ভূমিকা: কাকমারি (বৈজ্ঞানিক নাম: Anamirta cocculus) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ গুল্ম। এর পাতা, মূলে নানা ভেষজ গুণ আছে। ইহা একধরনের কীটনাশক।
| বিষয়ের নাম | বিবরণ ও তথ্য |
|---|---|
| অফিসিয়াল বৈজ্ঞানিক নাম | Anamirta cocculus (L.) Wight & Arn. |
| প্রথম প্রকাশ ও সাইটেশন | Prod. 1: 446 (১৮৩৪ সাল) |
| উদ্ভিদের সমনাম (Synonyms) | • Menispermum cocculus L. (১৭৫৩) • Anamirta paniculata Colebr. (১৮২২) |
| আন্তর্জাতিক ইংরেজি নামসমূহ | Crow’s Bane, Fishberry, Levant Nut |
| স্থানীয় বা প্রচলিত নাম | কাকমারি, কাকামারি, গুল্মকাকমারি |
কাকমারি-এর বর্ণনা:
এটি মূলত একটি শক্তিশালী ও দীর্ঘজীবী কাষ্ঠল আরোহী (Woody Climber) লতা। এর কান্ড ও বাকলের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- কাণ্ডের রূপ: লতাটির কচি কাণ্ড এবং পাতার বোঁটা শুকিয়ে গেলে তা ফ্যাকাশে সবুজাভ বা খড়ের মতো হালকা বর্ণ ধারণ করে। এর কাণ্ডটি সরেখ বা সূক্ষ্ম রেখাযুক্ত এবং সম্পূর্ণ মসৃণ প্রকৃতির হয়।
- বাকলের গঠন: এই উদ্ভিদের বাকল বেশ পুরু বা মোটা হয়ে থাকে। বাকলের উপরিভাগে উল্লম্ব বা লম্বালম্বিভাবে স্পষ্ট খাঁজ ও কুঁচকানো ভাব লক্ষ্য করা যায়।
পাতার চমৎকার আকৃতি ও শিরাবিন্যাস
লতাটির পাতাগুলো বেশ বড় এবং এর গঠন অত্যন্ত সুবিন্যস্ত:
- আকৃতি ও সাইজ: পাতাগুলো স্পর্শে পাতলা চর্মবৎ (Sub-coriaceous) মনে হয়। এগুলো দেখতে ডিম্বাকার থেকে প্রশস্ত ডিম্বাকার আকৃতির হয়ে থাকে, যার পরিমাপ প্রায় ১০-২৩ সেমি লম্বা এবং ৮-২০ সেমি চওড়া হতে পারে।
- প্রান্ত ও অগ্রভাগ: পাতার শেষ প্রান্ত বা শীর্ষভাগ বেশ দীর্ঘ সুচালো (দীর্ঘাগ্র) এবং এর নিচের গোড়ার দিকটা হৃৎপিণ্ডাকার থেকে কর্তিত রূপ নেয়। পাতার চারপাশের কিনারা সূক্ষ্ম রোম বা সিলিয়াযুক্ত হয়।
- শিরা ও বোঁটা: পাতার নিচের প্রান্তে ৩ থেকে ৫টি (কখনো ৭টি) মূল শিরা থাকে এবং প্রধান শিরার সাথে সমান্তরালভাবে আরও ৪-৫ জোড়া পার্শ্বশিরা দেখা যায়। এর পত্রবৃন্ত বা বোঁটা ৬ থেকে ১৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এই বোঁটার উভয় প্রান্তই কিছুটা ফোলা বা স্ফীত থাকে এবং নিচের দিকটা সামান্য বাঁকানো হয়।
পুষ্পমঞ্জরী ও পুং-স্ত্রী ফুলের পার্থক্য
এই উদ্ভিদের ফুল ফোটার বিন্যাস বা পুষ্পমঞ্জরীটি বেশ লম্বা হয়, যা প্রায় ১৬ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। এর মূল মঞ্জরীদণ্ডে ছোট ছোট পার্শ্ব শাখা থাকে, যা লম্বায় ২-৫ সেমি এবং এর মঞ্জরীপত্রটি মাত্র ০.৫ মিলিমিটারের মতো ক্ষুদ্র হয়।
- পুং পুষ্প (Male Flower): পুরুষ ফুলগুলোর রঙ ফ্যাকাশে সবুজাভ থেকে হালকা হলুদ হয়ে থাকে। এর মসৃণ পুষ্পবৃন্তিকা ২-৩ মিমি লম্বা হয়। ফুলে মোট ৮টি বৃত্যংশ থাকে, যার বাইরের ২টি অত্যন্ত ছোট (১ মিমি বা তার কম) এবং ভেতরের ৬টি বেশ বড় ও উপবৃত্তাকার (২.৫-৩.২ মিমি) হয়। এই ফুলে কোনো পাপড়ি থাকে না এবং পুংকেশরীয় গুচ্ছটি ১-২ মিমি লম্বা হয়।
