লাল শাপলা বাংলাদেশের জলজ আলংকারিক ফুল

লাল শাপলা বা রক্ত কমল (বৈজ্ঞানিক নাম: Nymphaea rubra) শাপলা পরিবারের একটি জলজ উদ্ভিদ। এটি বাংলার প্রজাতি। পাতা এবং বোঁটা লালচে সবুজ। ফুল ডাবল, ১০-২০ সেমি চওড়া, অনেকগুলি পাপড়ি এবং পাপড়ির রঙ লাল। লাল শাপলা রাতে ফোটে। গোলাকার ফলে অনেকগুলো ছোট ছোট বীজ হয়। বীজ খাওয়া যায়। গোঁড়ার চারা থেকে চাষ করা হয়। আলংকারিক ফুল … Read more

বাজনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

বাজনা-এর বিবরণ: বাজনা মধ্যম আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট কন্টকযুক্ত পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১২-২০মিটার এবং গাছের বেড় ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। বাজনাগাছের সব অংশই সুগন্ধযুক্ত হওয়ায় এটি সুগন্ধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং প্রধান কান্ডসহ ডালপালার গায়ে বেশ মোটা মজবুত তীক্ষ্ণ বড় বড় কাঁটা বিদ্যমান। বাকল পুরু, মসৃণ, নরম ও হালকা হলদেটে … Read more

শীল বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

বৈজ্ঞানিক নাম: Castanopsis indica (Roxb. ex Lindl.) A.DC., 1863 সমনাম: Castanea indica Roxburgh ex Lindl.; Castanopsis macrostachya Hu; Castanopsis sinensis A. Chev.; Castanopsis subacuminata Hayata; Quercus acutissima (Endl.) A. Camus; Quercus dubia Lindl. ex Wall.; Quercus indica Drake; Quercus prinodes Voigt; Quercus prinoides Willd.; Quercus roxburghii Endl.; Quercus serrata Roxb.; বাংলা ও স্থানীয় নাম: শীল বাটনা (চট্টগ্রাম), … Read more

জাত বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

জাত বাটন- এর বিবরণ: জাত বাটনা ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ,উচ্চতায় ২০-২৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা এবং গোলাকার। বাকল ধূসর-বাদামি বর্ণের এবং বাকলের উপরি ভাগ ঘনভাবে ফাটলযুক্ত। এদের পাতা সরল, আয়তাকার, লম্বায় ১২-২০ সেন্টিমিটার, পাতার উপরিপৃষ্ঠ উজ্জ্বল ও নিম্নপৃষ্ঠ লালচে, কিনারা মসৃণ এবং আগা সূচালো। মে-জুন মাসে লম্বা … Read more

কালা বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

কালা বাটনা -এর বিবরণ: কালা বাটনা বড় আকৃতির ও ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ৩০-৩৫ মিটার পর্যন্ত হয়। গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা এবং গোলাকার। বাকল কালো ধূসর বর্ণের এবং বহিরাবরণ লম্বালম্বি ফাটলযুক্ত। এদের পাতা সরল, আয়তাকার, লম্বায় ১৫-৩০ সেন্টিমিটার, কিনারা মসৃণ এবং আগা সূচালো। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে স্পাইক ধরনের পুষ্পবিন্যাসে ফুল ধরে। একই গাছে পুংফুলের স্পাইক … Read more

কাঁটা বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

ভূমিকা: কাঁটা বাটনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Castanopsis tribuloides) হচ্ছে  এক প্রকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। কাঁটা বাটনা-এর বিবরণ: মাঝারি আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট অতি দ্রুত বর্ধনশীল চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ১৫-২০ মিটার এবং বুক সমান উচ্চতায় গুঁড়ি কান্ডের বেড় প্রায় ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। ২। গুঁড়িকাণ্ড সরল, বেশ সোজা, গোলাকার এবং ১২ মিটার পর্যন্ত গুঁড়ি … Read more

কমলা ঢাক লতা ব্রাজিলসহ গোটা দুনিয়ার এক আলংকারিক লতা

পরিচিতি: কমলা ঢাক লতা বা সোনাঝুরি লতা হচ্ছে বিগ্নোনিয়াসি পরিবারের Pyrostegia গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের প্রজাতি। এটির আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়া। কিন্তু বর্তমানে বাগানের প্রজাতি হিসেবে সারা দুনিয়ায় বিখ্যাত। কমলা ঢাক লতা-এর বিবরণ: কমলা ঢাক লতা ক্রান্তীয়, বহুবর্ষজীবী, নমনীয় কিন্তু কাষ্ঠল, চিরসবুজ, ঝুলন্ত শাখাবহুল লম্বা লতা। খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। … Read more

লিচু বা লেচু নিরক্ষীয় ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় ফল

পরিচিতি: লিচু বা লেচু (বৈজ্ঞানিক নাম: Litchi chinensis, ইংরেজি নাম: Litchi) হচ্ছে সাপিন্ডাসি পরিবারের লিচি গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি হলো বিশ্বের সবচেয়ে রোমান্টিক ফল। প্রায় ২০০০ বছর ধরে লিচু ফলটি এই মর্যাদা উপভোগ করে আসছে। লিছু গাছ একটি চিরসবুজ, মজবুত, বহুবর্ষী, বহু শাখাযুক্ত, মাঝারি থেকে বড় আকারের বৃক্ষ। লিচু একটি নিরক্ষীয় ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের … Read more

বাংলাদেশের বিলুপ্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত অনেক প্রাণি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। দেশের ভেতরে দশ বছর আগেও যেসব প্রাণী দেখা যেত তা আর এখন দেখা যায় না। যেসব প্রাণি মাঝে মাঝে দেখা যায় সেগুলোর অনেকগুলোই পার্শবর্তী দেশ থেকে পথ ভুলে বাংলাদেশে আসে এবং এদেশের মানুষের হাতে মারা পড়ে। ফলে সেসব প্রাণি যে বাংলাদেশে আছে তা নিশ্চিত করে বলা যায় … Read more

জাভাদেশীয় গণ্ডার বাংলাদেশের বিলুপ্ত স্তন্যপায়ি

জাভাদেশীয় গণ্ডার-এর বর্ণনা: বাংলাদেশের স্তন্যপায়ীদের মধ্যে গণ্ডার ছিলো তিন প্রজাতির। এদের মধ্যে আমাদের আলোচ্য গণ্ডারের নাম জাভা গণ্ডার। মাথাসহ জাভা গণ্ডারের দৈর্ঘ্য ২ থেকে ৪ মিটার (৬.৫ থেকে১৩ ফুট) এবং এটি ১.৪-১.৭ মিটার (৪.৬-৫.৬ ফুট) উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। ওজন ৯০০ থেকে ২৩০০ কেজি হয়। হালকা ধুসর বর্ণের শরীর হয় এবং নাকের সামনে থাকা শিংটির দৈর্ঘ্য … Read more

error: Content is protected !!