আনারস (Pineapple): উদ্ভিদতাত্ত্বিক পরিচয়, চাষ পদ্ধতি ও অসীম ভেষজ গুণাগুণ
আনারস (বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus, ইংরেজি নাম: পাইন এ্যাপল)হচ্ছে সপুষ্পক বিরুৎ। এটি মূলত বিরুৎ বিশিষ্ট্য। এই গণের প্রজাতিটির ফল রসালো। আরো পড়ুন
আনারস (বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus, ইংরেজি নাম: পাইন এ্যাপল)হচ্ছে সপুষ্পক বিরুৎ। এটি মূলত বিরুৎ বিশিষ্ট্য। এই গণের প্রজাতিটির ফল রসালো। আরো পড়ুন
কাষ্ঠল আরোহী, কচি কান্ড এবং পত্রবৃন্ত শুষ্ক অবস্থায় ফ্যাকাশে সবুজাভ থেকে খড়ের বর্ণ, সরেখ, মসৃণ, বাকল পুরু, উল্লম্ব খাঁজবিশিষ্ট বা কুঁচকানো। পাতা পাতলা চর্মবৎ, ডিম্বাকার থেকে প্রশস্ত ডিম্বাকার, ১০-২৩ x ৮-২০ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র, নিম্নপ্রান্ত হৃৎপিণ্ডাকার থেকে কর্তিতা, কিনারা সিলিয়াযুক্ত;আরো পড়ুন
ভারত, চীন এবং মায়ানমার। বাংলাদেশে এই প্রজাতিটি পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে চিম্বুক পাহাড়ে পাওয়া যায়। আদিবাসীরা ইহার কচি পাতা শাক হিসেবে এবং কান্ড জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।আরো পড়ুন
ইহার জলীয় নির্যাস গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া Aeromonas hydrophilia এর বিরুদ্ধে কার্যকর। উদ্ভিদটি বলকারক, ক্ষত নিরাময়ক হিসাবে কাজ করে। এছাড়াও, স্কার্ভি নিরাময়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্ষত দ্রুত নিরাময়ে ইহার পাতা গরম করে লাগিয়ে দেয়া হয় (Sinha, 1996)।আরো পড়ুন
অরণ্য ও বাগানের বড় গাছের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে স্থানে জন্মে। ওল কচু বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। বংশ বিস্তার হয় অপত্য গুঁড়িকন্দের সাহায্যে সহজেই প্রজনন চলে। ফুল ও ফল ধারণ মে-নভেম্বর।আরো পড়ুন
বড় ছাতিম (বোটানিকাল নাম: Alstonia scholaris) এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের বৃহৎ ও চিরসবুজ বৃক্ষ। পত্রাচ্ছাদিত বড় ছাতিম গাছগুলি ৪o/৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের পুরু ছালের ভিতরটা সাদা ও দানাযুক্ত কিন্তু উপরটা খসখসে, গাছের সমগ্রাংশে সাদা দুধের মত আঠা (ক্ষীরা) আছে, পাতাগুলির আকার অনেকটা মনসা পাতার মত। আরো পড়ুন
এর রাইজোম টনিক, যৌনশক্তি বর্ধক, পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক, মূত্র বর্ধক, কফ নির্গমক, বায়ু নাশক ও উত্তেজক। জ্বর, সর্দি, মাথা ব্যাথা, বাতের ব্যাথা, বহুমূত্র এবং যকৃতের জ্বালায় ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন
বনের গহীনে লুকিয়ে থাকা লাজুক আর অপূর্ব সুন্দর পাখিদের মধ্যে মেটে কাঠময়ূর অন্যতম। বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশের পাখির তালিকায় পলিপ্লেকট্রন (Polyplectron) গণে মূলত ৭টি চমৎকার প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে ১টি প্রজাতি আমাদের বাংলাদেশে পাওয়া যায়। আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বন্য পরিবেশের অন্যতম এক দৃষ্টি নন্দন পাখি মেটে কাঠময়ূর (Grey Peacock-Pheasant) নিয়ে … Read more
দেশি ময়ূর (দ্বিপদ নাম: Pavo cristatus) বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিলুপ্ত বড় আকারের পাখি। বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Pavo গণে ২টি প্রজাতি রয়েছে এবং পৃথিবীতে রয়েছে ২টি প্রজাতি রয়েছে। বাংলাদেশের প্রজাতি দুটি হচ্ছে দেশি ময়ুর ও সবুজ ময়ুর। আমাদের আলোচ্য পাখিটি হচ্ছে দেশি ময়ুর। আরো পড়ুন
ভূমিকা: ক্ষেতরাঙ্গা (বৈজ্ঞানিক নাম: Alpinia conchigera) হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ। এটি বাগান বা টবে লাগানো যায়। তবে বনাঞ্চলের পরিবেশ এদের জন্য উপযুক্ত। বিষয়ের নাম বিবরণ ও তথ্য অফিসিয়াল বৈজ্ঞানিক নাম Alpinia conchigera Griff প্রথম নামকরণ ও প্রকাশ Notul. Pl. As. 3: 424, t. 354 (১৮৫১ সাল) উদ্ভিদের সমনাম (Synonyms) • Alpinia laosensis Gsgnep. (১৯০৬)• … Read more