদী বিজেপির উৎকৃষ্ট পণ্য। বাংলাদেশের মুক্তমনাদের মনে রাখা দরকার আওয়ামি লিগ চুষে শেষ পর্যন্ত ইসলাম পাওয়া যায়, যেমন নাস্তিকতা চুষে শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায় সাম্প্রদায়িক শিবসেনা, বজরং আর বিজেপির হিন্দুত্ব।[৯]

আরো পড়ুন:  উপনিবেশবাদের ফলাফল হচ্ছে বিশ্ব সমাজের পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী রূপ

তথ্যসূত্র:

১. তসলিমা নাসরিন, জন্ম ২৫ আগস্ট, ১৯৬৫, বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্রাজ্যবাদের সমর্থক, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রবিরোধী লেখিকা।
২. ভি. আই. লেনিন, সমাজতন্ত্র ও ধর্ম, ডিসেম্বর ১৯০৫, ধর্ম প্রসঙ্গে, ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রা. লি., সেপ্টেম্বর ২০০৬, পৃ. ১১। 
৩. মুক্তবুদ্ধি ও শুভবুদ্ধি বিষয়ে পড়তে পারেন মুহম্মদ সাইফুল ইসলামের প্রবন্ধ মুক্তবুদ্ধি ও শুভবুদ্ধি, আবুল কাসেম ফজলুল হক, সম্পাদিত লোকায়ত, একবিংশ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, মে ২০০৩, পৃষ্ঠা ৭-১৮।
৪. আবুল কাসেম ফজলুল হক, রাষ্ট্রচিন্তায় বাংলাদেশ; কথাপ্রকাশ, ঢাকা; ফেব্রুয়ারি, ২০০৮; পৃষ্ঠা ৯০। আপনারা এই গ্রন্থের ‘ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহার’ নামের প্রবন্ধটি আরো বোঝার জন্য পড়তে পারেন।
৫ পূর্বোক্ত, পৃষ্ঠা ৯৩।
৬. ভারতের আবাসিক ভিসা পেলেন তসলিমা, দৈনিক সমকাল, ৩ আগস্ট ২০১৪, শেষ পাতা, খবরের লিংক: http://www.samakal.net/2014/08/03/76341
৭. দৈনিক কালের কণ্ঠ, ১৪ জুলাই, ২০১৪, পরিকল্পনামন্ত্রীর উদ্ধৃতির লিংক এইখানে, http://www.kalerkantho.com/online/national/2014/07/14/106916।
৮. প্রতিছাগু (Counter-goat) হচ্ছে ছাগুদের বিপরীত ছাগু। বাংলাদেশের অন্তর্জাল দুনিয়ায় ধর্মপন্থিদের ছাগু বলা হয়। এই ছাগু নামকরণটি করেছেন কথিত মুক্তমনারা যাদেরকে প্রতিছাগু হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
৯. প্রবন্ধটি সরকার আজিজ সম্পাদিত মে ২০১৫ তে ময়মনসিংহ জং, ষষ্ঠ সংখ্যা, ছোটকাগজের ২১-২৫ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত। উল্লেখ্য পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময়ে লেখাটিকে পরিমার্জন করা হয়েছে।  

রচনাকাল: ৬ আগস্ট, ২০১৪।

Leave a Comment

error: Content is protected !!