ঢেঁকি শাক ভেষজ গুণে ভরা বিরুৎ

ঢেঁকি শাক ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ। এদের কান্ড ৩ থেকে ৬ ফুট লম্বা ও লতানো। অগ্রভাগ খাড়া হয়ে থাকে। ভারত, বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র, পাহাড়ী অঞ্চল এবং সমভূতিতে এটিকে দেখতে পাওয়া যায়। ডগাটি গোল হয়ে বাঁকানো। নরম নরম ডগা প্রায় ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। শাক হিসেবে বাজারে বিক্রি হয়ে আসে।আরো পড়ুন

কফি-এর চারটি প্রজাতির প্রজাতির পরিচয়

দক্ষিণ ভারতে কফির চাষ ভালো হয়। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে coffea arabica এই প্রজাতিটির চাষ হলেও অন্য বেশ কয়েকটি প্রজাতি থেকেও কফি তৈরি হয়ে থাকে বা হতে পারে। সেগুলি সম্বন্ধেও সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই প্রবন্ধে দেওয়া চেষ্টা করছি। কফির ৫০-৬০টি প্রজাতি আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পাওয়া। তন্মধ্যে Coffea arabica-র চাষ ব্যাপকভাবে এবং C. liberica, C. robusta এবং C. stenophylla অঞ্চলবিশেষে সামান্য পরিমাণে চাষ হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

সয়াবিন বীজের দুধ বা দই খাওয়ার উপকারিতা

সয়াবিনের (বোটানিক্যাল নাম Glycine max (L.)) বীজ থেকে নানা প্রকার খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত করা হয়। সয়াবীনের দুধ এবং তা থেকে দই, ছানা প্রস্তুত এখন সর্বজনবিদিত। এছাড়া এটির সাহায্যে রুটি, কেক, বিস্কুট, ওমলেট, পোলাও, পায়েস, নানা প্রকার মিষ্টান্ন দ্রব্য প্রভৃতি সুস্বাদু খাদ্য প্রস্তুত হয়।

সয়াবিন উপকারী বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ

সয়াবিন বর্ষজীবী অর্ধলতানে উদ্ভিদ। কখনো কখনো কাণ্ড খাড়া। সমগ্র উদ্ভিদটি রোমশ। তিনটি উপপত্র নিয়ে একটি পাতা। সাদা অথবা হালকা লালচে রঙের ছোট ছোট ফুল হয়। এদের ফল দেড় থেকে ২ ইঞ্চি লম্বা, ফলে ৩-৪টি বীজ থাকে। বীজ লম্বাটে, সামান্য চ্যাপ্টা, হলদে, খয়েরী অথবা কালো রঙের। আরো পড়ুন

কাওয়াটুটি বাংলাদেশের পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

কাওয়াটুটি প্রায় ১২ মিটার উঁচু বৃক্ষ এবং প্রধান অক্ষ সুস্পষ্ট। পত্র প্রতিমুখ, বৃহৎ, একপক্ষল, সচূড় পক্ষল, পত্রক ৫-৭টি, বৃহৎ, প্রশস্ত, উপবৃত্তাকার। পুষ্পবিন্যাস বৃহৎ প্যানিকেল বা মিশ্র প্যানিকেল, শীর্ষ কোমল রোমশ। পুষ্প সম্পূর্ণ, উভলিঙ্গ, অধিগর্ভ, সামান্য এক প্রতিসম। বৃতি ৫ টি যুক্ত বৃত্যংশ নিয়ে গঠিত, মুক্তাবস্থায় ৩-৫ টি অসম খন্ডে বিভক্ত, প্রান্ত-আচ্ছাদী।আরো পড়ুন

