বচ-এর বিস্ময়কর ওষুধি গুণাগুণ: স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও রোগ নিরাময়ে প্রকৃতির এক অনন্য দান

বচের ক্ষেত

বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের ১১ খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) বচ প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, অরণ্যহীন অবস্থা ও বাসস্থানের বিপর্যয়ের জন্য সংকটের কারণ দেখা যায় এবং বাংলাদেশে এটি সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে বচ কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যানে চাষাবাদ চলছে।আরো পড়ুন

রসুনের উপকারিতা ও সেবন পদ্ধতি: সুস্থ হার্ট ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সেরা উপায়

দেশি রসুনের কোয়া এবং রসুন

ভূমিকা: প্রকৃতির এক অনন্য দান হলো রসুন। উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায় এটি লিলিয়াসি (Liliaceae) পরিবারের এলিয়াম (Allium) গণের একটি ঋজু বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। রসুন কেবল রান্নাঘরের একটি প্রয়োজনীয় মশলা বা উপাদানই নয়, বরং এটি প্রাচীনকাল থেকেই এর অসামান্য ভেষজ গুণাগুণের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাংলাদেশে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সবজি জাতীয় খাবার, যা প্রায় প্রতিটি বাঙালির রান্নাঘরেই খুঁজে … Read more

খাড়া বিষকচু কি? জানুন বিরল এই পাহাড়ি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ও বিস্তৃতি

পাহাড়ের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে ঢালু অঞ্চল। ফুল ও ফল ধারণ মে-আগস্ট মাস। বীজ ও কন্দের সাহায্যে সহজ উপায়ে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: মায়ানমার এবং বাংলাদেরশের চট্টগ্রাম ও মৌলভী বাজর জেলা থেকে এর অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে।আরো পড়ুন

চীনা বিষকচু প্রকৃতির এক অনন্য বিস্ময়: চিরহরিৎ বীরুৎ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বিস্তৃতি ও ভেষজ গুণাগুণ

চীনা-বিষকচুর পাতা

উদ্ভিদটিকে চূর্ণ করে লেই তৈরি করা হয় যা বিষধর সাপের কামড়ের স্থান, ফোড়া, বাত ও সন্ধিবাত রোগে বাহ্যিক প্রয়োগ করার প্রচলন রয়েছে। (Heng, 1979)। বাংলাদেশের আদিবাসিরা গাছটিকে ভেষজ রূপে ব্যবহার করে।আরো পড়ুন

লম্বা ফানকচু: বিরল এই উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও ভেষজ গুণাগুণ

লম্বা-ফানকচুর পাতা

ভূমিকা: লম্বা ফানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia navicularis) বাংলাদের পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ। এই কচু সচরাচর পাওয়া যায় না। এই প্রজাতি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মালেও বাংলাদেশে এর অবস্থান সংকটাপন্ন। বিষয়ের নাম বিস্তারিত তথ্য বৈজ্ঞানিক নাম Alocasia navicularis C. Koch et Bouché in Ind. Sem. Hort. Berol. App.: 2 (1855) সমনাম (Synonym) Colocasia navicularis C. Koch et Bouché … Read more

কেতুরী হলদি দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ায় জন্মানো কন্দ প্রজাতি

কেতুরী হলদি হল একটি আকর্ষণীয় আদা, যার মধ্যে শক্ত ভূগর্ভস্থ রাইজোম রয়েছে, এবং এটি শীতকালে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। বসন্তের শুরুতে পাতার আগায় ফুল আসে। এর রঙ্গিন বৃতিগুলো প্রজাতিটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে। এর বৃতিগুলোর আকৃতি ও রং খুব পরিবর্তনশীল। প্রায় তিন সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে গাছে ফুল ফুটে থাকে। আরো পড়ুন

শঠি বা শটি কন্দের নানাবিধি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

শঠি বা শটি-র চাষ ভারতের প্রায় সর্বত্র অল্পবিস্তর হয়ে থাকলেও আপনা-আপনিই প্রায় সব প্রদেশেরই যেখানে-সেখানে হয়ে থাকে, এই পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর, ২৪ পরগণা, হুগলী, হাওড়া প্রভৃতি স্থানের কোথাও কোথাও ব্যাপক চাষ যে হয় না তা নয়। বাংলাদেশে শঠীর পালো তৈরী কুটির শিল্পের মতই ছিল।আরো পড়ুন

সটি বা ফইল্লা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

রাইজোম কফ নির্গমক, পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক, শীতলকারক, মূত্রবর্ধক এবং উত্তেজক, বায়ু নিরোধক। মন্ড সেতী এবং অর্শ্বে, ক্কাথ। কাল মরিচ, দারুচিনি এবং মধুর সাথে মিশিয়ে ঠান্ডা, ব্রংকাইটিস এবং হাঁপানিতে উপকারী, অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে মিশিয়ে প্রসুতির দুর্বলতা কাটাতে দেওয়া হয়।আরো পড়ুন

হলুদ বাংলাদেশে জন্মানো জনপ্রিয় ও ভেষজ গুণসম্পন্ন মসলা

রাইজোম উত্তেজক, বায়ু নিরোধক, টনিক, রক্ত পরিষ্কারক, জ্বরনাশক এবং কৃমিনাশক। ফুলা, বাত, জন্ডিস এবং ঠান্ডায় বহুল ব্যবহার হয়। তাজা রস অনেক চর্মরোগে জীবাণু নাশক হিসাবে ব্যবহার হয়।আরো পড়ুন

কালা হলদি পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

রাইজোম উত্তেজক, বায়ু নিরোধক, বাহ্যিকভাবে আঘাত, মচকানোতে এবং বাতের ব্যথায় ব্যবহার হয়। মাথাব্যথা এবং ক্ষতেও উপকারী, তাছাড়া প্রসাধনী তৈরীতেও ব্যবহার হয়।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!