বাসক পাতার জাদুকরী উপকারিতা: পরিচয় থেকে ঘরোয়া প্রতিকারের উপায়

বাসকের সাদা ফুল

ভূমিকা: বাসক বা ভাসক বা বাকাস বা বাসা বা আলোক-বিজাব হচ্ছে একান্থাসি পরিবারের জাস্টিসিয়া গণের একটি সপুষ্পক গুল্ম। এর হিন্দি নাম আড়ষা, এটি অটরুষকের বিবর্তিত শব্দনাম। বিবরণ: বাসক ক্ষুপজাতীয় গাছ হলেও প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট উচু হয়; আষাঢ়-শ্রাবণে সাদা ফুল হয়।[১] আরো পড়ুন

বিদ্যাপাতা বা কালীঝাঁট: পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর অবিশ্বাস্য ভেষজ গুণাগুণ

বিদ্যাপাতা-বা-কালীঝাঁট সবুজ সতেজ পাতা

এই ফার্ন বাহারি পাতা হিসাবে অনেকে টবে লাগিয়ে থাকে। বারান্দায় ঝুলন্ত টবে শোভাবর্ধন করে। স্থলজ আবাস, অধিকাংশই স্যাঁতসেঁতে দেয়াল এবং ভেজা, ছায়াযুক্ত স্থান। বংশবিস্তার হয় গ্রন্থিক এবং রেণু দ্বারা।আরো পড়ুন

বুইশাকফুল: এক রহস্যময় পরজীবী উদ্ভিদ ও এর অবিশ্বাস্য ভেষজ গুণাগুণ

বুইশাকফুল পরজীবী উদ্ভিদ

বুইশাকফুল গুলো (বৈজ্ঞানিক নাম: Aeginetia indica) প্রজাতিটি বাংলাদেশে তেমন পরিচিত নাম না। তবে এটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জন্মে। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

মাঝারি আকন্দ গাছের পরিচিতি, শ্রেণীবিন্যাস এবং এর চমৎকার জাতিতাত্ত্বিক ব্যবহার

মাঝারি আকন্দ গাছের ছবি

মাঝারি আকন্দ (বৈজ্ঞানিক নাম: Calotropis acia) আমাদের প্রকৃতিতে মূলত ‘পাহাড়ি আকন্দ’ নামে সুপরিচিত একটি অত্যন্ত মূল্যবান ওষধি উদ্ভিদ। এটি এপোসিনাসি (Apocynaceae) পরিবারের এবং ক্যালোট্রপিস (Calotropis) গণের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রজাতি। বড় বা ছোট পাতা আকন্দের তুলনায় এটি প্রাকৃতিকভাবে কিছুটা কম দেখা যায়। এই উদ্ভিদটি সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির এক প্রকার বহুবর্ষজীবী গুল্ম ও ঝোপজাতীয় গাছ, … Read more

বড় আকন্দ গাছ কি? জানুন এর বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য, চাষ পদ্ধতি ও ভেষজ গুণ

আকন্দ গাছের পাতা ও ফুল

বড় আকন্দ বা বড় আকন বা মাদার এক প্রকারের ঝোপ ও গুল্ম জাতীয় মাঝারি ধরনের ওষধি গাছ। এদের কাণ্ড নরম। আরো পড়ুন

আকন্দ গাছ কি? জানুন আকন্দের বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস ও ঔষধি গুণ

আকন্দ গাছের পাতা ও ফুল

আকন্দ (Calotropis) হলো এপোসিনাসি (Apocynaceae) উদ্ভিদ পরিবারের একটি চিরসবুজ গুল্মজাতীয় ওষধি গাছ। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এটি একটি উদ্ভিদ গণ (Genus), যার অধীনে মূলত তিনটি প্রধান প্রজাতি রয়েছে। আমাদের উপমহাদেশে এই প্রজাতিগুলো সাধারণত ‘আকন্দ’ নামেই পরিচিত। প্রজাতি তিনটি হলো: আকন্দ বা ক্যালোট্রপিস গণের নামকরণের একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। ১৮১১ সালে বিজ্ঞানী রবার্ট ব্রাউন (R. Br.) প্রথম এই … Read more

উচুন্টি গাছের ভেষজ গুণাগুণ, বৈজ্ঞানিক নাম ও অনন্য বৈশিষ্ট্য

উচুন্টির ফুটন্ত সাদা ফুলের ছবি

বাংলাদেশের ত্রিপুরা আদিবাসীরা কাটা এবং ঘায়ের ক্ষতে উদ্ভিদটির পাতার রস ব্যবহার করে। লিভার বেদনা উপশমে খাসিয়া আদিবাসীরা সম্পূর্ণ উদ্ভিদটির ক্বাথ ব্যবহার করে, উপজাতীয় সংগঠন সমূহ, যেমন মৌলভীবাজার জেলার মনধা জনগোষ্ঠী উদ্ভিদটির শিকড় ক্ষতিকারক শয়তানী শক্তির হাত থেকে শিশুদের রক্ষাকারক হিসেবে, আরো পড়ুন

হরিণা শাক (Aglaonema hookerianum) কি? এর বৈশিষ্ট্য, আবাসস্থল ও চাষ পদ্ধতি

হরিণা-শাকের পাতা ও ফুলের ছবি

হরিণা শাক বীরুৎ প্রজাতির। এদের কান্ড ৪০-৫০ সেমি লম্বা, ১.৫-২.০ সেমি পুরু। পর্বমধ্য ১.৫-৩.০ সেমি, পাতা সবৃন্তক, বৃন্ত ২৪ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্র বেষ্টনী ঝিল্লিযুক্ত, ১৫ সেমি পর্যন্ত, পত্রফলক ২৭ X ৭-১২ সেমি, ডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার বা ভল্লাকারআরো পড়ুন

চাকুয়া কড়ই গাছের পরিচিতি, বৈশিষ্ট্য ও এর নানাবিধ ব্যবহার

চাকুয়া-কড়ইয়ের পাতা ও ফুল

দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বাংলাদেশে প্রজাতিটি চা-বাগানিদের কর্তৃক ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ হিসেবে প্রবর্তিত হয়েছে। বনাঞ্চলে ইহা ছড়িয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে অনেক জেলাতেই লাগানো হয়, বিশেষ করে। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর এবং ঠাকুরগাঁতে।আরো পড়ুন

শিল কড়ই বা মটর কড়ই গাছের পরিচিতি: বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ ও এর বহুমুখী গুরুত্ব

শিল কড়ই অর্ধচিরহরিৎ বৃক্ষ, ৮-১৮ মিটার উঁচু, ছড়ানো চূড়াবিশিষ্ট। বাকল প্রায় মসৃণ, ধূসরাভ থেকে গাঢ় বাদামী, আনুভূমিকভাবে কুঞ্চিত এবং কর্ক সদৃশ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুসকুড়ি দ্বারা আবৃত। কচি বিটপ এবং পুষ্পমঞ্জরী রেশমী ও বাদামী রোমে আবৃত।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!