পাহাড়ি ঝুনঝুনা পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো বিপন্ন ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি ঝুনঝুনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Crotalaria tetragona) বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলের জেলাগুলোতে জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। মিশ্র পত্রঝরা ও পাহাড়ী চিরহরিৎ বনাঞ্চলের উন্মুক্ত এলাকায় জন্মে। ফল ও ফল ধারণ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি মাস। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন

ছোট চমকী অর্কিড বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও তিব্বতের অর্কিড

Orchids

ভূমিকা: ছোট চমকী অর্কিড (বৈজ্ঞানিক নাম: Paphiopedilum venustum) অর্কিড পরিবারের পাফিওপেডিলাম গণের বিরুৎ। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই প্রজাতিটি সংরক্ষিত এবং বাংলাদেশে মহাবিপন্ন হিসেবে বিবেচিত। আরো পড়ুন

বড় চমকি বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও মায়ানমারের অর্কিড

ভূমিকা: বড় চমকি অর্কিড (বৈজ্ঞানিক নাম: Paphiopedilum insigne) অর্কিড পরিবারের পাফিওপেডিলাম গণের বিরুৎ। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই প্রজাতিটি সংরক্ষিত এবং বাংলাদেশে মহাবিপন্ন হিসেবে বিবেচিত। আরো পড়ুন

মহা ডেনড্রোবিয়াম দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অর্কিড

ভূমিকা: মহা ডেনড্রোবিয়াম (বৈজ্ঞানিক নাম: Dendrobium nobile) অর্কিড পরিবারের ডেন্ড্রোবিয়াম গণের বিরুৎ। এর সৌন্দর্যের কারণে এরা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনানুসারে রক্ষিত অর্কিডের তালিকায় তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের রক্ষিত উদ্ভিদ হচ্ছে আইনানুসারে সংরক্ষিত ৫৪টি প্রজাতি

বাংলাদেশের রক্ষিত উদ্ভিদ বা বাংলাদেশের সংরক্ষিত উদ্ভিদ হচ্ছে ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনানুসারে সংরক্ষিত ৫৪টি প্রজাতির একটি তালিকা। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এসব প্রজাতির ভেতরে অনেকগুলো বিপন্ন ও বিলুপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। আরো পড়ুন

সিভিট বাংলাদেশে সংকটাপন্ন দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৃক্ষ

ভূমিকা: সিভিট (Swintonia floribunda) এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের সুইনটোনিয়া গণের একটি বিশালাকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। গাছটি বাংলাদেশে সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত এবং বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। সিভিট-এর বিবরণ: সিভিট ৭ মিটার বা ততোধিক উচ্চতা সম্পন্ন, প্রশস্ত গুঁড়ি বিশিষ্ট, মসৃণ, অতি উচ্চ চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাকল উজ্জ্বল গোলাপি, অগভীর উলম্ব ফাটল বিশিষ্ট, … Read more

উদয়পদ্ম বা হিমচাঁপা বাংলাদেশের রক্ষিত উদ্ভিদ

বর্ণনা: উদয় পদ্ম ছোট বা মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ। এই গাছ ঋজু বা সোজা, সরল শাখা হয় ও এদের বাকলের রং মসৃণ ধূসর। পাতা সরল, একান্তর, দীর্ঘায়ত থেকে বিডিম্বাকার আকৃতির। পাতার দৈর্ঘ্য ১২-২৫ সেমি ও প্রস্থ ৬-১০ সেমি, পুরু এবং চর্মবৎ, পাতার উপরের অংশ উজ্জ্বল এবং চকচকে হয়, নিচের অংশ তামাটে বাদামী, পাতার কুঁড়ি মরিচা বর্ণের ও রোমশ আবরণ দ্বারা বেষ্ঠিত যা পাতার ভাঁজে দৃশ্যমান হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

বাঁশপাতি বা বাঁশপাতা বাংলাদেশে মহাবিপন্ন এবং বৈশ্বিকভাবে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বৃক্ষ

বাঁশপাতি বা বাঁশপাতা গাছ হচ্ছে পডোকারপাসি পরিবারের একটি নগ্নবীজি উদ্ভিদ। বাংলাদেশের একমাত্র নরম কাঠের বৃক্ষ। এটি উষ্ণমণ্ডলীয় এবং উপউষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের হালকা জলজ বনে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬৫০ থেকে ১৬০০ মিটার উচ্চতায় জন্মায়। এটির সত্যিকারের কোনো ফুল-ফল হয় না, বীজ নগ্নভাবে থাকে। আরো পড়ুন

নাইচিচা উদাল বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন উদ্ভিদ

নাইচিচা উদাল-এর বিবরণ: নাইচিচা উদাল মাঝারি আকৃতির ডালপালায় বিস্তৃত পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১৫-২০ মিটার এবং গাছের বেড় ১ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং প্রায় ১০ মিটার পর্যন্ত গুঁড়ি কাণ্ড ডালপালা বিহীন। গুঁড়ি কান্ড একাধিক গভীর খাঁজ ও ভাঁজযুক্ত (fluted)। বাকল কালচে ধূসর বা ছাই বর্ণের, পুরু, মসৃণ ও আঁশযুক্ত। এই … Read more

ফাইশ্যা উদাল বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন উদ্ভিদ

ফাইশ্যা উদাল-এর বিবরণ: ফাইশ্যা উদাল ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১০-১৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কান্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং ডালপালাগুলো চক্রাকারে বিস্তৃত। কান্ড ও ডালপালাতে ঝরে পড়া পাতার হৃদপিন্ডার চিহ্ন দেখা যায়। বাকল ধূসর বর্ণের, পুরু, মসৃণ এবং আঁশযুক্ত। এই গাছের ডালপালার আগায় পাতাগুলো গুচ্ছাকারে সজ্জিত। পাতার বোটা ২৫-৪০ সেন্টিমিটার লম্বাটে … Read more

error: Content is protected !!