শিলারস গাছের পরিচিতি, প্রজাতি এবং মানবদেহে এর অনন্য ঔষধি গুণাগুণ

এটি মধ্যমাকৃতি বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট বৃক্ষ। পাতা করতলাকৃতি, ফুল পীতবর্ণ ও গুচ্ছবদ্ধ। গাছের ছাল বাদামী রঙের। কাঠ লালচে বাদামী অথবা বাদামী, মসৃণ, ভারী এবং শক্ত। বীজ গোলাকার, কর্কশ ও শক্ত। বীজ থেকেই গাছ জন্মে। এই গণের একটি মাত্র প্রজাতি ভারতবর্ষে বিদ্যমান।আরো পড়ুন

শ্বেতফুলি বা সাদা ফুলি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক পরিচিতি ও বৈশিষ্ট্য – Lepidagathis incurva

শ্বেতফুলি উদ্ভিদের পাতা এবং ফুলের ক্লোজ-আপ ছবি (Lepidagathis incurva)

শ্বেতফুলি (বৈজ্ঞানিক নাম: Lepidagathis incurva) হলো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সুপরিচিত ভেষজ বা বীরুৎ জাতীয় লেপিডাগাথিস গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। উদ্ভিদ। অসাধারণ ঔষধি গুণসম্পন্ন এই প্রজাতিটি প্রাকৃতিকভাবেই বাংলাদেশের বিভিন্ন বনাঞ্চলে এবং পাহাড়ি এলাকায় জন্মে থাকে। স্থানীয় চিকিৎসা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানে এই উদ্ভিদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।[১] শ্বেতফুলি উদ্ভিদের সাধারণ পরিচিতি ও জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস বিষয়ের বিবরণ তথ্য / বৈজ্ঞানিক … Read more

কুতি কালাই-এর বিস্ময়কর উপকারিতা, ঔষধি গুণাগুণ, পরিচিতি ও চাষ পদ্ধতি: একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড

কুতি কালাই বা কুর্তি কালাই বা হর্স গ্রামের চ্যাপ্টা ও হীরকাকার বীজ, যা বাদামি এবং কালো রঙের সংমিশ্রণে চিত্রবিচিত্রিত।

কুতি কালাই বা কুর্তি কালাই বা কুলঠি কালাই (বৈজ্ঞানিক নাম: Macrotyloma uniflorum) একটি বহুমুখী গুণসম্পন্ন একবর্ষজীবী বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ, যা মূলত উত্তর বাংলাদেশে আবাদী ফসল হিসেবে চাষ করা হয়। এর গঠনগত বৈশিষ্ট্য থেকে শুরু করে ভেষজ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব—সবক্ষেত্রেই এটি অনন্য। এটি যেমন প্রোটিন সমৃদ্ধ ডাল হিসেবে মানুষের খাদ্য চাহিদা মেটায়, তেমনি গবাদি পশুর পুষ্টিকর … Read more

পানি কেশুরী বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: পানি কেশুরী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Macropanax oreophilum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। পানি কেশুরী-এর বর্ণনা: ছোট বা মধ্যম-আকৃতির চিরহরিৎ বৃক্ষ, অনূর্ধ্ব ১০ মিটার লম্বা, বাকল ধূসর, আঁচিলযুক্ত ও কিছুটা খসখসে। পত্র আঙ্গুলাকৃতিতে ৩-৫ ফলকপত্র, পত্রবৃন্ত ১০-১৫ সেমি লম্বা, পত্রক আয়তাকার বা উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, ১০-১৫ × ৩-৪ সেমি, নিম্নাংশ গোলাকার থেকে সূক্ষ্মাগ্র, … Read more

