প্যারাবন বা বাদা বন বা ম্যানগ্রোভ বন (ইংরেজি: Mangrove forest) হচ্ছে বাদা জলাভূমি বা প্যারা ঝোপঝাড় বা মঙ্গলও বলা হয়, এবং এসব বন গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-ক্রান্তীয় আন্তঃজোয়ারভাটা অঞ্চলে অবস্থিত উৎপাদনশীল জলাভূমি। প্রায় ৮০টি ম্যানগ্রোভ প্রজাতি বিদ্যমান, যাদের সবকটিই এমন এলাকার সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে যেখানে ধীর-গতির জলে সূক্ষ্ম পলি জমা হতে পারে এবং মাটিতে অক্সিজেনের অভাব থাকে। এই গাছগুলি হিমাঙ্কের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না, যা উষ্ণ জলবায়ুতে তাদের সংস্থানকে সীমাবদ্ধ করে।
প্যারাবনের গাছের স্বতন্ত্র, রণপা-সদৃশ শিকড়, বাংলায় শ্বাসমূল বলা হয়, জোয়ারের জলের গতি কমিয়ে দেয়, যার ফলে বদ্ধ পলি জমা হয় এবং উপকূলীয় ভূমিক্ষয় কমাতে প্রতিরক্ষামূলক বাধা হিসেবে কাজ করে। এই শিকড়গুলি অনেক প্রজাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থলও প্রদান করে।
প্যারাবন বা বাদাবন
প্যারাবন বা বাদাবন মূলত বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশের বনাঞ্চলকে বলা হয়। এটি দক্ষিণ পশ্চিম অংশে সমুদ্রের কোল ঘেঁসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত। স্থানীয়রা একে বাদাবন বা বাদা বলে। এই অঞ্চল ঝড়ঝঞ্ঝা আর জলোচ্ছ্বাসকে প্রতিরোধ করে।
বাদা অঞ্চলের গাছগুলো একটানা ২০ দিন নোনাপানির মধ্যে বেঁচে থাকতে পারে। সমুদ্রের লবণাক্ততার মাত্রা কতো তা আমাদের জানা। বর্তমান বিজ্ঞানীরা এসব গাছের বংশসার (Gene) থেকে নোনা সহ্য করার বৈশিষ্ট্য নিয়ে প্রয়োগ করছেন ধান ও অন্যান্য ফসলের জাতে। তাই সেসব প্রজাতি হয়ে উঠছে লবণ আর বন্যা সহিষ্ণু। বাদাবনের গাছের মতো হাওরের করচ (Millettia pinnata) ও ছোট হিজল (Barringtonia racemosa) দীর্ঘদিন জলাবদ্ধতায় টিকে থাকতে পারে। এ দুটো আসলে গৌণবাদা (Mangrove Associate) গাছ। অর্থাৎএরা লবণও সহ্য করতে পারে। সুতরাং ফসলের বন্যা সহিষ্ণু জাত তৈরিতে এদের বংশসার ভূমিকা পালন করে।
বাদাবন বা প্যারাবনের প্রাকৃতিক সম্পদ
যে গাছ জলাবদ্ধতায় ও লবণাক্ততায় বাঁচতে পারে কিন্তু বাদাবনের বাইরে জন্মায় সেই গাছগুলো গৌণবাদা। আর যে গাছ বাদাবনের ভেতরেরই জন্মায় সেখানেই বংশবিস্তার করে সেই গাছগুলোই মুখ্যবাদা গাছ। সাধারণত ম্যানগ্রোভ বনে গাছপালার প্রজাতি সীমিত থাকে। এর প্রধানতম কারন এই অঞ্চলের পানির লবণাক্ততা। সমুদ্রের নোনাপানির জোয়ার ভাঁটার সাথে খাপ খাইয়ে যেসব প্রজাতি টিকে থাকতে সক্ষম তারাই এই বনে বসবাসের জন্য নির্ধারিত।
