জলধুনিয়া গুল্মের নানাবিধ গুণাগুণের বর্ণনা

এটি একটি বিষাক্ত উদ্ভিদ। টাটকা গাছ ও গাছের রস অতিশয় বিষাক্ত। রস খেলে বিষময় ফল ঘটে, শরীরের কোন স্থানে লাগলে সেই স্থান লাল বর্ণ হয় এবং ফোস্কা পড়ে। গাছটি শুকিয়ে নিলে বা সিদ্ধ করলে বিষাক্ততা নষ্ট হয়।

আতঁমড়া গুল্ম-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগের নিয়ম

আতঁমড়া -এর বোটানিক্যাল নাম Helicteres isora, পূর্বে এটির নাম ছিল Helicteres chrysocalyx. Mig. এবং Helicteres Roxbhurghii, G. Don., পরিবার Sterculiaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ :— গাছের ও মূলের ছাল, ফল ও পাতা। পেটে ব্যাথা, অরুচি, সর্দি-কফ, খোস-পাঁচড়া ইত্যাদি সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

আতঁমড়া এশিয়া জন্মানো ভেষজ ঝোপালো প্রজাতি

মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতে ওই গাছটি কোথাও কোথাও বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জন্মে। এছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে সারা ভারতবর্ষে, বিশেষতঃ শুষ্ক বনাঞ্চল সমূহে, শাল জঙ্গলে, হিমালয়ের পাদদেশে এটি পাওয়া যায়। সারা পৃথিবীতে এই গণের ৪৫টি প্রজাতি পাওয়া যায়, তন্মধ্যে ১০টি ভারতে পাওয়া গেলেও আলোচ্য প্রজাতিটি (Helicteres isora) বেশি পরিচিত এবং ঔষধার্থে ব্যবহার্য । আরো পড়ুন

কাংঘূ মান দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি

কাংঘূ মান (মনিপুরী), বন সিলাম (নেপালী) (বৈজ্ঞানিক নাম: Elsholtzia blanda) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। পাতা এ্যাসেনসিয়াল তৈলের উৎস যা ক্ষত এবং কলেরার ন্যায় উদরাময়ের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় (Nayar et al., 1989)।আরো পড়ুন

চন্দ্রকেতু দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

চন্দ্রকেতু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dracaena spicata) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মে। আন্দামান দীপপুঞ্জ (ভারত), মায়ানমার, মালয়েশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন

পাহাড়ি চন্দ্রকেতু বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো গুল্ম

চন্দ্রকেতু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dracaena terniflora) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মে। ভারত (খাসিয়া পাহাড়), থাইল্যান্ড, মায়ানমার, মালয়েশিয়া। বাংলাদেশে সিলেট ও চট্টগ্রাম জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন

উধুঝাটি বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

উধুঝাটি (বৈজ্ঞানিক নাম: Ecbolium ligustrinum) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এশিয়া, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। ভারত, আফ্রিকা, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, আরব এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে এই প্রজাতি সবত্র পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ উদ্ভিদ

সাদা শালপানি

সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী (বৈজ্ঞানিক নাম: Desmodium laxiflorum) এক প্রকারের সপুষ্পক ভেষজ গুল্ম। এদেরকে শোভা বর্ধনের জন্য লাগানো হয়।আরো পড়ুন

বেগুনি শালপানি বা শালপর্ণী এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ছোট গুল্ম, ৬০-১২০ সেমি উঁচু। কাণ্ড কাষ্ঠল, সামান্য কোণাকার, উপরের দিক খর্বকার ধূসর লোম দ্বারা আবৃত। পত্র ১-ফলক, পত্রক আয়তাকার, সাধারণত ৩-৬টি, গোড়া গোলাকার, একটি সূক্ষ্মাগ্র বিন্দুতে ক্রমে চিকন, নিচের পৃষ্ঠ ধূসর রোম দ্বারা হালকাভাবে আবৃত, পত্রবৃন্ত ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন

কালিলতা বা পান লতা পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ লতা

পাহাড়ী বন, ম্যানগ্রোভ বন এবং কর্দমাক্ত সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল মার্চ-জুন। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, উত্তর অস্ট্রেলিয়া এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে ইহা সুন্দরবন এবং চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!