ভূমিকা: কোরুদ (বৈজ্ঞানিক নাম: Licuala peltata) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ পাম জাতীয় উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়।
কোরুদ-এর বিবরণ:
কোরুদ একটি চিরহরিৎ তাল গাছের মতো দেখতে। যা সাধারণত একক কান্ডযুক্ত। যদিও মাঝে মাঝে গোড়া থেকে একাধিক কান্ড গজাতে পারে। এর সরু গুঁড়ি আছে। যার উচ্চতা ১.৫ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, ব্যাসে ৫ থেকে ১০ সেন্টিমিটার, এবং শীর্ষে রয়েছে পাখার আকারের পাতার একটি মুকুট, যার বৃত্তদণ্ড ৪ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ এবং পাতার ফলক ১৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত চওড়া হতে পারে। এর খাড়া পুষ্পমঞ্জরী ৪ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।
বিস্তৃতি:
পূর্ব- এশিয়া- ভারত, আসাম, বাংলাদেশ, নিকোবর এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া।
কোরুদ-এর চাষবাদ:
আর্দ্র নিম্নভূমির রেইনফরেস্ট, কখনও কখনও শুষ্ক বনে, প্রায়শই চুনাপাথরের মাটিতে; ৫০০ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায়। আর্দ্র পর্ণমোচী বন, কখনও কখনও কিছু চুনাপাথরের পাহাড়ের নিম্ন ঢালে। আর্দ্র ছায়াযুক্ত অবস্থান পছন্দ করে কিন্তু একবার প্রতিষ্ঠিত হলে, শুষ্ক সময়কাল সহ্য করতে পারে।
ব্যবহার:
পাতাগুলি খড় কাটার জন্য ব্যবহৃত হয়। পাতাগুলি থেকে ছাতা তৈরি করা যায়। কাঠ বেশ নরম। বন্য অবস্থায় থেকে এই গাছের পাতা সংগ্রহ করা হয়, যা স্থানীয়ভাবে ছাউনি তৈরি, ছাতা, মশাল ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
তথ্যসূত্র:
১. “Licuala peltata”, Useful Tropical Plants, ইউআরএলঃ https://tropical.theferns.info/viewtropical.php?id=Licuala%20peltata
বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি tropical.theferns.info থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: Mokkie
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।