- স্ত্রী পুষ্প (Female Flower): স্ত্রী ফুলগুলোর বৃত্যংশ পুরুষ ফুলের মতোই হুবহু এক রকম দেখায়। তবে এতে ৬টি অত্যন্ত ক্ষুদ্র (০.২ মিমি বা তার কম) বন্ধ্যা পুংকেশর (Staminodes) থাকে। এর গর্ভপত্র ৩ থেকে ৪টি এবং এগুলো বক্র-উপবৃত্তাকার ও ১.৫-২.০ মিমি লম্বা হয়। এর মোটা গর্ভমুণ্ডটি ভেতরের দিকে বাঁকানো থাকে।
ফল, বীজ ও জিনগত তথ্য
ফুল ঝরে যাওয়ার পর এই লতাটিতে চমৎকার গুচ্ছ ফল ধরে।
- ফলের রূপ ও রঙ: এর ফলগুলো ড্রুপ (Drupe) জাতীয় এবং দেখতে উপবৃক্কাকার-গোলকাকার আকৃতির হয়। পরিপক্ব বা পাকা অবস্থায় ফলগুলো সাদা থেকে শুরু করে আকর্ষণীয় বেগুনি রঙ ধারণ করে। ফলের উপরিভাগ জালিকাকারে উঁচুনীচু এবং স্পষ্ট পৃষ্ঠীয় খাঁজযুক্ত হয়।
- বীজ ও ক্রোমোসোম: ফলের ভেতরের বীজপত্রটি বেশ সরু ও উপবৃত্তাকার হয়, যার পরিমাপ প্রায় ৫-৭ X ২ মিলিমিটার। জিনগত বা সাইটোলজিক্যাল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এই উদ্ভিদের ডিপ্লয়েড ক্রোমোসোম সংখ্যা হলো 2n = ২৬।
আবাসস্থল ও বংশ বিস্তার:
প্রাকৃতিক বন্য পরিবেশে এই কাষ্ঠল আরোহী লতাটি আর্দ্র ও ছায়াময় স্থানে বেড়ে উঠতে পছন্দ করে।
- বনের ধরণ: এটি প্রধানত সমতল বা নিচু এলাকার চিরহরিৎ (Evergreen) বনাঞ্চল অথবা মিশ্র পত্রঝরা অরণ্যে (Deciduous Forests) প্রাকৃতিকভাবে জন্মে থাকে।
- জলাশয়ের সান্নিধ্য: বনের গভীর অঞ্চল ছাড়াও বন্য পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রায়শই একে বিভিন্ন নদী ও খালের পাড়ে স্বাচ্ছন্দ্যে অন্য কোনো গাছকে আশ্রয় করে আরোহণ করতে দেখা যায়।
ফুল ও ফল ধারণের নির্দিষ্ট সময়কাল
এই উদ্ভিদের জীবনচক্রে ফুল ফোটা এবং ফল পরিপক্ব হওয়ার জন্য বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত থাকে। সাধারণত বর্ষার শেষ ভাগ থেকে শুরু করে শীতের শুরু পর্যন্ত, অর্থাৎ আগস্ট মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই গাছে আকর্ষণীয় ফুল ফোটার এবং ফল পাকার পুরো প্রক্রিয়াটি চলমান থাকে।
সহজ বংশবিস্তার ও প্রজনন পদ্ধতি
বন্য পরিবেশে এই লতাটির বংশবৃদ্ধি বা নতুন চারা তৈরি করার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়মেই ঘটে থাকে।
- বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার: ফল যখন সম্পূর্ণ পরিপক্ব হয়ে ওঠে, তখন তার ভেতরে থাকা সুস্থ ও পুষ্ট বীজের মাধ্যমে (Propagation through Seeds) এই উদ্ভিদের প্রজনন ও বংশ বিস্তার ঘটে। প্রাকৃতিক উপায়ে ঝরে পড়া বীজ থেকে বর্ষাকালে নতুন নতুন চারা গজিয়ে ওঠে।
কাকমারি-এর বিস্তৃতি:
আন্তর্জাতিক উদ্ভিদ মানচিত্রের দিক থেকে বিচার করলে, এই কাষ্ঠল আরোহী লতাটি মূলত এশিয়ার ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়।
- মূল দেশসমূহ: এটি প্রাকৃতিকভাবেই ভারত, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম-এর চিরসবুজ বনাঞ্চলে স্বাচ্ছন্দ্যে বিস্তৃত রয়েছে।
