কুসুম এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

কুসুম বড় ধরনের ঝাকড়া গাছ। গাছ বেশ মোটা হয়, ছালের বাইরের বর্ণ ধূসর বাদামী, ভেতরের দিকটা রক্তাভ। কাঠ খুবই শক্ত। ঘরবাড়ির সাজ-সরঞ্জাম, আসবাবপত্র তৈরীর কাজে লাগে। পাতার ডাঁটা প্রায় ফুটখানিক লম্বা। ঐ ডাঁটার দুধারে ২- ৪ জোড়া পাতা বা পত্রিকা থাকে, সেগুলি ৮/১০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হলেও নিচের দিকের পাতা আকারে ছোট। বসন্তের প্রারম্ভে গাছে নতুন পাতা গজায়।আরো পড়ুন

আচ বা ননী এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

মাঝারি ধরনের গাছ। কাণ্ড প্রায় সোজা। পাতা চওড়া ও ডিম্বাকৃতি, লম্বা ৫-৮ ইঞ্চি এবং চওড়ায় ৩-৪ ইঞ্চি, মুলা, বোঁটার দিকে সরু। পত্র উজ্জ্বল সবুজ, রোমহীন শাখা-প্রশাখা। প্রায় চতুষ্কোণ-বিশিষ্ট। ফুল সাদা, ইঞ্চিখানিক লম্বা, ৫টি পাপড়িবিশিষ্ট, অতিশয় সুগন্ধযুক্ত, দেখতেও সুন্দর। আরো পড়ুন

ননী বা আচফুল-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ননী বা আচফুল-এর (Morinda citrifolia) লোকপ্রচলিত যেসব ভেষজ প্রয়োগ গা-গ্রামে এখনও ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলির গুণাগুণ বিচার নতুন করে করা প্রয়োজন। ঔষধ হিসাবে এর শিকড়, পাতা ও ফল ব্যবহৃত হয়। যে গুণাগুণগুলো সংগৃহীত হয়েছে তার কয়েকটি এখানে দেওয়া হলো।আরো পড়ুন

চা পাতা ব্যবহার আটটি উপকারিতা

চা পান (বৈজ্ঞানিক নাম: Camellia sinensis, ইংরেজি নাম: Tea Plant) শুধু দোষেরই নয়; চায়েরও আছে কিছু কিছু গুণ। এটি রুচি উৎপন্ন করে, ত্বক ও মূত্রাশয়কে প্রভাবিত করে ঘাম সৃষ্টি করে এবং প্রস্রাবের বেগ আনে, ঢিমে হয়ে যাওয়া উৎসাহ আবার চাগিয়ে দেয়, ক্লান্তি দূর করে, পিত্ত বাড়িয়ে দেয়। খাওয়ার চার ঘণ্টা পরে চা পান করলে ভাল হয়। অতএব খাওয়ার তিন-চার ঘণ্টা পরে খাবারের যে অংশটুকু হজম হয়নি তা চা হজম করিয়ে নীচে নামিয়ে দেয়।আরো পড়ুন

পুদিনা ভেষজ গুণসম্পন্ন বর্ষজীবী গুল্ম

পুদিনা (M. spicata) বর্ষজীবী ক্ষুপ, উগ্রগন্ধ বিশিষ্ট। মূল থেকে পুনরায় গাছ জন্মে। পাতা পুরু, কোমল, কিনারা কাটা কাটা, অগ্রভাগ সরু। গুচ্ছাকারে ফুল হয়। যত্নের সঙ্গে চাষ করা হয়। পাতার চাটনী এবং শরবত উপাদেয় খাদ্য ও পানীয়।আরো পড়ুন

শিলারস বৃক্ষ-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ

দেশী ও বহিরাগত শিলার প্রায় একই গুণসম্পন্ন, কেবল গুণের মাত্রা অল্প-বিস্তর কম-বেশি। যেটি যখন পাওয়া যাবে, সেটিই ব্যবহার করলে চলবে। এই গাছটি আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, ভুটান, বর্মা, চীন, জাভা, বাংলাদেশ প্রভৃতি স্থানে অল্প-বিস্তর পাওয়া যায়। শিলারস গাছের ফ্যামিলী Altingiaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ আঠা বা বৃক্ষনিস।আরো পড়ুন

শিলারস এশিয়ার দেশসমূহে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

এটি মধ্যমাকৃতি বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট বৃক্ষ। পাতা করতলাকৃতি, ফুল পীতবর্ণ ও গুচ্ছবদ্ধ। গাছের ছাল বাদামী রঙের। কাঠ লালচে বাদামী অথবা বাদামী, মসৃণ, ভারী এবং শক্ত। বীজ গোলাকার, কর্কশ ও শক্ত। বীজ থেকেই গাছ জন্মে। এই গণের একটি মাত্র প্রজাতি ভারতবর্ষে বিদ্যমান।আরো পড়ুন

রোহিণা বা রোহণ বৃক্ষে আছে ভেষজ গুণাগুণ

রোহিণা বা রোহণ (Soymida febrifuga) ভেষজটিকে নিয়ে যেসব যোগ ভারতের পশ্চিম বাংলা ও উড়িষ্যায় চলে আসছে, সেগুলির কয়েকটি সংগ্রহ করে এই প্রবন্ধে উল্লেখ করা হলও।আরো পড়ুন

কুড়-এর নানাবিধ ঘরোয়া ও ভেষজ ব্যবহার

কুড় নামক ভেষজটি আজও ব্যবহৃত হয়, যেমনটি প্রাচীন কালে হতো। সমভাবে আজও ঘরোয়া বিভিন্ন কাজে বা আয়ুর্বেদে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটির বোটানিক্যাল নাম Saussurea lappa C. B. Clarke, ফ্যামিলী। Compositae.আরো পড়ুন

টাকাপানা বা টোকাপানা ভেষজ গুণসম্পন্ন জলজ প্রজাতি

ভারতের সর্বত্র বিশেষতঃ জলাসন্ন প্রদেশে টোকাপানা (Pistia stratiotes) পাওয়া যায়। পুকুর, জলাশয়, নালা, ঝিল প্রভৃতিতে জন্মে । জলে ভেসে থাকে। লোনা জলে হতে দেখা যায় না। অল্প লবণ-বিশিষ্ট জলে কদাচিৎ হতে দেখা যায়। শীতের সময় এর বাড়বাড়ন্ত হ্রাস হয়, বেশির ভাগ পাতা পচে যায়। শীতের পর নতুন পাতা গজায় ও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং বর্ষাকালে এর বৃদ্ধি দুরন্ত গতিতে হতে থাকে। এই পানা একটি উৎকৃষ্ট সার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানা গায়ে লাগলে চুলকায়।

error: Content is protected !!