ওল কচুর উপকারিতা, ঔষধি গুণাগুণ ও চাষ পদ্ধতি: বাতের ব্যথা ও পেটের পীড়ার মহৌষধ

ওলকচুর গাছ

অরণ্য ও বাগানের বড় গাছের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে স্থানে জন্মে। ওল কচু বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। বংশ বিস্তার হয় অপত্য গুঁড়িকন্দের সাহায্যে সহজেই প্রজনন চলে। ফুল ও ফল ধারণ মে-নভেম্বর।আরো পড়ুন

হরিণা শাক (Aglaonema hookerianum) কি? এর বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও চাষ পদ্ধতি

হরিণা-শাকের পাতা ও ফুলের ছবি

হরিণা শাক বীরুৎ প্রজাতির। এদের কান্ড ৪০-৫০ সেমি লম্বা, ১.৫-২.০ সেমি পুরু। পর্বমধ্য ১.৫-৩.০ সেমি, পাতা সবৃন্তক, বৃন্ত ২৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্র বেষ্টনী ঝিল্লিযুক্ত, ১৫ সেমি পর্যন্ত, পত্রফলক ২৭ X ৭-১২ সেমি, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার বা ভল্লাকারআরো পড়ুন

খাড়া বিষকচু কি? জানুন বিরল এই পাহাড়ি উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য ও বিস্তৃতি

পাহাড়ের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে ঢালু অঞ্চল। ফুল ও ফল ধারণ মে-আগস্ট মাস। বীজ ও কন্দের সাহায্যে সহজ উপায়ে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: মায়ানমার এবং বাংলাদেরশের চট্টগ্রাম ও মৌলভী বাজর জেলা থেকে এর অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে।আরো পড়ুন

চীনা বিষকচু প্রকৃতির এক অনন্য বিস্ময়: চিরহরিৎ বীরুৎ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বিস্তৃতি ও ভেষজ গুণাগুণ

চীনা-বিষকচুর পাতা

উদ্ভিদটিকে চূর্ণ করে লেই তৈরি করা হয় যা বিষধর সাপের কামড়ের স্থান, ফোড়া, বাত ও সন্ধিবাত রোগে বাহ্যিক প্রয়োগ করার প্রচলন রয়েছে। (Heng, 1979)। বাংলাদেশের আদিবাসিরা গাছটিকে ভেষজ রূপে ব্যবহার করে।আরো পড়ুন

ঢাল কচু (Ariopsis peltata) এর পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও বর্তমান সংরক্ষণ অবস্থা

ঢাল কচুর গাছ ও পাতার ছবি

ঢাল কচু (বৈজ্ঞানি নাম: Ariopsis peltata) হলো অ্যারাসি (Araceae) বা কচু পরিবারের অ্যালোকেসিয়া গোত্রের একটি অত্যন্ত দুর্লভ ও নজরকাড়া কন্দজাতীয় গুল্ম উদ্ভিদ। আন্তর্জাতিকভাবে এটি ‘শিল্ড লিফ অ্যারিওপসিস’ (Shield Leaf Ariopsis) বা ঢাল-পাতা কচু নামে পরিচিত। এর পাতার বিশেষ আকৃতি এবং চমৎকার প্রাকৃতিক গঠনের কারণে উদ্ভিদপ্রেমী ও বাগানবিলাসীদের কাছে এই বুনো প্রজাতিটির একটি অনন্য আকর্ষণ রয়েছে। … Read more

মানকচুর পরিচিতি ও ভেষজ গুণাগুণ: আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের অবাক করা তথ্য

মানকচু এবং এদের বিশাল পাতা

গ্রামের ঝোপঝাড়, জলপ্রবাহযুক্ত ক্ষুদ্র নদীর তীর, নিম্ন জলাভূমি, গাছের নিচে ছায়াযুক্ত স্থান। ফুল ও ফল ধারণ জুলাই-অক্টোবর মাস। শাখা কন্দের মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি হয়। বিস্তৃতি: ভারত, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ। বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মে। আরো পড়ুন

লম্বা ফানকচু: বিরল এই উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও ভেষজ গুণাগুণ

লম্বা-ফানকচুর পাতা

ভূমিকা: লম্বা ফানকচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia navicularis) বাংলাদের পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ। এই কচু সচরাচর পাওয়া যায় না। এই প্রজাতি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মালেও বাংলাদেশে এর অবস্থান সংকটাপন্ন। বিষয়ের নাম বিস্তারিত তথ্য বৈজ্ঞানিক নাম Alocasia navicularis C. Koch et Bouché in Ind. Sem. Hort. Berol. App.: 2 (1855) সমনাম (Synonym) Colocasia navicularis C. Koch et Bouché … Read more

ঘেট কচু এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ সবজি

ঘেট কচুকে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে ঘেঁটকোলও বলা হয়ে থাকে। তামিল প্রদেশে করুণাইকিঝাংগু, তেলেগুতে দূরাদাকাণ্ডাগাড়া ও মালয়ে চেনা নামে এটি পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Typhonium trilobatum (Linn.)Schott. পূর্বে এটির নাম ছিল Arum trilobatum Linn.,ফ্যামিলী Araceae, ভারতে এই গণের ১৬টি প্রজাতি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ: কন্দ, ডাঁটা ও পাতা। ঘেট কচু-এর বিবরণ ঘেঁটকচু দেখতে অনেকটা সাধারণ কচু … Read more

গংধ কচু পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো বহুজীবী বীরুৎ

ভূমিকা: গংধ কচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Homalomena aromatica) হচ্ছে এরাসাই পরিবারের হোমালোমেনা গণের এক প্রকারের বিরুৎ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মায়। গংধ কচু-এর বর্ণনা: গংধ কচু চিরহরিৎ বহুজীবী বীরুৎ। আকারে ১০-৩০ × ২-৪ সেমি , গ্রন্থিকন্দ অশাখ ও  সুগন্ধি। পাতা ১৫-৩০ × ১০-২৫ সেমি, প্রশস্ত, ডিম্বাকার, দীর্ঘাগ্র, মূলীয় খন্ড সাধারণত দূরাপুলারী, ডিম্বাকার, স্থূলাগ্র, উপরের খন্ডের এক-তৃতীয়াংশ … Read more

টাকাপানা বা টোকাপানা ভেষজ গুণসম্পন্ন জলজ প্রজাতি

ভারতের সর্বত্র বিশেষতঃ জলাসন্ন প্রদেশে টোকাপানা (Pistia stratiotes) পাওয়া যায়। পুকুর, জলাশয়, নালা, ঝিল প্রভৃতিতে জন্মে । জলে ভেসে থাকে। লোনা জলে হতে দেখা যায় না। অল্প লবণ-বিশিষ্ট জলে কদাচিৎ হতে দেখা যায়। শীতের সময় এর বাড়বাড়ন্ত হ্রাস হয়, বেশির ভাগ পাতা পচে যায়। শীতের পর নতুন পাতা গজায় ও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং বর্ষাকালে এর বৃদ্ধি দুরন্ত গতিতে হতে থাকে। এই পানা একটি উৎকৃষ্ট সার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানা গায়ে লাগলে চুলকায়।

error: Content is protected !!