ভালোবাসার প্রস্তবনা নিয়ে এক আগন্তুক

জানি মন খারাপ, তোমার আঙুল ছুঁয়ে দেওয়ার কেউ নেই পাশে/ নিজেই খেয়াল রাখো কালো কোঁকড়ানো চুলগুলোর/ আসলে কোথাও কোন অপ্রেমী শহর থাকা উচিৎ নয়/
এই কথা আমি বলে আসছি শত শত বছর ধরেই।আরো পড়ুন

বরুণ ফোঁটা দিনে

বরুণ

বরুণের মতো প্রান্তরকে ছেয়ে দিব বলে/ আমার অপেক্ষা করেছি এক দশক,/ তাই আজ সীমানা পেড়িয়ে আসা হাওয়ারা-/ ডেকে এনেছে আবির মেশানো ভালোবাসা।আরো পড়ুন

আবারো স্বাগত তোমায় রঙিন মিছিলে

এখন বসন্ত তোমার দুয়ারের কড়া নেড়েই চলে যায়-/ তুমি হকার ভেবে এক ধাপও এগিয়ে আসো না,/ খবরের কাগজে মুখ গুজে বিশ্বের খোঁজ নাও-

নায্যতার রাজ্য স্থাপনের দিকে যেতে যেতে

কল্পলোক হচ্ছে নিখুঁত সমাজ

নায্যতার রাজ্য স্থাপনের দিকে যেতে যেতে আমাদের হাতগুলো মেহনতে পুষ্ট হয়। মৃত্যুকে মাথায় নিয়ে পথ চলতে গিয়ে দেখা হয় স্বাধীন ও সাহসী ঘাসেদের সাথে; শিশিরেরা খেলা করে, শিশুরাও যুদ্ধে যুদ্ধে ধান ভানে, জীবনের তর্ককে বুঝে নিতে আবেগের আতিশয্যে যে গেরিলা হেঁটে যায় কমিউনের সিঁড়ি বেয়ে, তার সাথে কথা হয় জয়-পরাজয়ের। আরো পড়ুন

ইতিহাস খুঁড়ে

সকাল সকাল মমতার মায়ের ফোন।
-হ্যালো..হ্যালো… শুনছিস,কতক্ষণ ধইর‌্যা ফোন করছি, কোথায় ছিলি?
-এইতো,ওয়াশরুমে ছিলাম …বল মা, তোমার শরীর ভাল আছে তো ?
-আমার জন্য ভাবিসনা ,আমি আছি কোন রকম। শোন, যার লাইগ্যা ফোন করেছি, তুই জানস্ কিছু? অসুরটার ফাঁসির আদেশ হইছে। সকালে খবরে দেখলাম।আরো পড়ুন

রাজকন্যার মৃত্যু

যথাযথ শোকাবহ ভাব গাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে তাকে সমাহিত করা হলো। সামিয়ানার নিচে কফিনে শায়িত তার দেহ ফুলে ফুলে ঢেকে গেল। সাদা কাল পোশাক পরিহিত মৃতের পরিবার,শুভানুধ্যায়ী,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শোকের আবহ বজায় রেখে, তার চলে যা্ওয়ায় কত শুন্যতা ,কত শোক কত অপরিমেয় ক্ষতি হল- স্বল্প ভাষণে তা তুলে ধরলেন। আরো পড়ুন

ভার্জিলের মহাকাব্য ‘ঈনিদ’-এর নায়িকা তরুণী বিধবা ডিডোর পীড়িত হৃদয়

ডিডো এবং ঈনিয়াস

নায়ক ঈনিয়াসের বিস্তর প্রশংসা। তা তিনি যোগ্য লোক ঠিকই জয়ধ্বনির। ট্রয়ের রাজবংশের শেষ প্রদীপ তিনি। যথার্থ বীর। বীরদের কারো থাকে দৈহিক শক্তি-সাহস, কারো থাকে বুদ্ধি-বিবেচনা। ঈনিয়াস শক্তি-সাহসে খাটো নন, বুদ্ধি-বিবেচনাতেও অনেক বড়ো। সর্বোপরি তার ছিল আনুগত্য—পরিবারের প্রতি ও জাতির প্রতি। নবজাতির স্রষ্টা তিনি, রোম সাম্রাজ্যের স্থপতি। আরো পড়ুন

রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একাকিনী লড়েছেন সফোক্লিসের নায়িকা এন্টিগনি

সফোক্লিসের (৪৯৬-৪০৬ খৃঃ পূঃ) নায়িকা এন্টিগনির হাতে কোনো পতাকা ছিল না। না, নাট্যকার সফোক্লিস বিদ্রোহে বিশ্বাস করতেন না। বিধান সে যারই হোক না কেন— বিধির কিংবা রাষ্ট্রের—তাকে মেনে না নিয়ে উপায় কি? মানতে হবে, মানতে গেলে দুঃখ পাবে, তবু মানা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এই ছিল তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি। আরো পড়ুন

হোমারের হেলেন অন্য সবার কাছে শুধুই অগ্নিশিখা, ধ্বংসের দূত, প্রেয়সী; কিন্তু মাতাও

হোমারের হেলেন

মহাকাব্য ইলিয়াড’এ হেলেনের যে-অবস্থান সেটা ধ্বংসাত্মক। কিন্তু হোমারের (আনু ৯০৫ খৃঃ পূঃ) হেলেন ধ্বংসকামী অন্যসব মেয়েদের মতো নয়, স্বতন্ত্র । গ্রীক উপকথায় পুরুষের চোখে-দেখা ভয়ঙ্কর নারীমূর্তি বেশ কিছু আছে। যেমন মেডুসা। তিন বোন তারা। তাদের চোখের দিকে যদি কোনো পুরুষ তাকায় তবে সঙ্গে সঙ্গে সেই মানুষটি পরিণত হবে পাথরের স্তূপে, যদি মেডুসারা তেমন ইচ্ছা করে। আরো পড়ুন

প্রকৃতিবাদ উনবিংশ শতাব্দীর শেষের বাস্তববাদের অনুরূপ সাহিত্য আন্দোলন

প্রকৃতিবাদ

প্রকৃতিবাদ বা যথাস্থিতবাদ বা সাহিত্যে প্রকৃতিবাদ (ইংরেজি: Naturalism) হচ্ছে উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাহিত্যিক বাস্তবতাবাদের অনুরূপ একটি সাহিত্য আন্দোলন যেটি রোমান্টিকতাবাদের প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। তবে এই আন্দোলন নির্ধারণবাদ, বিচ্ছিন্নতা, বৈজ্ঞানিক নৈর্ব্যক্তিকবাদ এবং আরো পড়ুন

error: Content is protected !!