শ্বেত কাঞ্চন ফুলের পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর চমৎকার ব্যবহার
ছোট, ঋজু, প্রচুর শাখা-প্রশাখা যুক্ত গুল্ম, ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুণ শাখা-প্রশাখা ধূসর রোমশ, পরবর্তীতে রোম বিহীন, ক্ষুদ্র শাখাসমূহ আঁকাবাঁকা সর্পিল এবং কম ছড়ান। আরো পড়ুন
ছোট, ঋজু, প্রচুর শাখা-প্রশাখা যুক্ত গুল্ম, ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুণ শাখা-প্রশাখা ধূসর রোমশ, পরবর্তীতে রোম বিহীন, ক্ষুদ্র শাখাসমূহ আঁকাবাঁকা সর্পিল এবং কম ছড়ান। আরো পড়ুন
কাষ্ঠল বীরুৎ বা ছোট গুল্ম, ১-২ মিটার লম্বা। কান্ড সরল বা পাদদেশ থেকে সামান্য শাখান্বিত, বাকল বাদামী, মসৃণ। পত্র অতিশয় পরিবর্তনশীল, ৫-১৮ x ২.৫-১০.০ সেমি, উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার থেকে হীরাকাকার-ডিম্বাকার, অসমাঙ্গ, দপ্তর, আরো পড়ুন
কচি পাতা গবাদি পশুর খাদ্য হিসাবে ব্যবহার হয়। ইহার সাহায্যে মাদুর, ট্রে, ঝুড়ি, ডালা, সাজি ইত্যাদি তৈরি করা হয়। রোমানরা এর দ্বারা কলম তৈরী করে। এর দ্বারা কাগজও তৈরী হয়। বাহারি উদ্ভিদরূপেও এটি লাগানো হয়।আরো পড়ুন
বৃহদাকার গুল্ম, ২ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কন্ড সরল, রসালো, শাখা-প্রশাখা বেলনাকার, শক্ত, মসৃণ। পাতা ১৫ ৩৫ x ৫-১২ সেমি, উল্টাভাকার, অখন্ড, দীর্ঘাগ্র, চার্মবৎ, মসৃণ, মধ্যশিরার উভয়পাশে পার্শ্বশিরা ১২-১৫টি, তীক্ষ্ণ, পাদদেশ সরু হয়ে একটি খর্বাকৃতির ও মোটা পর্বলগ্ন পত্রবৃন্তে পরিণত হয়। পুষ্প গোলাপী বা লালচে, লম্বা, শক্ত ও প্রায় মসৃণ প্রান্তীয় যৌগিক মঞ্জরীতে সজ্জিত, পুষ্পবৃন্তিকা ছড়ানো অথবা ঝুলন্ত, ৩.৫-১৫.০ মিমি লম্বা। আরো পড়ুন
আগর (বৈজ্ঞানিক নাম: Aquilaria agallocha, ইংরেজি নাম: Agar) হচ্ছে থাইমেলাসিয়াস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত চিরসবুজ প্রজাতি। এই গাছ পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে ও নানা ভেষজ গুণে ভরা। বৃহৎ চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতায় ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা ও খাড়া। গুড়িবিশিষ্ট, বাকল সাদাভ, কচি অংশ রেশমের ন্যায়, লোমযুক্ত।আরো পড়ুন
কণ্টকরোহিনী, বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী তৃণ, কান্ড ৫০-২০০ সেমি, শায়িত বা খাড়া, নিচের পর্বমধ্য থেকে মূল জন্মে, পর্বমধ্য রোমশবিহীন। পত্র ফলক উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার বা রৈখিক-ভল্লাকার, চ্যাপ্টা, ৫-২৫ x ০.২-১.০ সেমি, সরু হয়ে মূলীয় অংশ বৃন্তরূপে পরিণত, রোমশ বিহীন বা অতিরোমশ, অনুফলক ঝিল্লিযুক্ত, ১-৩ মিমি লম্বা।আরো পড়ুন
এই প্রজাতি বৃহৎ গুল্ম বা ছোট আকারের বৃক্ষ হয়। এর উচ্চতা প্রায় ১০ মিটার পর্যন্ত হয়। পাতা দীর্ঘায়ত বা বিডিম্বাকার, ৭-১৫ x ২.৫-৫.৫ সেমি, কাগজতুল্য, শীর্ষ দীর্ঘা, মূলীয় অংশ সূক্ষ্মাগ্র থেকে স্থুলাগ্র বা গোলাকার, মধ্যশিরা ভিন্ন অঙ্কীয় পৃষ্ঠের অন্যান্য অংশ রোমশ বিহীন, উপরের পৃষ্ঠ মরচে রোমশ, শুষ্ক অবস্থায় লালাভ বাদামী, বৃন্ত ২-৬ মিমি লম্বা, ঘনরোমশ, উপপত্র আশুপাতী, রৈখিক, ৩.২-৬.৫ x ০.৫-১.০ মিমি, রোমশ, পুংমঞ্জরী ৪-৭ সেমি লম্বা, অক্ষীয়, শাখায়িত রেসিম, মঞ্জরীপত্র ভল্লাকার, ০.৩-০.৮ x ০.৩-০.৫ মিমি, রোমশ।আরো পড়ুন
এটি গুল্ম আকারের প্রজাতি। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। তরুণ শাখা ও পত্র ঘন মরচে রোমশ। পত্র ৮-২৫ x ৪-১০ সেমি, বিডিম্বাকার, ৬ বিডিম্বাকার-দীর্ঘায়ত বা বিডিম্বাকার-উপবৃত্তাকার, শীর্ষ লেজ আকৃতি থেকে দীর্ঘা, মূলীয় অংশ গোলাকার, কর্তিতাগ্র বা তাম্বুলাকার, অখন্ড, অর্ধচর্মবৎ, রোমশ, পার্শ্বীয় শিরা প্রতি অর্ধাংশে ৮-১০ টি, প্রসারিত, পত্রক অক্ষ শক্ত, বৃতি ঘন, রোমশবৃত, বৃন্ত ৪ মিমি লম্বা, উপপত্র, রৈখিকচতি বল্লাকার, স্থায়ী।আরো পড়ুন
ভূমিকা: মাল্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Antidesma acidum) হচ্ছে এশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশের ভেষজ উদ্ভিদ। এর পাতা, মূলে নানা ভেষজ গুণ আছে। ভারতের আদিবাসীরা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করে। স্তর (Rank) বৈজ্ঞানিক নাম (Scientific Name) বাংলা নাম / পরিচয় জগৎ / রাজ্য Plantae উদ্ভিদ জগৎ বিভাগ Tracheophytes ভাস্কুলার উদ্ভিদ (নালিকাযুক্ত) অবিন্যাসিত Angiosperms সপুষ্পক উদ্ভিদ অবিন্যাসিত Eudicots প্রকৃত দ্বি-বীজপত্রী বর্গ … Read more
খাড়া, সুগন্ধি বর্ষজীবী বীরুৎ, ২ মিটার পর্যন্ত উঁচু, প্রচুর শাখান্বিত, নিম্নে কাষ্ঠল। কাণ্ড সূক্ষ্মাগ্রভাবে চতুষ্কোণাকৃতি, খাঁজযুক্ত, ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, পর্বমধ্য প্রায় ৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন