ভারতীয় শিয়াল বুকা: জলাশয় ও পাহাড়ি অরণ্যের এক অনন্য বন্য বৃক্ষ

ভারতীয় শিয়াল বুকার ফল

এই প্রজাতি বৃহৎ গুল্ম বা ছোট আকারের বৃক্ষ হয়। এর উচ্চতা প্রায় ১০ মিটার পর্যন্ত হয়। পাতা দীর্ঘায়ত বা বিডিম্বাকার, ৭-১৫ x ২.৫-৫.৫ সেমি, কাগজতুল্য, শীর্ষ দীর্ঘা, মূলীয় অংশ সূক্ষ্মাগ্র থেকে স্থুলাগ্র বা গোলাকার, মধ্যশিরা ভিন্ন অঙ্কীয় পৃষ্ঠের অন্যান্য অংশ রোমশ বিহীন, উপরের পৃষ্ঠ মরচে রোমশ, শুষ্ক অবস্থায় লালাভ বাদামী, বৃন্ত ২-৬ মিমি লম্বা, ঘনরোমশ, উপপত্র আশুপাতী, রৈখিক, ৩.২-৬.৫ x ০.৫-১.০ মিমি, রোমশ, পুংমঞ্জরী ৪-৭ সেমি লম্বা, অক্ষীয়, শাখায়িত রেসিম, মঞ্জরীপত্র ভল্লাকার, ০.৩-০.৮ x ০.৩-০.৫ মিমি, রোমশ।আরো পড়ুন

রক্সবার্গের শিয়াল বুকা: মরু ও পর্ণমোচী অরণ্যের এক বিরল বন্য গুল্ম

রক্সবার্গের শিয়াল বুকার ফুল

এটি গুল্ম আকারের প্রজাতি। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। তরুণ শাখা ও পত্র ঘন মরচে রোমশ। পত্র ৮-২৫ x ৪-১০ সেমি, বিডিম্বাকার, ৬ বিডিম্বাকার-দীর্ঘায়ত বা বিডিম্বাকার-উপবৃত্তাকার, শীর্ষ লেজ আকৃতি থেকে দীর্ঘা, মূলীয় অংশ গোলাকার, কর্তিতাগ্র বা তাম্বুলাকার, অখন্ড, অর্ধচর্মবৎ, রোমশ, পার্শ্বীয় শিরা প্রতি অর্ধাংশে ৮-১০ টি, প্রসারিত, পত্রক অক্ষ শক্ত, বৃতি ঘন, রোমশবৃত, বৃন্ত ৪ মিমি লম্বা, উপপত্র, রৈখিকচতি বল্লাকার, স্থায়ী।আরো পড়ুন

সিলেটি ঢেকিয়া শাকের পরিচিতি, বাসস্থান ও বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস

একটি স্থলজ ফার্ন। তরুণ অবস্থায় পত্রদন্ড সরস, মাংসল। পাতা দ্বি-পক্ষল, বড়, গোড়ায় স্ফীত নয়, ফলক প্রায় ৪০-৬০ সেমি লম্বা। গৌণ পত্রদন্ড গাঢ় বাদামী, গোল, নরম, পাতলা, গোড়ায় স্ফীত নয়। আরো পড়ুন

রাজ ঢেঁকিয়া ফার্নের পরিচিতি, ঔষধি গুণ ও চাষ পদ্ধতি

রাজ ঢেকিয়ার গুচ্ছ

গ্রন্থিকন্দের নিষ্কাশিত ক্বাথ গর্ভপাত এর পর রক্ত বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সবুজ সীম এর সাথে সিদ্ধ করা গ্রন্থিক বেরিবেরি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। রক্তক্ষরণে, বিশেষ করে বিষক্রিয়ার কারণে রক্তক্ষরণে। রোগীর চিকিৎসায় গ্রন্থিকন্দ পান এবং আদার সাথে চিবানো হয়। আরো পড়ুন

কাকমারি লতার পরিচিতি, ঔষধি গুণ ও ব্যবহার: কঠিন চর্মরোগ ও উকুন নাশের এক অনন্য ভেষজ

