ম্যাক্রোটাইলোমা (Macrotyloma): ডালজাতীয় উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেনাস ও এর বৈশিষ্ট্য

কুতি কালাই বা কুর্তি কালাই বা হর্স গ্রামের চ্যাপ্টা ও হীরকাকার বীজ, যা বাদামি এবং কালো রঙের সংমিশ্রণে চিত্রবিচিত্রিত।

উদ্ভিদ জগতের সুবিশাল ভাণ্ডারে ফেবেসি (Fabaceae) বা শিম গোত্রীয় উদ্ভিদগুলো মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির অন্যতম উৎস। এই গোত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেনাস বা গণ হলো ম্যাক্রোটাইলোমা (Macrotyloma)। মূলত শুষ্ক ও আধা-শুষ্ক অঞ্চলে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম এই জেনাসের উদ্ভিদগুলো বর্তমানে কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। শ্রেণিবিন্যাস ও পরিচিতি ম্যাক্রোটাইলোমা মূলত দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের একটি গণ। … Read more

এন্টিডেসমা ক্রান্তিয় অঞ্চলের ফলজ ও ভেষজ প্রজাতির গণের নাম

ভিন্নবাসী গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, সরল রোমাবৃত। পত্র সরল, একান্তর, খাটো বৃন্তযুক্ত, অখন্ড, সোপপত্রিক, পক্ষ শিরাল। পুষ্পবিন্যাস অক্ষীয়, পত্রের প্রতিমুখ, শীর্ষীয় বা কান্ডজ স্পাইকেট বা অর্ধরেসিমোস, কখনও পেনিকেল।আরো পড়ুন

আলবিজিয়া হচ্ছে ফেবিয়াসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ

শিরিষ

এই গণে মোট ১৬০ প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে ৮টি প্রজাতি জন্মে। এই কয়েকটি প্রজাতির জন্য পাহাড়ি অরণ্যে বা পত্রঝরা বনই উপযুক্ত স্থান। এছাড়া প্রতিষ্ঠান, উদ্যান, অফিস, রাস্তার পাশে, বাড়ির বাগানেও লাগানো যায়। গাছের বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

মানসোয়া হচ্ছে বিগনোনিয়াসি পরিবারের লতানো উদ্ভিদের একটি গণ

লতা পারুল

মানসোয়া (লাতিন: Mansoa) হচ্ছে বিগনোনিয়াসি পভূমিকা: মানসোয়া হচ্ছে বিগনোনিয়াসি পরিবারের সপুষ্পক লতা জাতীয় উদ্ভিদের একটি গণের নাম। এই গণে অন্তত চারটি প্রজাতি আছে। আলংকারিক উদ্ভিদ লতা পারুল হচ্ছে এই গণের একটি পরিচিত প্রজাতি। আরো পড়ুন

পঙ্গামিয়া ফেবাসি পরিবারের চিরসবুজ বৃক্ষের গণের নাম

করচ করঞ্জা

পঙ্গামিয়া (লাতিন: Pongamia) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ঘন ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষের গণের নাম। এই গনের প্রজাতিগুলো দেখতে অনেকটা বটের মতো। এই গণে বাংলাদেশের একটি প্রজাতি হচ্ছে করচ বা করঞ্জা গাছ। আরো পড়ুন

হিপটাগি সপুষ্পক গুল্মজাতীয় উদ্ভিদেরর একটি গণের নাম

মাধবীলতা

জগৎ/রাজ্য: Plantae. বিভাগ: Angiosperms. অবিন্যাসিত: Edicots. অবিন্যাসিত: Tracheophytes. বর্গ: Malpighiales. পরিবার: Malpighiaceae. গণ: Hiptage. আর পড়ুন

এ্যাগানসমা সপুষ্পক গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের একটি গণের নাম

মালতী লতা

এ্যাগানসমা  বৃহৎ, কাষ্ঠল, পেঁচানো জাতীয় গুল্মের একটি গণ। এদের পাতা উপবৃত্তাকার, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, উভয় পৃষ্ঠ মসৃণ, অতি অল্প ধনুকাকৃতি। সাইম প্রান্তীয়, খর্ব ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। আরো পড়ুন

সিবা হচ্ছে বোম্বাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গণের নাম

সিবা হচ্ছে বোম্বাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গনের নাম। এই গণের প্রজাতির গাছগুলো বৃহৎ আকারের বৃক্ষ এবং ফুল বিভিন্ন রঙের হতে পারে। বাংলাদেশের এই গণের ১টি প্রজাতি আছে যার নাম শ্বেত শিমুল বা সাদা শিমুল। সিবা গণের উদ্ভিদগুলো মধ্যমাকৃতির বৃক্ষ। এদের পত্র আঙ্গুলাকৃতি, যৌগিক, উপপত্র আশুপাতী। আরো পড়ুন

মুরায়া হচ্ছে রুটেসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গণের নাম

মুরায়া হচ্ছে রুটেসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ। এই গণের প্রজাতি সাদা রঙের সুগন্ধি ফুল বিশিষ্ট ছোট বৃক্ষ এটি। বাংলাদেশের এই গণের ২টি প্রজাতি আছে কারিপাতা বা বারসুঙ্গার, কামিনী। আরো পড়ুন

প্লুমেরিয়া হলো এ্যাসপারাগাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি গণের নাম

প্লুমেরিয়া হলো এ্যাসপারাগাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ। বাংলাদেশে এই গণের ৩টি প্রজাতি পাওয়া যায় ছোট কাঠগোলাপ, সিঙ্গাপুরি কাঠগোলাপ, পাতি কাঠগোলাপ। বিবরণ: তরুক্ষীরবাহী গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ। কাণ্ড সাধারণত প্রশস্ত মজ্জা বিশিষ্ট ফাঁপা, কর্কবৎ। পত্র একান্তর বা সর্পিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাখার শীর্ষে গুচ্ছিত, কক্ষে গ্রন্থিল, সবৃন্তক বা অর্ধ-বৃন্তক। সাইম কাক্ষিক বা প্রান্তীয়, দ্ব্যাগ্র শাখাবিন্যাস, সমভূমঞ্জরী বা থায়ারসিফর্ম। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!