গাছের কাণ্ডে ধরে ফল! জানুন বড় ডুমুর বা সাপাই গাছের ওষুধি গুণ ও পরিচয়

বড় ডুমুর বা সাপাই

আমাদের পরিচিত ফলগুলোর মধ্যে বড় ডুমুর বা সাপাই একটি অনন্য নাম। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের কাছে এটি Ficus auriculata নামে পরিচিত। চমৎকার এই গাছটি মূলত ‘মোরাসি’ (Moraceae) পরিবারের ‘ফাইকাস’ গণের একটি বিশেষ উদ্ভিদ। এই ডুমুর গাছটি তার বড় বড় পাতা এবং সুস্বাদু ফলের জন্য প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। বড় ডুমুরের সাধারণ পরিচিতি জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস (Taxonomy) ধাপ নাম (ইংরেজি … Read more

লতা ডুমুর বা লতা বট (Ficus pumila) গাছের পরিচিতি, শ্রেণীবিন্যাস এবং নান্দনিক ব্যবহার

লতা ডুমুর বা দেয়াল ডুমুর বা লতা বট গাছ

লতা ডুমুর বা লতা বট (বৈজ্ঞানিক নাম: Ficus pumila) হলো মরাসিয়া (Moraceae) উদ্ভিদ পরিবারের এবং ফিকাস (Ficus) গণের অন্তর্ভুক্ত একটি চমৎকার চিরসবুজ লতানো উদ্ভিদ। সচরাচর পাহাড়ি অঞ্চলে কোনো ধরনের বাড়তি যত্ন ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে এই গাছটি আপন মনে বেড়ে ওঠে। তবে এটি কেবল দেয়াল বা বড় গাছ আঁকড়ে ধরে থাকা কোনো সাধারণ শোভাবর্ধনকারী লতাই নয়, বরং … Read more

ডোরা বট দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উদ্ভিদ

মূলারোহী লতা, শাখা-প্রশাখাসমূহ রোমশ, মসৃণবৎ, শুষ্ক অবস্থায় বাদামী। পল্লব অণুকুর্চ আবৃত থেকে অণুকন্টক রোমাবৃত থেকে অণুরোমাবৃত বা মসৃণ। পাতা দ্বিসারি, অণুপর্ণী, উপপত্র ১.০-১.৫ সেমি লম্বা, ডিম্বাকার ভল্লাকার, রোমশ, আশুপাতী, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১-৩ সেমি লম্বা, বিক্ষিপ্ত রোমশ, ফলক ডিম্বাকার থেকে ডিম্বাকার উপবৃত্তাকার, ৭-১৮ × ৫-১০ সেমি, চর্মবৎ,আরো পড়ুন

প্যারাবোহা অরণ্যে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

এটি গুল্ম অথবা ছোট আকারের বৃক্ষ। এটি ৬ মিটার পর্যন্ত উঁচু, প্রায়শই অর্ধপরাশ্রয়ী, শাখা-প্রশাখাসমূহ ঝুলন্ত, উপশাখাসমূহ শুষ্ক অবস্থায় বাদামী থেকে হলুদাভ। পল্লব মসৃণ বা কিছুটা অণুখররোমাবৃত, সমতল অথবা কিঞ্চিৎ কর্কশ। পাতা দ্বিসারি, অণুপর্ণী, উপপত্র ০.৩-০.৮ সেমি লম্বা, মসৃণ, আশুপাতী, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ০.৩-১.৫ সেমি লম্বা, বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা খররোমাবৃত, ফলক দীর্ঘায়ত, উপবৃত্তাকার থেকে উপবিডিম্বাকার বা ভল্লাকার, ৪.০-১৬.৫ x ১.৫-৮.০ সেমি, চর্মবৎ, শীর্ষ আকস্মিক দীর্ঘাগ্র থেকে প্রায় পুচ্ছাকৃতি, আরো পড়ুন

