আকন্দ গাছ-এর ১৩টি ঔষধি গুণাগুণ এবং উপকারিতা

বাংলাদেশ ও ভারতে প্রধানত ছোট পাতা আকন্দ ও বড় আকন্দ প্রজাতি দুটি যথেষ্ট পাওয়া যায়। মাঝারি আকন্দটি কিছুটা কম পাওয়া যায়। বড় আকন্দের দুটি উপপ্রজাতি আছে, সেগুলো হচ্ছে শ্বেত আকন্দ ও রক্ত আকন্দ। আকন্দ গাছ-এর ব্যবহার ১. হাঁপানি রোগে: ১৪ টি আকন্দ গাছের ফুলের, সাদা হলে ভাল হয়, মাঝখানের চৌকো মন্ডিত অংশটি নিতে হবে, তার … Read more

যূথিকাপর্ণী গুল্মের ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

যূথিকাপর্ণী উদ্ভিদটি (rhinacanthus nasutus) ঐতিহ্যবাহী ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি ত্বকের বিভিন্ন অবস্থার উপর এর উপকারী প্রভাবের জন্য বিশেষভাবে মূল্যবান। যূথিকাপর্ণী-এর গুণপনা এই ভেষজ প্রজাতিটি পাতা, মূল, বীজ প্রভৃতিকে নানা জায়গার লোকে যেসব রোগে ব্যবহার করে থাকেন। অনেকের মতে অব্যবহার্য একটি গাছ। ইউনানী মতে এটি উষ্ণ ও অম্লরসযুক্ত। পাতার রস দেহের বিকৃত কালো দাগ … Read more

কুড় এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: কুড় (বৈজ্ঞানিক নাম: Dolomiaea costus) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। কুড়-এর বিবরণ: কুড় একটি লম্বা বহুবর্ষজীবী ভেষজ প্রজাতি। যা ঔষধি উদ্ভিদ হিসেবে সুপরিচিত। এদের কান্ড ২ মিটার বা তার বেশি লম্বা। নীচের পাতাগুলি লম্বা, পিনযুক্ত, ৩০-৪০ সেমি লম্বা, ত্রিকোণাকার প্রান্তিক পাতা সহ, ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা। উপরের পাতাগুলি … Read more

পিছন্দি গুল্ম-এর ভেষজ গুণাগুণ

পিছন্দি গুল্ম-টি (Microcos paniculata) পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মে। এর ফল যেমন খাওয়া যায় তেমনি পাতা, মূলসহ পুরো গাছ নানা ধরনের রোগ সারানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। পিছন্দি গুল্ম-এর গুণাগুণ:   ১. পিছন্দি বদহজম, একজিমা, চুলকানি, টাইফয়েড জ্বর, আমাশয় এবং মুখের সিফিলিসের ক্ষত নিরাময়ে জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. কাশি নিরাময়ে এর মূলের একটি ক্বাথ ব্যবহার করা হয়। … Read more

পিছন্দি পূর্ব এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: পিছন্দি (বৈজ্ঞানিক নাম: Microcos paniculata) হচ্ছে এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। পিছন্দি-এর বিবরণ: পিছন্দি একটি বৃহৎ গুল্ম বা মাঝারি আকারের গাছ। এদের কচি কান্ড লোমশ হয়। পাতা ৩-কোস্টেট, উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার বা ডিম্বাকার- ভল্লাকার, ৮.৫-১৩.৫ সেমি লম্বা, ৪-৫.৫ সেমি চওড়া, শিরা এবং শিরার নীচের অংশে লোমশ ব্যতীত লোমশ বৃন্ত ০.৮-১.২ সেমি লম্বা, … Read more

জিট্টি পাহাড়ে জন্মানো উপকারী গুল্ম

ভূমিকা: জিট্টি (বৈজ্ঞানিক নাম: Marsdenia tenacissima) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। জিট্টি-এর বর্ণনা : এটি প্যাঁচানো গুল্ম, কাণ্ড ও শাখা ঈষৎ স্থুলাকার ও নিবিড়ভাবে ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। পাতা সবৃন্তক, স্পষ্টতঃ ডিম্বাকার, দীর্ঘাগ্র, নিম্নাংশ গোলাকার খন্ড বিশিষ্ট হৃৎপিন্ডাকার, পত্রফলক ৪-৫ টি পার্শ্ব বিশিষ্ট, ১০.০-১২.৫ × ৪.০-১০.৫ সেমি, উপরের পৃষ্ঠ রোমশ, … Read more

নোয়া মরিচা পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো গুল্ম

ভূমিকা: নোয়া মরিচা (বৈজ্ঞানিক নাম: Maesa ramentacea) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। নোয়া মরিচা-এর বর্ণনা : এটি গুল্ম আকৃতির। প্রায় ৯০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের শাখা-প্রশাখাগুলো ঝুলন্ত এবং গুটিকাযুক্ত, বাকল গাঢ় বাদামী, আঁচিলবিশিষ্ট। পাতা ৭.৫-২০.০ × ২.৫-৬.০ সেমি, ডিম্বাকার-ভল্লাকার থেকে উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার, অখন্ড বা নিচের দিকে বাঁকা, দীর্ঘাগ্র বা তীক্ষ্ণ, … Read more

দেশি সির্খী দক্ষিণ এশিয়ার গুল্ম

ভূমিকা: দেশি সির্খী (বৈজ্ঞানিক নাম: Maesa indica) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। দেশি সির্খী-এর বর্ণনা: এটি গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, বাকল গাঢ় ধূসর, রেজ (blaze) সবুজাভ। গাছের পাতা ৬-১৮ × ২.৫-৭.৫ সেমি, উপবৃত্তাকার- ভল্লাকার বা উপবৃত্তাকার-দীর্ঘায়ত, স্থুল দন্তর, অর্ধচর্মবৎ, মসৃণ, পার্শ্বশিরা অস্পষ্ট, মধ্যশিরার উভয়পাশে ৭-১৫টি, পত্রবৃন্ত ১.২-২.৫ সেমি লম্বা, খাঁজবিশিষ্ট। … Read more

ছোট বান্দা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: ছোট বান্দা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macrosolen cochinchinensis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়।   ছোট বান্দা-এর বর্ণনা : অধিক শাখাযুক্ত পরজীবীয় গুল্ম, সম্পূর্ণ মসৃণ, পর্ব স্ফীত, উদ্ভিদের গোড়া পোষকের সংযোগস্থলে স্ফীত, অস্থানিক মূল পোষক বরাবর অবিরাম। পত্র ৪-১২ × ১.২- ৫.০ সেমি, উপবৃত্তাকার, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার বা ডিম্বাকার, কচি পত্র বল্লমাকার, প্রশস্তভাবে … Read more

ঢেঁড়সের পুষ্টিমান-এর বিবরণ

ঢেঁড়সের পুষ্টিমান: ঢেঁড়সের প্রতি ১০০ গ্রামে আহারোপযোগী  ভিটামিন-এ ১৬৭০ মাইক্রোগ্রাম এবং ক্যালসিয়াম আছে ১১৬ মিলিগ্রাম। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে আমিষ ১.৮ গ্রাম, শর্করা ৮.৭ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, লৌহ ১.৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি ০.২০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-সি ১০ মিলিগ্রাম এবং খাদ্যশক্তি ও রয়েছে ৪৩ কিলোক্যালরি। মানবদেহে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে যতই শক্তিদায়ক খাবার খাওয়া হোক … Read more

error: Content is protected !!