আনারস (Pineapple): উদ্ভিদতাত্ত্বিক পরিচয়, চাষ পদ্ধতি ও অসীম ভেষজ গুণাগুণ

আনারস

বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus (L.) Merr., Interpr. Herb. Amboin.: 133 (1917). সমনাম: Bromelia comos L. (1754), Ananas sativus (Lindl). Schutt. f. (1830). ইংরেজি নাম: পাইন এ্যাপল। স্থানীয় নাম: আনারস।
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Monocots অবিন্যাসিত: Commelinids বর্গ: Poales পরিবার: BROMELIACEAE গণ: Ananas প্রজাতির নাম: Ananas comosus.

ভূমিকা: রসালো ও সুস্বাদু ফল হিসেবে পরিচিত আনারস (বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus) মূলত একটি সপুষ্পক বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায় এটি ব্রোমেলিয়াসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এই গণের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অনন্য গঠন এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর অত্যন্ত সুমিষ্ট ও রসালো ফল।

আনারসের উদ্ভিদতাত্ত্বিক পরিচয়

বিবরণ: আনারস মূলত একটি বর্ষজীবী বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড সাধারণত খাটো, শাখাহীন, পুরু এবং বেশ মাংসল হয়ে থাকে। এর পাতাগুলো লম্বা (প্রায় ৫০-৭৫ সেমি দৈর্ঘ্য এবং ৩-৬ সেমি প্রস্থ), সরু ও বল্লমাকার। তন্তুময় এই পাতাগুলোর প্রান্তে সূক্ষ্ম কাঁটা থাকে এবং এর শিরা বিন্যাস সমান্তরাল। পাতাগুলো কাণ্ডের চারপাশ থেকে গুচ্ছাকারে সজ্জিত থাকে।

পুষ্পবিন্যাস: এর পুষ্পবিন্যাস শীর্ষীয় এবং সংক্ষেপিত মঞ্জরী প্রকৃতির। ফুলগুলো গুচ্ছাকারে ও কোণাকৃতির হয়ে থাকে, যা মূলত উজ্জ্বল নীল বর্ণের এবং মঞ্জরীপত্রের অক্ষে জন্মায়। আনারসের ফুলগুলো উভলিঙ্গ এবং সমাঙ্গ প্রকৃতির। এতে তিনটি প্রশস্ত ও দীর্ঘাগ্র বৃত্যংশ থাকে, যা গর্ভাশয়ের উপরিভাগে মুক্ত অবস্থায় থাকে।

পুষ্পতত্ত্ব ও ফল গঠন: আনারসের পাপড়ি তিনটি এবং সোজা বা ঋজু প্রকৃতির; যা পুংদণ্ডের নিচের দিকে সামান্য যুক্ত থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাপড়ির গোড়ায় দুটি ক্ষুদ্র শল্ক বা উপাঙ্গ দেখা যায়। এতে মোট ছয়টি পুংকেশর থাকে, যার মধ্যে তিনটি পাপড়ির সাথে একান্তরভাবে সাজানো এবং এদের পুংদণ্ডগুলো মুক্ত। বাকি তিনটি পুংকেশর সরাসরি পাপড়ির বিপরীতে এবং নিচের অংশে যুক্ত থাকে। এদের পরাগধানী দেখতে রৈখিক।

গর্ভাশয় ও ফল: এর গর্ভপত্র তিনটি এবং পরস্পর যুক্ত। তিন প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট এই গর্ভাশয় অধোগর্ভ (Inferior) এবং মাংসল পুষ্পাক্ষের (Receptacle) ভেতরে নিহিত থাকে। গর্ভাশয়ের প্রতিটি প্রকোষ্ঠে একাধিক ডিম্বক থাকে এবং এর গর্ভদণ্ড অনেকটা সুতার মতো বা সূত্রাকার। গর্ভমুণ্ডটিও রৈখিক প্রকৃতির। আনারসের বিশেষত্ব হলো এর ফল গঠন প্রক্রিয়া; এটি একটি মাংসল ও রসালো সরোসিস (Sorosis) জাতীয় ফল। মূলত মঞ্জরীপত্র, পুষ্পাক্ষ এবং পুষ্পধার একত্রে মিলিত হয়ে এই সুস্বাদু ও কোণাকৃতি রসালো ফলটি গঠন করে।

ফলের আকার ও বীজ: একটি পূর্ণাঙ্গ আনারস সাধারণত উচ্চতায় ২০ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থে ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর ওজন সাধারণত ১ থেকে ২ কেজির মধ্যে হয়। এই ফলে বীজের সংখ্যা বেশ কম; বীজগুলো সাধারণত ডিম্বাকৃতি বা কিছুটা লম্বাটে এবং এদের ভ্রূণ অত্যন্ত ক্ষুদ্র প্রকৃতির হয়।

জাত ও প্রকরণ: বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু আনারস চাষের জন্য বেশ উপযোগী হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ভিন্ন ভিন্ন জাত বা প্রকরণ পাওয়া যায়। আমাদের দেশে জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত সুমিষ্ট হানিকুইন, আকারে বড় ও রসালো জায়েন্ট কিউ এবং সুপরিচিত ঘোড়াশাল আনারস।

