চমসা পাথরকুচি এশিয়ায় জন্মানো বাহারী বিরুৎ

ভূমিকা: চমসা পাথরকুচি ( বৈজ্ঞানিক নাম: Kalanchoe heterophylla) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ ও বাহারি প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়। চমসা পাথরকুচি-এর বর্ণনা: রসালো, ঋজু, দৃঢ়, বীরুৎ, প্রায় ৬০ সেমি লম্বা। পত্র সরল, প্রতিমুখ-তির্যক, অনুপপত্রী, রসালো, রোমশ বিহীন, চমসাকার থেকে দীর্ঘায়ত, গোলদন্তর, শীর্ষ গোলাকার। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকুলেট সাইম। পুষ্প ঋজু, সবৃন্তক, উভয়লিঙ্গ, বহুপ্রতিসম, চতুরাংশক। বৃতাংশ … Read more

এশীয় হাতি এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও বিশাল আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী

এশীয় হাতি

এশীয় হাতির বিবরণ বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকায় হাতি সবচেয়ে বড় ও বিশাল আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী। এশীয় হাতি প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি, যার বিশাল দেহ এবং বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গঠন একে অনন্য করে তুলেছে। এদের বিশালাকার মাথাটি দুটি গম্বুজের মতো আকৃতিবিশিষ্ট এবং ঘাড় বেশ খাটো। গাঢ় ধূসর রঙের এই প্রাণীর সারা দেহ ঢিলেঢালা চামড়া ও বিক্ষিপ্ত লোমে আবৃত। … Read more

সজনে চাষ পদ্ধতি ও উপকারিতা: পুষ্টিগুণে ভরপুর এক জাদুকরী বৃক্ষ

শাক

ভূমিকা: সজনে (বৈজ্ঞানিক নাম: Moringa oleifera) বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর একটি উদ্ভিদ, যা আমাদের দেশে ‘সজনা’ বা ‘সাজিনা’ নামেও পরিচিত। এটি মূলত মোরাসি পরিবারের অন্তর্গত একটি বৃক্ষ। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিটি প্রান্তেই এই গাছটি দেখা যায়। এর কচি পাতা শাক হিসেবে এবং লম্বাটে ফল সবজি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সজনে গাছের গঠন বেশ নরম এবং এর বাকল … Read more

ঘেট কচু এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ সবজি

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা। ঘেট কচু-এর বিবরণ ঘেঁটকচু দেখতে অনেকটা সাধারণ কচু … Read more

আকন্দ গাছ-এর ১৩টি ঔষধি গুণাগুণ এবং উপকারিতা

বাংলাদেশ ও ভারতে প্রধানত ছোট পাতা আকন্দ ও বড় আকন্দ প্রজাতি দুটি যথেষ্ট পাওয়া যায়। মাঝারি আকন্দটি কিছুটা কম পাওয়া যায়। বড় আকন্দের দুটি উপপ্রজাতি আছে, সেগুলো হচ্ছে শ্বেত আকন্দ ও রক্ত আকন্দ। আকন্দ গাছ-এর ব্যবহার ১. হাঁপানি রোগে: ১৪ টি আকন্দ গাছের ফুলের, সাদা হলে ভাল হয়, মাঝখানের চৌকো মন্ডিত অংশটি নিতে হবে, তার … Read more

বাংলাদেশের ব্যাঙ ও এর বিপন্নতার কারণ ও প্রতিকার

ব্যাঙ

আদি পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম যে সকল মেরুদণ্ডী প্রাণী সগৌরবে ডাঙায় বিচরণ শুরু করেছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ‘অ্যাম্ফিবিয়ান’ বা উভচর প্রাণী। ব্যাঙ এই উভচর শ্রেণির এক অনন্য প্রতিনিধি, যাদের জীবনচক্র জল ও স্থল—উভয় মাধ্যমেই আবর্তিত হয়। এরা সাধারণত বংশবিস্তারের জন্য পানিতে ডিম পাড়ে। জীবনচক্রের শুরুতে ব্যাঙাচি অবস্থায় এরা ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নিলেও পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় ফুসফুসের … Read more

বড় এলাচ-এর ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

কালো রঙের খোসাযুক্ত বড় এলাচ (Black cardamom) সকলেই চেনেন। দামি গরম মশলা অথাৎ লবঙ্গ, ছোট এলাচ, দারচিনির মধ্যে বড় এলাচই বোধ হয় এখনও অপেক্ষাকৃত সস্তা । শুধু যে খাবারে সুগন্ধ আনে তা নয় ওষুধ হিসেবেও আছে বড় এলাচের অনেক গুণ। এ আয়ুর্বেদ মতে রস, কটুর্বিপাক, খিদে বাড়িয়ে দেয়, পাকস্থলী ও দাঁতের মাড়ি সবল করে, ক্রম … Read more

বাংলাদেশের বনাঞ্চল বা বনভূমি ঘন বৃক্ষলতাদি দ্বারা আচ্ছাদিত অঞ্চল

বাংলাদেশের বনাঞ্চল

বাংলাদেশের বনাঞ্চল বা বনভূমি (ইংরেজি: Forests of Bangladesh) বলতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘন বৃক্ষলতাদি দ্বারা আচ্ছাদিত অঞ্চলকে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে অতি ঘনভাবে বৃক্ষ ও লতা জন্মে বনভূমির সৃষ্টি হয়। এ বনভূমিই আদিম মানুষের প্রধান, প্রথম আশ্রয় এবং খাদ্য ভান্ডার ছিল। তাই অতীত কাল থেকেই বনভূমির গুরুত্ব অপরিসীম। বনভূমির বৃক্ষলতা, গুল্ম, প্রাণী, ফলমূল সবকিছুকেই বনজ … Read more

তিলের তেল-এর দশটি উপকারিতা

তিলের মতাে তেলও (বৈজ্ঞানিক নাম: Sesamum indicum) উপকারী। তিলের তেল ভারী, বলপ্রদ, মল নিষ্কাষণ করে, মৈথুন শক্তি বৃদ্ধি করে, স্বচ্ছ, রস তথা পাকে মধুর, সূক্ষ্ম, কটু, বায়ু ও কফ দূর করে, উষ্ণবীর্য, স্পর্শে শীতল, পুষ্টিদায়ক, শরীরের দোষ দূর করে, মল ও মূত্র নিয়ন্ত্রণ করে, গর্ভাশয় পরিস্কার করে, খিদে বাড়ায়, বুদ্ধি বৃদ্ধি করে, পবিত্রভাব পুরাে শরীরে … Read more

সাতিপাতা উষ্ণাঞ্চলের ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: সাতিপাতা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Molineria recurvata) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। সাতিপাতা-এর বর্ণনা: দৃঢ় বীরুৎ, মূলাকার কান্ড কন্দাল। পত্র অত্যন্ত পরিবর্তশীল, ৩০-৯০ × ৭-১৫ সেমি, বল্লমাকার কুঞ্চিত, রোমশবিহীন বা অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রোমশ ও শিরাল, বক্র, বৃন্ত খাঁজ যুক্ত, ৩০-৯০ সেমি লম্বা, নিম্নাংশ রোমশ, উপরের অংশ রোমশ বিহীন। ভৌমপুষ্পদন্ড … Read more

error: Content is protected !!