- আঞ্চলিক সীমাবদ্ধতা: এই উদ্ভিজ্জ বা বোটানিক্যাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও, এটি মালয়া (মালয়েশিয়া), বোর্ণিও এবং সেলেবিস (সুলাওয়েসি) দ্বীপের বনাঞ্চলগুলো ব্যতিত অন্যান্য প্রতিবেশী এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।
ঐতিহাসিক আবিষ্কার ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
এই প্রজাতিটির নামকরণের ইতিহাস ও প্রথম সন্ধান পাওয়ার সাথে আমাদের বাংলাদেশের এক অনন্য ঐতিহাসিক সংযোগ রয়েছে:
- হুকার ও থমসনের বর্ণনা: বিখ্যাত উদ্ভিদবিজ্ঞানী জে. ডি. হুকার এবং টি. থমসন (Hooker and Thomson) সর্বপ্রথম তৎকালীন অবিভক্ত “পূর্ব বাংলা” (East Bengal) থেকে এই প্রজাতিটির নিখুঁত বৈজ্ঞানিক বিবরণ ও নমুনা সংগ্রহ করে তা বিশ্বদরবারে প্রকাশ করেন।
- বর্তমান অবস্থান: বিজ্ঞানীদের বর্ণিত সেই ঐতিহাসিক অঞ্চলটি বর্তমানে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত। ফলে বাংলাদেশের উদ্ভিদ বৈচিত্র্যের ইতিহাসে এই গাছটি একটি অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
অর্থনৈতিক ব্যবহার ও গুরুত্ব:
ই কাষ্ঠল আরোহী লতাটি যেমন প্রাকৃতিকভাবে শক্তিশালী, ঠিক তেমনই এর বিভিন্ন অংশের রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার ও তীব্র কার্যকারিতা। আদিবাসী লোকজ সংস্কৃতি থেকে শুরু করে কীটনাশক তৈরিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে এর প্রধান কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো:
- তন্তু বা আঁশ উৎপাদন:
এই উদ্ভিদের শক্ত কাণ্ড বা ডালপালা থেকে এক ধরনের মজবুত শকল তন্তু (Bark Fiber) পাওয়া যায়। এই প্রাকৃতিক আঁশ বা তন্তু স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ধরনের রশি ও কুটির শিল্পের জিনিসপত্র তৈরিতে বেশ উপযোগী। - প্রাকৃতিক মৎস্য বিষ (Fish Poison) হিসেবে:
উদ্ভিদবিজ্ঞানী ফরম্যানের (Forman, 1991) তথ্য অনুযায়ী, এই গাছের ফল প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত তীব্র বিষাক্ত উপাদান সমৃদ্ধ। প্রাচীনকাল থেকেই এর ফল জলাশয়ে মৎস্য বিষ হিসেবে ব্যবহার করে খুব সহজে মাছ শিকার করার লোকজ প্রচলন রয়েছে। - পশুসম্পদের জন্য সতর্কতা:
কাকমারির ফল অত্যন্ত তীব্র ও কড়া তিক্ত স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে। এর ভেতরের রাসায়নিক উপাদানগুলো গৃহপালিত পশুপাখি, বিশেষ করে গরুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক বিষাক্ত হিসেবে প্রমাণিত। তাই গো-খাদ্য হিসেবে এর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। - চর্মরোগ নিরাময় ও প্রাকৃতিক কীটনাশক:
তীব্র বিষাক্ত হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে ও কৃষিকাজে এর ফলের দারুণ ব্যবহার রয়েছে:- এই গাছের পরিপক্ব ফল থেকে এক ধরনের বিশেষ ঔষধি মলম বা পেস্ট তৈরি করা হয়, যা মানুষের বিভিন্ন জটিল ও কঠিন চর্মরোগ (Skin Diseases) নিরাময়ে অত্যন্ত প্রাচীনকাল থেকেই নির্ভরযোগ্য ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- এর পাশাপাশি এই ফল থেকে প্রস্তুতকৃত নির্যাস জমিতে ক্ষতিকর পোকা দমনে অত্যন্ত কার্যকরী এক প্রকার জৈব কীটনাশক (Natural Insecticide) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
