দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উৎস ও চরিত্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উৎস

এটা ভাবা ভুল যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হঠাৎ ঘটে গেছে বা কোনও কূটনীতিজ্ঞর ভুলের জন্য এই যুদ্ধ বেধেছে। অবশ্য ভুল যে হয় না তা নয়। বাস্তবে, আধুনিক একচেটিয়া পুঁজির বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের অবশ্যম্ভাবী পরিণতিতেই এই যুদ্ধ বেধেছে। মার্কসবাদীরা একাধিকবার ঘোষণা করেছে পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সাধারণ সংকট ও সশস্ত্র সংঘর্ষের জন্ম দেয়। আরো পড়ুন

ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম ও যুক্তফ্রন্ট প্রসঙ্গে

ফ্যাসিবাদের আক্রমণ এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য সংগঠনের সংগ্রামে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের দায়িত্ব; কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের সপ্তম বিশ্ব কংগ্রেসে প্রদত্ত প্রধান রিপোর্ট; কমরেডগণ, কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের ষষ্ঠ কংগ্রেসের [১৯২৮ সালে অনুষ্ঠিত] সময়েই, কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক বিশ্বের সর্বহারাদের এক নতুন ফ্যাসিবাদী আক্রমণের আসন্ন প্রস্তুতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছিল আরো পড়ুন

ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে বিপ্লবী ও গণতান্ত্রিক শক্তির জন্য দিমিত্রভ থিসিসের গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাসে জর্জি দিমিত্রভ একটি সুপরিচিত নাম। মানব ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে জর্জি দিমিত্রভ কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক বা কমিন্টার্নের নেতৃত্বের পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে সােভিয়েত রাশিয়ার অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের তীব্রতা বৃদ্ধি, শ্রম ও পুঁজির মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিরােধ এবং সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলাের সাথে উপনিবেশ ও আধা-উপনিবেশ দেশগুলাের জাতিসমূহের আরো পড়ুন

ফ্যাসিবাদ কাকে বলে এবং কেন ও কীভাবে প্রতিরোধ করতে হবে

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের সৃষ্টি, শোষক শ্রেণিগুলোর সর্বাপেক্ষা প্রতিক্রিয়াশীল, জাতিদাম্ভিক ও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ধারা। ফ্যাসিবাদের প্রধান ভিত্তি শহর ও গ্রামের পেটি-বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সমাজের শ্রেণি-বহির্ভূত স্তরগুলো। ফ্যাসিবাদের মতাদর্শিক বৈশিষ্ট হলো চরম সাম্যবাদ-বিরোধিতা ও বর্ণবাদ।[১] আরো পড়ুন

পুঁজিবাদী দেশগুলিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বর্ধমান উত্তেজনা

দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সঙ্কটের একটি ফল হয়েছে এই যে পুঁজিবাদী দেশগুলির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে— সেই দেশগুলির অভ্যন্তরে ও সেই দেশগুলির পারস্পরিক সম্পর্কক্ষেত্রে, উভয়তঃই এক অভূতপূর্ব উত্তেজনা বৃদ্ধি হয়েছে। বৈদেশিক বাজারের জন্য তীব্র লড়াই, অবাধ বাণিজ্যের শেষ চিহ্নের অবলুপ্তি, নিবারক শুল্ক, বাণিজ্য যুদ্ধ, বৈদেশিক মুদ্রা যুদ্ধ, ডাম্পিং ও অন্যান্য অনেক অনুরূপ ব্যবস্থা যা অর্থনৈতিক কর্মনীতির ক্ষেত্রে চরম জাতীয়তাবাদের পরিচায়ক ও বিভিন্ন দেশের মধ্যে সম্পর্ককে চূড়ান্তভাবে বিষিয়ে তুলেছে, আরো পড়ুন

error: Content is protected !!