কাঁঠাল-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও এর বিবিধ ব্যবহার

কাঁঠাল শুধু ফল হিসাবে নয়, সুপ্রাচীন আয়ুর্বেদের সেই স্বর্ণময় যুগে এর ওষুধি গুণাগুণ সে সময়ের প্রেক্ষিতে মূল্যায়িত হয়েছিল। সেই সুপ্রাচীন কালের পর্যবেক্ষণ-বিশ্লেষণ আজও আমরা সঠিক বলেই দেখে থাকি। প্রায় সবক্ষেত্রেই কাঁঠালের ফলের মধ্যে ওষুধি গুণাগুণ খোঁজা হয়েছে।আরো পড়ুন

ডেউয়া গাছ-এর পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণ ও বিবিধ ব্যবহার

বৃহৎ পাতাঝরা বৃক্ষ ২০ মিটারের মতো উঁচু হতে পারে। ডেউয়া গাছ-এর গুড়ি বড়, সোজা এবং মাথার দিকে পল্লব ছড়ানো। বাকল ধূসর, খসখসে। ছোট ছোট গোলাকৃতি টুকরা ছাল ওঠে, যার ভিতর দিক লালচে। সমগ্র গাছেই শ্বেতকষ আছে।আরো পড়ুন

কাঠলিচু বা আঁশফল গাছের পাঁচটি ভেষজ গুণ

কাঠলিচু

আশঁফল বা কাঠলিচু এটি বেশ বড় ধরণের গাছ। গাছটি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ফুট উঁচু হয়। এদের পাতা ২ ইঞ্চি থেকে ১ ফুট পর্যন্ত হয়। আর পাতা চওড়া হয় আধ ইঞ্চি থেকে আড়াই ইঞ্চি পর্যন্ত। বোটা পাতার তুলনায় বেশ ছোট হয়। আরো পড়ুন

চালতা গাছ ও ফলের পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

চালতা বা চাইলতা বা চালিতা বা চাইলতে (বৈজ্ঞানিক নাম: Dillenia indica) আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত ফলজ ও ঔষধি ফল। বাংলাদেশ ভারতে চালতা দিয়ে আচার ও চাটনি প্রস্তুত করা হয়। এটি বাণিজ্যিক ফল হিসেবে বাজারে প্রচুর বিক্রি হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

কাঁকুড় বা কাঁকড়ি খাওয়ার উপকারিতা ও ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

কাঁকুড়

কাঁকুড় বা কাকুর বা কাঁকড়ি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo var. flexuosus) হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামুস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। এটির ফল ভক্ষণযোগ্য। এদের বেশ কয়েকটি ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। আরও পড়ুন

আতা বা নোনা আতা ঔষধি গুণেভরা বাংলাদেশের পরিচিত ফল

আতা বা নোনা আতা ফল ও পাতা

আতা বা নোনা আতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Annona reticulata, ইংরেজি নাম: Bullock’s Heart.) হচ্ছে এনোনাসি পরিবারের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ। গাছটি মাঝারি উচ্চতাবিশিষ্ট গাছ। আবহাওয়ার গুণে কোথাও বিশ ফুট, আবার কোথাও ৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা পাঁচ থেকে আট ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা এবং দেড় থেকে দু’ইঞ্চি পর্যন্ত চওড়া হয়। গাছে ফুল ২ থেকে ৩টি এক একসাথে ফোটে। ফুলের পাপড়ি থাকে তিনটি। ফল দেখতে গোলাকার, তবে লম্বা ধরনের। পাকা অবস্থায় ফলের রং পীতের আভাযুক্ত বা হালকা লালবর্ণ। গাছে ফুল ফোটে গরমকালে আর ফল ধরতে শুরু করে শরৎকালে। আরও পড়ুন

মহুয়া গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

মহুয়া ( বৈজ্ঞানিক নাম: Madhuca longifolia ) বেশ বড় ধরনের গাছ। লম্বায় এটি প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত হয়। মহুয়া গাছের উপরের ছাল মোটা এবং ধূসর। পাতা লম্বা ধরনের এবং চওড়ায় প্রায় পাঁচ ইঞ্চির মতো হয়। কনকচাঁপার পাতার সাথে এর মিল আছে। আগাটা চাপার মতো সূচালো নয়, বেশ ভোতা। ডালের আগায় ছাতার মতো ছড়িয়ে থাকে। অনেকটা ছাতিমের মতো। ফাল্গুন চৈত্র মাসের মধ্যে গাছে ফুল ফুটতে শুরু করে। গরমে সময় ফল ধরে। ফলের আকৃতি সুপারির মতো। ফলের ভিতরটা শাঁসে ভরা থাকে। প্রথম দিকে ফলের রং সবুজ থাকে। পরে পেকে গেলে রং পাল্টে ফিকে হলুদে পরিণত হয়। মহুয়া গাছের ছাল, বীজ, ফুল, বীজের তেল ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

পেঁপে সারা দুনিয়ায় চাষকৃত জনপ্রিয় ও ভেষজ ফল

ভূমিকা: পেঁপে হচ্ছে সপুষ্পক উদ্ভিদের কেরিকাসি পরিবারের একটি প্রজাতি। এটি সারা পৃথিবীতে মানুষসহ অন্যান্য বেশ কিছু প্রাণীর কাছে খুব জনপ্রিয়। পেঁপে বৃক্ষ, প্রায় ৫ মিটার বা ততােধিক লম্বা, সর্বাঙ্গে তরুক্ষীর বিদ্যমান। কান্ড ধূসর বর্ণের, কদাচিৎ শাখান্বিত, পত্রমূলের ক্ষতচিহ্নযুক্ত, বাকল পাতলা। আরো পড়ুন

পাতি লেবু বা কাগজি লেবুর ২৬টি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

পাতি লেবু বা কাগজি লেবুর আছে অনেক গুণাগুণ ও উপকারিতা। লেবু আর তেঁতুল দুটোই স্বাদে টক। কিন্তু তেঁতুলের চেয়ে লেবুর গুণ অনেক বেশি। এইভাবে একটি লোককথা প্রচলিত আছে হিন্দি ভাষায় তেঁতুলে আছে একটি গুণ কিন্তু অপকারিতা কুড়িটি, লেবুর কোনো অপকারিতা নেই কিন্তু গুণ আছে কুড়িটি। আরো পড়ুন

ডালিম গাছ ও ফলের ২০টি উপকারিতা ও ভেষজ ব্যবহার

ডালিম বা আনার হচ্ছে ছোট এক ধরনের বৃক্ষের ফল। এই গাছের বৈজ্ঞানিক নাম: Punica granatum, এবং এদের ইংরেজি নাম: pomegranate। ডালিমের আছে বহুবিধ ঔষধি ও অন্যান্য খাদ্যগুণ। নিচে ডালিমের বিস্তারিত উপকারিতা ও ভেষজ ব্যবহার উল্লেখ করা হলো। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!