কাকমারির সবুজ সতেজ পাতা।

কাষ্ঠল আরোহী, কচি কান্ড এবং পত্রবৃন্ত শুষ্ক অবস্থায় ফ্যাকাশে সবুজাভ থেকে খড়ের বর্ণ, সরেখ, মসৃণ, বাকল পুরু, উল্লম্ব খাঁজবিশিষ্ট বা কুঁচকানো। পাতা পাতলা চর্মবৎ, ডিম্বাকার থেকে প্রশস্ত ডিম্বাকার, ১০-২৩ x ৮-২০ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র, নিম্নপ্রান্ত হৃৎপিণ্ডাকার থেকে কর্তিতা, কিনারা সিলিয়াযুক্ত;আরো পড়ুন

গিরিশোভন শাকের পরিচিতি, ঔষধি গুণ ও ভেষজ ব্যবহার: বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ের এক বিরল উদ্ভিদের সন্ধান

পাহাড়ি গিরিশোভন শাক

ভারত, চীন এবং মায়ানমার। বাংলাদেশে এই প্রজাতিটি পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে চিম্বুক পাহাড়ে পাওয়া যায়। আদিবাসীরা ইহার কচি পাতা শাক হিসেবে এবং কান্ড জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।আরো পড়ুন

কুঁচ গাছ (Abrus precatorius): পরিচিতি, ঔষধি গুণাগুণ ও মারাত্মক বিষক্রিয়া

কুঁচ

কুঁচ পাক খেলানো আরোমশ, আরোহী। কচি শাখা সবুজ, পাতা ৫ থেকে ১৭, জোয়াল ধরনের ডাঁটার দুধারে জোড়া জোড়া পত্রক বিপরীত দিকে সজ্জিত। পত্রক-ডিম্বাকৃতি বিডিম্বাকৃতি বা আয়তাকৃতি।আরো পড়ুন

বনরিটা বা ধানরিটা: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক অনন্য ভেষজ গুল্মের বিস্তারিত

বনরিটা-গাছের গুণাগুণ

বর্ষা অরণ্য, উপদ্রত অরণ্য, খালের পাড়, মাঠ, উন্মুক্ত তৃণভূমি এবং অন্যান্য উন্মুক্ত এলাকা। চুনাপাথরবিশিষ্ট এলাকা থেকেও বর্ণিত, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫০-১৫০০ মিটার উচ্চতায়। ফুল ও ফল ধারণ ফেব্রুয়ারী-মার্চ। বংশ বিস্তার হয় বীজের মাধ্যমে।আরো পড়ুন

আকন্দ গাছের ১৩টি চমৎকার ভেষজ ও ঔষধি গুণাগুণ এবং উপকারিতা

আকন্দ গাছের পাতা ও ফুল

ভেষজ ও লোকজ চিকিৎসায় আকন্দ (Calotropis) একটি অত্যন্ত সুপরিচিত নাম। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ এবং ভারতে এই গাছের প্রজাতিগুলো প্রচুর পরিমাণে জন্মে। চিকিৎসাশাস্ত্রে আকন্দের ব্যবহার জানার আগে এর প্রজাতি ও প্রাপ্যতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি: প্রাচীনকাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে আয়ুর্বেদ এবং লোকজ চিকিৎসার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে আকন্দ গাছ। তীব্র ওষধি গুণসম্পন্ন এই … Read more

বাসক পাতার জাদুকরী উপকারিতা: পরিচয় থেকে ঘরোয়া প্রতিকারের উপায়

বাসকের সাদা ফুল

ভূমিকা: বাসক বা ভাসক বা বাকাস বা বাসা বা আলোক-বিজাব হচ্ছে একান্থাসি পরিবারের জাস্টিসিয়া গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। এর হিন্দি নাম আড়ষা, এটি অটরুষকের বিবর্তিত শব্দনাম। বিবরণ: বাসক ক্ষুপজাতীয় গাছ হলেও প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট উচু হয়; আষাঢ়-শ্রাবণে সাদা ফুল হয়।[১] আরো পড়ুন

error: Content is protected !!