লাল পাতা চুকাই বা লাল পাতা মেস্তা হচ্ছে হিবিস্কাস গণের সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি

লাল পাতা চুকাই

ভূমিকা: লাল পাতা চুকাই বা লাল পাতা মেস্তা বা আফ্রিকান চুকাই (ইংরেজি: African rosemallow) হচ্ছে মালভাসি পরিবারের হিবিস্কাস গণের একটি বর্ষজীবী ঋজু বীরুৎ জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। লাল পাতা চুকাইয়য়ের বর্ণনা: লাল পাতা চুকাই বা লাল পাতা মেস্তার উচ্চতা প্রায় ৫ মিটার, সর্বাঙ্গ রক্তবেগুনি-লাল। এদের কান্ড মসৃণ। পাতা ২-১০ সেমি লম্বা বৃন্ত যুক্ত, কিছুটা তারকাকার রোমাবৃত, … Read more

আতা বা শরিফা গাছ, মূল, পাতা, বীজের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

আতা গাছের এক এক অংশ এক এক ধরনের রোগে কাজ করে; যেমন শিকড়ের (মূলের) রস ভেদক কিন্তু ফলের শাঁস বীর্যস্তম্ভক, আবার পাতার রস বাহ্য ব্যবহারে বিস্ফারক ও কীটনাশক।আরো পড়ুন

শসা-র নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

শসা-এর বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis sativus. Fuifacit cucurbitaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— ফল, বীজ ও পত্র। এটি রসবহ ও মেদোবহ স্রোতে কাজ করে।আরো পড়ুন

শঙ্করজটা বা পৃশ্নিপর্ণী-এর বারোটি ভেষজ গুণাগুণ

শঙ্করজটা বা পৃশ্নিপর্ণী (Uraria Picta) গাছটি ৩–৪ ফুট লম্বা, এদের পাতা ৫–৬ ইঞ্চি লম্বা, ১ – ১.৫ ইঞ্চি চ‌ওড়া, পূষ্পবিন্যাস নলাকৃতি, চতুর্দিকে ঘনসংবদ্ধ, ফুলের রং গোলাপি, বর্ষায় ফোটে । অসামান্য ভেষজ গুণসম্পন্ন বর্ষজীবী গাছ, পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের দোয়াঁশ মাটিতে জন্মায়।আরো পড়ুন

গামার বা গামারি গাছের ভেষজ গুণাগুণ

এর জন্মস্থান সারা ভারত, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইন দীপপুঞ্জ। এর সংস্কৃত নাম । গান্ডারী, শ্রীপর্ণী ও কাশ্মর্য; বাংলা নাম গামার ও তামিলে গমোদি নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Gmelina arborea Linn., ফ্যামিলি Verbenaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— পাতা, ফল ও ছাল।আরো পড়ুন

স্থলপদ্ম গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ উপকারিতা

এর ফলের একটা বৈশিষ্ট্য আছে— ফলগুলোর গঠন অনেকটা পঞ্চমুখী জবার আকার হলেও অপেক্ষাকৃত বড় এবং সকালের দিকে গোলাপী (বেতাভ লাল), বৈকালের দিকে কুঞ্চিত হয়ে রক্তাভ হয়। একে বাংলায় স্থলপদ্ম, স্থলপদ্ম; হিন্দীতে স্থলকমল, শলপড়, গুলিয়াজেব; সংস্কৃতে পদ্মচারিণি, স্থলপদ্ম বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Hibiscus mutabilis Linn., পরিবার Malvaceae ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- ফুল ও পাতা।আরো পড়ুন

শিশু গাছ-এর নানাবিধ ঔষধি গুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

ভারতের প্রায় সর্বত্রই অল্পবিস্তর দেখা যায়, তবে স্বাভাবিকভাবে জন্মে হিমালয়ের ৪ হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানে, নেপালে, আসামে; এভিন্ন প্রশস্ত রাজপথের ধারেও রোপণ করা হয়। এর সংস্কৃত নাম শিংশপা, বাংলায় বলে শিশু গাছ, হিন্দিতে শিশাই। এর বোটানিক্যাল নাম Dalbergia sissoo Roxb., ফ্যামিলি Papilionaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ-ছাল ও পাতা।আরো পড়ুন

শেয়ালকাঁটা গুল্মের বারোটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রযোগ

শেয়ালকাঁটা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Argemone mexicana) ঔষধার্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা বাহ্য ব্যবহারে (External application)। এই কার্যে ব্যবহার হয় মল, পাতা, বীজ ও বীজের তেল।আরো পড়ুন

রক্ত চিতা ও সাদা চিতা গুল্মের দশটি ভেষজ গুণাগুণ

রক্তচিতা (Plumbago indica) রোগ প্রতিকারে বেশী উপযোগী। এর পার্থক্য প্রথমতঃ ফুলের রঙে, পাতার ও গাছের আকৃতিতে এবং মূল। তাছাড়া সাদা ফুলের চিত্রকের চলতি নাম সাদা চিতে। লাল চিতের বিকল্প হিসেবে সাদা চিতেও ব্যবহার হয়ে থাকে। লাল চিতের কাঁচা মূল বড় ব্যবহার করা হয় না, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বাহ্য ব্যবহারে (External use) কাঁচার ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

দুধকলমি লতার দশটি ভেষজ উপকারিতা ও প্রয়োগ

ভূমি-প্রসারণী লতা, লতার কাণ্ডটি তিনটি শিরাবিশিষ্ট, তবে তার কোন কোন জায়গা গোলও দেখা যায়। এটি পশ্চিম বাংলার সর্বত্র জঙ্গলের ধারে অথবা পোড়া জায়গায় অথবা নদীর ধারে জন্মে। এছাড়া ভারতের সর্বত্র, এমন-কি তিন হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানেও এটি অযত্নসম্ভূত হয়েই জন্ম নেয়। লতা কাটলে বা ভাঙ্গলে দুধের মত বর্ণ-বিশিষ্ট চটচটে আঠা বেরোয়।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!