পাহাড়ি বাঁশবনের তিতির: লাজুক এই পাখির জীবনচক্র ও বিচিত্র বৈশিষ্ট্য

পাহাড়ি বাঁশবনের তিতির, ছেলেপাখি ও মেয়েপাখি

পাহাড়ি বাঁশ তিতিরের বৈজ্ঞানিক পরিচিতি পাহাড়ি বাঁশবনের তিতির (Bambusicola fytchii) ফাসিয়ানিডি (Phasianidae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি মনোমুগ্ধকর পাখি। প্রকৃতিতে এদের বিচরণ মূলত বাংলাদেশ, ভারত, তিব্বত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস এবং ভিয়েতনামের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে। এই পাখিটির দ্বিপদ নামকরণ করা হয়েছে ব্রিটিশ মেজর-জেনারেল আলবার্ট ফিচের সম্মানার্থে, যা এর পরিচয়ে এক ঐতিহাসিক মাত্রা যোগ করেছে। অপূর্ব রূপ ও লাজুক স্বভাব: … Read more

পাতি ফটিকজল: প্রকৃতি ও বনের সুরেলা এক রহস্য

পাতি ফটিকজল পাখি

পাতি ফটিকজল বা ফটিকজল (Common Iora) ভারতীয় উপমহাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চিরচেনা এক ছোট কিন্তু অত্যন্ত চটপটে প্যাসারিন পাখি। বৈজ্ঞানিকভাবে Aegithina tiphia নামে পরিচিত এই পাখিটির প্রধান আকর্ষণ এর উজ্জ্বল গায়ের রঙ এবং সুরেলা শিস। অঞ্চলভেদে এদের পালকের রঙে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়, যা বিভিন্ন উপপ্রজাতির পরিচয় দেয়। মূলত ঝোপঝাড় ও হালকা বনাঞ্চলে এদের বিচরণ বেশি। তবে প্রজনন … Read more

বাংলাদেশের পাখির তালিকা: ৭০০+ প্রজাতির বিস্তারিত নাম

বাংলাদেশের পাখির তালিকা, ছবি রাঙা মানিকজোড়

সুজলা-সুফলা আমাদের এই বাংলাদেশ বন্যপ্রাণ ও বৈচিত্র্যময় পাখির অভয়াশ্রম। ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে এখানে সারা বছরই দেশি ও পরিযায়ী অসংখ্য পাখির দেখা মেলে। গবেষকদের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে সাত শতাধিক প্রজাতির পাখি রয়েছে। আজকের এই ব্লগে আমরা বাংলাদেশের সেই সব বিচিত্র ও সুন্দর পাখির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তুলে ধরেছি। এই পূর্ণাঙ্গ তালিকায় বর্তমানে ৬৯৭টি প্রজাতির পাখির … Read more

বাংলাদেশে পাখির বৈচিত্র্য: ৭৯০ প্রজাতির সমাহার ও গবেষণার নেপথ্য কথা

পাখি রক্ষা করবার উদ্দেশ্যে একটি ছাপানো পোস্টার

সুজলা-সুফলা আমাদের এই বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে এখানে সারা বছরই দেশি ও পরিযায়ী অসংখ্য পাখির দেখা মেলে। প্রকৃতিপ্রেমী এবং গবেষকদের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৭৯০ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে—যা আয়তনে বিশাল কানাডার মতো দেশের পাখির প্রজাতির প্রায় সমান! এই নিবন্ধে আমরা বাংলাদেশের পাখির সেই বিশাল জগৎ, এদের … Read more

শ্বেতফুলি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: শ্বেতফুলি ( বৈজ্ঞানিক নাম: Lepidagathis incurva) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। শ্বেতফুলি-এর বর্ণনা: প্রায় মসৃণ কাণ্ড বিশিষ্ট অর্ধখাড়া বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ১-২ সেমি লম্বা, পত্রফলক ৭-৮ × ২.০-৩.৫ সেমি, বল্লমাকার-দীর্ঘায়ত থেকে ব্যাপকভাবে বল্লমাকার-ডিম্বাকৃতি, অখন্ড, সূক্ষ্মাগ্র, সূক্ষ্মভাবে রোমশ। স্পাইক খুব ঘন, কাক্ষিক এবং প্রান্তীয়, নরম রোমশযুক্ত, ১-পার্শ্বীয়, ১.৫-৪.০ সেমি … Read more

পানি কেশুরী বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: পানি কেশুরী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Macropanax oreophilum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের বনাঞ্চলে জন্মে। পানি কেশুরী-এর বর্ণনা: ছোট বা মধ্যম-আকৃতির চিরহরিৎ বৃক্ষ, অনূর্ধ্ব ১০ মিটার লম্বা, বাকল ধূসর, আঁচিলযুক্ত ও কিছুটা খসখসে। পত্র আঙ্গুলাকৃতিতে ৩-৫ ফলকপত্র, পত্রবৃন্ত ১০-১৫ সেমি লম্বা, পত্রক আয়তাকার বা উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, ১০-১৫ × ৩-৪ সেমি, নিম্নাংশ গোলাকার থেকে সূক্ষ্মাগ্র, … Read more

চমসা পাথরকুচি এশিয়ায় জন্মানো বাহারী বিরুৎ

ভূমিকা: চমসা পাথরকুচি ( বৈজ্ঞানিক নাম: Kalanchoe heterophylla) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ ও বাহারি প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়। চমসা পাথরকুচি-এর বর্ণনা: রসালো, ঋজু, দৃঢ়, বীরুৎ, প্রায় ৬০ সেমি লম্বা। পত্র সরল, প্রতিমুখ-তির্যক, অনুপপত্রী, রসালো, রোমশ বিহীন, চমসাকার থেকে দীর্ঘায়ত, গোলদন্তর, শীর্ষ গোলাকার। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকুলেট সাইম। পুষ্প ঋজু, সবৃন্তক, উভয়লিঙ্গ, বহুপ্রতিসম, চতুরাংশক। বৃতাংশ … Read more

এশীয় হাতি এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও বিশাল আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী

এশীয় হাতি

এশীয় হাতির বিবরণ বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকায় হাতি সবচেয়ে বড় ও বিশাল আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী। এশীয় হাতি প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি, যার বিশাল দেহ এবং বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গঠন একে অনন্য করে তুলেছে। এদের বিশালাকার মাথাটি দুটি গম্বুজের মতো আকৃতিবিশিষ্ট এবং ঘাড় বেশ খাটো। গাঢ় ধূসর রঙের এই প্রাণীর সারা দেহ ঢিলেঢালা চামড়া ও বিক্ষিপ্ত লোমে আবৃত। … Read more

সজনে চাষ পদ্ধতি ও উপকারিতা: পুষ্টিগুণে ভরপুর এক জাদুকরী বৃক্ষ

শাক

ভূমিকা: সজনে (বৈজ্ঞানিক নাম: Moringa oleifera) বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর একটি উদ্ভিদ, যা আমাদের দেশে ‘সজনা’ বা ‘সাজিনা’ নামেও পরিচিত। এটি মূলত মোরাসি পরিবারের অন্তর্গত একটি বৃক্ষ। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিটি প্রান্তেই এই গাছটি দেখা যায়। এর কচি পাতা শাক হিসেবে এবং লম্বাটে ফল সবজি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সজনে গাছের গঠন বেশ নরম এবং এর বাকল … Read more

ঘেট কচু এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ সবজি

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা। ঘেট কচু-এর বিবরণ ঘেঁটকচু দেখতে অনেকটা সাধারণ কচু … Read more

error: Content is protected !!