ওষধি উদ্ভিদ ভোলাটুকি বা ভেলা (Semecarpus anacardium) এর পরিচিতি ও গুণাগুণ

ভোলাটুকি বা ভেলা বা বাওলা ফলের পাতা ও কাঁচা ফলের ছবি

ভোলাটুকি, ভল্লাত, ভল্লাতক হচ্ছে এনাকারডিয়াসি পরিবারের সেমেকারপাস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। ময়মনসিংহে এই ফলটির নাম বাওলা, অন্য নাম ভোলা। এটি ছোট আকারের পাতাঝরা স্বভাবের বৃক্ষ। গাছের মাথায় প্রচুর শাখা-প্রশাখা ও পাতা থাকায় তা ছাতার মতো দেখায়। আরো পড়ুন

বাবলা গাছ (Vachellia nilotica): পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব

বাবলা গাছ এবং গাছের ফুল ও পাতা

বাবলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Vachellia nilotica ইংরেজি: Indian Gum Arabic Tree, Prickly Acacia, The Babul Tree) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ভ্যাসেলিয়া গণের কাঁটাযুক্ত লাল ফুলবিশিষ্ট দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ। এদের উচ্চতা প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত হয়। আরো পড়ুন

শিলারস গাছের পরিচিতি, প্রজাতি এবং মানবদেহে এর অনন্য ঔষধি গুণাগুণ

এটি মধ্যমাকৃতি বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট বৃক্ষ। পাতা করতলাকৃতি, ফুল পীতবর্ণ ও গুচ্ছবদ্ধ। গাছের ছাল বাদামী রঙের। কাঠ লালচে বাদামী অথবা বাদামী, মসৃণ, ভারী এবং শক্ত। বীজ গোলাকার, কর্কশ ও শক্ত। বীজ থেকেই গাছ জন্মে। এই গণের একটি মাত্র প্রজাতি ভারতবর্ষে বিদ্যমান।আরো পড়ুন

পানি কেশুরী বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: পানি কেশুরী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Macropanax oreophilum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। পানি কেশুরী-এর বর্ণনা: ছোট বা মধ্যম-আকৃতির চিরহরিৎ বৃক্ষ, অনূর্ধ্ব ১০ মিটার লম্বা, বাকল ধূসর, আঁচিলযুক্ত ও কিছুটা খসখসে। পত্র আঙ্গুলাকৃতিতে ৩-৫ ফলকপত্র, পত্রবৃন্ত ১০-১৫ সেমি লম্বা, পত্রক আয়তাকার বা উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, ১০-১৫ × ৩-৪ সেমি, নিম্নাংশ গোলাকার থেকে সূক্ষ্মাগ্র, … Read more

বড়কুচ পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: বড়কুচ ( বৈজ্ঞানিক নাম: Micromelum minutum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। বড়কুচ-এর বর্ণনা : ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির, কন্টকহীন বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু, ছোট শাখা এবং কুঁড়ি ঘনভাবে খাটো- রোমশ। পত্র একান্তর, সচূড়পক্ষল, ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্রক ৯-১৫টি, একান্তর, ডিম্বাকার-বল্লমাকার থেকে ডিম্বাকার, ৩-১২ × ১.৫-৬.০ সেমি, … Read more

ময়নাকাঁটা বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: ময়নাকাঁটা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Meyna spinosa) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। ময়নাকাঁটা-এর বর্ণনা : ময়নাকাঁটা শাখাবিশিষ্ট, ছোট বা মধ্যম-আকৃতির বৃক্ষ। এই গাছ ১০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। পাতা উপপত্রযুক্ত এবং বৃন্তক, উপপত্র প্রথমে প্রশস্তভাবে যমক, পুষ্পযুক্ত বিটপে ডিম্বাকার, পত্রবৃন্ত ১৩ মিমি পর্যন্ত লম্বা, পত্রফলক ডিম্বাকার- উপবৃত্তাকার বা ডিম্বাকার-আয়তাকার, … Read more

নাগেশ্বর পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: নাগেশ্বর (বৈজ্ঞানিক নাম: Mesua ferrea) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। নাগেশ্বর-এর বর্ণনা: এই প্রজাতিটি মধ্যম থেকে বৃহৎ আকৃতির চিরহরিৎ বৃক্ষ। ২০ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। তরুণ অবস্থায় চূড়া ঘন কোণাকার, বাকল ভস্মতুল্য ধূসর, পরবর্তীতে লালাভ বাদামী, গোলাকার পাত্রের ন্যায় স্তরে স্তরে উঠে আসে, ঝরে পড়া বাকলের স্থান … Read more

কুমারি বুড়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারি বৃক্ষ

ভূমিকা: কুমারি বুড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Mallotus tetracoccus) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। কুমারি বুড়া-এর বর্ণনা: ছোট বৃক্ষ আকৃতির এই প্রজাতিটি ৭ থেকে ১১ মিটার উঁচু হয়। এদের শাখা শক্ত, শুষ্ক অবস্থায় হলদে তারকাকার রোমযুক্ত, পরবর্তীতে রোমশ বিহীন। পত্র প্রতিমুখ বা একান্তর, উপপত্র অনুপস্থিত বা ক্ষুদ্র, বৃন্ত ৪-১৫ সেমি লম্বা, তারকাকার … Read more

সিন্দুরি গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মে

ভূমিকা: সিন্দুরি (বৈজ্ঞানিক নাম: Mallotus philippensis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। সিন্দুরি গাছ-এর বর্ণনা : সিন্দুরি গুল্ম বা ছোট চিরহরিৎ বৃক্ষ। এটি প্রায় ১৫ মিটার উঁচু, কান্ড বাঁশের ছেঁদার ন্যায় খাঁজ যুক্ত, তরুণ বিটপ, পত্র ও পুষ্পবিন্যাস হলদে বা মরচে রোমশ। পত্র একান্তর বা অর্ধপ্রতিমুখ, উপপত্র ক্ষুদ্র, আশুপাতী, বৃন্ত ২-৬ … Read more

শাল গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

একে সংস্কৃতে শাল, বাংলায় শাল, শাল গাছ, শাল কাঠ; হিন্দীতে শাল, দামার, সাখ, সাল; উড়িষ্যার অঞ্চল বিশেষে সব্ব, সেকওয়া; বোম্বাই অঞ্চলে রালধনা বলে। ইংরেজীতে এটিকে The Sal tree বলা হয়। এর বোটানিক্যাল নাম Shorea robusta Gaertn. f., পরিবার Dipterocarpaceae. শাল গাছ-এর বিবরণ: শাল গাছ সরল ও খুব লম্বা, এতে শাখা-প্রশাখা খুব কম হয়। ছোট গাছের … Read more

error: Content is protected !!