বিদ্যাপাতা বা কালীঝাঁট: পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর অবিশ্বাস্য ভেষজ গুণাগুণ

বিদ্যাপাতা-বা-কালীঝাঁট সবুজ সতেজ পাতা

এই ফার্ন বাহারি পাতা হিসাবে অনেকে টবে লাগিয়ে থাকে। বারান্দায় ঝুলন্ত টবে শোভাবর্ধন করে। স্থলজ আবাস, অধিকাংশই স্যাঁতসেঁতে দেয়াল এবং ভেজা, ছায়াযুক্ত স্থান। বংশবিস্তার হয় গ্রন্থিক এবং রেণু দ্বারা।আরো পড়ুন

হরিণা শাক (Aglaonema hookerianum) কি? এর বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও চাষ পদ্ধতি

হরিণা-শাকের পাতা ও ফুলের ছবি

হরিণা শাক বীরুৎ প্রজাতির। এদের কান্ড ৪০-৫০ সেমি লম্বা, ১.৫-২.০ সেমি পুরু। পর্বমধ্য ১.৫-৩.০ সেমি, পাতা সবৃন্তক, বৃন্ত ২৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্র বেষ্টনী ঝিল্লিযুক্ত, ১৫ সেমি পর্যন্ত, পত্রফলক ২৭ X ৭-১২ সেমি, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার বা ভল্লাকারআরো পড়ুন

ইঞ্চি লতা বা জেব্রা লতা (Inch Plant) কী? ইনডোর প্ল্যান্টের সৌন্দর্য এবং এর ক্ষতিকর আগ্রাসী রূপ!

ইঞ্চি লতা বা জেব্রা লতার ফুল ও পাতা

এটির পাতা কিছুটা মাংশল বা সরস। লতাটির তিন পাপড়ির ফুল হয়। ফুলের রং লাল। এই উদ্ভিদ ঝুলানো টবে রাখা যায়, ঝুলানো টবে রাখলে এদের পাতার নিচের দিকের সুন্দর মেরুণ বর্ণ দেখা যায়। আরো পড়ুন

স্থলপদ্ম গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ উপকারিতা

এর ফলের একটা বৈশিষ্ট্য আছে— ফলগুলোর গঠন অনেকটা পঞ্চমুখী জবার আকার হলেও অপেক্ষাকৃত বড় এবং সকালের দিকে গোলাপী (বেতাভ লাল), বৈকালের দিকে কুঞ্চিত হয়ে রক্তাভ হয়। একে বাংলায় স্থলপদ্ম, স্থলপদ্ম; হিন্দীতে স্থলকমল, শলপড়, গুলিয়াজেব; সংস্কৃতে পদ্মচারিণি, স্থলপদ্ম বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Hibiscus mutabilis Linn., পরিবার Malvaceae ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ- ফুল ও পাতা।আরো পড়ুন

পাহাড়ি জাতা কানশিরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি জাতা কানশিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina paludosa) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গহীন অরণ্য, রাস্তার পার্শ্বের ভিজা সেঁতসেঁতে মাটি, জলাশয়ের তীরে এই প্রজাতি জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল অক্টোবর থেকে মার্চ। শাখা কলম ও বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন

রাঙা মরমরিয়া লতা শোভাবর্ধনকারী ও ভেষজ প্রজাতি

পত্র ৬.৫-১৯.০ x ২-৮ সেমি, ডিম্বাকার-বল্লমাকার, দীর্ঘা, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার বা অর্ধকর্তিতা, গোলাকার দপ্তর করাত দপ্তর, ঝিল্লিময়, উপরিভাগ গাঢ় সবুজ, প্রায় ধূসর-সবুজ ছোপযুক্ত, নিম্নভাগ গাঢ় লাল। আরো পড়ুন

কালা ডাঁটি ঢেকিয়া গ্রীষ্মমন্ডলী দেশের ভেষজ প্রজাতি

ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, মালয় উপদ্বীপ, ফিলিপাইন, গ্রীষ্মমন্ডলীয় আমেরিকা, জাভা, পূর্ব আফ্রিকা এবং ফিজি। বাংলাদেশে সিলেট জেলা থেকে এই প্রজাতি সংগ্রহ করা হয়েছে (Mirza and Rahman, 1997)।আরো পড়ুন

বাদামী কন্দল ঢেকিয়া দক্ষিণ এশিয়ার শোভাবর্ধনকারী প্রজাতি

গ্রন্থিক খাটো, খাড়া, এক গুচ্ছ পাতা বহণকারী, শুল্ক সরু, গাঢ় বাদামী, অখন্ড। পত্রদন্ড প্রায় ১০-১৫ সেমি লম্বা, গাঢ় বেগুনি, গোড়ার কাছে শল্কযুক্ত, অক্ষাভিমুখ পুষ্ঠে খাঁজযুক্ত, তরুণ অবস্থায় কমবেশী রোমযুক্ত, মসৃণ, পত্রকঅক্ষ পাদন্ডের মতো। আরো পড়ুন

গোলাপী সুখদর্শন বাগানের শোভাবর্ধক বর্ষজীবী বিরুৎ

বহুবর্ষজীবী কন্দাল বীরুৎ। কন্দ গোলাকার, ১২.৫-১৫.০ সেমি ব্যাস যুক্ত, গৃবা খাটো। পত্র অনেক, ৬০-৯০ সেমি লম্বা, ৭-১২ সেমি প্রশস্ত, জিহ্বাকৃতি, প্রান্ত অমসৃণ। ভৌম পুষ্পদন্ড ৬০-৯০ সেমি উঁচু, লালাভ, চমসা লালাভ সবুজ বা লাল, বল্লমাকার। আরো পড়ুন

গাং কনুর বাংলাদেশে জন্মানো বহুবর্ষজীবী কন্দ বীরুৎ

বহুবর্ষজীবী কন্দাল বীরুৎ, কন্দ গোলাকার, ৫.০-৭.৫ সেমি ব্যাস বিশিষ্ট; পত্র লম্বা, ৪৫-৬০ x ২.৫-৪.০ সেমি, উজ্জ্বল সবুজ, অর্ধ ঋজু, অসি ফলকাকার, মূলীয় অংশ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ সরু, শীর্ষ দীর্ঘাঘ, কিনারা অমসৃণ। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!