পাকুড় বাংলাদেশে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

পাকুড় মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। এটি ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, উপশাখাসমূহ এবং তরুণ বিটপ মসৃণ, চুড়া অনিয়মিত আকারবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, বৃন্তক, বৃন্ত ৪-১০ সেমি লম্বা, ফলক স্থুল ডিম্বাকার, ১০-১৫ x ৬-১০ সেমি, নিম্নপ্রান্ত খাতাগ্র বা প্রায় হৃৎপিণ্ডাকার, কিনারা অখন্ড, শীর্ষ তীক্ষ্ণগ্রবিশিষ্ট, উভয়পৃষ্ঠ মসৃণ। আরো পড়ুন

খুসকা ডুমুর দক্ষিণ এশিয়ার অরণ্যে জন্মানো বৃক্ষ

এই প্রজাতি গুল্ম অথবা ছোট বৃক্ষ আকারের। ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পল্লব সাদাটে থেকে গাঢ় বাদামী অণুরোমাবৃত থেকে অণুকন্টক রোমাবৃত এবং ফ্যাকাশে বাদামী থেকে হলুদাভ অণুকন্টক রোমাবৃত থেকে প্রায় খররোমাবৃত বা গাঢ় বাদামী খররোমাবৃত।আরো পড়ুন

বুটি ডুমুর বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: বুটি ডুমুর (বৈজ্ঞানিক নাম: Ficus lanceolata) ফিকাস গণের মরাসিয়া পরিবারের গুল্ম। এই প্রজাতিটি পাহাড়ি জায়গায় অযত্নে জন্মে। এটি অনেক ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। বুটি ডুমুর-এর বর্ণনা: বহু-শাখান্বিত গুল্ম অথবা ছোট বৃক্ষ, প্রায় মসৃণ। পাতা সরল, অণুপর্ণী, উপপত্র ১ সেমি (প্রায়) লম্বা, ভল্লাকার, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১.০-২.৫ সেমি লম্বা, পত্রফলক ভল্লাকার বা সরু ভল্লাকার, শীর্ষ … Read more

পরকাঠ ডুমুর দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো গুল্ম

আরোহী গুল্ম, কান্ড এবং শাখা-প্রশাখার পর্বমধ্যে বায়বীয় মূল বিদ্যমান, উপশাখাসমূহ কচি অবস্থায় রোমশ। পাতা দ্বিসারি, অণুপর্ণী, উপপত্র আশুপাতী, ডিম্বাকার, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১-২ সেমি লম্বা, পত্রফলক উপবৃত্তাকার থেকে ডিম্বাকার-উপবৃত্তাকার, ৬-১১ X ৩-৫ সেমি, পুরু চর্মবৎ, কচি অবস্থায় রোমশ, শীর্ষ স্থূলাগ্র থেকে কখনও গোলাকার, নিম্নপ্রান্ত স্থুল কীলকাকার থেকে স্থুলাগ্র, কিনারা অখন্ড, পার্শ্বশিরা ৩-৫ জোড়া, অক্ষাভিগ পৃষ্ঠে সুস্পষ্ট,আরো পড়ুন

শ্বেত বট পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো শোভাবর্ধক বৃক্ষ

শ্বেত বট বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুন অবস্থায় পরাশ্রয়ী, বাকল ফ্যাকাশে ধূসরাভ, মসৃণ, শাখাসমূহ শুষ্ক অবস্থায় বাদামী থেকে হলুদাভ। পল্লব কোণীয়, মসৃণ অথবা কিছুটা রোমশ। পাতা সর্পিলাকারে সজ্জিত, অণুপর্ণী, উপপত্র ১-২ সেমি লম্বা, ভল্লাকার থেকে ডিম্বাকার-ভল্লাকার, আশুপাতী, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১-২ সেমি লম্বা, আরো পড়ুন

কাকডুমুর ফল, ছালের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

এই গণের (Genus) প্রায় ৬০০ প্রজাতি আছে, তন্মধ্যে ১১২টি প্রজাতি ভারতে বর্তমান। এর সংস্কৃত নাম- কাকডুম্বরিকা, বাংলায় প্রচলিত নাম- কাকডুমুর, ডুমর ও হিন্দীতে- কাটগুলারিয়া বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Ficus hispida Linn. ও পরিবার Moraceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- ছাল, মূলের ছাল, ফল ও ক্ষীর।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!