সাইটোজেনেটিক্স বা ক্রোমোজোম তথ্য: আনারসের জিনগত বৈশিষ্ট্যে বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। এদের ক্রোমোজোম সংখ্যা সাধারণত 2n = ৫০, ৭৫ অথবা ১০০ পর্যন্ত হতে পারে। এই ধরনের ক্রোমোজোম বিন্যাস উদ্ভিদের আকার ও ফলের গুণগত মানের ওপর প্রভাব ফেলে।

আনারস-এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি:

আদি নিবাস ও বিশ্বব্যাপী বিস্তার: আনারসের আদি নিবাস আমেরিকার উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল। তবে বর্তমানে এটি বিশ্বের প্রায় সব উষ্ণমন্ডলীয় দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হাওয়াই, মেক্সিকো, কিউবা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ফরমোজা, শ্রীলঙ্কা, ভারত, চীন, তাইওয়ান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে এর ব্যাপক বাণিজ্যিক চাষাবাদ হয়।

বাংলাদেশে চাষাবাদ: বাংলাদেশের জলবায়ু আনারস চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। দেশের বৃহত্তর সিলেটপার্বত্য চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইলের মধুপুর গড় এবং ময়মনসিংহ জেলায় প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের আনারস জন্মে।

বংশবিস্তার ও সময়কাল: আনারস সাধারণত ফলের মূলীয় অংশ থেকে সৃষ্ট বিটপ (Sucker) এবং উর্ধ্বধাবকের (Slips/Crown) সাহায্যে বংশবিস্তার করে। সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এই উদ্ভিদে ফুল ও ফল ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

দক্ষিণ এশিয়ায় আনারসের বিস্তার

বর্তমানে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র আনারস গাছ দেখা গেলেও এটি মূলত একটি বহিরাগত উদ্ভিদ। আধুনিক উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, আনারসের আদি জন্মস্থান আমেরিকা। এটি ১৫১৩ খ্রিস্টাব্দে ইউরোপে এবং ১৫৯৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশে পরিচিতি লাভ করে। উদ্ভিদটি বাংলায় ‘আনারস’ এবং হিন্দিতে ‘আনানাস’ নামে সুপরিচিত।

অর্থনৈতিক ব্যবহার ও গুরুত্ব:

আনারসের পাকা ফল টাটকা খাওয়া হয়। এছাড়া জুস, স্কোয়াশ, জ্যাম, জেলি ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আনারস থেকে মদ তৈরি হয়। পাতার আঁশ শক্ত, সরু ও সাদা, জলে নষ্ট হয় না। মিহি কাপড় ও দড়ি তৈরিতে আঁশ ব্যাপক ব্যবহৃত।

আনারস সম্পর্কে প্রচলিত বিশ্বাস

আমাদের সমাজে একটি সাধারণ লোকজ বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, আনারস খাওয়ার পর দুধ পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। যদিও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর তেমন কোনো জোরালো ভিত্তি নেই, তবুও প্রাচীনকাল থেকেই এই ধারণাটি লোকমুখে চলে আসছে।

অন্যান্য তথ্য:

সংরক্ষণ ও বর্তমান অবস্থা: ‘বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ’ (১১তম খণ্ড, আগস্ট ২০১০)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে আনারস প্রজাতিটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত হিসেবে বিবেচিত। নিকট ভবিষ্যতে এই উদ্ভিদের বড় কোনো সংকটের সম্ভাবনা দেখা যায় না। তবে দেশে এই প্রজাতিটি সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে বিশেষ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, প্রজাতিটির বিস্তার ও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বাণিজ্যিক চাষাবাদের পাশাপাশি সাধারণ বাগান এবং বাড়ির আঙিনায় অধিক হারে আনারস আবাদের জন্য উৎসাহিত করা প্রয়োজন।[১]

আনারসের জাতিতাত্বিক ভেষজ ব্যবহার ও গুনাগুণ

ওষুধি ব্যবহার ও সতর্কতা: ভারত ও বাংলাদেশে প্রচলিত লোকজ চিকিৎসায় অন্ত্রের কৃমি বিনাশের জন্য আনারসের পাতার রস ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। তবে এই ফলের রস ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে; বিশেষ করে কাঁচা আনারসের রস গর্ভপাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হয়।

১. মূত্রকৃচ্ছ্র বা প্রস্রাবের সমস্যায়: প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা প্রস্রাব পরিষ্কার না হওয়ার সমস্যায় আনারস গাছের মূল ব্যবহারের কথা বলা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাছের মূল ভালোভাবে ধুয়ে থেঁতো করে রস সংগ্রহ করে সামান্য পানি মিশিয়ে পান করার প্রথা রয়েছে। যদি মূল পাওয়া না যায়, তবে আনারস পাতার গোড়ার সাদা অংশটি থেঁতো করে রস নিলেও একই উপকার পাওয়া যেতে পারে বলে লোকজ চিকিৎসায় বিশ্বাস করা হয়। এটি নিয়মিত কিছুদিন সেবন করলে প্রস্রাব স্বাভাবিক ও পরিষ্কার হতে পারে।