এই বনের গাছগুলো নদী বা সাগরের কিনারা ঘেঁসে থাকে। তাতে মাছের পোনা, কাঁকড়া,ব্যাঙ, চিংড়ি, শামুক-ঝিনুক, শৈবাল, সাপ ইত্যাদি আশ্রয় নেয়। এই গাছেরা উপকূল রক্ষা, চিংড়ি বা মাছের উৎপাদন, বাণিজ্যিক বা গৃহস্থালির কাঠ সরবরাহ ইত্যাদি কাজ করে থাকে। বাংলাদেশের উপকূলীয় সামুদ্রিক পানি পৃথিবীর মধ্যে মৎস্য চাষের জন্য সমৃদ্ধ। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, কর্ণফুলী এই চারটি নদীর পানি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে; এই নদীগুলো প্রচুর পুষ্টিকর দ্রব্য বহন করে যা উপকূলীয় অঞ্চলকে উর্বর করে।[১] এই বনে প্রতিদিন দুইবার জোয়ারের পানি প্রবাহিত হয়। এতে ছয় ইঞ্চি থেকে এক ফুট বা একটু বেশি প্লাবিত হয়। জোয়ারের পানির সাথে জৈব-অজৈব পদার্থের সাথে বয়ে আসে নানা ময়লা, পরিত্যাক্ত কোট, পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট ইত্যাদি। তারপর পানি নেমে গেলে মাটির উপর পড়ে থাকে পচা পাতা আর পচন-অপচনশীল জিনিসপত্র। পানি এখানে জমে থাকে না, কিন্তু প্রশ্ন হতে পারে গাছে তাহলে ঠেশমূল কেনো? নোনাপানি আর এইসব ময়লা যতোদূর ওঠে তার ওপর থেকে অক্সিজেনটা নেয়া তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ঝড় বাদলায় কাদাময় মাটি থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য উর্ধ্বমূখী শেকড় আছে যাকে বলে শ্বাসমূল। বাদার লোকেরা একে বলে শুলো। এইসব মূলে এক ধরনের ছাঁকনির মতো হয়। এতে বর্জ্য, পাতা,ফল, ফলের খোসা, মৃত প্রাণী, ডালপালা ইত্যাদি আটকায়। পানিতে সেসব পচে মাটি ও মূল কালো হয়ে যায় তাই এ গাছকে কালো বাদা (Black Mangrove)বলে। অবশ্য অস্ট্রেলিয়ানরা ধূসর বাদাও (Grey Mangrove) বলে থাকে। এদের ফলগুলোর অনেকটা আমের আকৃতির মতো, তবে আকারে ভিন্ন।
এই অঞ্চলের গাছেরা যে লবণ শুষে নেয় তা সালোকসংশ্লেষণের সময় পাতার তলা দিয়ে বের করে দেয়। তাই বেশির ভাগই রয়ে যায়দেহের মধ্যে। কালো বাদা গাছের পাতার তলা নোনতা থাকে। তবে লাল বাদা থেকে এই প্রক্রিয়া একটু আলাদা।
বাদাবন বা প্যারাবনের ভূ-প্রকৃতি
বাদাবন মুলত অনেকগুলো উপকূলীয় চর বা দ্বীপের সমষ্টি। দ্বীপ যখন হয় তার মাঝখানটা একদম উঁচু; সেই উঁচু জায়গাটায় জোয়ার আসে। প্রতিদিন জোয়ার আসার কারণে পলি জমে না। মাটি তাই বেশ শক্ত থাকে। কোনো কোনো জায়গায় মাটি অনুর্বর হয়ে যায়। এসব ঘটনা এই অঞ্চলের জন্য সাধারণ; প্লাবিতও হওয়ার কারণে মাটিতে লবণ জমে যায় সেকারণে লবণ দূর করতে হয়। এটা সাদাবাদা (White Mangrove) গাছ করতে পারে। লবণাক্ততার কারণে গাছে ভেতর ধীরে ধীরে ফোঁপরা হয়ে যায়, মরে যায় গাছের ডগা। তাই বাদাগাছ তার স্বভাবগুণেই তৈরি করে নেয় শ্বাসমূল। সেই শ্বাসমূল খাটো হয় না। দেখতে অনেকটা ক্ষুদ্র হাতুড়ির মতো। আটা কুটা যন্ত্র হামান-দিস্তার দিস্তাটার মতো বা বলা যেতে পারে হাত বানানো মুঠিপিঠার মতো। কিরপা (Lumnitzera racemosa) বা সুন্দরীর (Heritiera fomes) গাছের দিকে তাকালে, দেখা যাবে তার চারপাশে সুন্দরভাবে সাধারণ গাছের মতোই ছড়িয়ে শ্বাসমূল। এদের ফল চ্যাপ্টা এবং সরু হয়, ওজনে ভীষণ হালকা আর বীজগুলোর ভিতরে শীত, গরম বা পানিতে যাতে নষ্ট হতে না পারে এজন্য অভিযোজন প্রক্রিয়ায় এই গাছ বংশবৃদ্ধি করে।
