ডেংগা উদ্ভিদের পরিচিতি: গঠন, আবাসস্থল ও বৈশ্বিক বিস্তৃতি

ডেংগা বা কান্‌কানটী শাকের পাতা ও ফুলের ছবি

একবর্ষজীবী, উর্ধ্বগ বা ঋজু বীরৎ, চাষকালে ১.২ মিটার বা এর বেশি উচ্চতা হতে পারে, কাণ্ড দৃঢ়, সাধারণত অধিক শাখান্বিত, শাখা কৌণিক, উপরিভাগ বিরলাভাবে মসৃণ বা সজ্জিত (বা পুষ্পবিন্যাসে অধিক ঘন), কম বা বেশি কুঞ্চিত রোমযুক্ত।আরো পড়ুন

পান নাতা গাছের বৈশিষ্ট্য, চাষ পদ্ধতি, ভেষজ উপকারিতা ও বিস্তৃতি – Alyce Clover

পান নাতা উদ্ভিদের ফুল ও পাতা

পান নাতা ব্যাপিত ও বর্ষজীবী বীরুৎ। এদের কান্ড বলিষ্ঠ, ঊর্ধ্বারোহী, প্রায় ১ মিটার লম্বা, রোমহীন বা সামান্য চাপা রোমশ। পত্রক রোমহীন, ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা, প্রস্থের দ্বিগুণ লম্বা, সাধারণত আয়তাকার, কদাচিৎ বল্লমাকার, শীর্ষ স্থূলাগ্র, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার।আরো পড়ুন

শিলারস গাছের পরিচিতি, প্রজাতি এবং মানবদেহে এর অনন্য ঔষধি গুণাগুণ

এটি মধ্যমাকৃতি বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট বৃক্ষ। পাতা করতলাকৃতি, ফুল পীতবর্ণ ও গুচ্ছবদ্ধ। গাছের ছাল বাদামী রঙের। কাঠ লালচে বাদামী অথবা বাদামী, মসৃণ, ভারী এবং শক্ত। বীজ গোলাকার, কর্কশ ও শক্ত। বীজ থেকেই গাছ জন্মে। এই গণের একটি মাত্র প্রজাতি ভারতবর্ষে বিদ্যমান।আরো পড়ুন

শ্বেতফুলি বা সাদা ফুলি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক পরিচিতি ও বৈশিষ্ট্য – Lepidagathis incurva

শ্বেতফুলি উদ্ভিদের পাতা এবং ফুলের ক্লোজ-আপ ছবি (Lepidagathis incurva)

শ্বেতফুলি (বৈজ্ঞানিক নাম: Lepidagathis incurva) হলো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুপরিচিত ভেষজ বা বীরুৎ জাতীয় লেপিডাগাথিস গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। উদ্ভিদ। অসাধারণ ঔষধি গুণসম্পন্ন এই প্রজাতিটি প্রাকৃতিকভাবেই বাংলাদেশের বিভিন্ন বনাঞ্চলে এবং পাহাড়ি এলাকায় জন্মে থাকে। স্থানীয় চিকিৎসা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানে এই উদ্ভিদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।[১] শ্বেতফুলি উদ্ভিদের সাধারণ পরিচিতি ও জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ের বিবরণ তথ্য / বৈজ্ঞানিক … Read more

পানি কেশুরী বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: পানি কেশুরী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Macropanax oreophilum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। পানি কেশুরী-এর বর্ণনা: ছোট বা মধ্যম-আকৃতির চিরহরিৎ বৃক্ষ, অনূর্ধ্ব ১০ মিটার লম্বা, বাকল ধূসর, আঁচিলযুক্ত ও কিছুটা খসখসে। পত্র আঙ্গুলাকৃতিতে ৩-৫ ফলকপত্র, পত্রবৃন্ত ১০-১৫ সেমি লম্বা, পত্রক আয়তাকার বা উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, ১০-১৫ × ৩-৪ সেমি, নিম্নাংশ গোলাকার থেকে সূক্ষ্মাগ্র, … Read more

