দুধিয়া-র নানা প্রজাতি ও উপকারিতার বিবরণ

ক্ষীরিণীর কয়েকটি প্রজাতি পাওয়া যায়। ভাবপ্রকাশে উল্লিখিত ক্ষীরিণী বড় দুগ্ধিকা, বড় কেরুই, বড় খেরুই, দুধিয়া, দূধী প্রভৃতি নামে প্রচলিত। দুধিয়া- সবগুলির ফ্যামিলী Euphorbiaceae. প্রত্যেকটির পরিচিতি আলাদা আলাদাভাবে দেওয়া হলো। এই গাছগুলির যেকোন অংশ ভাঙ্গলেই ক্ষীর বা দুধ বেরোয়।আরো পড়ুন

বড় দুধিয়া-এর সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

ক্ষীরিণীর কয়েকটি প্রজাতি পাওয়া যায়। ভাবপ্রকাশে উল্লিখিত ক্ষীরিণী বড় দুগ্ধিকা, বড় কেরুই, বড় খেরুই, দুধিয়া, দূধী প্রভৃতি নামে প্রচলিত। এটির বোটানিক্যাল নাম Euphorbia hirta Linn., এছাড়া আরও ২/৩ টি ক্ষীরিণী আমরা দেখতে পাই, সেগুলি তাই লঘু দুগ্ধিকার মধ্যেই পড়ে। আরো পড়ুন

সাদা তুঁত গাছের নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগের বিবরণ

মাঝারি ধরনের গাছ, লম্বায় ১০ থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। গাছের ছাল ধূসর রঙের, কাঠ খুব একটা শক্ত না হলেও নানাবিধ খেলার সরঞ্জাম ও গৃহাদি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পাতা ২-৫ ইঞ্চি লম্বা, ডিম্বাকৃতি। শীতকালে ফুল, পরে ফল। ফল লম্বা, গায়ে সরু কাঁটা থাকে, পাকে বসন্তকালে।

রেউচিনি গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

বহ ও রক্তবহ স্রোতে। এর মূল লঘু, তিক্ত, কটু, রুক্ষ, তীক্ষ্ণ, উষ্ণবীর্য, দীপন, মূত্রজনক, আর্তবজনক, গ্রাহী, যকৃত আজক, কফনিঃসারক, বিরেচক, কফপিত্তহর, বলকারক, লালাপ্রসেকজনক। অজীর্ণ, অতিসার, অগ্নিমান্দ্য, অরুচি, মলবদ্ধতা ও শীতপিত্ত রোগে ব্যবহার্য। আরো পড়ুন

জলধুনিয়া গুল্মের নানাবিধ গুণাগুণের বর্ণনা

এটি একটি বিষাক্ত উদ্ভিদ। টাটকা গাছ ও গাছের রস অতিশয় বিষাক্ত। রস খেলে বিষময় ফল ঘটে, শরীরের কোন স্থানে লাগলে সেই স্থান লাল বর্ণ হয় এবং ফোস্কা পড়ে। গাছটি শুকিয়ে নিলে বা সিদ্ধ করলে বিষাক্ততা নষ্ট হয়।

আতঁমড়া গুল্ম-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগের নিয়ম

আতঁমড়া -এর বোটানিক্যাল নাম Helicteres isora, পূর্বে এটির নাম ছিল Helicteres chrysocalyx. Mig. এবং Helicteres Roxbhurghii, G. Don., পরিবার Sterculiaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ :— গাছের ও মূলের ছাল, ফল ও পাতা। পেটে ব্যাথা, অরুচি, সর্দি-কফ, খোস-পাঁচড়া ইত্যাদি সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

আতঁমড়া এশিয়া জন্মানো ভেষজ ঝোপালো প্রজাতি

মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতে ওই গাছটি কোথাও কোথাও বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জন্মে। এছাড়া বিক্ষিপ্তভাবে সারা ভারতবর্ষে, বিশেষতঃ শুষ্ক বনাঞ্চল সমূহে, শাল জঙ্গলে, হিমালয়ের পাদদেশে এটি পাওয়া যায়। সারা পৃথিবীতে এই গণের ৪৫টি প্রজাতি পাওয়া যায়, তন্মধ্যে ১০টি ভারতে পাওয়া গেলেও আলোচ্য প্রজাতিটি (Helicteres isora) বেশি পরিচিত এবং ঔষধার্থে ব্যবহার্য । আরো পড়ুন

পেস্তা বাদাম জনপ্রিয়, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাদ্যশস্য

মাঝারী ধরনের ঝাড়ীদার গাছ, সাধারণতঃ ৮/১০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে দেখা যায়। চির সবুজ গাছ নয়, বৎসরে একবার সম্পূর্ণ পাতা ঝরে যায়। পাতা পরস্পর বিপরীতমুখী নয়, এলোমেলো পাতা ক্রমশ সরু অথচ কিছুটা ডিম্বাকৃতি, চামড়ার মত মোটা ও খসখসে। ফুল ছোট ছোট গুচ্ছাকৃতি, তাতে নানা রঙের সংমিশ্রণ। পেস্তার খোসার উপরিভাগের রঙ সাদাটে ধূসর, খোসা শক্ত। আরো পড়ুন

পেস্তা বাদাম-এর আটটি ভেষজ গুণাগুণ ও ব্যবহার পদ্ধতি

পেস্তা বাদাম-এর আছে নানা ভেষজ গুণাগুণ। খেতে সুস্বাদু হলেও বাত, পেটের অসুখ, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি সারাতে ব্যবহার হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: বীজের শাঁস, শাঁসের বহিরাবরণ, পিস্তেকা ফুল। আরো পড়ুন

মালা লতা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

এটি প্রধানভাবে জন্মে ভারতের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ঝোপঝাড় ও জঙ্গলের ধারে, তবে সচরাচর দেখা যায় না। এই গণের (genus) দু’টি প্রজাতি সমগ্র পৃথিবীতে পাওয়া যায়। একটি প্রজাতি এই ভবলিঙ্গী, এটি ভারতবর্ষ ছাড়াও মরিশাস, আফ্রিকা, মালয়, ফিলিপিনস ও অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে পাওয়া যায়। আর একটি প্রজাতি পাওয়া যায় আফ্রিকার উষ্ণপ্রধান অঞ্চলে, নরফোক দ্বীপে এবং অষ্ট্রেলিয়ায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—সমগ্র লতা, ফল ও বীজ।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!