চমসা পাথরকুচি এশিয়ায় জন্মানো বাহারী বিরুৎ

ভূমিকা: চমসা পাথরকুচি ( বৈজ্ঞানিক নাম: Kalanchoe heterophylla) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ ও বাহারি প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়। চমসা পাথরকুচি-এর বর্ণনা: রসালো, ঋজু, দৃঢ়, বীরুৎ, প্রায় ৬০ সেমি লম্বা। পত্র সরল, প্রতিমুখ-তির্যক, অনুপপত্রী, রসালো, রোমশ বিহীন, চমসাকার থেকে দীর্ঘায়ত, গোলদন্তর, শীর্ষ গোলাকার। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকুলেট সাইম। পুষ্প ঋজু, সবৃন্তক, উভয়লিঙ্গ, বহুপ্রতিসম, চতুরাংশক। বৃতাংশ … Read more

আকন্দ গাছ-এর ১৩টি ঔষধি গুণাগুণ এবং উপকারিতা

বাংলাদেশ ও ভারতে প্রধানত ছোট পাতা আকন্দ ও বড় আকন্দ প্রজাতি দুটি যথেষ্ট পাওয়া যায়। মাঝারি আকন্দটি কিছুটা কম পাওয়া যায়। বড় আকন্দের দুটি উপপ্রজাতি আছে, সেগুলো হচ্ছে শ্বেত আকন্দ ও রক্ত আকন্দ। আকন্দ গাছ-এর ব্যবহার ১. হাঁপানি রোগে: ১৪ টি আকন্দ গাছের ফুলের, সাদা হলে ভাল হয়, মাঝখানের চৌকো মন্ডিত অংশটি নিতে হবে, তার … Read more

সাতিপাতা উষ্ণাঞ্চলের ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: সাতিপাতা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Molineria recurvata) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। সাতিপাতা-এর বর্ণনা: দৃঢ় বীরুৎ, মূলাকার কান্ড কন্দাল। পত্র অত্যন্ত পরিবর্তশীল, ৩০-৯০ × ৭-১৫ সেমি, বল্লমাকার কুঞ্চিত, রোমশবিহীন বা অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রোমশ ও শিরাল, বক্র, বৃন্ত খাঁজ যুক্ত, ৩০-৯০ সেমি লম্বা, নিম্নাংশ রোমশ, উপরের অংশ রোমশ বিহীন। ভৌমপুষ্পদন্ড … Read more

লজ্জাবতী বাংলাদেশের ঝোপে জন্মানো ভেষজ লতা

ভূমিকা: লজ্জাবতী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Mimosa pudica) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। লজ্জাবতী-এর বর্ণনা: খর্বাকৃতির, ছড়ানো এবং শয়ান বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কখনও উপগুল্মীয় বীরুৎ, ঋজু অথবা হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ে ওঠে, কখনও কখনও পর্ব থেকে মূল গজায়। শাখা-প্রশাখা কমবেশী কোমল কিন্তু পুরনো কান্ড কাষ্ঠল, গ্রন্থিল … Read more

বড় লজ্জাবতী গ্রীষ্ম মণ্ডলীয় অঞ্চলের লতা

ভূমিকা: বড় লজ্জাবতী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Mimosa diplotricha) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। বড় লজ্জাবতী-এর বর্ণনা: দূরপসারী অথবা হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ে ওঠে এমন কাষ্ঠল আরোহী, ১-২ মিটার উঁচু। কান্ড চতুষ্কোণী, কণ্টকিত, কন্টকগুলো ৪ সারিতে সজ্জিত, ৩-৪ মিমি লম্বা এবং নিচের দিকে বাঁকা। পাতা পক্ষল যৌগিক এবং ৩৫ সেমি লম্বা … Read more

বড়কুচ পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: বড়কুচ ( বৈজ্ঞানিক নাম: Micromelum minutum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। বড়কুচ-এর বর্ণনা : ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির, কন্টকহীন বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু, ছোট শাখা এবং কুঁড়ি ঘনভাবে খাটো- রোমশ। পত্র একান্তর, সচূড়পক্ষল, ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্রক ৯-১৫টি, একান্তর, ডিম্বাকার-বল্লমাকার থেকে ডিম্বাকার, ৩-১২ × ১.৫-৬.০ সেমি, … Read more

error: Content is protected !!