২. কৃমির উপদ্রবে: অন্ত্রে বা মলাশয়ে কৃমির বিস্তার ঘটলে অনেক সময় মলদ্বারে অস্বস্তি বা সুড়সুড়ি অনুভূত হয়। এছাড়া পিত্ত ও শ্লেষ্মা জমে আমাশয়ের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় আনারস পাতার নিচের সাদা অংশটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে থেঁতো করে রস সংগ্রহ করুন। এই রস এক থেকে দুই চা-চামচ পরিমাণ নিয়ে নিয়মিত কয়েকদিন সেবন করলে কৃমির উপদ্রব ও সংশ্লিষ্ট অস্বস্তি দূর হতে পারে।

৩. অপুষ্টিজনিত কৃশতায়: শরীর অতিরিক্ত রোগা বা অপুষ্টির শিকার হলে আনারস একটি চমৎকার প্রাকৃতিক সম্পূরক হতে পারে। সিজন চলাকালীন নিয়মিত পাকা আনারস খেলে শরীরের পুষ্টির অভাব দূর হয় এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। এক্ষেত্রে অন্তত সিকি (১/৪) কাপ পরিমাণ আনারসের রস সকালে ও বিকেলে দুইবার পান করা যেতে পারে। তবে যাঁদের অ্যালার্জি বা অ্যাজমার সমস্যা আছে, অনেক সময় তাঁদের শরীরে আনারস সহ্য হয় না। তাই নিয়মিত সেবন শুরু করার আগে অন্তত একবার পরীক্ষা করে নেওয়া নিরাপদ।

৪. সর্দি-গর্মিজনিত কাশিতে: অতিরিক্ত গরমে অতিষ্ঠ হয়ে হঠাৎ ঠান্ডা পানি পান বা ঠান্ডা বাতাস লাগানোর ফলে যে সর্দি-কাশি (প্রতিশ্যায়) হয়, সেক্ষেত্রে আনারস অত্যন্ত উপকারী। আয়ুর্বেদিক মতে, শরীরের উদান বায়ু (কণ্ঠগত) ও নাভিগত বায়ু বিঘ্নিত হলে প্রস্রাব রোধ হয় এবং প্রচণ্ড তৃষ্ণা পায়। এই অবস্থায় বারবার পানি পান করলে অস্থিরতা বেড়ে গিয়ে এক ধরনের বিশেষ কাশির সৃষ্টি হয়, যা হৃদযন্ত্রের পেশিতে চাপ সৃষ্টি করে। এমন পরিস্থিতিতে পাকা আনারসের রসের সাথে সামান্য চিনি মিশিয়ে কয়েক চামচ (৭-৮ চা-চামচ) সেবন করলে অস্থিরতা কমে। এর ফলে প্রস্রাব স্বাভাবিক হয় এবং কাশির উপদ্রব থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

৫. পেট ফাঁপা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়: বদহজম বা অন্য কোনো কারণে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি বোধ হলে পাকা আনারসের রস বেশ কার্যকর। এক্ষেত্রে এক কাপ পাকা আনারসের রসের সাথে সামান্য লবণ এবং এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে দ্রুত সুফল পাওয়া যায়। এটি সেবনের অল্প সময়ের মধ্যেই প্রস্রাব স্বাভাবিক হয় এবং পেটের জমাট বাঁধা গ্যাস বা ফাঁপা ভাব দূর হয়ে স্বস্তি ফিরে আসে।[২]

সতর্কীকরণ: ঘরে প্রস্তুতকৃত যে কোনো ভেষজ ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শে নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।

রাসায়নিক উপাদান ও পুষ্টিগুণ:

আনারস পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এর রাসায়নিক উপাদানের একটি গড় চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

  • জলীয় অংশ (Moisture): ৮৬.৫%
  • শর্করা (Carbohydrates): ১২%
  • অম্লতা (Acid): ০.৩ – ০.৯%
  • প্রোটিন: ০.৬%
  • ফ্যাট: ০.১%
  • খনিজ উপাদান (Minerals): ০.৫%
    • ক্যালসিয়াম: ০.০২%
    • ফসফরাস: ০.০১%
    • আয়রন: সামান্য পরিমাণ।
  • ভিটামিন: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে।
  • বিশেষ এনজাইম: আনারসে ব্রোমেলিন (Bromelin) নামক একটি শক্তিশালী এনজাইম থাকে, যা হজমে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র:

১. এস. কে. দত্ত, “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস”  আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ। ১১তম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা, আগস্ট ২০১০। পৃষ্ঠা ১৪২। আইএসবিএন 984-30000-0286-0
২. আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য: চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ৫, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ ১৪০৩, পৃষ্ঠা, ১৭৫-১৭৬।

বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি উইকিপিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: Shajiarikkad

Leave a Comment

error: Content is protected !!