অন্তমূল গ্রীষ্মমন্ডলীয় ও উপ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় এশিয়ার লম্বা প্যাচানো গুল্ম

ঔষধি উদ্ভিদ অনন্তমূলের সাথে বিভ্রান্ত হবেন না বিবরণ: অন্তমূল এপোসিনাসি পরিবারের টিলোফোরা গণের লম্বা প্যাচানো গুল্ম। এদের কাণ্ড ও শাখা সরু, রোমশ বা মসৃণ। এদের পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ০.৫-২.০ সেমি লম্বা, রোমশ, পত্রফলক বৈচিত্র্যপূর্ণ, ডিম্বাকার থেকে ডিম্বাকার-আয়তাকার, ৩.০-১১.৫ x ১.২-৭.০ সেমি, সূক্ষ্মাগ্র থেকে স্থূলাগ্র-তীক্ষ্মাগ্র, নিম্নাংশ স্থূলাগ্র বা অতি অগভীরভাবে হৃৎপিন্ডাকার, কিছুমাত্রায় মাংসল কিন্তু শুষ্ক অবস্থায় … Read more

দুধকুমার নদ বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গ ও ভুটানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদ

দুধকুমার নদ (ইংরেজি: Dudhkumar River) বাংলাদেশ ভারত ও ভুটানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদ। নদটি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভুটানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নদটির মোট দৈর্ঘ্য ৩১৮ কিলোমিটার,[২] বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫ কিলোমিটার, বাংলাদেশে গড় প্রশস্ততা ৬০ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক দুধকুমার নদের প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর হচ্ছে … Read more

ধরলা নদী বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

ধরলা নদী (ইংরেজি: Dharla River) বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানেরএকটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলা, ভুটান এবং সিকিমের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ২০৯ কিলোমিটার, বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১.২ কিলোমিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক ধরলা … Read more

মাথাভাঙ্গা নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

মাথাভাঙ্গা নদী (ইংরেজি: Mathavanga River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীটির দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার এবং দর্শনার নিকট গভীরতা ১০ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৫০০ বর্গকিলোমিটার। সাধারণত এই নদীর তীর উপচে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বন্যা হয় না। … Read more

কদম গাছের এগারটি বহুমুখী ঔষধি ব্যবহার ও গুণাগুণ

কদম বা বুল কদম বা বুল কদম্ব হচ্ছে রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। কদম গাছের পাতা, ফুল ও বাকলের এগারটি বহুমুখী ঔষধি ব্যবহার ও গুণাগুণ বিভিন্ন গ্রন্থে উল্লেখিত হয়েছে। উল্লেখ্য কদম গাছ (বৈজ্ঞানিক নাম Neolamarckia cadamba) (ইংরেজি নাম burflower–tree, laran, Leichhardt pine) প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।[১] কদমের আছে অনেক আয়ুর্বেদিক ভেষজ গুনাগুণ যা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আরো পড়ুন

এশিয়ার মানুষের উপকারি উদ্ভিদ কাঁটা বাঁশের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

কাঁটা বাঁশ বা বাঁশ (বৈজ্ঞানিক নাম Bambusa bambos) হচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা, আমেরিকার বৃহৎ ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ। কাঁটা বাঁশের ভেষজ গুণাগুণ অনেক। এদের ইংরেজি নাম giant thorny bamboo, Indian thorny bamboo, spiny bamboo, thorny bamboo. কাঁটা বাঁশ বিস্তারিত পড়ুন

কাসালং নদী বাংলাদেশ ও মিজোরামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

কাসালং নদী বা কাচালং নদী (Kasalong River) বাংলাদেশ ও ভারতের মিজোরামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী, যদিও এই নদীটি যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক আন্তঃসীমান্ত নদী হিসেবে স্বীকৃত নয়। নদীটি  মূলত উত্তর-পূর্ব পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় কর্ণফুলী নদীর একটি প্রধান উপনদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১২৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৮০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো … Read more

দেওনাই চাড়ালকাটা যমুনেশ্বরী নদী বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী (ইংরেজি: Jamuneshwari River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১৬ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫০ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক যমুনেশ্বরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর হচ্ছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৫৮।[১] প্রবাহ: দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদীটির উৎপত্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলীগঞ্জ মহকুমার হলদিবাড়ি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের হেমকুমারি … Read more

মাতামুহুরী নদী বাংলাদেশ ও আরাকানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

মাতামুহুরী নদী: মাতামুহুরী নদী (ইংরেজি: Matamuhuri River) বাংলাদেশ ও মায়ানমারের আরাকানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি বাংলাদেশের বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি নদী। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার, বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪৬ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৫৪ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক মাতামুহুরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর … Read more

রায়মঙ্গল নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদী

রায়মঙ্গল নদী বা রাইমঙ্গল নদী (ইংরেজি: Raimangal River) বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ৬২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২২৬৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক রায়মঙ্গল নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৮৩।[১] প্রবাহ:রায়মঙ্গল নদীটি সুন্দরবনের কাছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার মধ্য … Read more

error: Content is protected !!