এই ধরণের বংশবৃদ্ধি ঘটে সাধারণত টিকে থাকার উদ্দেশ্যে। তবে উদ্ভিদ আর প্রাণীর এই ধরণের আচরণগুলো বুদ্ধিবৃত্তিক কারণে হয় না, বরং এটা এক রকম প্রবৃত্তিমূলক। মনে রাখতে হবে যদি কোনো প্রজাতি টিকে থাকে তাহলে তার সন্তানদের টিকে রাখার নিশ্চিত কোনো উপায় বা কৌশল প্রজাতিটিকে জানতেহবে, তার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর দিকে দিকে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং নতুন নতুন এলাকা দখল করতে হবে। তাই অভিযোজন এক আর্শ্চয প্রক্রিয়া।
উদ্ভিদের প্রজাতি
এইভাবে বংশগতিই বাদাবনের গাছগুলোকে স্বাতন্ত্র্য করে দিয়েছে। Avicennia, Bruguiera, Ceriops, Conocarpus, Kandelia, Laguncularia, Lumnitzera, Nypa, Rhizophoraও Sonneratia; এই নয়টি গণের (Genus) কোনো প্রজাতিই বাদাবনের বাইরে জন্মে টিকে থাকতে পারে না। তাদের টিকে থাকার অনুকূল পরিবেশ এই বাদাবনের ভেতর ছাড়া বাইরে নেই। এর মধ্যে Nypa গণের একটা মাত্র প্রজাতি আছে। যাকে আমরা সবাই চিনি তার নাম গোলপাতা। দেখতে গোল না হলেও নামে সে গোল। Conocarpus আর Laguncularia এই দুটি গণের ক্ষেত্রেও তাই। এই গণে যেসব প্রজাতি আছে তাদের পাতা দেখতে পুরোপুরি গোল না হলেও দেখে লম্বা বলা যাবে না। একেক প্রজাতির পাতার আকার দেখতে একেক আকৃতির হলেও বর্ণ সবুজ।
তবে কিছু কিছু গাছ বাদাবন থেকে একটু বিচ্যুত হয়ে বাইরে জন্মায়। যেমন সুন্দরী। এই গাছ বাদাবনের গাছ হলেও, বাংলাদেশ ভারতে এর অনেক চাহিদা তেমনি অনেক দাম। বেশ সৌখিন একটি গাছ। তাই এটি সাদাবাদার মধ্যে পড়ে। সুন্দরী গাছের গণের নাম Heritiera। এই গণে মোট আঠারো প্রজাতি (species) আছে। সাতটি প্রজাতি শুধুমাত্র বাদাবনে জন্মান। বাকি এগারোটি প্রজাতি উপকূলীয় নোনা পানিতে জন্মায়। যে প্রজাতিগুলো বাদাবনের বাইরে জন্মায় তাদের গৌণ বাদার গাছ বলে পরিচিত। নীল টেংরাকাঁটা হচ্ছে এরকম একটি গৌণ বাদাগাছ।
এবার গড়শিঙ্গা কথায় আসা যাক। গড়শিঙ্গা Dolichandrone গণের গাছ। এই গণের তিনটি প্রজাতি উপকূলে জন্মায়। আর শুধুমাত্র গড়শিঙ্গা প্রাকৃতিকভাবে জন্মাতে পারে বাদাবনের ভেতরে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Dolichandrone spathacea, সুতরাং বাদাগাছের মধ্যে এই প্রজাতির গাছ কম।
এছাড়াও এই সব প্রজাতির বাইরে আরো শত শত গাছ আছে। যারা একটু ঊর্বর জমি আর আলো বাতাস পেয়ে স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠছে বাদাবনের মাটিতে। সুন্দরবনেই আছে এমন ৪৩৪ প্রজাতির গাছপালা। যেমন রয়েছে ধুন্দল (Xylocarpus granatum) এবং কেওড়া (Sonneratia apetala)। ঘাস ও গুল্মের মধ্যে Poresiaco aractata, Myriostachya wightiana, শন (Imperata cylindrical)], নল খাগড়া (Phragmites karka) ইত্যাদি।[১]
সুন্দরবন
সুন্দরবন উপকূলীয় জোয়ার প্লাবিত এই বনের আয়তন ৫,৭৭,০০০ হেক্টর। এই বনের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। এটি একটি অতিকায় বদ্বীপ জলাভূমি যার মধ্যে রয়েছে অনেক ছোট ছোট নদী ও খালের এক বিস্তীর্ণ জালিকা। নরম কাদামাটিতে বিদ্যমান ম্যানগ্রোভ বৃক্ষের গোড়াগুলি নোনা পানিতে নিয়মিতভাবে প্লাবিত হয়। সুন্দরবনে চিরসবুজ বৃক্ষ এবং গুল্ম জাতীয় গাছের প্রাধান্য দেখা যায়। এই বনের নাম হয়ত বনের প্রধান বৃক্ষ প্রজাতি ‘সুন্দরী’ গাছ (Heritiera fomes) এটি থেকে উদ্ভুত।
