পান কর্পূর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম
দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন, দক্ষিণ তাইওয়ান, ফিলিপাইন এবং নিউ গিনি। বাংলাদেশের সিলেট এবং চট্টগ্রাম জেলার বনাঞ্চল থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে।আরো পড়ুন
দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ চীন, দক্ষিণ তাইওয়ান, ফিলিপাইন এবং নিউ গিনি। বাংলাদেশের সিলেট এবং চট্টগ্রাম জেলার বনাঞ্চল থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে।আরো পড়ুন
বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী আরোহী গুল্ম। কান্ড গভীরভাবে ৫-খাঁজযুক্ত, সরু, রোমহীন থেকে সামান্য রোমশ। পত্র ৫-৮ x ৫-৮ সেমি, হালকাভাবে চাপ রোমশ, পত্রবৃন্ত ২-৪ সেমি লম্বা, খাঁজযুক্ত, পার্শ্বীয় পত্রকবৃন্ত ০.৫ সেমি লম্বা,আরো পড়ুন
গুল্ম, ৫ মিটার উঁচু, অপরিণত অংশ ঘন দৃঢ় রোমশ। কান্ড সাদাটে, মসৃণ। পত্র সরল, ৫-২০ x ১.৫-২.৫ সেমি, সরু বল্লমাকার, উপবৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, শীর্ষ দীর্ঘাঘ, গোড়া কীলকাকার, অণু করাত দপ্তর, ঝিল্লিময়, উপরিতল রোমহীন। আরো পড়ুন
বৃহৎ, বিশৃঙ্খলভাবে বেড়ে ওঠা আরোহী গুল্ম, বাকল গাঢ় বাদামী বা লাল, গাত্র কন্টক পশ্চাদমুখী বক্র, শাখা প্রশাখা রোমশ বিহীন বা পালকাবৃত। আরো পড়ুন
বৃহৎ কাষ্ঠল লতানো অথবা আরোহী গুল্ম, ছোট শাখা খাঁজবিশিষ্ট, বিস্তৃত লোমসহ কন্টকরোমী অথবা খুব কম তারকাকারভাবে লোমযুক্ত। পত্র সরল, ১০-১৮ x ৬১৫ সেমি, অর্ধমন্ডলাকার, করতলাকারভাবে খন্ডিত, গোড়া হৃৎপিন্ডাকার, উভয় পৃষ্ঠ তারকাকার কোমল দীর্ঘ রোমযুক্ত,আরো পড়ুন
নীমদা বা বাবহোতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Buddleja asiatica, ইংরেজি: Asian Butterfly Bush, White Butterfly Bush) এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশে জন্মে।আরো পড়ুন
গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, ৪ মিটার পর্যন্ত উঁচু, শাখাপ্রশাখা বেলনাকার, রোমশ বা রোমহীন। পত্র একান্তর, উপপত্র বল্লমাকার, ৪-৮ মিমি লম্বা, আশুপাতী, আরো পড়ুন
চিরহরিৎ অরণ্য থেকে শুষ্ক পত্রঝরা অরণ্য, সচরাচর বনের প্রান্তে, উপদ্রত মৃত্তিকা, বালিকাময় নদীর তীর এবং সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ের চূড়ায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল এপ্রিল-জুলাই। বংশ বিস্তার হয় বীজ এবং শাখা কলমের সাহায্যে।আরো পড়ুন
লতাকস্তুরী একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। তবে এ গাছের পরিপক্ব টাটকা বীজ হাতে নিয়ে একটু ঘষা দিলেই চমৎকার ঘ্রাণ ভেসে আসে। হয়তো সেজন্যই কস্তুরী নামকরণ হয়েছে। দেখতে ঢেঁড়সের চেয়ে অনেক শক্ত এবং ঋজু। তবে ছায়াচ্ছন্ন স্থানে জন্মালে এর এই ঋজু ভাবটা আমূল পাল্টে গিয়ে গাছটি প্রচুর শাখাবিশিষ্ট প্রায় লতানো হয়ে আসে।আরো পড়ুন
বাহারি গাছ রূপে উদ্যানে জন্মে, কখনও পতিত জমি, ডোবার পাশ্ববর্তী ভূখন্ড, ধান ক্ষেতের মধ্যবর্তী স্থান এবং অনাবাদী জমিতে জন্মিতে দেখা যায়। ফুল ও ফল ধারণ সেপ্টেম্বর-জানুয়ারি। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও শাখা কলমের মাধ্যমে।আরো পড়ুন