আলীগড় আন্দোলন উনিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতে মুসলিমদের শিক্ষা আন্দোলন

আলীগড় আন্দোলন (ইংরেজি: Aligrah Movement) ছিল উনিশ শতকের শেষের দশকগুলিতে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যার জন্য আধুনিক পদ্ধতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠার একটি আন্দোলন। ১৮৫৭ সনের সিপাহী বিদ্রোহ তথা স্বাধীনতা সংগ্রামের পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্রদায়ের উচ্চবিত্ত এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তার একটি ধারা আলীগড় আন্দোলন আরো পড়ুন

ভারত পৃথিবীর বৃহৎ নয়া উপনিবেশিক পুঁজিবাদী শোষণমূলক রাষ্ট্র

ভারত পৃথিবীর অন্যতম এবং দক্ষিণ এশিয়ার সুবৃহৎ পুঁজিবাদী শোষণনির্ভর সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত রাষ্ট্র। ভারত বিশ্বপরিস্থিতিতে ক্রমেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই দেশটি ১৫ হাজার কিলােমিটার দীর্ঘ সীমান্ত বরাবর চীন, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। আরো পড়ুন

অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে বাঙালি বিদ্বেষী শাসক যেভাবে জাতিবিদ্বেষ ও হিংস্রতায় প্ররােচনা দিয়েছে, তাতে তিনসুকিয়ার গণহত্যা অনিবার্যই ছিল। পাঁচজন বাঙালি দিনমজুর যে অকালে আততায়ীর নৃশংসতায় প্রাণ হারালেন, একে যত বিশেষণ দিয়েই নিন্দা করি না কেন তাতে এই মূল বিষয় ঝাপসা হবে না যে, এঁদের মাতৃভাষাই মৃত্যুর কারণ। এরকম তাে হওয়ারই কথা। আরো পড়ুন

সীমান্ত হত্যা হচ্ছে সাড়ে চার দশকে দেড় হাজারের অধিক নিরপরাধ বাংলাদেশী হত্যা

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সীমান্ত। এই সীমান্তে ১৯৭১ পরবর্তীকালে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশী হত্যা করেছে ভারতের সীমানারক্ষী বাহিনী। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশীদের গত চার দশকে পাল্লা দিয়ে সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে চলছে। গত সড়ে চার দশকের অধিক সময়কালে এই সংখ্যার সাথে বাড়ছে আহত, ধর্ষণ ও নির্যাতনের নৈমিত্তিক ঘটনা। আরো পড়ুন

ভারতের আসাম দেশের সর্বমোট ৩৩টি জেলার তালিকা

আসাম হচ্ছে ভারত দখলকৃত একটি অঞ্চল। প্রশাসনিক বিভাজনের ফলে আসামে ৩৩টি জেলা (ইংরেজি: Districts of Assam) গঠন করা হয়েছে। এই লেখায় এসব জেলার নামের তালিকা প্রদান করা হলো। এই তালিকা প্রদান করা হয়েছে যাতে বাংলাভাষী মানুষেরা আসাম সম্পর্কে আগ্রহি হতে পারেন। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম। এই স্বাধীনতা তার নিজস্ব শক্তিমত্তা ও অন্যের স্বাধীনতার মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত। আরো পড়ুন

বহুজাতিক আসামে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের আস্ফালন প্রসঙ্গে

আসাম হচ্ছে বিস্তারবাদ বা সম্প্রসারণবাদী ভারতের সর্বশেষ খেলার ময়দান। এখন আসাম রাজ্যে উগ্র জাতীয়তাবাদী অসমীয়া এবং উগ্র জাতীয়তাবাদী ভারতীয়রা মিলেমিশে নিপীড়ন নির্যাতন চালাচ্ছে জনগণের উপর। ভারতীয় জনগণ, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার শত্রু বিজেপি বা ভারতীয় জনতা পার্টি আসামে ‘ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস’ বা এনআরসি তৈরি করার নামে আসামে গণহত্যার ষড়যন্ত্র করছে।আরো পড়ুন

বিস্তারবাদ বা সম্প্রসারণবাদ গঠিত হয় রাষ্ট্রের নীতিগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে

বিস্তারবাদ বা সম্প্রসারণবাদ (ইংরেজি: Expansionism) সাধারণভাবে গঠিত হয় রাষ্ট্রের ও সরকারের সম্প্রসারণবাদী নীতিগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে। কেউ কেউ এটিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সাথে যুক্ত শব্দ হিসেবেও ব্যবহার করেন। আরো সচরাচরভাবে সাধারণত বিস্তারবাদ নির্দেশ করে রাষ্ট্রের ভূখণ্ডগত ভিত্তি বা অর্থনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির মতবাদ আরো পড়ুন

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার ইতিহাস ও ফলাফল

লন্ডন, শুক্রবার ২৪শে জুন, ১৮৫৩; ভারত বিষয়ে বিধান প্রণয়ন স্থগিত রাখার জন্য লর্ড স্ট্যানলির মোশনের উপর বিতর্ক আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত মুলতুবী রাখা হয়েছে। ১৭৮৩ সালের পরে ইংলন্ডে এই প্রথম ভারত প্রশ্ন মন্ত্রিসভা-টেকা-না-টেকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন হল? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সত্যকার সূত্রপাত হিসাবে ১৭০২ সালের অতি পূর্ববর্তী কোনো যুগকে নির্দিষ্ট করা চলে না, ওই সময়টায় পূর্ব ভারতীয় বাণিজ্যের একচেটিয়া দাবি করে বিভিন্ন সংঘ একটি একক কোম্পানিতে মিলিত হয়। আরো পড়ুন

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভবিষ্যৎ ফলাফল

লন্ডন, শুক্রবার, ২২ জুলাই, ১৮৫৩; এ চিঠিতে আমি ভারত সম্পর্কে আমার মন্তব্যের উপসংহার টানতে চাই। ইংরেজ প্রভুত্ব ভারতে প্রতিষ্ঠিত হল কি করে ? মহা মোগলদের একচ্ছত্র ক্ষমতা ভেঙে ফেলেছিল মোগল শাসনকর্তারা। শাসনকর্তাদের ক্ষমতা চূর্ণ করল মারাঠারা। মারাঠাদের ক্ষমতা ভাঙল আফগানরা; এবং সবাই যখন সবার সঙ্গে সংগ্রামে লিপ্ত, তখন প্রবেশ করল ব্রিটেন এবং সকলকেই অধীন করতে সক্ষম হলো। আরো পড়ুন

ভারতে বৃটিশ শাসন

লন্ডন, শুক্রবার, ১০ জুন, ১৮৫৩; ভিয়েনার তার-বার্তায় বলা হয়েছে যে তুর্কী সার্ডিনীয় ও সুইস প্রশ্নের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা সেখানে নিশ্চিত বলে ধরা হচ্ছে (২) । গতরাত্রে কমন্স সভায় ভারত বিতর্ক (৩) চলতে থাকে স্বাভাবিক একঘেয়ে ধরনে। স্যার চার্লস উড ও ‘স্যার জে. হগের বিবৃতিতে আশাবাদী মিথ্যার ছাপ আছে বলে মিঃ ব্ল্যাকেট অভিযোগ করেন। মন্ত্রিসভা ও ডিরেক্টরদের (৪) একগাদা উকিল যথাসাধ্য সে অভিযোগ খণ্ডনের চেষ্টা করে এবং অপরিহার্য মিঃ হিউম এই বলে উপসংহার টানেন যে মন্ত্রীরা বিল প্রত্যাহার করুন। বিতর্ক মুলতুবী রাখা হয়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!