চমসা পাথরকুচি এশিয়ায় জন্মানো বাহারী বিরুৎ

ভূমিকা: চমসা পাথরকুচি ( বৈজ্ঞানিক নাম: Kalanchoe heterophylla) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ ও বাহারি প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়। চমসা পাথরকুচি-এর বর্ণনা: রসালো, ঋজু, দৃঢ়, বীরুৎ, প্রায় ৬০ সেমি লম্বা। পত্র সরল, প্রতিমুখ-তির্যক, অনুপপত্রী, রসালো, রোমশ বিহীন, চমসাকার থেকে দীর্ঘায়ত, গোলদন্তর, শীর্ষ গোলাকার। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকুলেট সাইম। পুষ্প ঋজু, সবৃন্তক, উভয়লিঙ্গ, বহুপ্রতিসম, চতুরাংশক। বৃতাংশ … Read more

সজনে চাষ পদ্ধতি ও উপকারিতা: পুষ্টিগুণে ভরপুর এক জাদুকরী বৃক্ষ

শাক

ভূমিকা: সজনে (বৈজ্ঞানিক নাম: Moringa oleifera) বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর একটি উদ্ভিদ, যা আমাদের দেশে ‘সজনা’ বা ‘সাজিনা’ নামেও পরিচিত। এটি মূলত মোরাসি পরিবারের অন্তর্গত একটি বৃক্ষ। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিটি প্রান্তেই এই গাছটি দেখা যায়। এর কচি পাতা শাক হিসেবে এবং লম্বাটে ফল সবজি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সজনে গাছের গঠন বেশ নরম এবং এর বাকল … Read more

আকন্দ গাছ-এর ১৩টি ঔষধি গুণাগুণ এবং উপকারিতা

বাংলাদেশ ও ভারতে প্রধানত ছোট পাতা আকন্দ ও বড় আকন্দ প্রজাতি দুটি যথেষ্ট পাওয়া যায়। মাঝারি আকন্দটি কিছুটা কম পাওয়া যায়। বড় আকন্দের দুটি উপপ্রজাতি আছে, সেগুলো হচ্ছে শ্বেত আকন্দ ও রক্ত আকন্দ। আকন্দ গাছ-এর ব্যবহার ১. হাঁপানি রোগে: ১৪ টি আকন্দ গাছের ফুলের, সাদা হলে ভাল হয়, মাঝখানের চৌকো মন্ডিত অংশটি নিতে হবে, তার … Read more

সাতিপাতা উষ্ণাঞ্চলের ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: সাতিপাতা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Molineria recurvata) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। সাতিপাতা-এর বর্ণনা: দৃঢ় বীরুৎ, মূলাকার কান্ড কন্দাল। পত্র অত্যন্ত পরিবর্তশীল, ৩০-৯০ × ৭-১৫ সেমি, বল্লমাকার কুঞ্চিত, রোমশবিহীন বা অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রোমশ ও শিরাল, বক্র, বৃন্ত খাঁজ যুক্ত, ৩০-৯০ সেমি লম্বা, নিম্নাংশ রোমশ, উপরের অংশ রোমশ বিহীন। ভৌমপুষ্পদন্ড … Read more

লজ্জাবতী বাংলাদেশের ঝোপে জন্মানো ভেষজ লতা

ভূমিকা: লজ্জাবতী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Mimosa pudica) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। লজ্জাবতী-এর বর্ণনা: খর্বাকৃতির, ছড়ানো এবং শয়ান বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কখনও উপগুল্মীয় বীরুৎ, ঋজু অথবা হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ে ওঠে, কখনও কখনও পর্ব থেকে মূল গজায়। শাখা-প্রশাখা কমবেশী কোমল কিন্তু পুরনো কান্ড কাষ্ঠল, গ্রন্থিল … Read more

error: Content is protected !!