খয়ের গাছের ঔষধি গুণাগুণ ও উপকারিতা: পানের লাল আভা থেকে মহৌষধ

খয়ের গাছের পাতা ও ফুল

সব ধরনের মাটিতেই জন্মে কিন্তু পলিমাটিতে ভাল জন্মে, পরিত্যক্ত জায়গা, রাস্তার ধার, ক্ষেতের আইল, এমনকি রেল পথের পাশে, শুষ্ক পাহাড়ী ঢালেও ভাল জন্মে, বালুময় নদীর পাড়ে Dalbergia siss০০-র সাথে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ মার্চ-ডিসেম্বর।আরো পড়ুন

চাকুয়া কড়ই গাছের পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর নানাবিধ ব্যবহার

চাকুয়া-কড়ইয়ের পাতা ও ফুল

দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বাংলাদেশে প্রজাতিটি চা-বাগানিদের কর্তৃক ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ হিসেবে প্রবর্তিত হয়েছে। বনাঞ্চলে ইহা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে অনেক জেলাতেই লাগানো হয়, বিশেষ করে। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁতে।আরো পড়ুন

শিল কড়ই বা মটর কড়ই গাছের পরিচিতি: বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ ও এর বহুমুখী গুরুত্ব

শিল কড়ই অর্ধচিরহরিৎ বৃক্ষ, ৮-১৮ মিটার উঁচু, ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল প্রায় মসৃণ, ধূসরাভ থেকে গাঢ় বাদামী, আনুভূমিকভাবে কুঞ্চিত এবং কর্ক সদৃশ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুসকুড়ি দ্বারা আবৃত। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী রেশমী ও বাদামী রোমে আবৃত।আরো পড়ুন

সাদা কড়ই বা লোহা শিরিষ গাছের বৈশিষ্ট্য ও বহুমুখী ব্যবহার: একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

আদি নিবাস ভারতের কেন্দ্রীয় অঞ্চল, মায়ানমার, ভূটান, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, নিউগিনি, ইন্দো-চীন, চীন (দক্ষিণাংশ), ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ ও মালয় পেনিনসুলা ব্যতিত সমগ্র গ্রীষ্ম প্রধান এশিয়ায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের সোনাঝুরি বা আকাশমণি গাছ কেন ক্ষতিকর? জানুন এর আসল রহস্য ও সরকারি নিষেধাজ্ঞা!

আকাশমণি বা সোনাঝুরি গাছের কাস্তে আকৃতির সবুজ পর্ণবৃন্ত পাতা এবং সোনালী-হলুদ রঙের ঝুলন্ত ফুল বা পুষ্পমঞ্জরি।

আকাশমনি বা একাশিয়া হচ্ছে বাংলাদেশে ক্ষতিকর আগ্রাসি প্রজাতির উদ্ভিদ। Acacia auriculiformis-কে আমরা আকাশমনি নামেই বেশি চিনি। এটি হচ্ছে Fabaceae পরিবারের একটি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ। এটি অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনির স্থানীয় প্রজাতি। এটি ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। আকাশমনির প্রতি কেজিতে ৪৭,০০০ বীজ থাকে। আরো পড়ুন

রাজকুমারী গাছ পাউলোনিয়া (Paulownia) কী? বাংলাদেশে এটি চাষের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিক ও মরুকরণের ঝুঁকি!

বাগানে লাগানো নবীন পাউলোনিয়া চারাগাছ

পাউলোনিয়া বা রাজকুমারী গাছ বা সম্রাজ্ঞী গাছ বা শেয়ালদস্তানা গাছ (বৈজ্ঞানিক নাম: Paulownia tomentosa) হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশীল কাঠ উৎপাদনকারী একটি আগ্রাসী গাছ। এটি একটি পর্ণমোচি গাছ, মধ্য এবং পশ্চিম চিনের দেশজ উদ্ভিদ কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানে আগ্রাসি প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। এটি ১০-২৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, হৃদয়-আকারের বড় পাঁচ-লতিযুক্ত পাতা, আরো পড়ুন

দেশি গাব দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভেষজ ফলদ সপুষ্পক বৃক্ষ

দেশি গাব গাছের পাতা ও ফলের ছবি

দেশি গাব (বৈজ্ঞানিক নাম: Diospyros malabarica) গ্রাম-বাংলার এক ঐতিহ্যবাহী এবং অতি পরিচিত চিরসবুজ ফলদ বৃক্ষ। এবিনাসি (Ebenaceae) পরিবারের ডিয়োসপিরোস (Diospyros) গণের অন্তর্ভুক্ত এই সপুষ্পক উদ্ভিদটি মূলত একটি ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির চিরহরিৎ গাছ। প্রাকৃতিকভাবে এটি আমাদের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি স্থানীয় (Native) প্রজাতি। এর ভেষজ গুণাবলী, আঠালো ফলের বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং স্নিগ্ধ ছায়ার কারণে … Read more

শিমুল গাছ চাষের নিয়ম, অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও শিমুল মূলের ভেষজ গুণাবলী

শিমুল বা লাল শিমুল (ইংরেজি: Silk-cotton Tree) বাংলার ঋতুরাজ বসন্তের এক অপরূপ ও অনিন্দ্যসুন্দর প্রতীক। মালভেসি (Malvaceae) তথা পূর্বতন বোম্বাসি (Bombacaceae) পরিবারের বোম্বাক্স (Bombax) গণের এই উদ্ভিদটি মূলত একটি বৃহৎ আকৃতির পাতাঝরা সপুষ্পক গাছ। বসন্তের আগমনে এই গাছের সমস্ত পাতা ঝরে গিয়ে যখন গাঢ় লাল রঙের ফুলের মেলা বসে, তখন প্রকৃতির সৌন্দর্য বহুগুণ বেড়ে যায়। … Read more

তেন্দু বা বিড়িপাতা গাছের বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা ও আদিবাসী ব্যবহার

তেন্দু বা বিড়িপাতা গাছের সবুজ পাতা (Diospyros melanoxylon)

তেন্দু বা বিড়িপাতা বা টেন্ডু (বৈজ্ঞানিক নাম: Diospyros melanoxylon) এবিনাসি পরিবারের ডিয়োসপিরোস গণের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি মাঝারি আকৃতির পত্রঝরা বৃক্ষ। এদের বাকল ধূসর কালো, ছোট শাখা ও মঞ্জরী কোমল ধূসর বাদামী রোমাবৃত। পত্র প্রতিমুখ, উপবৃত্তাকার বা আরো পড়ুন

পাহাড়ি শিমুল: বিরল এই বৃক্ষের বিস্ময়কর উপকারিতা ও পরিচিতি

বন শিমুল, পাহাড়ী শিমুল, শিমেন গাছ (ইংরেজি: Showy Silk Cotton Tree, Silk Cotton Tree) বোম্বাসি পরিবারের বোম্বাক্স গণের বড় আকারের পাতাঝরা সপুষ্পক উদ্ভিদ। পাহাড়ি শিমুল বৃহৎ বৃক্ষ, প্রায় ৩০ মিটার উঁচু, ছাল সাদাটে, কখনও শক্ত গাত্র কন্টক যুক্ত, কখনও কন্টক অনুপস্থিত। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!