আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > শিল্প > সঙ্গীত > ছিল চাঁদ মেঘের ওপারে, বিরহীর ব্যথা লয়ে বাঁশরীর সুর হয়ে, কে গো আজ ডাকিল তারে

ছিল চাঁদ মেঘের ওপারে, বিরহীর ব্যথা লয়ে বাঁশরীর সুর হয়ে, কে গো আজ ডাকিল তারে

ছিল চাঁদ মেঘের ওপারে
বিরহীর ব্যথা লয়ে বাঁশরীর সুর হয়ে
কে গো আজ ডাকিল তারে।। ছিল চাঁদ…
ধরণীর ধুলি থেকে চামেলি এসে কহে ডেকে,
এসো প্রিয় আমারই দ্বারে।। ছিল চাঁদ… …
চাঁদ কহে, সুদূরে আমি, মোর প্রেম জোছনা সে
কেঁদে মরে তব পাশে।
‘ওগো ফুল কেমনে নামি’ চাঁদ কহে ‘সুদূরে আমি’
চামেলি কহিল ‘তবে আমি যাই দূর নভে’
ঝরিল সে ঝরিল পথের ধারে।। ছিল চাঁদ… …

টিকা: গানটির সুর করেন হিমাংশু দত্ত এবং শিল্পী ছিলেন অনুপ ঘোষাল

আরো পড়ুন:  এই ঝির ঝির ঝির বাতাসে এই গান ভেসে ভেসে আসে, সেই সুরে সুরে মন
অজয় ভট্টাচার্য
একজন বিখ্যাত বাঙালি আধুনিক রোমান্টিক গানের গীতিকার ও কবি অজয় ভট্টাচার্য (জুলাই, ১৯০৬ - ২৪শে ডিসেম্বর, ১৯৪৩)  বাঙালি মধ্যবিত্তের প্রেম, আশা আর মনোবেদনার কানাগলিতে বিশ শতকের প্রথমার্ধে বিচরণ করেছেন। হিমাংশু দত্ত সুরসাগরের সুরে তাঁর লেখা গান চল্লিশ দশকের কলকাতার সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে বিপুল সাড়া জাগায়। বাংলা সবাক চলচ্চিত্রের শুরু থেকেই তাঁর লেখা গান রাইচাঁদ বড়াল, পঙ্কজ মল্লিক, শচীন দেববর্মণ ও অনুপম ঘটকের সুরে সারা দেশে বারে বারে উচ্চকিত হয়ে ওঠে। বাংলা গানে, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরে অজয় ভট্টাচার্য্য সব থেকে বেশি গানের কলি লিখেছেন।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page