সাদা তুঁত গাছের নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগের বিবরণ

মাঝারি ধরনের গাছ, লম্বায় ১০ থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। গাছের ছাল ধূসর রঙের, কাঠ খুব একটা শক্ত না হলেও নানাবিধ খেলার সরঞ্জাম ও গৃহাদি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পাতা ২-৫ ইঞ্চি লম্বা, ডিম্বাকৃতি। শীতকালে ফুল, পরে ফল। ফল লম্বা, গায়ে সরু কাঁটা থাকে, পাকে বসন্তকালে।

পেস্তা বাদাম জনপ্রিয়, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাদ্যশস্য

মাঝারী ধরনের ঝাড়ীদার গাছ, সাধারণতঃ ৮/১০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে দেখা যায়। চির সবুজ গাছ নয়, বৎসরে একবার সম্পূর্ণ পাতা ঝরে যায়। পাতা পরস্পর বিপরীতমুখী নয়, এলোমেলো পাতা ক্রমশ সরু অথচ কিছুটা ডিম্বাকৃতি, চামড়ার মত মোটা ও খসখসে। ফুল ছোট ছোট গুচ্ছাকৃতি, তাতে নানা রঙের সংমিশ্রণ। পেস্তার খোসার উপরিভাগের রঙ সাদাটে ধূসর, খোসা শক্ত। আরো পড়ুন

পেস্তা বাদাম-এর আটটি ভেষজ গুণাগুণ ও ব্যবহার পদ্ধতি

পেস্তা বাদাম-এর আছে নানা ভেষজ গুণাগুণ। খেতে সুস্বাদু হলেও বাত, পেটের অসুখ, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি সারাতে ব্যবহার হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: বীজের শাঁস, শাঁসের বহিরাবরণ, পিস্তেকা ফুল। আরো পড়ুন

বৃক্ষামল বা মহাদা এশিয়ায় জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

ঝোপঝাড়যুক্ত সুন্দর ছোট গাছ। শাখাগুলি স্বাভাবিকভাবেই অবনত। পাতা ডিম্বাকার, অগ্রভাগ বশার মত ক্রমশ সরু, দেখতে অনেকটা গাব (Diospyros peregrina) পাতার মত আয়তাকার। এটি লম্বা ও চওড়ায় যথাক্রমে আড়াই থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি ও দুই থেকে আড়াই ইঞ্চির মত।আরো পড়ুন

ঘন্টাপারুল বা ঘন্টাপাটালি গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

এর পাতা স্বাদে তিক্ত, অতিশয় কটু; আমাশয় শূল, ক্রিমি, মূত্রকৃচ্ছ, অতিসার, রক্তহীনতা, বাত ও কফজ ব্যাধি এবং গুহ্যদ্বার সংক্রান্ত পীড়ায় ব্যবহার্য। মূল: কুষ্ঠরোগে ব্যবহৃত হয়। মূলত্বকের ক্বাথ দিয়ে সরিষার তৈল পাক করে সেই তেল লাগালে দগ্ধব্রণ আরাম হয়।আরো পড়ুন

পুন্নাগ গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

পুন্নাগ গাছের (Calophyllum inophyllum) ছাল, পাতা, বীজ ভেষজ কাজে ব্যবহৃত হয়। এর বীজ থেকে এক ধরণের তেল হয়, যা চর্মরোগের জন্য খুব উপকারী। দক্ষিণ ভারত, পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যার সমুদ্রোপকূলবর্তী স্থান, বোম্বাই প্রদেশের পূর্ব ও পশ্চিম অংশ, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ, বর্মা, মালয়, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি স্থানে জন্মে। তবে ভারতের সর্বত্র এই গাছটিকে লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হচ্ছে রাস্তার দু’ধারের ও বাগানের সৌন্দর্যবৃদ্ধির জন্য।আরো পড়ুন

ভোলাটুকি গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

একে সংস্কৃতে বলা হয় ভল্লাতক, অরুষ্কর (এছাড়া আরও ১৪টি নাম আছে), বাংলায় ভেলা, হিন্দীতে ভিলাবা, ভেলা প্রভৃতি বলা হয়ে থাকে। এর বোটানিক্যাল নাম Semecarpus anacardium Linn. f., পুর্বে এটির নাম ছিল Semecarpus latifolius, Pers., Anacardium latifolium, Lamk, Anacardium officinarum, Gaertn. প্রভৃতি ; ফ্যামিলী Anacardiaceae.আরো পড়ুন

তেলি গর্জন দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

তেলি গর্জন (বৈজ্ঞানিক নাম: Dipterocarpus turbinatus) এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। ভারত (আসাম, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ও সিলেট জেলায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

জানগানিয়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

ভারত, হিমালয়ের পূর্ব দিক, মায়ানমার এবং চীন। বাংলাদেশে ইহা ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

চাকেমদিয়া ভেষজ গুণসম্পন্ন ও শোভা বর্ধক বৃক্ষ

বৃহৎ বৃক্ষ, বাকল মসৃণ, ধূসর। পত্র ৭.৫-১৮.০ x ১-২ সেমি, পত্রক ১১-১৭টি, চকচকে, ডিম্বাকার, বিডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার, উপরিভাগ রোমহীন, নিম্নভাগ ফিকে এবং মোটামুটি রোমশ, গোড়া গোলাকার বা প্রায় সূক্ষ্মাগ্র, শীর্ষ স্থূলাগ্র, খাতাগ্র, প্রধান শিরা খুবই তির্যক, অসংখ্য, সমান্তরাল, স্পষ্ট, পত্রবৃন্ত প্রায় ৩.৫ মিমি লম্বা। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!