তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক

তৃতীয় সাম্যবাদী আন্তর্জাতিকের শততম বার্ষিকী উদ্যাপনের মূল অনুষ্ঠান গত ১৫ নভেম্বর বিকেল চারটায় এক সভা শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপ্লবী কবি কমরেড হাসান ফকরী। অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন লেখক শাহজাহান সরকার, কমরেড জাফর হোসেন, মাসুদ খান, ইঞ্জিনিয়ার বিডি রহমতউল্লাহ এবং লেখক অনুপ সাদি। কবিতা আবৃত্তি করেন কবি আশিক আকবর এবং কবি সাইদ বিলাস। আরো পড়ুন

শক্তির ভারসাম্য হচ্ছে একটি দেশের কূটনীতির ক্ষেত্রে অনুসৃত কৌশলের ব্যাপার

শক্তির ভারসাম্য (ইংরেজি: Balance of Power) হচ্ছে একটি দেশের কূটনীতির ক্ষেত্রে অনুসৃত কৌশলের ব্যাপার। একটি রাষ্ট্র যদি তার বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে এরূপ কৌশল অবলম্বন করে কিংবা করার চেষ্টা করে যাতে তার নিজের রাজনীতিক, অর্থনীতিক এবং সামরিক শক্তিকে আর কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রগোষ্ঠীয় অনুরূপ শক্তি অতিক্রম করে যেতে না পারে আরো পড়ুন

প্ররোচক বা উস্কানিদাতা বা দালাল কাকে বলে

রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে প্ররোচক বা উস্কানিদাতা বা দালাল (ফরাসি: Agent Provocateur) হচ্ছে সেই ধরনের লোক যাদেরকে নিজ পক্ষের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য পক্ষের ভিতর সমর্থকের ছদ্মবেশে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়। এরূপ কৌশলের প্রধান উদ্দেশ্য হয় ছদ্মবেশী সমর্থক দ্বারা এমন কোনো ঘটনার আরো পড়ুন

কূটনীতি হচ্ছে বিভিন্ন রাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থে সাহায্য ও সহযোগিতার নীতি

বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থে সাহায্য ও সহযােগিতার সম্পর্ককে কূটনীতি (ইংরেজি: Diplomacy) বলে। কূটনীতির সঙ্গে পররাষ্ট্রনীতির সম্পর্ক নিবিড়। নিজ নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নতি ও অন্যান্য প্রয়ােজনে প্রতিটি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন করে। কুটনীতির মাধ্যমে সেই নীতি রূপায়িত হয়। আরো পড়ুন

দেশপ্রেম ও আন্তর্জাতিকতাবাদ

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ১৮. দেশপ্রেম ও আন্তর্জাতিকতাবাদ *** একজন কমিউনিস্ট যিনি একজন আন্তর্জাতিকতাবাদী, একই সময়েই কি আবার দেশপ্রেমিক হতে পারেন? আমরা মনে করি, তিনি শুধু হতেই পারেন না, তাঁর হওয়া উচিত। দেশপ্রেমের নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু ঐতিহাসিক অবস্থার দ্বারা নির্ধারিত হয়। জাপানী আক্রমণকারীদের ও হিটলারের ‘দেশপ্রেম আছে, আবার আমাদেরও দেশপ্রেম আছে। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জাপানী আক্রমণকারীদের ও … Read more

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব রাজনীতির প্রধান প্রধান শক্তি হচ্ছে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে (ইংরেজি: Aftermath of World War II) একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল, সমস্ত ইউরোপীয় উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের পতন এবং একই সাথে দুটি পরাশক্তির উত্থান ঘটেছিল। পরাশক্তি দুটি হচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের মিত্রশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধের পরে বিশ্ব মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে পড়েছিল এবং স্নায়ুযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!