ঘেট কচু এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ সবজি

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা। ঘেট কচু-এর বিবরণ ঘেঁটকচু দেখতে অনেকটা সাধারণ কচু … Read more

মানকচু-এর সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রযোগ পদ্ধতির বর্ণনা

আয়ুর্বেদ মতে, মানকচু মৃদু বিরেচক অথাৎ ‘অল্প মাত্রায়’ মলকারক (অনেকের মতে মল ধারক অর্থাৎ মল রোধ করে), মূত্র বৃদ্ধি করে, শোথ রোগ সারিয়ে তোলে, শীতবীর্য অর্থাৎ শরীরে ঠাণ্ডা প্রভাব সৃষ্টি করে, লঘু অথাৎ সহজে হজম হয়, পিত্ত ও রক্তের দোষ নাশ করে। মানকচু-এর ঔষধি ব্যবহার: ১. ঘা বা ক্ষত দূর করতে: মানকচু শিকড়ের এক টুকরা … Read more

কচু ও কচুশাক খাওয়ার উপকারিতা ও অনেকগুলো ভেষজ গুণ

কচু Colocasia গণের একধরনের কন্দ জাতীয় উদ্ভিদ। মানুষ প্রাচীনকাল থেকে চাষ করে আসছে। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সব এলাকায় দেখা যায়। রাস্তার পাশে, পুকুরের পাড়ে, বাড়ির আনাচে কানাচে, স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে অনাদরে-অবহেলায় কচু জন্মে থাকে। আরো পড়ুন

ঢাল কচু বাংলাদেশ ও ভারতের আলংকারিক উদ্ভিদ

পরিচিতি: ঢাল কচু এরাসি বা কচু পরিবারের একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এদের পাতাগুলি ঢাল-আকৃতির, ১১-১৪ সেন্টিমিটার জুড়ে, এবং বৃন্ত পাতাকে যুক্ত করে, প্রান্তে নয়, তবে মাঝখানে কোথাও। প্রজাতির নাম পেলটাটা পাতাগুলির এই দিকটি জোর দেয়। পাতা এককভাবে এবং বৃন্তটি ৯-১৯ সেন্টিমিটার দীর্ঘ। প্রায় ১-১.৫ সেন্টিমিটার দীর্ঘ ফুলটি ডাঁটা আকারের হয়। এটি গোখরো লিলি ফুলের মত, … Read more

error: Content is protected !!