সুন্দরী গাছ অন্যান্য গাছের সঙ্গে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে যার মধ্যে প্রধানত Exoecaria agallocha এবং বিভিন্ন পরিমাণের- Bruguiera sexangula, B. gymnorrhiza, Avicennia alba, A. officinalis, Sonneratia apetala, Xylocarpus granatum, Lumnitzera racemosa, Rhizophora mucronata, Ceriops decandra, Cynometra ramifora ও Amoora cucullata। বনের কম লবণাক্ত অংশে দুটি কাণ্ডহীন দলবদ্ধ পাম Nypa fruticans ও Phoenix paludosa গাছের উপস্থিতি এক লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। পাতায় কাঁটা সম্বলিত প্রজাতি Acanthus ilicifolius নতুন কাদাতীরে ঘন গুচ্ছে জন্মায়, আর Hibiscus tiliaceous ঘন জট পাকানো অবস্থায় সেখানে বেড়ে ওঠে। আরোহী প্রজাতির সংখ্যা কম তবে ফার্ন ও অর্কিডজাতীয় পরগাছা অনেক দেখা যায়। Dalbergia spinosa বনের একটি খুব সাধারণ আরোহী গাছ। সাধারণ পরগাছা প্রজাতির মধ্যে রয়েছে- Hoya parasitica, Dischidia nummularia, Macrosolen cochinchinensis ও Viscum monoicum। এটি লক্ষণীয় যে যদিও সুন্দরবনে প্রচুর ঘাস প্রজাতি দেখা যায়, এখানে বাঁশ নেই। নতুন ভরাট হওয়া অঞ্চলে Myrostachya wightiana (Oryza coarctata) একটি সাধারণ ঘাস। অন্যান্য সাধারণ ঘাসের মধ্যে আছে Eriochloa procera, Imperata cylindricaও Phragmites karka। হডো ফার্ন Acrostichum aureum বনের একটি প্রধান ফার্ন। [২]
সুন্দরবনের নদী
পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বা প্যারাবন বাংলাদেশের সুন্দরবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর নদী, যা জালের মতো ঘিরে রেখেছে এই অরণ্যভূমিকে।
মূল নিবন্ধ: সুন্দরবন অঞ্চলের নদী, খাল, গাং ও অন্যান্য প্রবাহমালা
সুন্দরবন অঞ্চলের খাল গাং ও নদীমালা আছে প্রায় দু শতাধিক। আমরা এসব খাল, গাং ও নদীসমূহের মোট ১৭৭টির নাম সংগ্রহ করেছি।
আরো পড়ুন
- বাংলাদেশের বনাঞ্চল বা বনভূমি ঘন বৃক্ষলতাদি দ্বারা আচ্ছাদিত অঞ্চল
- মধুপুর জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যানগুলির মধ্যে একটি
- হাড়বাড়িয়া ইকো পর্যটন কেন্দ্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি
- সুন্দরবন অঞ্চলের নদী, খাল, গাং ও অন্যান্য প্রবাহমালা হচ্ছে প্রায় দুই শতাধিক
- বাদাবন বা প্যারাবন বা ম্যানগ্রোভ বন গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-ক্রান্তীয় বনাঞ্চল
- অরণ্যের মিছিল
তথ্যসূত্র:
১. মো: আনোয়ারুল ইসলাম, পরিবেশ প্রসঙ্গ ও বাংলাদেশের পরিবেশ, বাংলা একাডেমী, ঢাকা, প্রথম প্রকাশ এপ্রিল ১৯৯২, পৃষ্ঠা, ৮১-৮৪।
২. এম খায়রুল আলম, বাংলাদেশের বন ও বন ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ, খন্ড ১, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২০০৯, পৃষ্ঠা ৭৭-৭৮।
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।