তরমুজ ও বীজের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

ফলের রস মধুর, শীতগুণসম্পন্ন, শক্তিদায়ক, মেদোকারক, কামোদ্দীপক, পিত্ত বৃদ্ধিকারক ও গুরুপাক। ঔষধার্থ প্রয়োগ হয় আয়ুর্বেদমতে পাতা তিক্তরস ও রক্তবর্ধক। কাঁচা ফল পাড়ুরোগে হিতকর। পাকা অবস্থায় এর রস স্বাদ, কফ-বাত প্রশমক, শেষ্মানিঃসারক, মূত্রকারক, ক্ষুধাবর্ধক, তৃষ্ণানিবারক ও রক্তের পক্ষে হিতকর।আরো পড়ুন

কামরাঙা গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

কামরাঙা

কামরাঙা গাছ-এর ফল, পাতা ও মল। কাঁচা ফল স্বাদে অশ্ল, দেহের তাপ বর্ধক ও বক্ষের পীড়াদায়ক। পাকা ফল স্বাদে মধুরাম্লরস, বলকারক ও পিত্তবর্ধক। ঔষধাথ প্রয়োগ কম্বোডিয়ায় এই গাছের পাতা বেদনানাশক ঔষধ হিসেবে ও খোসপাচড়া সারানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

কাঁঠাল-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও এর বিবিধ ব্যবহার

কাঁঠাল শুধু ফল হিসাবে নয়, সুপ্রাচীন আয়ুর্বেদের সেই স্বর্ণময় যুগে এর ওষুধি গুণাগুণ সে সময়ের প্রেক্ষিতে মূল্যায়িত হয়েছিল। সেই সুপ্রাচীন কালের পর্যবেক্ষণ-বিশ্লেষণ আজও আমরা সঠিক বলেই দেখে থাকি। প্রায় সবক্ষেত্রেই কাঁঠালের ফলের মধ্যে ওষুধি গুণাগুণ খোঁজা হয়েছে।আরো পড়ুন

চালতা গাছ ও ফলের পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

চালতা বা চাইলতা বা চালিতা বা চাইলতে (বৈজ্ঞানিক নাম: Dillenia indica) আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত ফলজ ও ঔষধি ফল। বাংলাদেশ ভারতে চালতা দিয়ে আচার ও চাটনি প্রস্তুত করা হয়। এটি বাণিজ্যিক ফল হিসেবে বাজারে প্রচুর বিক্রি হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

কাঁকুড় বা কাঁকড়ি খাওয়ার উপকারিতা ও ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

কাঁকুড়

কাঁকুড় বা কাকুর বা কাঁকড়ি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo var. flexuosus) হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামুস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। এটির ফল ভক্ষণযোগ্য। এদের বেশ কয়েকটি ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। আরও পড়ুন

কদবেল গ্রীষ্মকালীন অঞ্চলের সুস্বাদু ও জনপ্রিয় ফল

ভূমিকা: কদবেল বা কৎ বেল বা কয়েথবেল (বৈজ্ঞানিক নাম: Limonia acidissima ইংরেজি: Wood Apple, Elephant Apple, Curd Fruit, Monkey Fruit) হচ্ছে রুটেসি পরিবারের লিমোনিয়া গণের বৃক্ষ। ফল হিসেবে অনেকের কাছে প্রিয়। আরো পড়ুন

আনারস উষ্ণ মন্ডলীয় অঞ্চলের জনপ্রিয় রসালো ফল

আনারস (বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus, ইংরেজি নাম: পাইন এ্যাপল)হচ্ছে সপুষ্পক বিরুৎ। এটি মূলত বিরুৎ বিশিষ্ট্য। এই গণের প্রজাতিটির ফল রসালো।  আরো পড়ুন

তেঁতুল টকজাতীয় জনপ্রিয় ফল

এদের বীজ চাপা, বিভিন্ন আকার বিশিষ্ট, বিডিম্বাকারবর্তুলাকার, ১ সেমি লম্বা, লালচে বাদামী থেকে কালচে বাদামী, বহিস্তৃক দৃঢ়, চকচকে। ফুল ও ফল ধারণ ঘটে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর মাসে। আরো পড়ুন

আতা নোনা বা আতা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের ফলদ গাছ

আতা বা নোনা আতা ফল ও পাতা

বর্ণনা: নোনা আতা ছোট বৃক্ষ আকৃতির গাছ। এদের কাণ্ড মসৃণ, কচি শাখাসমূহ রোমশ, উচ্চতায় ১.২ থেকে ১.৫ সেমি লম্বা। পত্রবৃন্ত সহ পত্র, পত্রফলক দৈর্ঘ্য ১৩.৫-১৭.০ ও প্রস্থ ২.৫-৪.৫ সেমি লম্বা, বল্লমাকার থেকে বিবল্লমাকার, তলীয় অংশ গোলাকার থেকে কীলকাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মাগ্র থেকে দীর্ঘাগ, উপরিভাগ মসৃণ, তলীয় পৃষ্ঠ অল্প পরিমানে বিক্ষিপ্ত রোমশযুক্ত, কচি পাতার উভয় পৃষ্ঠ রোমশ। আরো পড়ুন

চালতা এশিয়ায় জন্মানো টক জাতীয় জনপ্রিয় ফল

চালতা বা চাইলতা বা চালিতা বা চাইলতে (বৈজ্ঞানিক নাম: Dillenia indica) হচ্ছে ডাইলেনিয়াসি পরিবারের ডাইলেনিয়া গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি ফল গাছ হিসাবে লাগানো হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!