শঠি বা শটি কন্দের নানাবিধি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

শঠি বা শটি-র চাষ ভারতের প্রায় সর্বত্র অল্পবিস্তর হয়ে থাকলেও আপনা-আপনিই প্রায় সব প্রদেশেরই যেখানে-সেখানে হয়ে থাকে, এই পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর, ২৪ পরগণা, হুগলী, হাওড়া প্রভৃতি স্থানের কোথাও কোথাও ব্যাপক চাষ যে হয় না তা নয়। বাংলাদেশে শঠীর পালো তৈরী কুটির শিল্পের মতই ছিল।আরো পড়ুন

সটি বা ফইল্লা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

রাইজোম কফ নির্গমক, পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক, শীতলকারক, মূত্রবর্ধক এবং উত্তেজক, বায়ু নিরোধক। মন্ড সেতী এবং অর্শ্বে, ক্কাথ। কাল মরিচ, দারুচিনি এবং মধুর সাথে মিশিয়ে ঠান্ডা, ব্রংকাইটিস এবং হাঁপানিতে উপকারী, অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে মিশিয়ে প্রসুতির দুর্বলতা কাটাতে দেওয়া হয়।আরো পড়ুন

হলুদ বাংলাদেশে জন্মানো জনপ্রিয় ও ভেষজ গুণসম্পন্ন মসলা

রাইজোম উত্তেজক, বায়ু নিরোধক, টনিক, রক্ত পরিষ্কারক, জ্বরনাশক এবং কৃমিনাশক। ফুলা, বাত, জন্ডিস এবং ঠান্ডায় বহুল ব্যবহার হয়। তাজা রস অনেক চর্মরোগে জীবাণু নাশক হিসাবে ব্যবহার হয়।আরো পড়ুন

কালা হলদি পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

রাইজোম উত্তেজক, বায়ু নিরোধক, বাহ্যিকভাবে আঘাত, মচকানোতে এবং বাতের ব্যথায় ব্যবহার হয়। মাথাব্যথা এবং ক্ষতেও উপকারী, তাছাড়া প্রসাধনী তৈরীতেও ব্যবহার হয়।আরো পড়ুন

আমাদা বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় ভেষজ কন্দজ প্রজাতি

রাইজোম বায়ু নিরোধক, পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক, শীতলকারক, রুচিকারক, কফ নির্গমক, যৌনশক্তি বর্ধক এবং দাস্ত কারক। রাইজোমের পেস্ট প্রদাহ, চুলকানি এবং চর্মরোগে ব্যবহার হয় এর ক্বাথ ব্রংকাইটিস, হাপানী, হিক্কা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় ব্যবহার হয়। আরও পড়ুন

কচু বাংলাদেশে জন্মানো জনপ্রিয় ও সহজলভ্য ভেষজ সবজি

গাছটির কন্দ, পাতা, বৃন্ত, বক্রধাবক সবই খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়। পাতা ও মূলের রস ক্যান্সার রোগে ব্যবহার করা হয়। কাচা পাতা ও গুঁড়িকন্দ খেলে মুখে চুলকানি ও যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। কন্দের রস বিছার হুল বিদ্ধ স্থানে যন্ত্রণা নিরসনে ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

গাং কনুর বাংলাদেশে জন্মানো বহুবর্ষজীবী কন্দ বীরুৎ

বহুবর্ষজীবী কন্দাল বীরুৎ, কন্দ গোলাকার, ৫.০-৭.৫ সেমি ব্যাস বিশিষ্ট; পত্র লম্বা, ৪৫-৬০ x ২.৫-৪.০ সেমি, উজ্জ্বল সবুজ, অর্ধ ঋজু, অসি ফলকাকার, মূলীয় অংশ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ সরু, শীর্ষ দীর্ঘাঘ, কিনারা অমসৃণ। আরো পড়ুন

বিষ কনুর বাংলাদেশে পাহাড়ীঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

এই প্রজাতি কন্দাল বীরুৎ। কন্দ দৃঢ়, মূলীয় অংশ মূলকাকার বক্রধাবকবৎ, গ্রীবা বেলনাকার। পাতার দৈর্ঘ্য ৫০-৯০ সেমি ও প্রস্থ ২-৩ সেমি। রৈখিক বা রৈখিক বল্লমাকার, অবতল, মসৃণ, স্থূলাগ্র।আরো পড়ুন

দেশি কনুর ভেষজ গুণসম্পন্ন বাহারি বিরুৎ প্রজাতি

বৃহৎ শল্ককন্দ যুক্ত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। পত্র লম্বা, ১২ সেমি বা ততোধিক প্রশস্ত, প্রান্ত অখন্ড, পুষ্পবিন্যাস ১০-১৫ পুষ্প বিশিষ্ট আম্বেল। পুষ্প বৃহৎ, সাদা, রাত্রিতে সুগন্ধী।আরো পড়ুন

লম্বা ফানকচু দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার অরণ্য বিরুৎ

ভূমিকা: লম্বা ফানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia navicularis) বাংলাদের পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ। এই কচু সচরাচর পাওয়া যায় না। এই প্রজাতি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মালেও বাংলাদেশে এর অবস্থান সংকটাপন্ন। লম্বা ফানকচু-এর বর্ণনা: অশাখ দৃঢ় বীরুৎ, ২০ মিটার পর্যন্ত লম্বা। পাতা ২২-৪৩ x ১২-২৪ সেমি, ছত্রবদ্ধ, প্রশস্ত দীর্ঘায়ততীরাকার, মূলীয় খন্ডের বিপরীত অংশ সংকীর্ণ, ফ্যাকাশে সবুজ, শীর্ষীয় খন্ড তীক্ষা, … Read more

error: Content is protected !!