বরুণ গাছ, পাতা, ফুলের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

বরুণ

প্রথমেই বলে রাখি যে, বরুণ গাছের ছাল, পাতা ও ফুলের ব্যবহার অত্যন্ত প্রাচীন, তবে দেখা যায় যে, যত শিশু-ভেষজ আছে তার মধ্যে বরুণের ব্যবহারের উল্লেখ বহু ক্ষেত্রে। তাই এটারও গবেষণার ক্ষেত্র আছে, শুধু তাই নয়, প্রয়োজনও আছে। এটি সামগ্রিকভাবে কাজ করে রসবহস্রোতে।আরো পড়ুন

বনঢুলি বা দুপুরমনি ফুল ও মূলের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

দুপুরমনি

উষ্ণ, গরপাক, ত্রিদোষের প্রশমক, জ্বরনাশক ও পিচ্ছিল। ফল গুরুপাক ও কোষ্ঠবদ্ধতাকারক। চরকের মতে এটা সাপের বিষে হিতকর। সাঁওতালরা এর মূল অনেকক্ষেত্রে ঔষধার্থ ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে ফুল ও মূল।আরো পড়ুন

ঢোলপাতা বা কানশিরে তৃণের সাতটি ভেষজ উপকারিতা

ক্ষুপ জাতীয় এই প্রজাতির পাতার গোড়ার দিকটায় একটু, চওড়া বেষ্টনী আছে যেটা লতাটাকে জড়িয়ে ধরে রাখে এবং এর গায়ে কোমল রোম আছে। পুষ্পধি দেখতে অনেকটা ছেড়া কানের মত, তার মধ্য থেকেই ছোট ছোট নীল ফুল হয়। তাই এর প্রচলিত নাম কানছিড়ে। বীজকোষ ঝিল্লীযুক্ত। আরো পড়ুন

শ্বেত কাঞ্চন দক্ষিণ এশিয়ার সুগন্ধি ও ভেষজ প্রজাতি

ছোট, ঋজু, প্রচুর শাখা-প্রশাখা যুক্ত গুল্ম, ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুণ শাখা-প্রশাখা ধূসর রোমশ, পরবর্তীতে রোম বিহীন, ক্ষুদ্র শাখাসমূহ আঁকাবাঁকা সর্পিল এবং কম ছড়ান। আরো পড়ুন

নয়নতারা উদ্ভিদের সাতটি কার্যকরী ভেষজ গুণাগুণ

নয়নতারা আসলে একটি বর্ষজীবী সোজা কাণ্ডযুক্ত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি বহু বছর ধরে নানা প্রতিকূল অবস্থায়র মধ্যে বেঁচে থাকে। নয়নতারা গাছ লম্বায় খুব একটা বড় হয় না। সাধারণভাবে দেড় থেকে দু’ফুটের মতো লম্বা হয়।আরো পড়ুন

উলট চন্ডাল বিরুৎ-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ

উলট-চন্ডাল

উলট চন্ডাল একটি বর্ষজীবী লতানো বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এটি একটি অতি পরিচিত ঔষধি উদ্ভিদ। এর পাতা সরল, একান্তর, ওভেট-লেন্সিওলেট, বৃন্তহীন, পাতার শীর্ষ ক্রমশ আকর্ষীর মত লম্বা এবং পেঁচানো, শিরাবিন্যাস সমান্তরাল।আরো পড়ুন

বাবলা ফেবাসি পরিবারের ভ্যাসেলিয়া গণের কাঁটাযুক্ত লাল ফুলের দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ

বাবলা

বাবলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Vachellia nilotica ইংরেজি: Indian Gum Arabic Tree, Prickly Acacia, The Babul Tree) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ভ্যাসেলিয়া গণের কাঁটাযুক্ত লাল ফুলবিশিষ্ট দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ। এদের উচ্চতা প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত হয়। আরো পড়ুন

কাঁটা মুকুট উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের জন্মানো উদ্যানের শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ

কাঁটা-মুকুট

ঋজু বা লতান, রোমশ বিহীন, শাখাবহুল কন্টকিত গুল্ম। প্রায় ৬০ সেমি লম্বা, শাখা গোলাকার বা কোণাকৃতি, ১ সেমি পুরু, ধূসর। কান্ডপত্র একান্তর, বিডিম্বাকার থেকে বিভল্লাকার, ১-৬ x ০.৫-২.০ সেমি, স্থূলা, পার্শ্বীয় শিরা ১৫ জোড়া, উপরের পৃষ্ঠ গাঢ় সবুজ, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ ফ্যাকাশে, উপপত্র কন্টকিত, ১-২ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন

মালতী লতা বাংলাদেশে জন্মানো আলংকারিক ও ভেষজ উদ্ভিদ

মালতী লতা

বৃহৎ কাষ্ঠল, পেঁচানো, প্রচুর দুগ্ধবৎ তরুক্ষীর বিশিষ্ট গুল্ম। পত্র প্রতিমুখ, চর্মবৎ, পত্রবৃন্ত ১.৫ সেমি লম্বা, পত্রফলক ৮-১০ x ২.৫-৬.০ সেমি, ডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার, স্থূলাঘ, ঈষৎ দীর্ঘায়, নিম্নাংশ গোলাকার স্থূলাগ্র, পার্শ্ব শিরাসমূহ ৩-৫ জোড়া, মসৃণ বা অঙ্কীয় পৃষ্ঠ ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। সাইম প্রান্তীয়, করিম্বের ন্যায়, শিথিল, রোমশ। আরো পড়ুন

লতা পারুল বা রসুন লতা উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের আলংকারিক উদ্যান উদ্ভিদ

লতা পারুল

এদের শাখা থেকে কলম করে নতুন চারার জন্ম হয়। বাড়ির বাগানে বা উদ্যান লাগানো হয় আলংকারিক উদ্ভিদ হিসাবে। দৃষ্টিনন্দন উদ্যান ফুল হিসেবে বাংলাদেশে এর বেশ চাহিদা আছে। ফুল ধরে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!