জাতিতাত্বিক ব্যবহার:
আধুনিক প্রসাধন বা চিকিৎসার পাশাপাশি গ্রামীণ ও পাহাড়ি অঞ্চলের লোকজ চিকিৎসায় এই উদ্ভিদের ফলের এক অনন্য ও যুগান্তকারী ব্যবহার রয়েছে:
- প্রাকৃতিক উকুন নাশক শ্যাম্পু হিসেবে:
ঐতিহ্যগত লোকজ জ্ঞান থেকে জানা যায়, এই গাছের পরিপক্ব ফলের নির্যাস মানুষের চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি ঘরোয়া প্রতিষেধক। মাথার ত্বকের ক্ষতিকর উকুন ধ্বংস করতে বা উকুন নাশক প্রাকৃতিক শ্যাম্পু (Natural Anti-lice Shampoo) হিসেবে স্থানীয় জনগোষ্ঠী এর ফল ব্যবহার করে থাকে। এটি প্রাকৃতিকভাবে চুলের কোনো ক্ষতি না করেই উকুন ও খুশকি দূর করতে দারুণ সাহায্য করে।
আরো পড়ুন
- মহিচরণ শাকের জাদুকরী ঔষধি গুণাগুণ: ক্ষত নিরাময় ও স্কার্ভি রোগে এই ভেষজের ঘরোয়া ব্যবহার
- গাদাবানি বা লাবুনী শাকের পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা
- ঢেকিয়া শাক বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো জনপ্রিয় শাক
- বথুয়া শাক বাংলাদেশে জন্মানো সহজলভ্য ও ভেষজ প্রজাতি
- বাংলাদেশের শাক-বৈচিত্র্য: ৫৫টি পরিচিত ও বুনো শাকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- পাট শাক বা পাট পাতা বহুবিধ পুষ্টিগুণ, খাদ্যমান ও চাষ পদ্ধতি
- চালকুমড়া এশিয়া ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি জনপ্রিয় শাক ও সবজি
- ধনে বা ধনিয়া এশিয়ার একটি সুগন্ধি ঔষধি উদ্ভিদ
- পানি কর্পূর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বর্ষজীবী উদ্ভিদ
- ধনিয়া বা ধনে পাতার দশটি কার্যকরী ঔষধি ব্যবহার
অন্যান্য তথ্য:
বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের ৯ম খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) কাকমারি প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এদের আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে বাংলাদেশে এটি মহাবিপন্ন হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে কাকমারি সংরক্ষণের জন্য কোনো পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি। প্রজাতিটি সম্পর্কে প্রস্তাব করা হয়েছে যে এই প্রজাতিটির জন্য স্ব-স্থানে এবং স্ব-স্থানের বাইরে সংরক্ষণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।
তথ্যসূত্র:
১. এম কে মিয়া (আগস্ট ২০১০) “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস” আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। খন্ড ৯ম, পৃষ্ঠা ১২০-১২১। আইএসবিএন 984-30000-0286-0
২. এই নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮ মার্চ ২০২১ তারিখে এবং সর্বশেষ তথ্যসহ এটি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আপডেট করা হয়েছে।
বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: Dinesh Valke
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।