চারচারা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো গুল্ম

চারচারা কাষ্ঠল ও ত্রিকোণাকার শাখা সমেত উঁচু গুল্ম। এটি দৃঢ় শুষ্ক ঝিল্লিময়। পত্রক ১০-১৫ সেমি লম্বা, আয়তাকার, অর্ধ- চর্মবৎ, উভয় প্রান্তে ক্রমশঃ সরু, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ ও রোমহীন, নিচের পৃষ্ঠে শিরার উপর কেবল অল্প ছোট অস্পষ্ট রোম বিদ্যমান, পত্রবৃন্ত ১০-১৫ সেমি লম্বা, ত্রিকোণাকার, গভীরভাবে খাঁজযুক্ত, পক্ষযুক্ত নয়। আরো পড়ুন

সিম বুসাক এশিয়ায় জন্মানো উপকারী গুল্ম

সিম বুসাক খাড়া ও অধিক শাখান্বিত গুল্ম। এটি ১.২-৩.০ মিটার উঁচু হয়। এর শাখা-প্রশাখা গোলাকার, অগ্রভাগে রোমশ। পাতা একফলক, পত্রক ডিম্বাকার-আয়তাকার, অর্ধ-চর্মবৎ, সূক্ষ্মভাবে গ্রন্থিল, সূক্ষ্মাগ্র, সবুজ, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ অথবা প্রায় মসৃণ, নিচের পৃষ্ঠের শিরার উপরিভাগ ফ্যাকাশে এবং কমবেশী রেশমী ক্ষুদ্র নরম রোমাবৃত, গোড়া গোলাকার বা কর্তিতা, প্রধান শিরা ৮-১০ জোড়া, নিম্নপৃষ্ঠে অত্যন্ত সুস্পষ্ট আরো পড়ুন

কাঠ শালপানি এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

কাঠ শালপানি দেখতে খাড়া অথবা প্রায় খাড়া ছোট গুল্ম। এর শাখা কাষ্ঠল, হালকাভাবে কৌনিক, সরু, উপরের দিক ছোট ধূসর রোম দ্বারা আবৃত। পত্রক বিডিম্বাকার-আয়তাকার, স্থূলাগ্র, ২.৫- ৩.০ সেমি লম্বা, উপ-চর্মবৎ, উপরিভাগ মসৃণ, নিম্নভাগ ধূসর রোম দ্বারা হালকাভাবে আচ্ছাদিত, শীর্ষীয়টি মাঝে মাঝে শাখান্বিত, পত্রবৃন্ত ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা, মঞ্জুরীপত্র ১-২ মিমি লম্বা, পুষ্পবৃত্তিকা ১-২ সেমি লম্বা, মসৃণ।আরো পড়ুন

এ্যালাটোসলেমা প্যাপিলোসাম বহুবর্ষজীবী বীরুৎ

সহবাসী বা ভিন্নবাসী, বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। এটি ৪০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের কান্ড সরল বা শাখান্বিত, স্ফীত বা সামান্য বাঁকা গোড়া থেকে খাড়া, রসালো। পাতা একান্তর, বৃন্তহীন বা খাটো বৃন্তক, ন্যানোফিলস হৃৎপিন্ডাকার বা ডিম্বাকার, ৩- ১০ মিমি লম্বা, উপপত্র বল্লমাকার বা রেখাকার,আরো পড়ুন

এ্যালাটোসলেমা রূপেস্ট্রা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ

ভিন্নবাসী বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। এটি প্রায় ৫০ সেমি পর্যন্ত উঁচু হয়। এদের কান্ড সরল, শায়িত বা খাড়া, ঘন দৃঢ় রোমযুক্ত। পত্র একান্তর, প্রায় বৃত্তহীন, ন্যানোফিল অনুপস্থিত, উপপত্র রেখাকার-বল্লমাকার, ১০-১৮ মিমি লম্বা, দীর্ঘাগ্র, হালকা ক্ষুদ্র দৃঢ় রোমাবৃত, সিস্টোলিথযুক্ত, পত্রফলক তির্যক উপবৃত্তাকার, বা বিডিম্বাকার- উপবৃত্তাকার, ১০-১৫ × ৩-৫ সেমি।

error: Content is protected !!